রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় জেলি পুশ করা ৩৬ কেজি চিংড়ি যশোরে আটক, ট্রাক চালককে জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৩৭ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় জেলি পুশ করা ৩৬ কেজি চিংড়ি যশোরে আটক, ট্রাক চালককে জরিমানা

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা থেকে চট্টগ্রামগামী একটি ট্রাক থেকে জেলি পুশ করা ৩৬ কেজি চিংড়ি মাছ জব্দ করেছে র‌্যাব-৬। এ ঘটনায় ট্রাকের চালক সাইফুল ইসলামকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন যশোর সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা রিপন কুমার ঘোষ।
শনিবার (২৯ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে শহরের বকচর এলাকায় অভিযান চালিয়ে এ চিংড়ি মাছ জব্দ করা হয়। র‌্যাব-৬ সিপিসি-৩ যশোরের কোম্পানি কমান্ডার মেজর ফজলে রাব্বি প্রিন্সের তত্ত্বাবধানে অভিযানটি পরিচালিত হয়।

র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, সাতক্ষীরা থেকে চট্টগ্রামগামী একটি ট্রাকে জেলি পুশ করা চিংড়ি মাছ পরিবহন করা হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বকচর এলাকায় ট্রাকটির গতিরোধ করে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় ট্রাকে থাকা প্রায় ৩৬ কেজি চিংড়ি মাছ জব্দ করা হয়। পরে জব্দ করা চিংড়ি পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য যশোর সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা রিপন কুমার ঘোষকে খবর দেওয়া হয়। তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে মাছগুলো পরীক্ষা করেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিংড়ির ভেতরে জেলি পুশ করার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়।

এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আইনের ধারায় ট্রাকের চালক সাইফুল ইসলামকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা রিপন কুমার ঘোষ। একই সঙ্গে জব্দ করা চিংড়ি মাছ পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্টরা জানান, অসাধু ব্যবসায়ীরা চিংড়ির ওজন ও আকার বাড়িয়ে বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে মাছের শরীরে জেলি বা অন্যান্য পদার্থ পুশ করে থাকেন। এতে চিংড়ির স্বাভাবিক গুণগত মান নষ্ট হয়। পাশাপাশি এসব মাছ খাওয়ার মাধ্যমে ভোক্তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কা থাকে।

র‌্যাব-৬ যশোরের কোম্পানি কমান্ডার মেজর ফজলে রাব্বি প্রিন্স জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চিংড়ি আটক ও জড়িতদের চিহ্নিত করা হয়েছে। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

Ads small one

গুরুত্বপূর্ণ ‘ডিভাইস’ সরাতেই কি সাগর-রুনী হত্যাকাণ্ড

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৪৬ অপরাহ্ণ
গুরুত্বপূর্ণ ‘ডিভাইস’ সরাতেই কি সাগর-রুনী হত্যাকাণ্ড

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনী হত্যাকাণ্ডের তদন্তে নতুন করে আলোচনায় এসেছে বেশ কিছু ইলেকট্রনিক ডিভাইস ও সেখান থেকে উদ্ধার হওয়া তথ্য। র‍্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ও সাবেক মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে থাকা মামলায় জব্দ করা ইলেকট্রনিক ডিভাইস পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালও জব্দ করে। এসব ডিভাইস বিশ্লেষণ করতে গিয়ে ২০০৭ সাল থেকে সাম্প্রতিক সময় পর্যন্ত বিভিন্ন তথ্য, সার্ভার ও মুছে ফেলা ফাইল উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন।

প্রসিকিউশনের দাবি, উদ্ধার করা তথ্য বিশ্লেষণ করে কয়েকজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে। আর সেই জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া একটি বক্তব্য সাগর-রুনী হত্যাকাণ্ডের তদন্তে নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

‘আগামীকাল গুরুত্বপূর্ণ কিছু ঘটতে যাচ্ছে’

