শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সাতক্ষীরার আরও ১৪ স্কুলে ‘সততা স্টোর’, অর্থ দিল দুদক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ১২:১৪ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরার আরও ১৪ স্কুলে ‘সততা স্টোর’, অর্থ দিল দুদক

 

 

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলার সাতটি উপজেলার আরও ১৪টি মাধ্যমিক ও সমমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘সততা স্টোর’ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে সততা ও নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করার লক্ষ্যে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এই অর্থ সহায়তা প্রদান করেছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিকেলে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধানদের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হয়।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচিত ১৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেকটিকে ২৫ হাজার টাকা করে মোট ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা (কর ও ভ্যাটসহ) প্রদান করা হয়েছে। জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আলমগীর কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেনÑ দুদক খুলনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক মো. রুবেল হোসেন ও মো. মহসিন আলী, জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আবুল কালাম বাবলা, কমিটির সদস্য মোহাম্মদ সাকিবুর রহমানসহ অন্যান্যরা।

নতুন করে এই প্রকল্পের আওতায় আসা উল্লেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছেÑ তালার খলিলনগর ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও বালিকা বিদ্যালয়; কালীগঞ্জের ধলিয়াপুর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়; দেবহাটার বহেরা দারুল উলুম আলিম মাদ্রাসা এবং আশাশুনির বদরতলা যাদব চন্দ্র মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এছাড়াও কলারোয়া, শ্যামনগর ও সাতক্ষীরা সদর উপজেলার দুটি করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এই তালিকায় রয়েছে। সাতক্ষীরা জেলায় দুর্নীতি প্রতিরোধের এই অভিনব চর্চা বেশ আগে থেকেই জনপ্রিয়। জেলা শিক্ষা অফিস জানায়Ñ জেলায় আগে থেকেই ৭৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দুদকের অর্থায়নে সততা স্টোর সচল ছিল। নতুন ১৪টি প্রতিষ্ঠান যুক্ত হওয়ায় বর্তমানে জেলায় মোট ৮৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই স্টোর কার্যক্রম চালু হলো।

এটি এমন একটি দোকান যেখানে কোনো বিক্রেতা থাকে না। পণ্যের গায়ে দাম লেখা থাকে। শিক্ষার্থীরা তাদের প্রয়োজনীয় খাতা, কলম বা টিফিন কিনে নির্ধারিত বাক্সে নিজেরাই টাকা জমা রাখে। এর মাধ্যমে ছোটবেলা থেকেই শিশুদের মধ্যে সততার অভ্যাস গড়ে তোলা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, কেবল পুঁথিগত বিদ্যা নয়, শিক্ষার্থীদের আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে এই ধরণের ‘বিক্রেতাহীন’ দোকান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এই চর্চা ভবিষ্যতে একটি দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনে সহায়ক হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারা।

Ads small one

শার্শা বিয়ের প্রলোভনে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৬:০৭ অপরাহ্ণ
শার্শা বিয়ের প্রলোভনে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক আটক

এম এ রহিম, বেনাপোল (যশোর): যশোরের শার্শায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে আলী রেজা রাজু (৩২) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তকে আটক করেছে পুলিশ। আটক রাজু শার্শা উপজেলার লাউতাড়া গ্রামের মৃত মোবারক হোসেনের ছেলে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, শার্শা সরকারি নাভারণ মহিলা কলেজ-এর অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। প্রায় এক বছর আগে ঘটকের মাধ্যমে অভিযুক্ত আলী রেজা রাজু ওই তরুণীকে বিয়ের প্রস্তাব দেন এবং চার মাসের মধ্যে বিয়ে করবেন বলে আশ্বাস দেন। এরপর তাদের মধ্যে নিয়মিত মোবাইল ফোনে যোগাযোগ শুরু হয় এবং একপর্যায়ে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রাত আনুমানিক ৯টার দিকে রাজু তরুণীর বাড়িতে গিয়ে তার শয়নকক্ষে প্রবেশ করেন। সেখানে বিয়ের আশ্বাসের সুযোগ নিয়ে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ঘটনার পর তরুণী বিয়ের বিষয়ে চাপ দিলে অভিযুক্ত বিভিন্ন অজুহাত দেখাতে থাকেন। পরে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানানো হলে তারা অভিযুক্ত ও তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিয়ের উদ্যোগ নেন। তবে অভিযুক্ত ওই তরুণীকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান।

