মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় এলবিডব্লিউএফ-এর ব্যবসায়ী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় এলবিডব্লিউএফ-এর ব্যবসায়ী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

সংবাদদাতা: সুদমুক্ত ও ইসলামী নীতিমালা অনুসরণ করে ব্যবসা পরিচালনায় ব্যবসায়ীদের উদ্বুদ্ধ করতে সাতক্ষীরায় ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্টস অ্যান্ড বিজনেসমেন ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন (এলবিডব্লিউএফ)-এর ব্যবসায়ী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টায় সাতক্ষীরার আল কুরআন একাডেমি অডিটোরিয়ামে জেলার বিশিষ্ট ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

আইবিডব্লুউএফ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি মো. মহিউদ্দীন মাহমুদের সভাপতিত্বে এবং আবুল কাশেমের সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহম্মদ শহিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় সহকারী জেনারেল সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার কাজী আবিদ হাসান। সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও ব্লিস হাসপাতালের এমডি মো. আবু হাসান, আইবিডব্লুউএফের জেলা সেক্রেটারী কামাল হোসেন, ব্যবসায়ি মনিরুজ্জামান মনির, ইকরামুল কবির, সাইফুল্লাহ, আব্দুর হামিদ, কাজী সালাউদ্দিন, আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।

সমাবেশে ব্যবসার ক্ষেত্রে ইসলামী মূল্যবোধ, সততা, আমানতদারি ও সুদমুক্ত অর্থনৈতিক ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। আয়োজকরা ব্যবসায়ীদের হালাল উপায়ে ব্যবসা পরিচালনা এবং সমাজ ও দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে আয়োজকদের পক্ষ থেকে ‘মাত্র ১০ হাজার টাকায় ব্যবসার দ্বার খুলবে’ শীর্ষক উদ্যোগের কথাও তুলে ধরা হয়।

 

 

Ads small one

হিমবাহ ধসের কারণ অনুসন্ধান করে যা জানালেন বিজ্ঞানীরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ণ
হিমবাহ ধসের কারণ অনুসন্ধান করে যা জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৬ আগস্ট। নেপালের পার্বত্য এলাকায় হিমবাহ ধসে সৃষ্টি হয় দ্রুতগতির কাদাধস। এর প্রভাব পড়ে নেপালের সীমান্তবর্তী এলাকা এবং দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের সিচাং স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলেও।

ঘটনার পর হিমবাহ ধসের কারণ অনুসন্ধানে মাঠপর্যায়ে গবেষণা শুরু করেন চীনের বিজ্ঞানীরা। চীনের দ্বিতীয় ছিংহাই-সিচাং মালভূমি বৈজ্ঞানিক অভিযান দল এবং সিচাংয়ের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগ যৌথভাবে এই গবেষণা চালাচ্ছে।

চীনা বিজ্ঞান একাডেমির সদস্য এবং বৈজ্ঞানিক অভিযানের দলনেতা ইয়াও থানতোং জানালেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের প্রতি উঁচুতে থাকা মালভূমি অত্যন্ত সংবেদনশীল। বিশেষ করে পাঁচ হাজার মিটারের বেশি উচ্চতায় তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রভাব আরও তীব্র। এখন ছিংহাই-সিচাং মালভূমি বৈশ্বিক গড়ের প্রায় দ্বিগুণ হারে উষ্ণ হচ্ছে। পাঁচ হাজার মিটারের বেশি উচ্চতায় কিছু গবেষণায় এই হার বৈশ্বিক গড়ের প্রায় তিন গুণ পর্যন্ত হতে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।’

চীনের গবেষকরা আরও জানালেন, দ্রুত উষ্ণায়নের ফলে হিমবাহ গলতে থাকে। গলিত পানি বরফের ফাটল দিয়ে নিচে গিয়ে হিমবাহের তলদেশে জমা হতে পারে। হিমবাহের নিচে যদি আলগা মাটি থাকে, তাহলে এর কাঠামো ধসে পড়তে পারে।

ছিংহাই-সিচাং মালভূমি ও এর আশপাশের অঞ্চল মেরু এলাকার বাইরে বিশ্বের সবচেয়ে বড় হিমবাহসমৃদ্ধ এলাকা। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এখানে রয়েছে প্রায় এক লাখ ১০ হাজার হিমবাহ।

এসব হিমবাহের মোট আয়তন প্রায় ৯৮ হাজার বর্গকিলোমিটার। মোট বরফের পরিমাণ প্রায় ১০ হাজার ১০০ ঘনকিলোমিটার। তবে গত পাঁচ দশকে এই অঞ্চলের মোট বরফের পরিমাণ কমেছে প্রায় ২০ শতাংশ। একই সময়ে হিমবাহের আয়তন কমেছে প্রায় ১৮ শতাংশ।

