সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩

তালায় বীমার নামে ২৫ লক্ষ টাকার আত্মসাতের প্রতিবাদে মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ১২:৩৯ পূর্বাহ্ণ
তালায় বীমার নামে ২৫ লক্ষ টাকার আত্মসাতের প্রতিবাদে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিনিধি: তালা সদর ইউনিয়নের সংরক্ষিত ৪, ৫, ৬ নং ওয়ার্ডের সদস্য সাহিদা বেগমের বিরুদ্ধে বীমার নামে ১শত ৮ জনের ২৫লক্ষ টাকার আত্মসাতের অভিযোগে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন ভুক্তোভোগী পরিবার। এসময় ভুক্তোভোগীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), থানা পুলিশ, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেল ৪টায় উপজেলার ডাঙ্গা নলতা মাঝারপাড়া এলাকায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে ডাঙ্গানলতা, জাতপুর, আটরাই, খানপুর, জেয়ালা ও আশপাশের এলাকার শতাধিক ভুক্তভোগী অংশগ্রহণ করেন। পপুলার হেলথ এন্ড এডুকেশন সঞ্চয় ও ঋণদান কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে সংগৃহীত প্রায় ২৫লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী বক্তরা হলেন, কতুব উদ্দীন মাহমুদ, নুর আলি শেখ, পীর আলি শেখ, কালাম মাহামুদ, আরিজুল মালি, জহিরুল ইসলাম, জিহাদ মালি, নীলিমা বেগম, সুফিয়া বেগম, পারভীন, সুফিয়া রশিদা, রিজিয়া,সোরাইয়া, মুক্তা প্রমুখ।
সমাবেশ ও মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন তালা সদর ইউনিয়নের ৪, ৫ ও ৬নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত সদস্য, জামায়াতে ইসলামীর মহিলা রোকন, পরলোভী, অর্থ আত্মসাতকারী সাহিদা বেগম পপুলার হেলথ এন্ড এডুকেশন সঞ্চয় ও ঋণদান কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন প্রলোভন ও অধিক মুনাফার আশ্বাস দিয়ে এলাকার সাধারণ মানুষকে সদস্য করেন। পরে প্রায় ১০৮ জন সদস্যের কাছ থেকে সঞ্চয় ও বীমার নামে প্রায় ২৫ লাখ টাকা সংগ্রহ করা হয়।
ভুক্তভোগীরা জানান, প্রতিষ্ঠানটির বীমা প্রকল্পের মেয়াদ ছিল ৫ বছর। কিন্তু বীমার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও ৮ থেকে ৯ বছর অতিবাহিত হলেও তারা তাদের জমাকৃত টাকা ও প্রাপ্য মুনাফা ফেরত পাননি। বারবার টাকা ফেরতের জন্য যোগাযোগ করা হলেও নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
তারা আরও জানান, দিনমজুরির আয়, ভ্যান চালানোর উপার্জন, ডিম বিক্রির টাকা, ক্ষুদ্র ব্যবসার লাভ এবং প্রবাসী স্বজনদের পাঠানো অর্থসহ কষ্টার্জিত সঞ্চয় ওই প্রতিষ্ঠানে জমা রেখেছিলেন। কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পরও অর্থ ফেরত না পেয়ে তারা চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন।
বক্তারা বলেন, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিক সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সালিশে সাহিদা বেগম নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টাকা পরিশোধের অঙ্গীকার করে স্ট্যাম্প ও ব্ল্যাংক চেক প্রদান করেন। কিন্তু প্রতিশ্রুত সময় পেরিয়ে গেলেও তিনি অর্থ পরিশোধ করেননি বলে অভিযোগ করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তরা আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা আমীর, উজেলা আমীর, ইউনিয়ন আমীরসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতাদের কাছে অভিযোগ দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত তারা কোনো কার্যকর প্রতিকার পাননি। দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগের সুষ্ঠু বিচার এবং ভুক্তভোগীদের পাওনা অর্থ ফেরত দেওয়ার দাবি জানান তারা।
তবে অভিযোগের বিষয়ে সংরক্ষিত মহিলা সদস্য শাহিদা বেগমের কাছে মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেন আমি খুলনা থেকে বাড়িতে আসছি। গাড়িতে থাকায় কিছু শোনা যাচ্ছেনা বলে মোবাইল সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন ।

Ads small one

সুন্দরবনের শাকবাড়িয়া নদী থেকে ৭০ কেজি হরিণের মাংস ও ২টি মাথা উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৫৫ অপরাহ্ণ
সুন্দরবনের শাকবাড়িয়া নদী থেকে ৭০ কেজি হরিণের মাংস ও ২টি মাথা উদ্ধার

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ খুলনা রেঞ্জের আওতাধীন কাশিয়াবাদ ফরেস্ট ষ্টেশনের অধীনস্থ শাকবাড়িয়া নদী থেকে ৭০ কেজি হরিণের মাংস, ২ টি হরিণের মাথা, ১ টি নৌকাসহ অন্যান্য সরঞ্জাম জব্দ করেছে বন বিভাগ। এসময় বন বিভাগের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় চোরাকারকারিরা

