বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩

সাতক্ষীরা প্রাণনাথ স্কুল এন্ড কলেজ এর শিক্ষার মানোন্নয়নে কমিউনিটি অ্যাকশন মিটিং

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৬:৪৩ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা প্রাণনাথ স্কুল এন্ড কলেজ এর শিক্ষার মানোন্নয়নে কমিউনিটি অ্যাকশন মিটিং

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন ২০২৬) বেলা ১১ টায় সাতক্ষীরা প্রাণনাথ স্কুল এন্ড কলেজ- এ ‘সনাক-টিআইবি’র সহায়তায় ‘‘অ্যাক্টিভ সিটিজেন্স গ্রুপ-এসিজি কর্তৃক শিক্ষালয়টির সার্বিক মানোন্নয়নে ‘‘কমিউনিটি অ্যাকশন মিটিং’’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

সভায় এসিজি কর্তৃক কমিউনিটি মনিটরিং এর মাধ্যমে প্রাপ্ত সাতক্ষীরা প্রাণনাথ স্কুল এন্ড কলেজ এর বিভিন্ন সমস্যা, যেমন- শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার কম থাকা; নিরাপদ পানীয়জলের অভাব; পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার অভাবসহ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে সুশাসন ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এছাড়াও উপস্থিত নাগরিকগণ শিক্ষালয়টির বেশ কিছু সমস্যা তুলে ধরেন। সভায় সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সাথে- এমনকি প্রয়োজনে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্তৃপক্ষের সাথে অ্যাডভোকেসি সভা আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়।

আলোচনায় বক্তারা, শিক্ষার্থীদের পড়ার মান উন্নতকরণ, কম্পিউটার ল্যাব, ক্যান্টিনের ব্যবস্থা, বিনোদন মূলক কার্যক্রম গ্রহণসহ বিদ্যমান সমস্যসমূহ সমাধান করে বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়নের সাথে সাথে পূর্ব ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের দৃৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

সাতক্ষীরা পিএন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নারায়ন চন্দ্র রায় চৌধুরী এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সনাক এর শিক্ষা বিষয়ক উপকমিটির¥ আহ্বায়ক প্রফেসর আব্দুল হামিদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন এসিজি’র সমন্বয়ক সেলিনা পারভীন। উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অভিভাবক, স্থানীয় জনসাধারণ, সনাক, ইয়েস ও এসিজি’র সদস্যবৃন্দ। সভা সঞ্চালনায় ছিলেন টিআইব’র এরিয়া সমন্বয়কারী আল-আমিন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

 

 

 

Ads small one

‘গরুর স্কুল’ তকমায় শিক্ষার্থী নেমেছে ২৪ জনে, পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ১০:৪৫ অপরাহ্ণ
‘গরুর স্কুল’ তকমায় শিক্ষার্থী নেমেছে ২৪ জনে, পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

সংবাদদাতা: বিদ্যালয়ের প্রবেশদ্বারে নিয়মিত গরু-ছাগল বেঁধে রাখা, গোবর ও আবর্জনা ফেলা এবং উন্মুক্ত ড্রেন তৈরির কারণে শিক্ষার পরিবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার সোনাটিকারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণে স্থানীয় মহলে এটি ‘গরুর স্কুল’ হিসেবে তকমা পেয়েছে। যার প্রভাবে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী কমতে কমতে এখন মাত্র ২৪ জনে এসে দাঁড়িয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে বিদ্যালয়ের পরিবেশ রক্ষা ও শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনিক ও পুলিশি হস্তক্ষেপ চেয়ে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর চিঠি দিয়েছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দীপক কুমার বিশ্বাস।

শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের একাধিক পরিদর্শন এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের দেওয়া লিখিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

ইউএনওকে দেওয়া চিঠিতে অভিযোগ করা হয়, বিদ্যালয়ের উত্তর পাশের বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম নিয়মকানুন উপেক্ষা করে বিদ্যালয়ের সামনে গরু-ছাগল বেঁধে রাখেন। মাঠের মধ্যে গোবর, খড়কুটা, গাছের পাতা ও পরিত্যক্ত আসবাবপত্র ফেলে রাখা হয়। এমনকি তাঁর বাড়ির বর্জ্য নিষ্কাশনের জন্য বিদ্যালয়ের সামনে একটি উন্মুক্ত ড্রেন তৈরি করা হয়েছে। এতে পুরো ক্যাম্পাস

 