ইয়াও থানতোং আরও বললেন, নেপালের লাংতাং লিরুং পর্বতের উত্তর ঢালে ধসে পড়া হিমবাহটি সামুদ্রিক ধরনের। এই ধরনের হিমবাহতে বরফ জমা ও গলার হার—দুটিই বেশি। এগুলো তুলনামূলক উষ্ণ, দ্রুত গতিশীল এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রতি বেশি সংবেদনশীল।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, পৃথিবীতে রয়েছে দুই লাখ ৭৫ হাজারেরও বেশি হিমবাহ।কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দ্রুত সংকুচিত হচ্ছে এসব বরফভাণ্ডার।

হিমবাহ শুধু বরফের বিশাল স্তূপ নয়। এগুলো এশিয়ার কোটি কোটি মানুষের পানির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎস। তাই হিমবাহের পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ এবং দুর্যোগের আগাম সতর্কীকরণ এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

গবেষকরা মনে করেন, হিমবাহ ও এ থেকে তৈরি হওয়া হ্রদগুলোর নিয়মিত জরিপ, গতিশীল পর্যবেক্ষণ এবং আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা আরও জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি বরফধসের ঝুঁকি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতাও প্রয়োজন।

সূত্র: সিএমজি

 

সরকারি চাকরিজীবীদের পাসপোর্টে নতুন নিয়ম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৫৭ অপরাহ্ণ
সরকারি চাকরিজীবীদের পাসপোর্টে নতুন নিয়ম

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন স্বায়ত্তশাসিত ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং উন্নয়ন প্রকল্পের কর্মীদের সরকারি ও ব্যক্তিগত কাজে বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে অফিসিয়াল ও সাধারণ পাসপোর্ট ইস্যুর নিয়মে সংশোধন ও সমন্বয় এনে নতুন পরিপত্র জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বহিরাগমন-৪ শাখা থেকে উপসচিব মোহাম্মদ নুরুজ্জামান স্বাক্ষরিত পরিপত্রটি জারি করা হয়। জারির দিন থেকেই এটি কার্যকর হবে।

সরকারি কাজে ভ্রমণ

সরকারি রাজস্বখাতভুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী, জাতীয় সংসদ, সুপ্রিম কোর্ট, নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি), সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) এবং বাংলাদেশ ব্যাংকে কর্মরতদের সরকারি কাজে বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে সরকারি আদেশের (জিও) ভিত্তিতে বিনা ফি-তে অফিসিয়াল পাসপোর্ট দেওয়া হবে।

ব্যক্তিগত কাজে ভ্রমণ

উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানগুলোর ৯ম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের স্থায়ী কর্মকর্তারা ব্যক্তিগত কাজে বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে সরকারি আদেশ বা অনাপত্তি সনদের (এনওসি) ভিত্তিতে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে অফিসিয়াল পাসপোর্ট পাবেন।

তবে অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় সরকারের নির্বাচিত প্রতিনিধি এবং উন্নয়ন প্রকল্পের কর্মীরা ব্যক্তিগত কাজে বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ফি দিয়ে সাধারণ পাসপোর্ট পাবেন।

জরুরি ও অতীব জরুরি সেবা

ব্যক্তিগত কাজে বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে সরকারি আদেশ বা অনাপত্তি সনদ সাপেক্ষে সাধারণ ফি-তে জরুরি এবং জরুরি ফি-তে অতীব জরুরি সেবা দেওয়া যাবে। সরকারি সফরে অন্তর্ভুক্ত বেসরকারি ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও একই নিয়মে সাধারণ পাসপোর্ট ইস্যু করা হবে।

মিশনের কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের সদস্য

বিদেশে বাংলাদেশ মিশনে কর্মরত নন-ডিপ্লোম্যাটিক কর্মকর্তাদের স্বামী বা স্ত্রী এবং ২৫ বছর বয়স পর্যন্ত সন্তানদের বিনা ফি-তে পাঁচ বছর মেয়াদি অফিসিয়াল পাসপোর্ট দেওয়া হবে।

এ ছাড়া ডিপ্লোম্যাটিক কর্মকর্তাদের ‘ডোমেস্টিক এইড’-দের নির্ধারিত ফি-তে পাঁচ বছর মেয়াদি অফিসিয়াল পাসপোর্ট দেওয়া হবে। কর্মকাল শেষে এসব পাসপোর্ট সমর্পণ করতে হবে।

