বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

সাতক্ষীরাসহ সারাদেশে ডেঙ্গুর দাপট বাড়ছে, হাসপাতালেও ঠাঁই নেই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরাসহ সারাদেশে ডেঙ্গুর দাপট বাড়ছে, হাসপাতালেও ঠাঁই নেই

ন্যাশনাল ডেস্ক: ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশের হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপও দ্রুত বাড়ছে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নির্ধারিত শয্যার বাইরে মেঝে ও বারান্দায় রোগীদের চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। কোথাও কোথাও একটি শয্যায় একাধিক রোগীকে রাখার ঘটনাও ঘটছে। এর মধ্যেই এক দিনে ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তির সর্বোচ্চ রেকর্ড হয়েছে।
সাতক্ষীরা স্বাস্থ্য বিভাগের ১৬ সেপ্টেম্বরের ডেঙ্গু সংক্রান্ত রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২৪ ঘন্টায় সাতক্ষীরায় নতুন আক্রান্ত হয়েছে ২২ জন। হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৫৭ জন। জানুয়ারী থেকে জেলায় মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৩৮৬ জন। অন্যত্রে রেফার করা হয়েছে ৮ জন এবং হাসপাতাল ছেড়েছেন ৩২২ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৫৯৩ জন। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬৪ জনে। এর মধ্যে শুধু সেপ্টেম্বরের প্রথম ১৫ দিনেই মারা গেছেন ৬৭ জন।
একই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ হাজার ৫৬৬ জন। চলতি বছর এ পর্যন্ত ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫৫ হাজার ১৬৩ জন। চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৫০ হাজার ৯৪১ জন।
সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার হাসপাতালগুলোতে ১৭১ জন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার হাসপাতালে ১৩২ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। দুই সিটি করপোরেশনের বাইরে ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৮৩ জন।
ঢাকার বাইরে বরিশালে ১৫৯, চট্টগ্রামে ১৬৫, খুলনায় ২৯০, ময়মনসিংহে ৮২, রাজশাহীতে ১৩৭, রংপুরে ৬৫ এবং সিলেটে ৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। অর্থাৎ রাজধানীর পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন বিভাগেও ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। ফলে শুধু ঢাকার হাসপাতাল নয়, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের চিকিৎসাকেন্দ্রগুলোতেও বাড়ছে চাপ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, চলতি বছর আগস্টে ডেঙ্গুর সংক্রমণ ছিল সবচেয়ে বেশি। ওই মাসে ২০ হাজার ৫৩৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হন এবং মারা যান ৪৩ জন। তবে সেপ্টেম্বরের প্রথমার্ধেই ৬৭ জনের মৃত্যু হওয়ায় মাসের শুরুতেই মৃত্যুর সংখ্যা আগস্টের পুরো মাসের মৃত্যুকেও ছাড়িয়ে গেছে। ডেঙ্গুর বর্তমান প্রবণতার মধ্যে অক্টোবরে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক কবিরুল বাশার।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস এক সেমিনারে বলেন, সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসায় শয্যা বা সুযোগ-সুবিধার সংকট হলে প্রয়োজনে বেসরকারি হাসপাতালে রোগী পাঠিয়ে চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে। সক্ষমতা অনুযায়ী হাসপাতালগুলোতে শয্যা বাড়ানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, শুধু রাজধানী নয়, ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি এমন এলাকাগুলোতে উপজেলা পর্যায়েও চিকিৎসাব্যবস্থা জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাজধানীমুখী রোগীর চাপ কমিয়ে স্থানীয় পর্যায়েই ডেঙ্গণ রোগীদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে চায় স্বাস্থ্য বিভাগ।

Ads small one

‘আমি ডিলার, চেয়ারম্যান হলে গাঁজা-ইয়াবা ফ্রি দেবো’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ণ
‘আমি ডিলার, চেয়ারম্যান হলে গাঁজা-ইয়াবা ফ্রি দেবো’

 