এ ঘটনায় কয়েকজন সাক্ষীর নাম উল্লেখ করে শার্শা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগকারী জানান, স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও তা ব্যর্থ হওয়ায় পারিবারিক সিদ্ধান্তে থানায় এজাহার দায়ের করা হয়।

এ বিষয়ে শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মারুফ হোসেন বলেন, ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে একটি ধর্ষণ মামলা রুজু করা হয়েছে। মামলার প্রধান অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

 

বাজেট বার্তা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৫:৫৯ অপরাহ্ণ
বাজেট বার্তা

জাহাঙ্গীর চৌধুরী
শুনি যখন বাজেট বার্তা
মন হয় শুকনো পাতা,
কর চাপিয়ে গরিবের গায়
নষ্ট করে মাথা।

গরিব করে ভাতের ভাবনা
পেট পুরিয়ে খেতে,
কোনো রকম বিলাস দ্রব্য
চাহে না সে কিনতে।

বানিজ্যেতে আছে যারা
চিন্তা কিসের তাদের,
বেশি দামে বেচাকেনা
কমতি হয়না লাভের।

করের বোঝা উঠুক এবার
বিলাস দ্রব্যের উপর,
নিত্য দ্রব্য করমুক্ত হোক
সুখে কাটুক বছর।

 

 

নিরাপদ নক্ষত্র

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৫:৪৯ অপরাহ্ণ
নিরাপদ নক্ষত্র

জহুরুল হক জুলু
রাতের শেষ প্রহরে
সব শব্দ যখন নিজেদের ভেতর গুটিয়ে নেয়,
তখনও কিছু অদৃশ্য দরজা খোলা থাকে।

আমি খুঁজি এমন এক আলোকবিন্দু,
যার সামনে দাঁড়িয়ে
নিজেকে আর প্রমাণ করতে হয় না।

যেখানে সাহসের পোশাক খুলে রেখে
মানুষ কেবল মানুষ হতে পারে,
অপূর্ণ, ক্লান্ত, এলোমেলো।

দিনভর জমে থাকা
অসংখ্য অব্যক্ত বাক্য
সেখানে গিয়ে ভাষা পায়।

কোনো প্রশ্নপত্র থাকে না,
থাকে না জবাবদিহির টেবিল,
শুধু বোঝাপড়ার এক গভীর নদী।

যার তীরে বসলে
ভেতরের ভাঙাচোরা শব্দগুলো
ধীরে ধীরে শান্ত হয়ে আসে।

পৃথিবী তখন আর যুদ্ধক্ষেত্র মনে হয় না,
মনে হয় দীর্ঘ যাত্রার শেষে
মিলেছে একটি অনামা উপকূল।

সে কাউকে নিজের বলে দাবি করে না,
তবু তার দিকেই ফিরে যায়
সমস্ত পথভোলা অনুভূতি।

অদ্ভুত এক আকর্ষণ-
যেন ঝড়ের পর সমুদ্র
স্বতঃস্ফূর্তভাবে খুঁজে নেয় চাঁদের আলো।

কিছু সম্পর্ক থাকে
যাদের কোনো সংজ্ঞা নেই,
তবু তারা অভিধানের সব শব্দের চেয়ে সত্য।

তারা ক্ষত গণনা করে না,
পুরোনো ইতিহাসের পাতা ওলটায় না,
বিচারের কাঠগড়াও বানায় না।

শুধু নীরবে উপস্থিত থাকে,
যেন অন্ধকার আকাশে
একটি স্থির নক্ষত্র।

তার আলোয়
অন্তরের ছায়াগুলো ভয় পায় না,
গোপন ক্লান্তিগুলো আশ্রয় খুঁজে পায়।

আর তখন মনে হয়
মানুষের জীবনে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি
হয়তো কোনো সাফল্য নয়,
বরং এমন একটি অস্তিত্ব,
যার কাছে পৌঁছালে
হৃদয় আর নিজেকে লুকিয়ে রাখে না।