প্রসিকিউটর তানভীর হোসেন জোহার ভাষ্য অনুযায়ী, জিজ্ঞাসাবাদে একজনের কাছ থেকে পাওয়া বক্তব্যে জানা যায়—তৎকালীন র‍্যাব প্রধানের ড্রাইভে দায়িত্ব পালন করা এক ব্যক্তিকে হত্যাকাণ্ডের আগের দিন বলা হয়েছিল, ‘আগামীকাল কিছু একটা ঘটতে যাচ্ছে’ এবং প্রয়োজন হলে তাকে ভোরে উপস্থিত থাকতে হবে। যার পরদিনই জানা যায় সাগর-রুনী হত্যাকাণ্ডের খবর।

তবে ওই ব্যক্তি হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে আগে থেকে কোনও নির্দিষ্ট তথ্য পেয়েছিলেন কিনা, কিংবা ঘটনার সঙ্গে তার সরাসরি কোনও সম্পৃক্ততা ছিল কিনা— তা এখনও নিশ্চিত নয়। তাই প্রসিকিউশনও বিষয়টিকে তদন্তে পাওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হিসেবেই দেখছে।

ডিভাইসে কী পাওয়া গেল?

প্রসিকিউটর তানভীর হোসেন জোহা জানান, জব্দ করা ইলেকট্রনিক ডিভাইস ও সার্ভারে দীর্ঘ সময়ের বিপুল তথ্য পাওয়া গেছে। কিছু ফাইল মুছে ফেলা হলেও সেগুলোর একটি অংশ পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। আবার কিছু তথ্য ও নথি আগে থেকেই প্রিন্ট করা অবস্থায় ছিল। এসব তথ্য বিশ্লেষণ করে তদন্তকারীরা তিন থেকে চারজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করেছেন বলেও জানান তিনি।

জোহার বক্তব্য অনুযায়ী, জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের মধ্যে আরও কিছু সংবেদনশীল বিষয় রয়েছে। বিশেষ করে বিডিআর কিংবা তৎকালীন সরকারের কোনও স্পর্শকাতর নথি বা তথ্য-উপাত্ত ডিস্ক, টেপ বা মেমোরি-সংক্রান্ত ডিভাইসে থাকার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। ওই ব্যক্তির কাছে আরও কিছু ডিভাইস থাকার কথাও তদন্তে উঠে এসেছে বলে দাবি করেন তিনি।

তদন্তকারীদের ধারণা, এসব ডিভাইস ও তথ্য সাগর-রুনী হত্যাকাণ্ডের তদন্তকারী কর্তৃপক্ষের হাতে গেলে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে সহায়ক হতে পারে।

যা বললেন চিফ প্রসিকিউটর

সাগর-রুনী হত্যাকাণ্ডের তদন্ত বা বিচার করার এখতিয়ার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রয়েছে কিনা তা নিয়েও রয়েছে প্রশ্ন। এ বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বিষয়টি স্পষ্ট করে বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের ১৯৭৩ সালের আইনের ৩ ধারায় কোন কোন অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার বা তদন্তের আওতাভুক্ত, তা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সাগর-রুনী হত্যাকাণ্ড একটি বাসায় সংঘটিত সাধারণ হত্যাকাণ্ড হিসেবে বিবেচিত হলে সেটি ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে কিনা, তা এই মুহূর্তে নিশ্চিত করে বলতে চাননি তিনি। তবে কোনও অভিযোগ ট্রাইব্যুনালে জমা পড়লে সেটি গ্রহণ করে যাচাই-বাছাই করার সুযোগ রয়েছে বলে জানান চিফ প্রসিকিউটর

‘অন্য কোনও ঘটনার সূত্র ধরে ক্লু পাওয়া যেতে পারে’

চিফ প্রসিকিউটর জানান, ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশন টিম বিভিন্ন বিষয়ে তদন্ত করছে। সেই তদন্তের সূত্র ধরে অন্য কোনও ঘটনার সঙ্গে সাগর-রুনী হত্যাকাণ্ডের যোগসূত্রের তথ্য সামনে আসতে পারে।

তানভীর জোহার দেওয়া তথ্যের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তদন্ত করতে গিয়ে এমন একটি ক্লু পাওয়া গেছে, যেখানে কোনও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সামরিক কর্মকর্তা কিংবা র‍্যাব কর্মকর্তার সম্ভাব্য সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি সামনে এসেছে। তবে তদন্তে উঠে আসা সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি চিফ প্রসিকিউটর।

তিনি বলেন, যদি বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায় এবং সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি স্পষ্ট হয়— তাহলে সাগর-রুনী হত্যাকাণ্ডের চলমান তদন্তকারী কর্তৃপক্ষকে সেই তথ্য দিয়ে সহায়তা করা যেতে পারে।

আবেদন করলে কী করবে ট্রাইব্যুনাল?