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় ‘আমি চেয়ারম্যান হলে সবার ঘরে ঘরে বিনা টাকায় গাঁজা-ইয়াবা ফ্রি দেবো’ এমন ঘোষণা সংবলিত পোস্টারে ছেয়ে গেছে পুরো ইউনিয়ন। পোস্টারে ছবি ও নাম রয়েছে সিরাজপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি খোকনের। তবে তিনি বলছেন, এ পোস্টার তিনি লাগাননি। এটি জামায়াতের ষড়যন্ত্র বলে দাবি তার।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত থেকে উপজেলার সিরাজপুরে এমন পোস্টার বিভিন্ন দেয়ালে দেখা যাচ্ছে।
দেয়ালে দেয়ালে লাগানো ওই পোস্টারে লেখা হয়, ‘আসন্ন ১নং সিরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমি গাঁজার ডিলার (খোকন) চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছি। আমি কথা দিচ্ছি, আমি চেয়ারম্যান হিসেবে জয়ী হলে সবার ঘরে ঘরে বিনা টাকায় গাঁজা-ইয়াবা ফ্রিতে দেবো।’

পোস্টারে ‘বেকারের জন্য গাঁজা ভাতা, মাদকসেবীদের জনা বিশেষ কার্ড, স্কুল-কলেজের সামনে ফ্রি সাপ্লাই, থানা-পুলিশ আমার ভাই, উন্নয়ন হবে, আগে চাঁদা হবে’ এমন স্লোগান লেখা রয়েছে।

 

এদিকে এমন পোস্টারের ছবি স্যোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে নানা মতামত দিয়েছেন নেটিজেনরা। এমন পোস্টার নিয়ে ফেসবুক পোস্টে বেলাল হোসেন অপেল নামের এক তরুণ লেখেন, আর কি বলবো।

রাজু নামে একজন লেখেন, মাদক কত এভেইল হলে এমন পোস্টার করা হয়। সজিব মাহমুদ নামের একজন লেখেন, এটি প্রতিহিংসা থেকে হতে পারে।

পোস্টারে নিজের নাম ব্যবহারের বিষয়ে সিরাজপুর ৮নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি খোকন বলেন, ৫ দিন আগে আমার ছেলেকে চড় মারে ইউনিয়ন জামায়াতের আমির হাসেমের ছেলে। তা নিয়ে আমি প্রতিবাদ করি। মামলা করার প্রস্তুতি নিয়েছি। তা দেখে তারা আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে। আমি সিসিটিভি ফুটেজ নিচ্ছি, যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে মামলা করবো।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি নুরুল হাকিম বলেন, এ ঘটনার সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। সত্যতা অনুযায়ী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাংলাদেশিদের জন্য ওয়ার্ক পারমিট ও শ্রম ভিসা বন্ধ করলো এক দেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ণ
বাংলাদেশিদের জন্য ওয়ার্ক পারমিট ও শ্রম ভিসা বন্ধ করলো এক দেশ

বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নতুন কাজের অনুমতিপত্র বা ওয়ার্ক পারমিট, শ্রমিক আমদানির পরিকল্পনা এবং শ্রম প্রকল্পগুলোর অনুমোদন স্থগিত করেছে লাওস। দেশটির শ্রম ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ঘোষণা দিয়েছে, এই স্থগিতাদেশ গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়ে ২০২৬ সালের শেষ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

গত ৯ সেপ্টেম্বর জারি করা এক নির্দেশনায় মন্ত্রণালয় জানায়, অবৈধ প্রবেশ, মানবপাচার, অনুমোদনহীন শ্রম দালাল এবং শ্রমিক এনে তাদের দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়া নিয়োগকর্তাদের নিয়ন্ত্রণে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে বাংলাদেশি নাগরিকদের ক্ষেত্রেই কেন এই স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে নির্দেশনায় স্পষ্ট কোনও কারণ উল্লেখ করা হয়নি।

নির্ধারিত চুক্তির সময়সীমা রয়েছে এমন বড় ধরনের সরকারি অনুমোদিত অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্পগুলো এই স্থগিতাদেশের আওতামুক্ত থাকবে।

