শনিবার, ১ আগস্ট ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার, ১ আগস্ট ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

সমুদ্রপথের নিরাপত্তায় সৌদির জোটে বাংলাদেশসহ ১৪ দেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ২:৩৫ অপরাহ্ণ
সমুদ্রপথের নিরাপত্তায় সৌদির জোটে বাংলাদেশসহ ১৪ দেশ

লোহিত সাগর, বাব আল-মান্দেব প্রণালি ও গালফ অব এডেন অঞ্চলে নিরাপদ নৌ-চলাচল নিশ্চিত করতে বাংলাদেশসহ ১৪টি দেশকে নিয়ে নতুন একটি বহুজাতিক সমুদ্র প্রতিরক্ষা জোট গঠন করেছে সৌদি আরব। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি পরিবহনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করাই নতুন এই জোটের প্রধান লক্ষ্য বলে জানিয়েছে রিয়াদ।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা এবং ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ধারাবাহিক হামলার কারণে লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দেব অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে এই নৌপথ ব্যবহারকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলো হামলা ও নিরাপত্তাঝুঁকির মুখে পড়ায় বিশ্বব্যাপী পণ্য পরিবহন, সরবরাহ ব্যবস্থা এবং জ্বালানি বাণিজ্যের ওপরও এর প্রভাব পড়ছে।

এই পরিস্থিতিতে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন এই জোট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে সৌদি আরব। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতির বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।

জোটে বাংলাদেশসহ ১৪ দেশ

সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি অনুযায়ী, ‘মাল্টিন্যাশনাল মেরিটাইম ডিফেন্স অ্যালায়েন্স’ নামে নতুন এই জোটে বাংলাদেশসহ মোট ১৪টি দেশ যুক্ত হয়েছে। সদস্য দেশগুলো হলো—বাংলাদেশ, সৌদি আরব, তুরস্ক, কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, জর্ডান, মিসর, পাকিস্তান, জিবুতি, সোমালিয়া, ইয়েমেন, সুদান ও কোমোরোস।

ভৌগোলিক অবস্থান ও কৌশলগত গুরুত্বের দিক থেকে এসব দেশের অনেকগুলোই লোহিত সাগর, আরব সাগর, গালফ অব এডেন এবং বাব আল-মান্দেব অঞ্চলের সঙ্গে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে যুক্ত। ফলে সমুদ্রপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসব দেশের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষণ
সৌদি আরবের নেতৃত্বে গঠিত এই জোটের মাধ্যমে সদস্য দেশগুলো নিজেদের মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি সমুদ্রপথে সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলায় সমন্বিতভাবে কাজ করবে বলে জানানো হয়েছে।

নিরাপদ নৌ-চলাচল নিশ্চিত করাই প্রধান লক্ষ্য

সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নতুন এই জোটের প্রধান লক্ষ্য হলো বাব আল-মান্দেব প্রণালি, লোহিত সাগর এবং গালফ অব এডেন এলাকায় নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন নৌ-চলাচল নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করতেও সদস্য দেশগুলো একসঙ্গে কাজ করবে।

এ লক্ষ্যে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান, নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী যৌথ কার্যক্রম পরিচালনার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

জোটের আওতায় যৌথ সামরিক মহড়া পরিচালনার পাশাপাশি সমুদ্রপথে কোনো ধরনের নিরাপত্তা হুমকি দেখা দিলে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে দ্রুত সমন্বয় করে পরিস্থিতি মোকাবিলার উদ্যোগ নেওয়া হবে। তবে এ জোটের সামরিক কাঠামো, নেতৃত্বের ধরন এবং সদস্য দেশগুলোর নির্দিষ্ট দায়িত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

‘কোনো দেশকে লক্ষ্য করে নয়’

সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করে জানিয়েছে, নতুন এই বহুজাতিক সমুদ্র প্রতিরক্ষা জোট সম্পূর্ণরূপে প্রতিরক্ষামূলক। এটি কোনো নির্দিষ্ট দেশ বা গোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে গঠন করা হয়নি।

সৌদি কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, সমুদ্রপথের নিরাপত্তা রক্ষা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে অন্য দেশগুলোও চাইলে এই জোটে যোগ দিতে পারবে।

এতে ধারণা করা হচ্ছে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জোটটির সদস্য সংখ্যা আরও বাড়তে পারে এবং লোহিত সাগর ও আশপাশের সমুদ্রপথের নিরাপত্তায় এটি একটি বৃহত্তর আঞ্চলিক সহযোগিতা কাঠামো হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।

