বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩

ডেঙ্গু পরিস্থিতি ফের উদ্বেগজনক, দুই মাস নিয়ে শঙ্কা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:০৮ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গু পরিস্থিতি ফের উদ্বেগজনক, দুই মাস নিয়ে শঙ্কা

দেশে আবারও বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। রাজধানী ঢাকার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন জেলায়ও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে দেড় হাজারের বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন এবং গড়ে চারজনের মৃত্যু হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে আগামী দুই মাসে ডেঙ্গু আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সরকারের সমন্বয়হীনতা এবং দেশজুড়ে একযোগে মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম না চালানোর কারণেই পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হচ্ছে। শুধু পূর্ণবয়স্ক মশা নিধন নয়, ডেঙ্গুর বাহক এডিস ইজিপ্টাই ও এডিস অ্যালবোপিক্টাস মশার প্রজননস্থল ও ডিম পাড়ার স্থান ধ্বংসের ওপর জোর দিতে হবে। কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে আগামী দুই মাসে ডেঙ্গু আবারও মহামারি আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা তাদের।

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৫৭১ জন।

নতুন ভর্তি রোগীদের মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় ১৯৬ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩৪ জন, ঢাকা বিভাগের সিটি করপোরেশনের বাইরের এলাকায় ৪০৮ জন, ময়মনসিংহে ৭৭ জন, চট্টগ্রামে ১১৭ জন, খুলনায় ২৪২ জন, রাজশাহীতে ১১৬ জন, রংপুরে ৭১ জন, বরিশালে ১৪২ জন এবং সিলেটে ৮ জন রয়েছেন।

চলতি বছরের জুনে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ৯০৭ জন। জুলাইয়ে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৯ হাজার ২০৬ এবং আগস্টে ২০ হাজার ৫৩৬ জনে। সেপ্টেম্বরের প্রথম ছয় দিনের পরিস্থিতিতেও ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা কমার কোনো প্রবণতা দেখা যাচ্ছে না।

চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪৫ হাজার ৪৭৫ জন। তাদের মধ্যে ৪২ হাজার ১২৭ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৩ হাজার ২১৮ জন। এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ১৩০ জনের।

গত বছর ডেঙ্গুতে ৪১৩ জনের মৃত্যু হয় এবং আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন এক লাখের বেশি মানুষ। ২০২৪ সালে এক লাখের বেশি মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন, মৃত্যু হয় ৫৭৫ জনের। আর ২০২৩ সালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ৩ লাখ ২১ হাজারের বেশি মানুষ। ওই বছর মৃত্যু হয় ১ হাজার ৭০৫ জনের।

হাসপাতালে বাড়ছে জ্বরের রোগী

শ্যামলীর বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে চার বছরের শিশু মারিয়াকে নিয়ে এসেছেন তার মা মারুফা বেগম (২৮)। তিন দিন ধরে জ্বরে ভুগছে মারিয়া। ডেঙ্গুর আশঙ্কায় তাকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। মারুফা বেগম জানান, তাদের বাসার সবাই জ্বরে আক্রান্ত। হাসপাতালে চিকিৎসকের কাছে দেখানোর জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

হাসপাতালটির বহির্বিভাগে প্রতিদিন ওষুধ নিতে আসা রোগীর সংখ্যাও বেড়েছে। এক মাস আগে যেখানে প্রতিদিন প্রায় ২৫০ জন রোগী আসতেন, এখন সেই সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। বেশির ভাগ শিশুই জ্বর, শরীরে র‌্যাশ ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত। অনেকের ডেঙ্গু পরীক্ষার ফল নেগেটিভ হলেও তাদের মধ্যে ডেঙ্গুর উপসর্গ রয়েছে। এ কারণে বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা করতে হচ্ছে। প্রতিদিন অন্তত ৫ শতাংশ রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হচ্ছে।

তিন বছরের শিশু তামান্নাকে মোহাম্মদপুর থেকে হাসপাতালে নিয়ে এসেছেন তার বাবা রিয়াজ উদ্দিন। তিনি একজন ব্যাংকার। শিশুটির মায়েরও জ্বর রয়েছে এবং বাসায় চিকিৎসা নিচ্ছেন। তামান্নার ডেঙ্গু নাকি হাম হয়েছে, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন পরিবারটি।

মশা নিধনের বদলে প্রজনন বন্ধের তাগিদ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ও কীটতত্ত্ববিদ ড. কবিরুল বাশার বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার কারণেই পরিস্থিতি বাড়ছে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে দুটি প্রক্রিয়া রয়েছে। একটি হলো এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ করা, অন্যটি হলো ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীকে এমনভাবে আলাদা রাখা, যাতে মশা তাকে কামড় দিয়ে অন্যদের মধ্যে ভাইরাস ছড়াতে না পারে। এর কোনোটিই সফলভাবে করা সম্ভব হয়নি।

