বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩

সম্পাদকীয়:প্রসঙ্গ: নাগরিক দুর্ভোগের অবসান হবে কবে?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ১১:৪৩ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়:প্রসঙ্গ: নাগরিক দুর্ভোগের অবসান হবে কবে?

oppo_0

একটি আধুনিক ও প্রথম শ্রেণীর পৌরসভায় নাগরিকরা নিয়মিত কর পরিশোধ করবেন, আর বিনিময়ে পাবেন ন্যূনতম নাগরিক সুবিধাÑএটাই স্বাভাবিক নিয়ম। কিন্তু সাতক্ষীরা পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের মধ্যকাটিয়া এলাকার চিত্র দেখলে মনে হয়, সেখানকার বাসিন্দারা যেন কোনো পরিত্যক্ত জনপদে বসবাস করছেন। পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, মধ্যকাটিয়ার একটি জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাব এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থার বেহাল দশার কারণে কার্যত একটি উন্মুক্ত নর্দমায় পরিণত হয়েছে। কাদা, প্লাস্টিক বর্জ্য এবং ড্রেনের উপচে পড়া কালো, দুর্গন্ধযুক্ত পানি মাড়িয়ে প্রতিদিন চলাচল করতে হচ্ছে হাজার হাজার মানুষকে। একই চিত্র সাতক্ষীরা তুফান কোম্পানীর মোড় থেকে পিএন স্কুল মোড় পর্যন্ত সড়টির। এ সড়কটির কোথাও আস্ত নেই।
একটি সভ্য সমাজে যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম সড়ক যদি এমন নরককু-ে পরিণত হয়, তবে তা অত্যন্ত দুঃখজনক ও লজ্জাজনক। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ড্রেনগুলো দীর্ঘদিন পরিষ্কার না করায় পানি নিষ্কাশন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই ড্রেনের ময়লা-আবর্জনা ও বিষাক্ত পানি উপচে রাস্তায় জমে থাকছে। রাস্তার বড় বড় গর্তগুলো এই নোংরা পানির নিচে লুকিয়ে থাকায় প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে বৃদ্ধ ও নারীদের প্রতিদিন যে অবর্ণনীয় কষ্ট সহ্য করতে হচ্ছে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
ভোগান্তির এখানেই শেষ নয়; এই জমে থাকা নোংরা পানি ও আবর্জনার কারণে এলাকায় মশা-মাছির উপদ্রব মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে ডেঙ্গু, ডায়রিয়া ও চর্মরোগসহ বিভিন্ন প্রাণঘাতী স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা, বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা। এলাকার মানুষ ঘরের দরজা-জানালা পর্যন্ত খুলতে পারছেন না দুর্গন্ধের কারণে। অথচ নাগরিকরা নিয়মিত পৌরকর পরিশোধ করে যাচ্ছেন। ট্যাক্স দিয়েও কেন মানুষকে এমন আদিম ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের মধ্যে বাস করতে হবেÑএই প্রশ্ন এখন জোরালো হয়ে উঠেছে।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, স্থানীয় বাসিন্দারা বারবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এই সমস্যার কথা জানালেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বর্ষা মৌসুম দরজায় কড়া নাড়ছে, এই অবস্থায় দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি যে আরও কতটা ভয়াবহ ও নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়বে, তা সহজেই অনুমেয়।
পৌরসভার পক্ষ থেকে বরাবরের মতোই “বিষয়টি অবগত আছি এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে” ধরনের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমরা মনে করি, শুধু মুখের আশ্বাস বা আশ্বাসের চাদরে দুর্ভোগ ঢেকে রাখার সময় আর নেই। মধ্যকাটিয়াবাসীর এই দুর্ভোগ লাঘবে এখন প্রয়োজন তাৎক্ষণিক ও স্থায়ী সমাধান।
আমরা সাতক্ষীরা পৌরসভা কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই—অবিলম্বে মধ্যকাটিয়া এলাকার ড্রেনগুলো পরিষ্কার করে পানি নিষ্কাশনের স্থায়ী ব্যবস্থা করা হোক এবং ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাটি জরুরি ভিত্তিতে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হোক। নাগরিকদের সুস্থ ও নিরাপদভাবে বেঁচে থাকার অধিকার নিশ্চিত করা পৌরসভার আইনি ও নৈতিক দায়িত্ব। আশা করি, কর্তৃপক্ষ আর কালক্ষেপণ না করে দ্রুত মাঠে নামবেন এবং মধ্যকাটিয়াবাসীকে এই দুঃসহ নরকযন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেবেন।

