রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩
রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় জাকারিয়া হত্যার ঘটনায় ১২ জনের নামে থানায় মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫৩ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় জাকারিয়া হত্যার ঘটনায় ১২ জনের নামে থানায় মামলা

ছবির ক্যাপশান: “আমার সন্তান জাকারিয়াকে কেন নৃশংসভাবে হত্যা করা হলো” লেখা ফেস্টুন হাতে শহরের নিউমার্কেটের সামনে নীরব প্রতিবাদ জানালেন শিক্ষক, রাজনীতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মী নাসরিন খান লিপি

পত্রদূত রিপোর্ট: কলেজ ছাত্র জাকারিয়া খাঁনকে ছুরি দিয়ে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের ভাই শাহারিয়ার খাঁন বাদি হয়ে শনিবার রাতে ১২জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা সাত জনকে আসামী করেছেন। মামলায় কিশোর গ্যাং এর নেতা নাহিদ হাসানকে প্রধান আসামী করা হয়েছে। এদের মধ্যে মুহিদ হাসান বনিকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে রবিবার সকালে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এ মামলার অন্যান্য আসামীরা হলেন, শহরের ইটাগাছা এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে মো. আরিজুল ইসলাম (২৮), আবুল হোসেন ওরফে বড় খোকার ছেলে ছোট ময়না (২৭), রবিউল ইসলামের ছেলে মো. জুয়েল (২৪), মো. হাসানের ছেলে মো. সাগর (২৩), মৃত ফিরোজ উদ্দীনের ছেলে মো. রনি (৩০), শাকিল চেয়ারম্যানের ছেলে মো. সামি (২৪), জমিদার মুন্সির ছেলে মো. নাঈম (২২), নজরুল সরদারে ছেলে রাশিদুর জামান রাশেদ (৩০), মো. মিঠুর ছেলে মো. হুজাইফা (২০) ও মিজানুর রহমান মির্জার ছেলে মো. শরিফুল ইসলাম শরিফ (২৮)।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার গভীর রাতে সাতক্ষীরা শহরের প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের সামনে কদম গাছতলার নিচে রবিউলের চায়ের দোকানে কিশোর গ্যাং লিডার নাহিদসহ তার বাহিনীর সদস্যরা সেখানে চা খেতে আসে। তারা এসময় তাকে দ্রুত চা দিতে বলে। চা দেওয়াকে কেন্দ্র করে রবিউলের সাথে তারা অশ্লীল ভাষায় গালিগালাচ করতে থাকে। এসময় রবিউলের প্রতিবেশী ভাইপো বাপ্পী হাসান এর প্রতিবাদ করলে তারা বাপ্পীকে মারপিট ও মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করে গুরুতর জখম করে। এ সময় জাকারিয়া খাঁন ওই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় বাপ্পীকে তাদের হাত থেকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে তারা তাকে পরিকল্পিতভাবে এলাপাতাড়ি মারপিট করতে থাকে। এরপর ১নং আসামী কিশোর গ্যাং লিডার নাহিদ হাসান হত্যার উদ্দেশ্যে তার হাতে থাকা ধারালো চাকু দিয়ে জাকারিয়ার বামপাশের বুকে খোঁচা মেরে মারাতœক জখম করে। এতে সাথে সাথে জাকারিয়া মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। এসময় চা দোকানী রবিউলসহ স্থাণীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরে তাকে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। সেখানে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তার মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের ফুফাতো ভাই ও সাতক্ষীরা পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ শাহীন জানান, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় দেখা গেছে কিশোর গ্যাং লিডার নাহিদ হাসানের নেতৃত্বেই সরাসরি এই হত্যাকান্ড চালানো হয়েছে। অবিলম্বে তিনি নাহিদ হাসানসহ সকল আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তারসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবী জানান।