এই আদেশের ফলে ব্যক্তি, কোম্পানি, নিয়োগকর্তা এবং লেবার অপারেটররা স্বাধীনভাবে কোনও বাংলাদেশি নাগরিকের প্রবেশ বা কর্মসংস্থানের অনুমতি দিতে পারবেন না। এছাড়া ২০২৬ সালের শেষ পর্যন্ত তাদের জন্য লেবার ভিসা পারমিট অনুমোদন দেওয়াও বন্ধ রাখা হয়েছে।

মক্কার আকাশে হুথি ড্রোন, ভূপাতিত করলো সৌদি আরবমক্কার আকাশে হুথি ড্রোন, ভূপাতিত করলো সৌদি আরব
আইন অমান্যকারীদের জরিমানা, বাধ্যতামূলক নিজ দেশে ফেরত পাঠানো এবং ব্যবসার লাইসেন্স বাতিল করার মতো শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

অনুমোদন ছাড়া শ্রমিক আমদানি বা নিয়োগ করলে প্রতি শ্রমিক ও প্রতি লঙ্ঘনের জন্য নিয়োগকর্তাকে ২৫ লাখ লাও কিপ বা ১১০ ডলার জরিমানা দিতে হবে। অন্য শ্রম ইউনিটে পুনর্বণ্টনের জন্য শ্রমিক আমদানি করলেও একই পরিমাণ জরিমানা প্রযোজ্য হবে। অন্যদিকে ভিন্ন শ্রম ইউনিটে নিয়োজিত কর্মী ব্যবহার বা গ্রহণকারী নিয়োগকর্তাদের প্রতি কর্মী প্রতি ২০ লাখ লাও কিপ বা ৮৯ মার্কিন ডলার জরিমানা দিতে হবে।

অনুমতি ছাড়া শ্রমিক নির্ধারিত কর্মস্থল ছেড়ে অন্য জায়গায় কাজ করতে গেলে প্রতি ব্যক্তি ও প্রতি ঘটনার জন্য ১০ লাখ লাও কিপ বা ৪৪ ডলার জরিমানা এবং ৩০ দিনের মধ্যে বহিষ্কারের বিধান রাখা হয়েছে। ওই শ্রমিককে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর সব খরচ নিয়োগকর্তা বা সংশ্লিষ্ট লঙ্ঘনকারীকে বহন করতে হবে।

একই ধরনের অপরাধ পুনরায় করলে জরিমানার পরিমাণ তিন গুণ হবে। পাশাপাশি আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে পারেন সংশ্লিষ্টরা।

ইসরায়েলকে ৪০ হাজার বোমা দিতে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসনইসরায়েলকে ৪০ হাজার বোমা দিতে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন
লাওসে বর্তমানে কতজন বাংলাদেশি কর্মরত আছেন, সে সংখ্যা নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়নি। একইভাবে, এই স্থগিতাদেশে কোন কোন খাতে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হবে, তাও জানানো হয়নি। উল্লেখ্য বাংলাদেশ থেকে লাওসে শ্রম অভিবাসন ঐতিহাসিকভাবে মূলত নির্মাণ ও উৎপাদনখাত কেন্দ্রিক হয়ে থাকে।

সূত্র: দ্য লাওতিয়ান টাইমস

একলাফে ইলিশের মণে দাম কমেছে ২০ হাজার টাকা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫৩ পূর্বাহ্ণ
একলাফে ইলিশের মণে দাম কমেছে ২০ হাজার টাকা

দীর্ঘদিনের চড়া দামের পর বরিশালের বাজারে ইলিশের দাম কমেছে। গত কয়েক দিনে মোকামগুলোতে ইলিশের সরবরাহও বেড়েছে। এতে পাইকারি বাজারে মণপ্রতি দাম কমেছে সর্বোচ্চ প্রায় ২০ হাজার টাকা।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বরিশাল নগরীর ইলিশের প্রধান পাইকারি মোকাম পোর্ট রোড ও বিভিন্ন খুচরা বাজার ঘুরে ব্যবসায়ী, জেলে ও ক্রেতারা এ তথ্য জানিয়েছেন।