Ads small one

তীব্র লোডশেডিংয়ে অচল সাতক্ষীরা সদর: গ্রামে ত্রাহি অবস্থা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:৪২ অপরাহ্ণ
তীব্র লোডশেডিংয়ে অচল সাতক্ষীরা সদর: গ্রামে ত্রাহি অবস্থা

সংবাদদাতা: কোনো এলাকাতেই স্বস্তি নেই; তীব্র তাপদাহ আর ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে স্থবির হয়ে পড়েছে পুরো সাতক্ষীরা সদর উপজেলা। শহরের কাটিয়া, পলাশপোল, ইটাগাছা কিংবা সুলতানপুর-সবখানেই বিদ্যুতের একই দশা। অপরদিকে গ্রামীণ ফিডারগুলোর অবস্থা আরও শোচনীয়। ঝাউডাঙ্গা, বল্লী, ফিংড়ী, বাশদহা কিংবা কুশখালী ইউনিয়নে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অর্ধেকর ও বেশি সময়ই বিদ্যুৎ থাকছে না। স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন, এটি এখন আর সাধারণ বিভ্রাট নয়, এটি বিদ্যুতের ‘মহামারি’।

সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ও ওজোপাডিকো মিলিয়ে পুরো জেলায় বর্তমানে বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১৫০ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ মিলছে মাত্র ৯৫ মেগাওয়াট। প্রতিদিন প্রায় ৫৫ মেগাওয়াট ঘাটতি নিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে সরবরাহ।

পৌর এলাকায় তাও কিছুটা বিদ্যুৎ পাওয়া গেলেও, সদরের গ্রামগুলোতে লোডশেডিংয়ের মাত্রা ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। রাতে কমপক্ষে ৮ থেকে ১০ বার বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করছে।

সাতক্ষীরা বিসিক শিল্পনগরী সূত্র জানায়, ৪২টি কারখানাসহ সদরের শত শত লেদ ও চালকলের উৎপাদন পুরোপুরি লাটে উঠেছে। বিদ্যুৎ না থাকায় শ্রমিকেরা অলস বসে থাকছেন, অথচ মালিকদের গুনতে হচ্ছে নিয়মিত বেতন।
দাবদাহের কারণে ফসলের মাঠ শুকিয়ে চৌচির হলেও বিদ্যুৎ সংকটে সেচ পাম্পগুলো চালানো যাচ্ছে না। এতে আমন ও রবি শস্যের আবাদ মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে।

রাতে বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীদের বিশেষ করে পরীক্ষার্থীদের পড়াশোনা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। প্রচন্ড গরমে ভাইরাসজনিত রোগ ও চর্মরোগের প্রকোপ বাড়ায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজে রোগীর ভিড় উপচে পড়ছে।

ক্ষুব্ধ গ্রাহক ও কর্তৃপক্ষের অসহায়ত্ব বিদ্যুতের এই ভয়াবহ সংকটের কারণে সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অনেক এলাকায় গ্রাহকেরা বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তাদের অবহেলাকে দায়ী করছেন। তবে বিদ্যুৎ বিভাগের দাবি, জাতীয় গ্রিড থেকে চাহিদা অনুযায়ী বরাদ্দ না পাওয়ায় তাদের কিছুই করার নেই। তীব্র গরমে ফ্যানের পাশাপাশি এসির ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় লোড আরও বেড়েছে, যা বর্তমান সরবরাহ দিয়ে সামাল দেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সংবাদদাতা: মোঃ রবিউল ইসলাম

জনবল-সংকটে থমকে যাচ্ছে চিংড়ি চাষ প্রদর্শনী খামারের কার্যক্রম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:৪১ অপরাহ্ণ
জনবল-সংকটে থমকে যাচ্ছে চিংড়ি চাষ প্রদর্শনী খামারের কার্যক্রম

কোটি টাকার আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারে নেই টেকনিশিয়ান, অকেজো হওয়ার শঙ্কা