রবিবার রাত আনুমানিক ৮ টার দিকে সংরক্ষিত সুন্দরবনের ক/৩৬ এর শাকবাড়িয়া নদী সংলগ্ন ০৬ নং কয়রা পল্টন এলাকা থেকে বন বিভাগের বিশেষ অভিযানে ৭০ কেজি হরিণের মাংস, ২ টি হরিণের মাথা, ১ টি নৌকা, ১ টি দা ও ১০ ফুট লম্বা পলিথিন উদ্ধার করা হয়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন কাশিয়াবাদ ফরেস্ট ষ্টেশন কর্মকর্তা ডেপুটি রেঞ্জার মোঃ নাসির উদ্দীন।

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা মোঃ নাসির উদ্দীন স্বর্গীয় ষ্টাফ নিয়ে অভিযান পরিচালনা করে। এসময় বন বিভাগের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারকারিরা পালিয়ে যায়। এসময় নৌকায় তল্লাশি করে ৭০ কেজি হরিণের মাংস, ২ টি হরিণের মাথা, ১ টি নৌকা, ১ টি দা ও ১০ ফুট লম্বা পলিথিন জব্দ করে।

কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা মোঃ নাসির উদ্দীন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সঙ্গীয় স্টাফ নিয়ে অভিযান পরিচালনা করি। এসময় আমাদের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারকারিরা পালিয়ে যায়। এসময় নৌকায় তল্লাশি করে ৭০ কেজি হরিণের মাংস, ২ টি হরিণের মাথা, ১ টি নৌকা, ১ টি দা ও ১০ ফুট লম্বা পলিথিন জব্দ করে। তিনি আরও বলেন, আদালতে নির্দেশে জব্দকৃত হরিণের মাংস মাটিতে পুঁতে বিনষ্ট করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে বন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আশাশুনি উপকূলে ৩শ পরিবারের মাঝে ১০ হাজার গাছের চারা বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৪৮ অপরাহ্ণ
আশাশুনি উপকূলে ৩শ পরিবারের মাঝে ১০ হাজার গাছের চারা বিতরণ

নিজস্ব প্রতিনিধি: উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি, পরিবারের পুষ্টি নিশ্চিতকরণ এবং অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলায় ৩০০ পরিবারের মাঝে ১০ হাজার ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে আশাশুনি উপজেলা অ্যাডাপটেশন ক্লিনিক প্রাঙ্গণে ব্র্যাক এর ক্লাইমেট অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইনোভেশন প্রোগ্রামের (সিইআইপি) আওতাধীন ‘রেইন ফর লাইফ’ প্রকল্পের উদ্যোগে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামানন্দ কুন্ডু।

ব্র্যাকের ক্লাইমেট অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইনোভেশন প্রোগ্রামের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রকল্পের অপারেশন ম্যানেজার মো. সফিকুর রহমান স্বপন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুস সোবাহান, ব্র্যাকের কর্মকর্তা মো. শহীদুল ইসলাম, কাজী এনামুল হক এবং সেক্টর স্পেশালিস্ট (কৃষি) মো. শাহীন হোসেনসহ ব্র্যাকের অন্যান্য কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও উপকারভোগীরা।

আয়োজকরা জানান, আশাশুনি উপজেলার বড়দল, বুধহাটা, কাদাকাটি ও কুল্লা ইউনিয়নের প্রায় ৩০০টি পরিবারের মধ্যে প্রায় ১০ হাজার ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হচ্ছে। এসব চারা বসতভিটা ও আশপাশে রোপণের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং পরিবারের অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

 

বাইকের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছে ধাক্কা লেগে ঠিকাদার নিহত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৩:২২ অপরাহ্ণ
বাইকের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছে ধাক্কা লেগে ঠিকাদার নিহত

ফকিরহাট (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : বাগেরহাটের ফকিরহাটে মটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সাথে ধাক্কা লেগে শেখ শুবাইর রহমান বাবলু (৩৫) নামের এক ঠিকাদার নিহত হয়েছেন। খুলনা-মোংলা মহাসড়কের ফকিরহাট উপজেলার পিলজংগের শ্যামবাগাত এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ঠিকাদার খুলনা সোনাডাঙ্গা এলাকার শেখ হাফিজুর রহমানের ছেলে।

পুলিশ জানান, শেখ শুবাইর রহমান বাবলু সোমবার (৩ আগষ্ট) রাত দেড়টার দিকে মোংলা থেকে মটরসাইকেলযোগে খুলনা যাচ্ছিলেন। পিলজংগ শ্যামবাগাত এসে পৌছালে মটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশে মেহগনি গাছের সাথে সাজোরে ধাক্কা লাগে।

এতে তিনি গুরুত্বর আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শেখ শুবাইর রহমান মৃত বলে ঘোষনা করেন। দুর্ঘটনায় মটরসাইকেলটি দুমড়ে-মূচড়ে গেছে।

কাটাখালী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ শাহাজাহান বলেন, মটরসাইকেল দুর্ঘটনায় শেখ শুবাইর রহমান বাবলু নামে এক ঠিকাদার মারা গেছেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।