এদিকে, কিশোর গ্যাং লিডার নাহিদ হাসানের বিরুদ্ধে ২০২৩ সালের ২৩ অক্টোবর বকচরা দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো. রমজান আলীকে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাত করে গুরুতর জখমের ঘটনায় সদর থানায় মামলা রয়েছে। যে মামলায় চার্জশীটও দেয়া হয়েছে। এছাড়া ২০২৬ সালের ১২ এপ্রিল শহরের ‘ফুচকা বাংলা’র পরিচালক আজিজুল ইসলামকে ছুরি দিয়ে খুঁচিয়ে রক্তাক্ত জখম করে কিশোর গ্যাং লিডার নাহিদগং। এ নিয়েও মামলা রয়েছে তার বিরুদ্ধে আদালতে। এছাড়া বাঁকাল ইসলামপুর এলাকার এক যুবকের পিঠে ছুরি মেরে নির্মম আঘাতসহ শহরের বিভিন্ন স্থানে ছুরি মারা ও আঙুল কেটে নেয়া মতো গুরুতর অভিযোগে অসংখ্য মামলা রয়েছে।

তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০১৩ সালে কিশোর গ্যাং লিডার নাহিদের পিতা গিয়াস উদ্দীনকে ভোমরা সড়কের গাংনিয়া ব্রিজ এলাকায় চোরাকারবারিরা পিটিয়ে হত্যা করে। এরপর অপরাধজগতে প্রবেশ করে নাহিদ।


চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকান্ডের বিষয়ে কিশোর গ্যাং লিডার নাহিদের চাচা নাছির উদ্দীনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার ভাইপো মুহিদ হাসান বনি ও জাকির হোসেন রনি এ ঘটনার সাথে জড়িত নয়। ঘটনার সময় নাহিদ নিজেও সেখানে ছিল না। আমাদের পরিবারকে সামাজিকভাবে হেয় করতে পরিকল্পিতভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। তবে নাহিদের অতীতের নানা অপরাধমূলক কর্মকান্ডের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে আগের কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে পুলিশ তাকে ধরুক, তাতে আমাদের আপত্তি নেই। কিন্তু নিরীহ কাউকে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে আটক করা ঠিক হবে না।

সাতক্ষীরা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) মিথুন সরকার জানান, কলেজ ছাত্র জাকারিয়া হত্যার ঘটনায় ইতিমধ্যে একজনকে আটক করা হয়েছে। বাকী অঅসামীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা সদর থানার উপপরিদর্শক আলমগীর হোসেন বলেন, রবিবার সকালে বনিকে আদালতে পাঠানো হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন জানানো হবে।

 

 

 

 

 

Ads small one

তালায় মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের ওপর হামলা: আটক ৩

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ণ
তালায় মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের ওপর হামলা: আটক ৩

‎তালা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালা উপজেলার হাজরাকাটি গ্রামে মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে পুলিশের ওপর হামলা ও কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় একটি চক্রের নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ বাধা প্রদানের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে তালা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তপনের নেতৃত্বে একটি দল হাজরাকাটি এলাকায় নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে এলাকার ফারুক বিশ্বাস ও তার সহযোগী হযরতকে আটক করা হয়।

‎সূত্রে জানা যায়, আটকের পরপরই আটক ব্যক্তিদের সহযোগীরা সংঘবদ্ধ হয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায় এবং অভিযানিক দলকে সাময়িকভাবে অবরুদ্ধ করে রাখে।

‎পরিস্থিতি অবনতি হওয়ার খবর পেয়ে তালা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আবু বক্কর সিদ্দিক তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে যান এবং অবরুদ্ধ পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
‎এ ঘটনায় আটককৃতরা হলেন মৃত আপু বিশ্বাসের ছেলে মো. ফারুক বিশ্বাস, নূর ইসলাম বিশ্বাসের ছেলে রফিকুল বিশ্বাস ও মোসলেম খাঁ এর ছেলে রাশেদ খাঁ।

‎এ ঘটনায় স্থানীয় যুব নেতা নুরুল ইসলাম বিশ্বাস (নুরু) এর নেতৃত্বে হামলার অভিযোগ উঠলেও এ বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

‎এবিষয়ে এসআই তপন জানান, সরকারি কাজে বাধা, পুলিশের ওপর মব সৃষ্টি ও মাদক সংশ্লিষ্টতায় ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মৃত্যুর পরে মানুষ ভালো বললে তবেই আমি ভালো মানুষ: জেলা জজ নজরুল ইসলাম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫৯ অপরাহ্ণ
মৃত্যুর পরে মানুষ ভালো বললে তবেই আমি ভালো মানুষ: জেলা জজ নজরুল ইসলাম

