বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় বুক শেল্ফ পেল সেরা দুটি প্রাথমিক বিদ্যালয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ২:৩৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় বুক শেল্ফ পেল সেরা দুটি প্রাথমিক বিদ্যালয়

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের এক মহতি ও ব্যতিক্রমী উদ্যোগে জেলার সেরা দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে বিশেষ উপহার হিসেবে আকর্ষণীয় ‘বুক শেল্ফ’ প্রদান করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি এবং বিদ্যালয়গুলোর চমৎকার পারফরম্যান্সের স্বীকৃতিস্বরূপ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো: রুহুল আমিন এই উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

 

শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, সমগ্র জেলায় বিশেষ কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য মাত্র দুটি বিদ্যালয় এই গৌরব ও উপহার লাভ করেছে। নির্বাচিত সেরা বিদ্যালয় দুটি হলো— কলারোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং সাতক্ষীরা সিলভার জুবেলি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এই অর্জনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন বিদ্যালয় দুটির প্রধান শিক্ষকদ্বয়।

 

কলারোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুজিবুর রহমান এবং সাতক্ষীরা সিলভার জুবেলি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চায়না ব্যানার্জি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান। তাঁরা বলেন, এই প্রাপ্তি বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা জোগাবে এবং এর মাধ্যমে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে বই পড়ার অভ্যাস আরও বৃদ্ধি পাবে।

 

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো: রুহুল আমিন জানান, প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন এবং বিদ্যালয়গুলোর মাঝে ইতিবাচক প্রতিযোগিতা তৈরি করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামীতেও জেলার অন্যান্য ভালো কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ এ ধরনের উৎসাহমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

Ads small one

আশাশুনিতে মাদ্রাসাছাত্রকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:২১ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে মাদ্রাসাছাত্রকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার

বিএম আলাউদ্দীন, আশাশুনি: সাতক্ষীরার আশাশুনিতে ১৪ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে একটি হাফেজিয়া মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সাতক্ষীরা সদর উপজেলার পরান্দা এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিদুর রহমান।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তার মো. মোখলেছুর রহমান (৪০) সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী ইউনিয়নের কাশিমপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি আশাশুনি উপজেলার সরাপপুর দারুসসুন্নাহ হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অভিযোগকারী পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ওই প্রতিষ্ঠানের হিফজ বিভাগের ছাত্র এবং মাদ্রাসার আবাসিক বোর্ডিংয়ে থাকত।

এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, অভিযুক্ত শিক্ষক বিভিন্ন সময়ে ওই শিক্ষার্থীকে অনৈতিক প্রস্তাব দিতেন। এতে রাজি না হওয়ায় তাকে হয়রানি ও মারধর করা হতো। এ ছাড়া গত কয়েক দিন ধরে গভীর রাতে নিজের কক্ষে নিয়ে শিক্ষার্থীকে দিয়ে হাত-পা টেপানোর অভিযোগও করা হয়েছে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, সর্বশেষ গত ২১ অক্টোবর সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে বোর্ডিং থেকে চাল-ডাল নিয়ে রান্নাঘরে দিয়ে ফেরার পথে ওই শিক্ষক শিক্ষার্থীকে নিজের কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে তাকে জোরপূর্বক যৌন নিপীড়ন করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময় শিক্ষার্থী চিৎকার করলে অভিযুক্ত শিক্ষক তার মুখ চেপে ধরেন এবং কাউকে ঘটনাটি না জানানোর জন্য নিষেধ করেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।

পরে বাড়িতে ফিরে শিক্ষার্থী তার বাবা-মাকে বিষয়টি জানায়। অসুস্থ বোধ করায় তাকে আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীর বাবা মো. আক্তারুল ইসলাম বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার আশাশুনি থানায় মামলা করেন।

আশাশুনি থানার ওসি শাহিদুর রহমান বলেন, “মামলার পর অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে পুলিশ তৎপরতা শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রায় তিন ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার পরান্দা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।”