মেয়াদ ও সাধারণ পাসপোর্টের অনুমোদন

অফিসিয়াল পাসপোর্টের সর্বোচ্চ মেয়াদ হবে ১০ বছর অথবা অবসর-উত্তর ছুটি (পিআরএল) শেষ হওয়ার তারিখ পর্যন্ত—যেটি আগে হয়।

৯ম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা প্রাধিকার থাকা অবস্থায় শুধু অফিসিয়াল পাসপোর্ট পাবেন। সাধারণ পাসপোর্ট পেতে হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমতি নিতে হবে।

জালিয়াতি রোধে ফোকাল পয়েন্ট

সরকারি আদেশ ও অনাপত্তি সনদের সঠিকতা যাচাইয়ের জন্য প্রতিটি মন্ত্রণালয় ও সংস্থায় একজন ফোকাল পয়েন্ট এবং একজন বিকল্প ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণ করতে হবে। তাদের তথ্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পাসপোর্ট অধিদফতর, এসবি এবং বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে হবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সব সরকারি আদেশ ও অনাপত্তি সনদ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে।

রান্নাঘরের তেলাপোকা দূর করতে টুইঙ্কল খান্নার ঘরোয়া টোটকা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ণ
রান্নাঘরের তেলাপোকা দূর করতে টুইঙ্কল খান্নার ঘরোয়া টোটকা

বাড়ি যতই পরিচ্ছন্ন রাখা হোক, রান্নাঘরের আনাচ-কানাচে তেলাপোকা বা ছোটখাটো পোকামাকড়ের আনাগোনা একেবারে ঠেকানো কঠিন। বিশেষ করে রাতের দিকে আলো নিভলেই তাদের দেখা মেলে। এমন পরিস্থিতিতে রাসায়নিক স্প্রে ব্যবহার না করে ঘরোয়া উপায়ে সমস্যা সামলানোর একটি পদ্ধতি জানিয়েছেন অভিনেত্রী টুইঙ্কল খান্না।

মুম্বইয়ের জুহুতে অক্ষয় কুমারের সঙ্গে থাকেন টুইঙ্কল। তাঁর রান্নাঘরেও মাঝেমধ্যে তেলাপোকা ও পিঁপড়ের মতো পোকামাকড়ের উপদ্রব দেখা যায়। এই ধরনের সমস্যা মোকাবিলায় তিনি ঘরেই একটি স্প্রে তৈরি করেন।

পদ্ধতিটি বেশ সহজ। প্রথমে কয়েকটি লবঙ্গ হালকা করে থেঁতো করে নিতে হবে। এর সঙ্গে দুটি তেজপাতা দিয়ে পানিতে ভালোভাবে ফুটিয়ে নিতে হবে। মিশ্রণটি ঠান্ডা হওয়ার পর ছেঁকে নিয়ে তার সঙ্গে সমপরিমাণ সাদা ভিনিগার মেশান। এরপর তরলটি একটি স্প্রে বোতলে ভরে রান্নাঘরের এমন জায়গায় ব্যবহার করা যেতে পারে, যেখানে পোকামাকড়ের আনাগোনা বেশি।

লবঙ্গ ও তেজপাতার তীব্র গন্ধ কিছু পোকামাকড়কে দূরে রাখতে সহায়ক হতে পারে। তবে এটিকে তেলাপোকা নিয়ন্ত্রণের নিশ্চিত বা স্থায়ী সমাধান হিসেবে দেখা ঠিক নয়। উপদ্রব বেশি হলে পেশাদার পেস্ট কন্ট্রোলের সাহায্য নেওয়াই কার্যকর হতে পারে। ঘরোয়া স্প্রে ব্যবহার করলেও কয়েকটি বিষয়ে সতর্ক থাকা দরকার। খাবার, রান্নার সরঞ্জাম কিংবা বাসনের ওপর সরাসরি স্প্রে না করাই ভালো। শিশু ও পোষ্য প্রাণী থাকলে তাদের নাগালের বাইরে রাখতে হবে।

পোকামাকড়ের উপদ্রব কমাতে রান্নাঘরে যা করবেন রান্নার পর মেঝে ও কাউন্টার থেকে খাবারের কণা দ্রুত পরিষ্কার করুন। ময়লা ফেলার পাত্র নিয়মিত খালি করে পরিষ্কার রাখুন। সিঙ্কের আশপাশে পানি জমে থাকতে দেবেন না। রান্নাঘরের ফাঁকফোকর, ক্যাবিনেট ও যন্ত্রপাতির নিচের অংশ নিয়মিত পরিষ্কার করুন।

খাবার সবসময় ঢাকনা দেওয়া পাত্রে সংরক্ষণ করুন। তেলাপোকার উপদ্রব নিয়মিত হলে শুধু ঘরোয়া টোটকার ওপর নির্ভর না করে পেশাদার সহায়তা নিন।