সাগর-রুনী হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করা হলে, তা সরাসরি গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যান না করে আইনগতভাবে যাচাই করা হবে—এমন অবস্থান জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর। তার বক্তব্য অনুযায়ী, আবেদনটি ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ারের মধ্যে পড়লে সেটি গ্রহণ করা হবে। আর এখতিয়ারের বাইরে হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

ট্রাইব্যুনালে আবেদন করবেন রুনীর ভাই

সাগর-রুনী হত্যা মামলার বাদী ও রুনীর ভাই নওশের আলী রোমান জানিয়েছেন, তারা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আবেদন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তিনি বলেন, ট্রাইব্যুনালে যেসব মামলার বিচার চলছে, সেগুলোর সঙ্গে সাগর-রুনী হত্যাকাণ্ডের বিচারিক এখতিয়ার কীভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে, তা তিনি নিশ্চিত নন। তবে এটি দীর্ঘদিনের আলোচিত ও অমীমাংসিত মামলা এবং নিহত দুজনই সাংবাদিক হওয়ায় ট্রাইব্যুনাল বিষয়টি দেখবে—এমন প্রত্যাশা তাদের রয়েছে।

এসময় সাংবাদিক দম্পতির একমাত্র সন্তান মাহির সারওয়ার মেঘ উপস্থিত থেকে চিফ প্রসিকিউটরের কাছে হত‍্যাকাণ্ডটির সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।

মামলার বিবরণী অনুসারে, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় সাংবাদিক সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনী নিহত হন। এরপর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও হত্যাকাণ্ডের রহস্যের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি।

এনবিআরে একসঙ্গে ৩৬ অতিরিক্ত কর কমিশনার বদলি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৪২ অপরাহ্ণ
এনবিআরে একসঙ্গে ৩৬ অতিরিক্ত কর কমিশনার বদলি

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) বিসিএস (কর) ক্যাডারে বড় ধরনের রদবদল করা হয়েছে। একযোগে ৩৬ জন অতিরিক্ত কর কমিশনারকে বদলি করে নতুন কর্মস্থলে পদায়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে কর অঞ্চল, কর আপিল অঞ্চল, আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট, কর পরিদর্শন পরিদদফতরসহ এনবিআরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পরিবর্তন করা হয়েছে।

রবিবার (৩০ আগস্ট) অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের কর প্রশাসন-১ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রথম সচিব ওয়াকিল আহমদ সই করা প্রজ্ঞাপনে বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের অবিলম্বে নতুন কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, দীপক কুমার চক্রবর্তীকে কর আপিল অঞ্চল-চট্টগ্রামের আপিলাত রেঞ্জ-১ থেকে চট্টগ্রাম কর আপিল অঞ্চল-২-এর আপিলাত রেঞ্জ-১-এ বদলি করা হয়েছে। মোহাম্মদ আব্দুল্লাহকে কর পরিদর্শন পরিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক পদ থেকে ঢাকা কর অঞ্চল-১১-এর পরিদর্শী রেঞ্জ-১-এ পাঠানো হয়েছে।

মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেনকে ঢাকা কর অঞ্চল-২২-এর পরিদর্শী রেঞ্জ-১ থেকে ঢাকা কর অঞ্চল-৪-এর পরিদর্শী রেঞ্জ-১-এ এবং মোহাম্মদ মঈনুল হাসানকে আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট থেকে ঢাকা কর অঞ্চল-১-এর পরিদর্শী রেঞ্জ-১-এ বদলি করা হয়েছে।