বদিউজ্জামান: সাতক্ষীরার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেছেন, “প্রতিটি মৃত্যু আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়Ñএই পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। মৃত্যুর পরে মানুষ যদি আমাকে ভালো বলে, তবেই আমি ভালো মানুষ।”

রোববার (৪ অক্টোবর) সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য প্রয়াত আইনজীবী নিরোধ কুমার মজুমদারের স্মরণে আয়োজিত ফুলকোর্ট রেফারেন্স অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য সচিব আইনজীবী মো. নুরুল আমিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. জাকারিয়া হোসেন, শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) আবু বক্কার সিদ্দিক ও ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচারকসহ জেলা বিচার বিভাগের অন্যান্য বিচারকেরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জেলা আইনজীবী সমিতির আহ্বায়ক আইনজীবী বিএম মিজানুর রহমান পিন্টু, সাবেক সভাপতি আইনজীবী আব্দুল মজিদ, জিপি আইনজীবী অসীম কুমার ম-ল ও আইনজীবী রঘুনাথ ম-ল। প্রয়াত আইনজীবীর আত্মার শান্তি কামনায় ধর্মীয় গ্রন্থ গীতা পাঠ করেন সিনিয়র আইনজীবী গোবিন্দ চন্দ্র বল্লভ।

মৃত্যুর আগে প্রত্যেক মানুষের নিজের জীবন ও কর্মকে মূল্যায়ন করা উচিত উল্লেখ করে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, নিজের মধ্যে ভালো গুণের কোনো ঘাটতি থাকলে সময় থাকতেই তা পূরণ করতে হবে। প্রয়াত আইনজীবী নিরোধ কুমার মজুমদারের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, “তিনি ধনাঢ্য পরিবারের সন্তান হয়েও অত্যন্ত বিনয়ী ও ভদ্র মানুষ ছিলেন। তিনি নিরহংকার ছিলেন এবং কখনো উচ্চস্বরে কথা বলতেন না। তাঁর এই বিনয়ী ও মার্জিত আচরণের কারণেই আমরা তাঁকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি।”

বক্তারা বলেন, আইনজীবী নিরোধ কুমার মজুমদার ছিলেন একজন দক্ষ, বিনয়ী ও সদালাপী মানুষ। সহকর্মী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে তাঁর সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। তাঁর মৃত্যুতে আইনজীবী অঙ্গনে যে শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।

এর আগে গত ৩ অক্টোবর চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন আইনজীবী নিরোধ কুমার মজুমদার। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঘোনা গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত সনাতন পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। দীর্ঘ পেশাজীবনে তিনি আইন পেশার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

এদিকে ফুলকোর্ট রেফারেন্স শেষে দুপুরে সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে সমিতির হলরুমে প্রয়াত আইনজীবী নিরোধ কুমার মজুমদারের স্মরণে শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সমিতির আহ্বায়ক আইনজীবী বিএম মিজানুর রহমান পিন্টু।

রাজধানীতে চালের বস্তায় মিললো ১৩২ বোতল ফেন্সিডিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫৫ অপরাহ্ণ
রাজধানীতে চালের বস্তায় মিললো ১৩২ বোতল ফেন্সিডিল

পত্রদূত রিপোর্ট: চালের বস্তার মধ্যে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে পরিবহনের সময় ১৩২ বোতল ফেন্সিডিলসহ মো. ইমরান খান (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

রবিবার (৪ অক্টোবর) সকাল ৬টার দিকে দারুস সালাম থানাধীন গাবতলী বাগবাড়ীর সড়কে অভিযান চালানো হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে সাতক্ষীরা থেকে ঢাকায় যাওয়া পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস তল্লাশি করা হয়।

এ সময় চালের বস্তার মধ্যে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ১৩২ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার ও জব্দ করা হয়। এছাড়া ৪৫ কেজি চাল, একটি বাসের টিকিট ও একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত ইমরান খান বর্তমানে ঢাকার গুলশান এলাকায় বসবাস করেন। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দারুস সালাম থানায় একটি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, মাদকবিরোধী ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে মাদকের অবৈধ পরিবহন, সরবরাহ ও বিস্তারের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।