দুর্গন্ধময় ও নোংরা হয়ে পড়েছে। শিক্ষকেরা ও শিক্ষা কর্মকর্তারা একাধিকবার নিষেধ ও সতর্ক করলেও তিনি তা আমলে নেননি।
স্থানীয় কয়েকজন অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, চারপাশের এমন নোংরা পরিবেশের কারণে তাঁরা সন্তানদের এই বিদ্যালয়ে ভর্তি করাতে চাচ্ছেন না। এছাড়া বিদ্যালয়ের সীমানা ঘেঁষে থাকা প্রতিবেশীদের বাঁশঝাড়ের কারণে শ্রেণিকক্ষে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস প্রবেশ করতে পারছে না। বাঁশঝাড় সরানোর অনুরোধ করলেও কোনো কাজ হয়নি।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দীপক কুমার বিশ্বাস চিঠিতে উল্লেখ করেছেন, বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে এবং সরকারি সম্পত্তির পবিত্রতা রক্ষায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

কলারোয়ায় মিষ্টান্নের দোকানে ৮ হাজার টাকা জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ১০:৪২ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় মিষ্টান্নের দোকানে ৮ হাজার টাকা জরিমানা

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়ায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও নানা অব্যবস্থাপনার কারণে দুলালের মিষ্টির দোকান ও রাজ হোটেলকে ৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বেলা ১১ টার দিকে কলারোয়ার বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে ওই দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সাতক্ষীরা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান তানভীরের নেতৃত্বে ভোক্তা অধিকারের একটি টিম কলারোয়া পৌর শহরের বিভিন্ন খাবারের প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালায়। এ সময় খাদ্য প্রস্তুত ও পরিবেশনের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি না মানা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য সংরক্ষণ এবং অন্যান্য ভোক্তা অধিকারবিরোধী অনিয়মের অভিযোগে কলারোয়া উপজেলা মোড়ের রাজ হোটেলের স্বত্বাধিকারী সাগর হোসেনকে ৩ হাজার টাকা এবং দুলালের মিষ্টির দোকানের স্বত্বাধিকারী সুভাষ ঘোষকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

 

একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়। সাতক্ষীরা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান তানভীর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের জানান, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা এবং সাধারণ ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।

শ্যামনগরে তিন দিনব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপনের সূচনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে তিন দিনব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপনের সূচনা

শ্যামনগর প্রতিনিধি: “সংস্কৃতি মানুষের মনন গঠনে সহায়ক। সাম্য, অসাম্প্রদায়িকতা ও দ্রোহের চেতনা বিলিয়ে দিয়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম নির্যাতিত মানুষকে পথ দেখিয়েছেন।” প্রধানমন্ত্রীর এই আহ্বানের মধ্য দিয়ে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে শুরু হয়েছে ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপন। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ১০টায় মন্ত্রিপরিষদ সচিবালয় থেকে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হয়ে দেশব্যাপী এই আয়োজনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দেশের ৬৪টি জেলা ও নির্ধারিত ৭৩টি উপজেলার মতো শ্যামনগরেও এ উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা যেমন জাতির মেরুদ-, তেমনি সংস্কৃতি মানুষের ভেতরের মননকে বিকশিত করে। নজরুলের সাহিত্য ও সৃষ্টিকে যদি নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া না যায়, তবে তারা বাঙালি সংস্কৃতির এক বিশাল অধ্যায় থেকে বঞ্চিত হবে। উদ্বোধনী বক্তৃতায় তিনি জাতীয় কবির জীবন ও কর্ম নিয়ে আরও বেশি গবেষণা ও চর্চা বাড়ানোর তাগিদ দেন।

ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধনের পর শ্যামনগর উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামসুজ্জাহান কনকের সভাপতিত্বে সভায় উপজেলার তিন দিনব্যাপী কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরা হয় এবং সর্বস্তরের মানুষকে এতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রাশেদ হোসাইনের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন:
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. জিয়াউর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ওয়ালিউল ইসলাম, বিএনপি নেতা আব্দুল ওয়াহেদ ও সোলায়মান কবির, অধ্যাপক আবু সাইদ, শ্যামনগর প্রেসক্লাবের সভাপতি সামিউল মনির, শিক্ষক প্রতিনিধি লাভলু, আজহারুল ইসলাম এবং এস কে সিরাজ।

আলোচনা সভার শুরুতে জাতীয় কবির জীবন, সাহিত্য ও দর্শনের ওপর একটি তথ্যসমৃদ্ধ প্রবন্ধ পাঠ করেন শ্যামনগর সরকারি মহসীন কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক সচ্চিদানন্দ অমল।

বক্তারা বলেন, নজরুলের অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের বার্তা আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের অংশগ্রহণে কবির গান, কবিতা ও জীবনভিত্তিক নানা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে, যা স্থানীয় পর্যায়ে সাংস্কৃতিক জাগরণ তৈরি করবে।