এ ছাড়া ইভানা আফরোজ সাঈদকে উৎসে কর ব্যবস্থাপনা ইউনিট থেকে কর পরিদর্শন পরিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক, মুরাদ আহমেদকে যশোর কর অঞ্চলের পরিদর্শী রেঞ্জ-১ থেকে ঢাকা কর অঞ্চল-৩-এর পরিদর্শী রেঞ্জ-১ এবং মো. শহিদুল ইসলামকে চট্টগ্রাম কর অঞ্চল-৩ থেকে চট্টগ্রাম কর অঞ্চল-১-এর পরিদর্শী রেঞ্জ-১-এ পদায়ন করা হয়েছে।

মাসুদুল করিম ভূঁইয়াকে ঢাকা কর অঞ্চল-১৮ থেকে ঢাকা কর অঞ্চল-২-এর পরিদর্শী রেঞ্জ-১-এ, হাছিনা আক্তারকে ঢাকা কর অঞ্চল-১৬ থেকে আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিটে এবং রিগ্যান চন্দ্র দেকে ঢাকা কর অঞ্চল-৬-এর পরিদর্শী রেঞ্জ-২ থেকে ঢাকা কর অঞ্চল-১৩-এর পরিদর্শী রেঞ্জ-১-এ বদলি করা হয়েছে।

ফারজানা নাজনীনকে ঢাকা কর অঞ্চল-১-এর পরিদর্শী রেঞ্জ-২ থেকে ঢাকা কর আপিল অঞ্চল-১-এর আপিলাত রেঞ্জ-২-এ এবং সুলতানা হাবীবকে ঢাকা কর অঞ্চল-২২-এর পরিদর্শী রেঞ্জ-২ থেকে একই অঞ্চলের পরিদর্শী রেঞ্জ-১-এ বদলি করা হয়েছে।

অপরদিকে কামরুল হাসানকে আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট থেকে ঢাকা কর অঞ্চল-১৮-এর পরিদর্শী রেঞ্জ-১-এ এবং শেখ মো. কামরুজ্জামানকে কর পরিদর্শন পরিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক পদ থেকে ঢাকা কর অঞ্চল-১৬-এর পরিদর্শী রেঞ্জ-১-এ পাঠানো হয়েছে।

আরিফুল হককে ঢাকা কর আপিল অঞ্চল-১-এর আপিলাত রেঞ্জ-২ থেকে এনবিআরের প্রথম সচিব (কর) পদে পদায়ন করা হয়েছে। তানিয়া সুলতানাকে ঢাকা কর আপিল অঞ্চল-৩-এর আপিলাত রেঞ্জ-২ থেকে ঢাকা কর অঞ্চল-২২-এর পরিদর্শী রেঞ্জ-২ এবং মো. মারুফ উল আবেদীনকে ফরিদপুর কর অঞ্চল থেকে ঢাকা কর আপিল অঞ্চল-৩-এর আপিলাত রেঞ্জ-২-এ বদলি করা হয়েছে।

এ ছাড়া মো. তানভীর মোর্শেদকে চট্টগ্রাম কর অঞ্চল-২ থেকে আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিটে, তাছলিমা ইসলাম ও মুহা. রাশেদুল হাসানকে চট্টগ্রাম কর অঞ্চল-২-এর পরিদর্শী রেঞ্জ-২ থেকে একই অঞ্চলের পরিদর্শী রেঞ্জ-১-এ এবং মো. সাইফুর রহমান রাসেলকে ঢাকা কর অঞ্চল-১ থেকে এনবিআরের আন্তর্জাতিক কর ইউনিটে বদলি করা হয়েছে।

মুসতবা ইশতিয়াক আহমদকে আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট থেকে ঢাকা কর আপিল অঞ্চল-২-এর আপিলাত রেঞ্জ-১-এ এবং দীপক কুমার পালকে কর পরিদর্শন পরিদফতর থেকে ঢাকা কর অঞ্চল-৬-এর পরিদর্শী রেঞ্জ-২-এ পাঠানো হয়েছে।

তরঙ্গ কুমার মণ্ডলকে ঢাকা কর অঞ্চল-৫ থেকে নারায়ণগঞ্জ কর অঞ্চলের পরিদর্শী রেঞ্জ-১-এ এবং ফারহানা শেখকে কর পরিদর্শন পরিদফতর থেকে উৎসে কর ব্যবস্থাপনা ইউনিটের অতিরিক্ত কর কমিশনার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