ব্যবসায়ীরা জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে মোকামগুলোতে ছোট, মাঝারি ও বড় ধরনের ইলিশ তুলনামূলক বেশি আসছে। সরবরাহ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কমতে শুরু করেছে দামও। আর এতে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে ক্রেতাদের মাঝেও।

পোর্ট রোড বাজারে মাছ কিনতে আসা রাসেল হাওলাদার বলেন, ‘এক সপ্তাহ আগে এক কেজি সাইজের ইলিশ ২ হাজার ৮০০ থেকে ৩ হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। আজ একই সাইজের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৪০০ টাকা কেজি।’ তাই আগের তুলনায় দাম কিছুটা কমায় দুই কেজি মাছ কিনেছেন বলে জানান।

নগরীর বাংলাবাজারে মাছ কিনতে আসা রেজাউল ইসলাম বলেন, ‘গত সপ্তাহে ৭০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের দুটি ইলিশ কিনেছি ২ হাজার ৫০০ টাকা কেজি দরে। একই সাইজের ইলিশ আজ বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার টাকা কেজিতে। বিক্রেতারা বলছেন, ইলিশের সরবরাহ বাড়ায় দাম কমেছে।’

পোর্ট রোড মোকামের খুচরা বিক্রেতা নাসির উদ্দিন বলেন, গত সপ্তাহে ৪টায় এক কেজি হয় এমন ইলিশ এক হাজার টাকায় কিনেছেন। এ সপ্তাহে সেই মাছ কিনেছেন ৬০০ টাকা কেজিতে। আর এক কেজি ওজনের ইলিশ এখন ২ হাজার ২০০ টাকা কেজিতে কিনছেন, যেখানে আগে দাম ছিল ২ হাজার ৮০০ থেকে ৩ হাজার টাকা।

পোর্ট রোড মৎস্য আড়তদার সমিতির সভাপতি মো. জহির শিকদার বলেন, ‘গত সপ্তাহে পোর্ট রোডের মোকামে ইলিশ এসেছিল প্রায় ৭৫ মণ। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সেখানে বিক্রি হয়েছে প্রায় ১৬০ মণ। অর্থাৎ এক সপ্তাহের ব্যবধানে সরবরাহ দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে।’ এ ধারা অব্যাহত থাকলে সামনে ইলিশের দাম আরও কমতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

তিনি জানান, সাত দিন আগে দেড় কেজির বেশি ওজনের ইলিশ প্রতি মণ এক লাখ ৫০ হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়েছিল। মঙ্গলবার সেই মাছ বিক্রি হয়েছে এক লাখ ২০ হাজার টাকায়। একইভাবে, এক কেজি ২০০ গ্রাম থেকে দেড় কেজি ওজনের ইলিশের দাম এক লাখ ২৫ হাজার টাকা থেকে কমে হয়েছে এক লাখ পাঁচ হাজার টাকা।

এ ছাড়া এক কেজি থেকে এক কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের মণ ছিল এক লাখ ১০ হাজার টাকা, যা এখন ৯৬ হাজার টাকা। ৭০০ থেকে ৯০০ গ্রামের মাছ ৯৯ হাজার থেকে কমে ৮০ হাজার, ৫০০ থেকে ৭০০ গ্রামের মাছ ৮৫ হাজার থেকে কমে ৭০ হাজার এবং ৪০০ থেকে ৫০০ গ্রামের ইলিশ ৬৫ হাজার থেকে কমে ৫০ হাজার টাকা মণ দরে বিক্রি হচ্ছে।

আরও ছোট আকারের মধ্যে ৩০০ থেকে ৪০০ গ্রামের ইলিশের দাম ৫৫ হাজার টাকা থেকে নেমে হয়েছে ৪০ হাজার টাকা। ২৫০ গ্রাম ওজনের ইলিশের মণপ্রতি দাম ৪২ হাজার টাকা থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার টাকায়। এর চেয়েও ছোট আকারের ইলিশের দাম ৩২ হাজার টাকা থেকে কমে হয়েছে ২০ হাজার টাকা মণ।