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় আশাশুনি থানায় ২২ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে ২০ নম্বর মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০২৫)-এর ৯(১) ধারায় মামলাটি করা হয়েছে। মামলাটি তদন্ত করছেন আশাশুনি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আনজির হোসেন।

শ্যামনগরে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় জেলা প্রশাসকের সঙ্গে মতবিনিময়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৫০ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় জেলা প্রশাসকের সঙ্গে মতবিনিময়

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় আদিবাসী জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন, অধিকার সুরক্ষা ও বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে উপজেলার মুন্সিগঞ্জে অবস্থিত সুশীলন টাইগার পয়েন্টে সুন্দরবন আদিবাসী মুন্ডা সংস্থা ও সুশীলনের যৌথ উদ্যোগে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় আদিবাসী মুন্ডা সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা তাঁদের ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষণ, ভূমিহীনদের মধ্যে খাসজমি বরাদ্দ, নিরাপদ ও সুপেয় পানির সংকট নিরসন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় অন্তর্ভুক্তি, আদিবাসী শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির পরিমাণ ও সুযোগ বৃদ্ধি এবং প্রশাসনের সঙ্গে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সমন্বয় জোরদারসহ বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি তুলে ধরেন।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ মুন্ডা সম্প্রদায়ের ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষণ, ভূমিহীনদের মধ্যে খাসজমি বরাদ্দ, সুপেয় পানির সংকট নিরসন এবং শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি নিশ্চিতকরণসহ উত্থাপিত বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের আশ্বাস দেন।

এ সময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ওমর শরীফ ফাহাদ, সুশীলনের কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান মনির প্রমুখ।

মতবিনিময় সভায় মুন্ডা সম্প্রদায়ের পক্ষে বক্তব্য দেন রাম প্রসাদ মুন্ডা, গোপাল মুন্ডা, চম্পা মুন্ডা, বিথিকা মুন্ডা, নিলিমা মুন্ডা, অনুপ মুন্ডা ও তাপস কুমার প্রমুখ।

ফ্লাইট বাতিলের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৩৫, ভোগান্তির শেষ কোথায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৩৪ অপরাহ্ণ
ফ্লাইট বাতিলের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৩৫, ভোগান্তির শেষ কোথায়

সৌদি আরবের রিয়াদ ও দাম্মাম বিমানবন্দরে হুথিদের হামলার পর দেশটির বেশ কয়েকটি বিমানবন্দর বন্ধ রয়েছে। সুতরাং নিরাপত্তা বিবেচনায় শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে ওই রুটে গমনেচ্ছু ১৩৫টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। গত ১০ অক্টোবর থেকে ফ্লাইট বাতিল হওয়া শুরু হয়। আর এতে করে ২০ হাজার ৬৭২ জন যাত্রী আটকা পড়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বেবিচকের মুখপাত্র কাওছার মাহমুদ গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানান।

বেবিচকের দেওয়া তথ্য মতে, বাতিল হওয়া ১৩৫ ফ্লাইটের মধ্যে সরাসরি ছিল ৬২টি আর ট্রানজিট ফ্লাইট ছিল ৭৩টি।

সরাসরি ফ্লাইটের মধ্যে বিমানের ফ্লাইট ছিল ২৩টি, ইউএস-বাংলার ১০টি, সৌদিয়া এয়ারের ১৯টি এবং রিয়াদ এয়ারের ১০টি।

ট্রানজিট ফ্লাইটগুলো হলো ইন্ডিগো এয়ারের ২৮টি, সালাম এয়ারের ৭টি, ইজিপ্ট এয়ারের একটি, এমিরেটস এয়ারের ১৪টি, কাতারে এয়ারওয়েজের ৯টি, ফ্লাই দুবাইয়ের ৮টি এবং এয়ার ইন্ডিয়ার ৬টি।

কাওছার মাহমুদ জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে ফ্লাইট বাতিলের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।