তিনি বলেন, মশা নিধনের লক্ষ্য থেকে সরে এসে মশার উৎপাদন বা প্রজনন বন্ধের দিকে যেতে হবে। পূর্ণবয়স্ক মশা মেরে ফেললে সাময়িকভাবে মশার ঘনত্ব কমে। কিন্তু প্রজননস্থল থেকে গেলে সেখান থেকে নতুন মশা জন্ম নেবে।

তার আশঙ্কা, আগামী দুই মাসে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা আরও বাড়বে। সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর ঐতিহাসিকভাবেই ডেঙ্গুর জন্য গুরুত্বপূর্ণ সময়।

ড. কবিরুল বাশার বলেন, খণ্ড খণ্ডভাবে অভিযান না চালিয়ে তথ্যভিত্তিক জাতীয় কর্মসূচি নিতে হবে। প্রজননস্থল, মশার ঘনত্ব ও রোগের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সমন্বিতভাবে মশা নিয়ন্ত্রণ, রোগ শনাক্তকরণ ও দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী বলেন, ঢাকা থেকে শুরু করে গ্রাম পর্যন্ত দেশজুড়ে একযোগে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে অভিযান চালাতে হবে। টানা দুই থেকে তিন দিন এই কার্যক্রম চালিয়ে বছরে অন্তত দুবার করতে হবে।

তিনি পাঁচটি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেন। এর মধ্যে রয়েছে এডিস মশার আবাস ও ডিম পাড়ার স্থান পরিষ্কার করা, দেশব্যাপী কার্যকর প্রাপ্তবয়স্ক ও লার্ভা নিধনকারী মশার ওষুধ ছিটানো, এলাকাভেদে বৈজ্ঞানিকভাবে কার্যকর ওষুধ নির্বাচন, কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় সরকারের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষার্থী, আনসার-ভিডিপি, রাজনৈতিক কর্মী, স্বেচ্ছাসেবক ও এনজিওকে সম্পৃক্ত করা এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদিত ডেঙ্গুর টিকা চালু করা। পাশাপাশি সারা বছর মশা নিধন ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম চালু রাখারও পরামর্শ দেন তিনি।

তিন মাসের বিশেষ কর্মসূচি

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সরকার তিন মাসের বিশেষ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। আগামী শনিবার ১২ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তিন মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আগামী তিন মাস ঝুঁকিপূর্ণ সময়। এ সময়ে জনগণকে সম্পৃক্ত করে পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। স্থানীয় প্রশাসন, স্বেচ্ছাসেবক ও শিক্ষার্থীদেরও এ কার্যক্রমে যুক্ত করা হবে।

কর্মসূচির সমন্বয় করবে মহানগর এলাকায় সিটি করপোরেশন, জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা। এতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের স্বেচ্ছাসেবক, স্কাউট, বিএনসিসি, গার্ল গাইড, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবক এবং স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশ নেবেন।

Ads small one

সিনিয়র সাংবাদিক সানোয়ার পারভেজের ইন্তেকাল, বিএফইউজে-এমইউজে নেতৃবৃন্দের শোক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৪ অপরাহ্ণ
সিনিয়র সাংবাদিক সানোয়ার পারভেজের ইন্তেকাল, বিএফইউজে-এমইউজে নেতৃবৃন্দের শোক

ইসলামিক টেলিভিশনের প্রযোজক ও খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক কোষাধ্যক্ষ সানোয়ার পারভেজ (৭০) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার কল্যাণপুরস্থ বাসভবনে মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে শেষ নি:শ^াস ত্রাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই মেয়ে, নাতি-নাতনি, আত্মীয়-স্বজনসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। বাদ আসর কল্যাণপুরস্থ দারুস সালাম জামে মসজিদে প্রথম জানাজা ও বাদ মাগরিব মিরপুরস্থ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে দাফন করা হয়।

এদিকে সাংবাদিক নেতা সানোয়ার পারভেজ এর ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করে শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজে ও মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (এমইউজে) খুলনার নেতৃবৃন্দ।

বিবৃতিদাতারা হলেন- এমইউজে খুলনার সভাপতি মো. রাশিদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক রানাসহ নির্বাহী কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। অনুরূপ বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজের সহকারী মহাসচিব এহতেশামুল হক শাওন, সাবেক সহ-সভাপতি ড. মো. জাকির হোসেন, সাবেক নির্বাহী সদস্য শেখ দিদারুল আলম ও এইচ এম আলাউদ্দিন।

সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ এক যৌথ শোকবার্তায় বলেন, ‘সানোয়ার পারভেজ একজন সিনিয়র সাংবাদিক। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে তার অবদান অনস্বীকার্য। গণতন্ত্র, বাকস্বাধীনতা ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি আজীবন সংগ্রাম করে গিয়েছেন। তার ইন্তিকালে জাতি একজন প্রথিতযশা সাংবাদিককে হারাল।’

শোকবার্তায় নেতৃবৃন্দ মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন ও তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তারা মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কাছে দোয়া করেন, আল্লাহ যেন মরহুমের নেক আমল সমূহ কবুল করে মরহুমকে জান্নাতের উচ্চ মাকাম দান করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের ধৈর্য্য ধারণ করার তৌফিক দান করেন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

শারদীয় দুর্গাপূজার প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত শিল্পীরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৫৪ অপরাহ্ণ
শারদীয় দুর্গাপূজার প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত শিল্পীরা

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা (খুলনা): সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। সারা দেশের ন্যায় এই উৎসবকে কেন্দ্র করে খুলনার পাইকগাছা উপজেলার বিভিন্ন প্রান্তের পূজামন্ডপ গুলোতে প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন ভাস্কর ও মৃৎশিল্পীরা। খড়, কাঠ, বাঁশ আর কাদা-মাটি দিয়ে তিলতিল করে গড়ে তোলা হচ্ছে দেবী দুর্গার অনিন্দ্য সুন্দর রূপ।

খুলনার পাইকগাছায় শারদীয় দুর্গাপূজার প্রতিমা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। ভাস্কর ও মৃৎশিল্পীদের প্রতিমা তৈরির প্রধান ধাপগুলো হলো; মাটির কাজ শুরুর আগে বাঁশ ও খড় দিয়ে প্রতিমার প্রাথমিক কাঠামো বা অবয়ব তৈরি করা। কাঠামোর ওপর নিখুঁতভাবে কাদা-মাটির প্রলেপ দেওয়া হয়। মাটির কাজ শুকিয়ে যাওয়ার পর শুরু হয় ফিনিশিং ও রঙের কাজ। শিল্পীরা তাদের নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় দেবী দুর্গা, লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক, গণেশ ও অসুরের মূর্তিকে ফুটিয়ে তোলেন। প্রতিমা মন্ডপে নেওয়ার আগে কাপড়, গয়না এবং বিভিন্ন সাঁজ দিয়ে দেবী প্রতিমাকে দৃষ্টিনন্দনভাবে সাজানো হয়।

পাইকগাছা উপজেলায় ১৫৪টির মতো পুজা মন্দির বা মন্ডবে শারদীয় দুর্গাপূজার প্রতিমা তৈরির প্রস্তুতি চলছে। উপজেলার বিভিন্ন প্রান্তের পূজামন্ডপ গুলোতে প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। পাইকগাছার বেশ কয়েকটি পূজামন্ডপ ঘুরে দেখা গেছে, কাদা-মাটি, বাঁশ, খড়, সুতলি দিয়ে শৈল্পিক ছোঁয়ায় তিলতিল করে গড়ে তোলা হচ্ছে দেবীদুর্গার প্রতিমা। ভাস্কার বা কারিগররা প্রতিমা তৈরিতে দিনরাত ব্যস্ত সময় পার করছেন। নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় তৈরি হচ্ছে দেবীদুর্গা, লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক, অসুরসহ বিভিন্ন দেব-দেবীর প্রতিমা।

শিশির ভেজা ভোর আর শরতের কাশফুল জানান দিচ্ছে শারদীয় দুর্গোৎসবের আগমনী বার্তা। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় এ উৎসব ঘিরে পাইকগাছায় প্রতিমা তৈরিতে কারিগরেরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। মৃৎশিল্পীদের নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় প্রতিমাগুলে হয়ে উঠছে অপরূপ। এখন খড় আর কাদা মাটি দিয়ে প্রতিমা তৈরির কাজ চলছে। একই সঙ্গে শরতের দুর্গোৎসবকে পরিপূর্ণভাবে সাজাতে মন্দিরগুলোতে চলছে প্রস্তুতি।

 

 

ঝাউডাঙ্গায় বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
ঝাউডাঙ্গায় বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে বিএনপি’র ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার ৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপি’র কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

 

ইউনিয়ন বিএনপির সকল নেতা কর্মীদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম। আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ নম্বর ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের সকল নেতাকর্মীকে একত্রভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।