সংবাদদাতা: চিংড়ি শিল্পকে আধুনিক ও টেকসই করতে ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল চিংড়ি চাষ প্রদর্শনী খামার। উদ্দেশ্য ছিল গবেষণা, উন্নত পোনা উৎপাদন, পানির গুণগত মান পর্যবেক্ষণ এবং খামারিদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি। কিন্তু প্রয়োজনীয় জনবল ও দক্ষ টেকনিশিয়ানের অভাবে সেই স্বপ্ন এখন অনেকটাই থমকে গেছে। কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে স্থাপিত আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারের অভাবে অকেজো হয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

খামারটিতে রয়েছে আধুনিক হ্যাচারি, পিসিআর ল্যাব, কোয়ারেন্টাইন ল্যাবসহ বিভিন্ন ভারী ও আধুনিক যন্ত্রপাতি। পাশাপাশি রয়েছে পানির গুণগত মান পরীক্ষার (ওয়াটার কোয়ালিটি টেস্টিং) ব্যবস্থা, উন্নত পোনা উৎপাদনের প্রযুক্তি এবং গবেষণাগার। এসব প্রযুক্তির মাধ্যমে রোগমুক্ত ও মানসম্মত পোনা উৎপাদন, পানির পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ এবং রোগ প্রতিরোধ বিষয়ে গবেষণার সুযোগ থাকলেও দক্ষ অপারেটর ও পর্যাপ্ত প্রযুক্তিগত জনবল না থাকায় অনেক যন্ত্রই নিয়মিত ব্যবহার করা যাচ্ছে না।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চিংড়ি শিল্প এখন কঠিন সময় পার করছে। রোগব্যাধি, মানসম্মত পোনার সংকট, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের কারণে অনেক খামারি ক্ষতির মুখে পড়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে গবেষণা ও প্রশিক্ষণভিত্তিক এই প্রদর্শনী খামার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারত। কিন্তু জনবল সংকটের কারণে প্রতিষ্ঠানটি তার পূর্ণ সক্ষমতা কাজে লাগাতে পারছে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক চিংড়ি চাষে পানির তাপমাত্রা, লবণাক্ততা, দ্রবীভূত অক্সিজেন ও পিএইচ পর্যবেক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব তথ্যের ভিত্তিতে রোগ প্রতিরোধ ও উৎপাদন বৃদ্ধি সম্ভব। এজন্য উন্নত ল্যাব ও পরীক্ষণ যন্ত্রের প্রয়োজন হলেও শুধু যন্ত্রপাতি স্থাপন করলেই হবে না, সেগুলো পরিচালনার জন্য দক্ষ জনবলও অপরিহার্য।
খামারের একটি প্রধান লক্ষ্য ছিল মাঠপর্যায়ের চাষিদের আধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া। আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাও বলছে, প্রদর্শনী খামার ও হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ কৃষকদের নতুন প্রযুক্তি গ্রহণে সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি। কিন্তু বর্তমানে নিয়মিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় উপকূলের বহু খামারি সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

এদিকে চিংড়ি শিল্পে রোগব্যাধির ঝুঁকি বাড়ছে। অতীতে ব্যাকটেরিয়া আক্রমণে দেশের বিভিন্ন হ্যাচারিতে শতকোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। আবার ভাইরাসজনিত রোগে সাতক্ষীরা অঞ্চলের চিংড়ি খামারগুলোও বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে। গবেষণা ও আগাম সতর্কতামূলক কার্যক্রম জোরদার না হলে ভবিষ্যতেও এমন সংকট দেখা দিতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

খামার সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, বর্তমানে অনেক যন্ত্রপাতি সীমিতভাবে ব্যবহার হচ্ছে, কিছু যন্ত্র দীর্ঘদিন ধরে অচল অবস্থায় রয়েছে। সময়মতো রক্ষণাবেক্ষণ না হলে এসব মূল্যবান যন্ত্রপাতি স্থায়ীভাবে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তখন নতুন করে যন্ত্রপাতি কেনা ও অবকাঠামো সচল করতে আবারও বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হবে।