এ ছাড়া অমিত কুমার দাসকে উৎসে কর ব্যবস্থাপনা ইউনিট থেকে এনবিআরের প্রথম সচিব (কর), মো. ফারজানুল ইসলামকে সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেলের যুগ্ম পরিচালক পদ থেকে কর পরিদর্শন পরিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক এবং সোনালী বিশ্বাসকে ঢাকা কর অঞ্চল-২৪ থেকে ঢাকা কর অঞ্চল-৯-এর পরিদর্শী রেঞ্জ-২-এ বদলি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, প্রণব সরকারকে ঢাকা কর অঞ্চল-১৭ থেকে রংপুর কর আপিল অঞ্চলের আপিলাত রেঞ্জ-১, মো. আবুল কালাম আজাদকে ঢাকা কর অঞ্চল-১৫ থেকে যশোর কর অঞ্চলের পরিদর্শী রেঞ্জ-১ এবং মোহাম্মদ দাউদ হোসেনকে আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট থেকে ঢাকা কর আপিল অঞ্চল-৬-এর আপিলাত রেঞ্জ-১-এ বদলি করা হয়েছে।

মো. এনামুল কবিরকে কুমিল্লা কর অঞ্চল থেকে ঢাকা বিসিএস (কর) অ্যাকাডেমির পরিচালক, বাপন চন্দ্র দাসকে নোয়াখালী কর অঞ্চল থেকে চট্টগ্রাম কর অঞ্চল-৩-এর পরিদর্শী রেঞ্জ-১, মহিদুল ইসলামকে চট্টগ্রাম কর অঞ্চল-২ থেকে চট্টগ্রাম কর অঞ্চল-৪-এর পরিদর্শী রেঞ্জ-১ এবং মো. শফিউল ইসলামকে ঢাকা কর অঞ্চল-২ থেকে চট্টগ্রাম কর অঞ্চল-৬-এর পরিদর্শী রেঞ্জ-২-এ বদলি করা হয়েছে।

এস এম গালিব ফারুককে ময়মনসিংহ কর অঞ্চল থেকে পাবনা কর অঞ্চলের পরিদর্শী রেঞ্জ-১-এ পদায়ন করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বদলি করা কর্মকর্তারা বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্ব যথাযথভাবে হস্তান্তর করে অবিলম্বে নতুন কর্মস্থলে যোগ দেবেন। যেসব কর্মস্থলে এসব কর্মকর্তাকে পদায়ন করা হয়েছে, সেখানে আগে থেকে কেউ অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকলে তা বাতিল বলে গণ্য হবে।

সাবেক সেনাপ্রধান শফিউদ্দিনকে দুদকে তলব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ৮:২৯ অপরাহ্ণ
সাবেক সেনাপ্রধান শফিউদ্দিনকে দুদকে তলব

বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) এস এম শফিউদ্দিন আহমেদকে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর দুপুর সাড়ে ১২টায় তাকে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হয়ে বক্তব্য দিতে বলা হয়েছে।

রবিবার (৩০ আগস্ট) দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুদকের পরিচালক মো. আবুল হাসনাতের সই করা নোটিশে বলা হয়েছে, এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে ‘বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ’ অনুসন্ধান করছে কমিশন।

অভিযোগ অনুসন্ধানে দুদকের পরিচালক আবুল হাসনাতকে দলনেতা এবং উপপরিচালক মোজাম্মিল হোসেনকে সদস্য করে দুই সদস্যের একটি অনুসন্ধান দল গঠন করা হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়, অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে শফিউদ্দিন আহমেদের বক্তব্য শোনা ও গ্রহণ করা প্রয়োজন। এ জন্য নির্ধারিত দিনে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপিসহ তাকে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে।

দুদকের নথি অনুযায়ী, শফিউদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের অনুসন্ধান শুরু হয় ২০২৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর।

জেনারেল (অব.) এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ ২০২১ সালের ২৪ জুন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন। তিনি জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদের কাছ থেকে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিন বছর সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর ২০২৪ সালের ২৩ জুন অবসরে যান।

সেনাপ্রধানের দায়িত্বে থাকার সময় তিনি বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।