হুথি হামলায় বেড়েছে নিরাপত্তা উদ্বেগ

লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে নিরাপত্তা উদ্বেগের অন্যতম কারণ হয়ে উঠেছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের হামলা। গাজা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে হুথিরা ইসরায়েল-সংশ্লিষ্ট এবং পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন বাণিজ্যিক জাহাজকে লক্ষ্য করে হামলা চালানোর দাবি করে আসছে।

এসব হামলার কারণে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে চলাচলকারী অনেক জাহাজকে বিকল্প দীর্ঘ সমুদ্রপথ ব্যবহার করতে হয়েছে। এতে জাহাজ চলাচলের সময় ও ব্যয় বেড়েছে এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে দীর্ঘস্থায়ী অস্থিতিশীলতা তৈরি হলে শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, এর প্রভাব ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকার বাণিজ্য ব্যবস্থাতেও পড়তে পারে।

বৈশ্বিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ

লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দেব প্রণালি আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট। এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের মধ্যে পণ্য পরিবহনে এই নৌপথের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।

সুয়েজ খাল হয়ে ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে চলাচলকারী বহু বাণিজ্যিক জাহাজকে বাব আল-মান্দেব প্রণালি অতিক্রম করতে হয়। ফলে এ অঞ্চলে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে আন্তর্জাতিক পণ্য পরিবহন ব্যবস্থায় বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।

এ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের তেল ও জ্বালানি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পরিবহনের ক্ষেত্রেও লোহিত সাগর ও আশপাশের নৌপথ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ফলে নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে এই রুটে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হলে জ্বালানি সরবরাহের ওপর চাপ তৈরি হতে পারে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামও অস্থির হয়ে উঠতে পারে।

সদর দপ্তর হবে সৌদি আরবে

সৌদি আরব জানিয়েছে, নতুন এই বহুজাতিক সমুদ্র প্রতিরক্ষা জোটের সদর দপ্তর সৌদি আরবেই স্থাপন করা হবে। তবে সদর দপ্তরের নির্দিষ্ট অবস্থান এবং জোটের প্রশাসনিক কাঠামো সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

এ ছাড়া সদস্য দেশগুলো কী ধরনের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে এই জোটে অংশ নেবে, কতসংখ্যক যুদ্ধজাহাজ বা বিমান মোতায়েন করা হবে কিংবা যৌথ অভিযানে কোন দেশের কী ধরনের ভূমিকা থাকবে—এসব বিষয়েও এখনো স্পষ্ট কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

তবে নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, জোটটি কার্যকরভাবে পরিচালিত হলে লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দেব অঞ্চলে সামুদ্রিক নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও জোরদার হতে পারে। একই সঙ্গে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সম্ভাব্য হামলার ঝুঁকি কমাতেও এটি ভূমিকা রাখতে পারে।

আঞ্চলিক নিরাপত্তায় নতুন সমীকরণ

সৌদি আরবের নেতৃত্বে ১৪ দেশের এই নতুন সমুদ্র প্রতিরক্ষা জোট মধ্যপ্রাচ্য ও আশপাশের অঞ্চলের নিরাপত্তা কাঠামোয় নতুন একটি সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

বিশেষ করে লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দেবের মতো কৌশলগত নৌপথে নিরাপত্তা জোরদারে আঞ্চলিক দেশগুলোর মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তবে জোটটির বাস্তব কার্যক্রম, সামরিক সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ ভূমিকা কতটা বিস্তৃত হবে, তা নির্ভর করবে সদস্য দেশগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা ও বাস্তবসম্মত সমন্বয়ের ওপর।

এদিকে বাংলাদেশসহ ১৪টি দেশের অংশগ্রহণ নতুন এই উদ্যোগকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো সমুদ্রনির্ভর বাণিজ্যিক দেশের জন্য আন্তর্জাতিক নৌপথের নিরাপত্তা গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই জোটের কার্যক্রম ভবিষ্যতে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সামুদ্রিক নিরাপত্তায় কী ধরনের প্রভাব ফেলে, সেদিকে নজর থাকবে সংশ্লিষ্ট মহলের।

Ads small one

জাতীয় অধ্যাপক ডা. এম আর খান-এর ৯৮তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ৭:২৬ অপরাহ্ণ
জাতীয় অধ্যাপক ডা. এম আর খান-এর ৯৮তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন

সংবাদদাতা: আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন প্রথিতযশা শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ প্রয়াত জাতীয় অধ্যাপক ডা. এম আর খান-এর ৯৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া, প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১ আগস্ট) বিকাল ৪টায় শিশু স্বাস্থ্য ফাউন্ডেশনের সাতক্ষীরা আঞ্চলিক কার্যালয়ের হলরুমে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানের সহ-সভাপতি সেখ মোয়াজ্জেম হোসেন।

 

প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ্ কাউসার আজিজ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, জাতীয় অধ্যাপক ডাক্তার এম আর খান সাতক্ষীরা তথা দেশের গর্ব। তিনি তার জীবদ্দশায় শিশুদের সেবায় ও কল্যাণে আজীবন কাজ করে গেছেন। প্রতিযশা শিশু বিশেষজ্ঞ ডাঃ এম আর খান দেশের মানুষের হৃদয়ে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। সাতক্ষীরা শিশু হাসপাতালকে ৫০ সজ্জা বিশিষ্ট হাসপাতালে পরিণত করার পরিকল্পনা আছে আমাদের।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব ডাঃ আবুল কালাম বাবলা, শিশু স্বাস্থ্য ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ’র মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার রেজা করিম ও ট্রেজারার ওবায়দুল কবির খান প্রমুখ।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন একরামুল কবির খান, জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত ব্যক্তিত্ব তৈয়েব হাসান বাবু, ডাঃ সুশান্ত ঘোষ প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে শিশু স্বাস্থ্য ফাউন্ডেশন চত্বরে বৃক্ষরোপণ করেন বিভিন্ন সেক্টরের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন অতিথিবৃন্দ। প্রয়াত জাতীয় অধ্যাপক ডাক্তার এম আর খানের রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া মোনাজাত করা হয়।

সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টারের ইন্সটাক্টর মোঃ আশিকুর রহমান ও থযমাস সাপোর্ট সার্ভিসেস সেন্টারের শিক্ষক জাহানারা খাতুন।

 

সাতক্ষীরায় শিক্ষক পদোন্নতিতে মহাপরিচালকের প্রতিনিধি হলেন ঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ৭:২১ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় শিক্ষক পদোন্নতিতে মহাপরিচালকের প্রতিনিধি হলেন ঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ

সংবাদদাতা: বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবলকাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুয়ায়ী কর্মরত প্রভাষক থেকে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি প্রদানের লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত কমিটিতে সাতক্ষীরা জেলায় মহাপরিচালক এর প্রতিনিধি হিসাবে মনোনয়ন পেয়েছেন ঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ খলিলুর রহমান।

গত বুধবার (২৯ জুলাই, ২০২৬) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা, খুলনা অঞ্চল-এর পরিচালক প্রফেসর ড. মো. আনিস-আর-রেজা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়। এর ফলে অধ্যক্ষ খলিল সাতক্ষীরা জেলায় বেসরকারি কলেজের কর্মরত প্রভাষক থেকে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি প্রদানের লক্ষ্যে গঠিত কমিটিতে তালিকাভুক্ত হয়েছেন। এজন্য অধ্যক্ষ মোঃ খলিলুর রহমানকে ঝাউডাঙ্গা কলেজ পরিবার, শুভাকাঙ্খী ও এলাকাবাসী অভিনন্দন জানিয়েছেন।

 

ত্রিশ মাইলমোড় ইজিবাইক সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত: সভাপতি নাজমুল, সম্পাদক আশরাফ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ৭:০৭ অপরাহ্ণ
ত্রিশ মাইলমোড় ইজিবাইক সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত: সভাপতি নাজমুল, সম্পাদক আশরাফ

তালা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালা উপজেলার নগরঘাটা ইউনিয়নের ৩০ মাইলমোড় ইজিবাইক সমিতির এক বছর মেয়াদি নির্বাচন শনিবার (১ আগস্ট) উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে সমিতির ১০৭ জন সদস্য তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। বিভিন্ন পদে মোট ১৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

নির্বাচন উপলক্ষে দুপুর ১টায় বাজার কমিটি ও ইজিবাইক সমিতির সদস্যদের অংশগ্রহণে এক প্রীতি ভোজের আয়োজন করা হয়। পরে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোটগ্রহণ শেষে গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করেন নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান মহব্বত আলী সরদার।

ফলাফলে সভাপতি পদে নাজমুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক পদে আশরাফুল ইসলাম, ক্যাশিয়ার পদে ফারুক হোসেন, সহ-সভাপতি পদে জাহিদ হোসেন এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে মারুফ হোসেন নির্বাচিত হন।

নির্বাচন পরিচালনায় সহযোগিতা করেন নগরঘাটা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নুরুজ্জামান মুকুল, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য আবুল কালাম আজাদ এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্য ফারুক হোসেন।

সাধারণ ভোটাররা জানান, উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ সমিতির উন্নয়ন, সদস্যদের অধিকার রক্ষা এবং সুখে-দুঃখে সদস্যদের পাশে থেকে কাজ করবেন।

এদিকে, নির্বাচন চলাকালে পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সাংবাদিক মারুফ হুসাইন।