সাতক্ষীরাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল দেশের চিংড়ি উৎপাদনের অন্যতম কেন্দ্র। জেলার হাজার হাজার পরিবার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এ খাতের ওপর নির্ভরশীল। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রদর্শনী খামারটি পূর্ণ সক্ষমতায় চালু করা গেলে মানসম্মত পোনা উৎপাদন, রোগ ব্যবস্থাপনা এবং আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কিন্তু দ্রুত জনবল নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালু না হলে কোটি টাকার প্রযুক্তি অব্যবহৃত থেকে যাবে, আর হারিয়ে যেতে পারে চিংড়ি শিল্পে সম্ভাবনার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।

সাতক্ষীরা জেলা চিংড়ি পোনা ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি এবং শ্রিম্প হ্যাচারি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (সেব)-এর সাতক্ষীরা ও খুলনা অঞ্চলের সভাপতি ডা. আবুল কালাম বাবলা বলেন, “সাতক্ষীরার পিসিআর ল্যাব চালু করা গেলে পোনা ছাড়ার আগে জীবাণু আছে কি না তা জানা যেত। এতে আমাদের উৎপাদন অনেক ভালো হতো।” তিনি আরও বলেন, “এই যন্ত্রপাতিগুলো চালুর বিষয়ে আমি সচিবালয়ের বৈঠকেও জানিয়েছি। কিন্তু জনবল সংকটের কারণে তা সম্ভব হচ্ছে না। এ বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন।”

চিংড়ি চাষ প্রদর্শনী খামারের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহ: শফিকুল ইসলাম বলেন, আধুনিক এসব যন্ত্রপাতি জেলা মৎস্য কর্মকর্তার অধীনে। “আপনি উনার সাথে কথা বলুন। আমি একটি মিটিংয়ে আছি, পরে কথা হবে,”
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জি. এম. সেলিম বলেন, “সাতক্ষীরা থেকে দেশের প্রায় ৮০ শতাংশ বাগদা চিংড়ি উৎপাদন হয়। এখানে পিসিআর ল্যাব, কোয়ারেন্টাইন ল্যাবসহ অনেক ভারী ও আধুনিক যন্ত্রপাতি রয়েছে। কিন্তু জনবল সংকটের কারণে সেগুলো ব্যবহার করা যাচ্ছে না। এসব যন্ত্রপাতির কেমিক্যালের মেয়াদ ২০২৮ সালে শেষ হয়ে যাবে। আমরা আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে জনবল নেওয়ার জন্য লিখিতভাবে জানিয়েছি। এসব যন্ত্র ব্যবহার করা খুবই প্রয়োজন।”

 

তিনি আরও বলেন, “আগে এসব পরীক্ষার জন্য খুলনা বা ঢাকায় যেতে হতো। এখন এখানে পরীক্ষা করা সম্ভব হলে সময় ও খরচ দুটোই কমবে। পোনাগুলো জীবাণুমুক্ত কি না তা পরীক্ষা করা যাবে, এতে ব্যবসায়ীরা লাভবান হবেন। এছাড়া পানির গুণগত মান পরীক্ষার জন্যও এখানে আধুনিক যন্ত্রপাতি রয়েছে।” সংবাদদাতা আব্দুর রহমান

 

 

সাতক্ষীরায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক সাবেক এমপি হাবিব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:৪০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক সাবেক এমপি হাবিব

পত্রদূত ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত “৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ” কর্মসূচির অংশ হিসেবে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উদোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় জেলা পরিষদ চত্বরে উক্ত বৃক্ষরোপণ কর্মসুচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব।

প্রধান অতিথি এসময় তার বক্তব্যে বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলা এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নির্দেশনা বাস্তবায়নে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ জেলার বিভিন্ন স্থানে বিপুল পরিমাণ গাছের চারা রোপণ ও বিতরণের উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি জেলার সর্বস্তরের মানুষকে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান। উপস্থিত সকলে এই সবুজ বিপ্লব সফল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এসময় সেখানে আরো উপস্থিত জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) এসএম মাহফুজুর রহমান, সাতক্ষীরার জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক আবুল হাসান হাদী, সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু, বিএনপি নেতা আব্দুর রউফ, কামরুল ইসলাম ফারুক, মাসুম বিল্লাহ শাহীন, সোহেল আহমেদ মানিক, জেলা তাতী দলের সভাপতি হাসান শাহারিয়ার রিপন, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শেখ আবু রায়হানসহ বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী, জেলা পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগণ।