শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩

সাতক্ষীরা-ভেটখালী সড়ক যেন দুর্ভোগের ফাঁদ, কাজের ঢিমেতালে চরম অসন্তোষ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১:২৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা-ভেটখালী সড়ক যেন দুর্ভোগের ফাঁদ, কাজের ঢিমেতালে চরম অসন্তোষ

এসএম শহীদুল ইসলাম: ​উন্নয়নকাজের নামে দীর্ঘ সংস্কার প্রক্রিয়া, কোথাও খুঁড়ে রাখা রাস্তা, আবার কোথাও কাঁদাপানিতে একাকার বড় বড় খানাখন্দ। সাতক্ষীরা–ভেটখালী মহাসড়কের শ্যামনগর ও কালিগঞ্জ অংশের বর্তমান চিত্র এটি। সড়কটির কাজের ধীরগতি ও অব্যবস্থাপনার কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা, পথচারী এবং যানবাহন চালক ও মালিকেরা।

​সরেজমিনে দেখা যায়, মহাসড়কটির শ্যামনগর ও কালিগঞ্জ উপজেলা অংশে উন্নয়নকাজের গতি থমকে আছে। খানাখন্দে ভরা রাস্তায় পিচ্ছিল কাদা জমে চলাচলের একপর্যায়ে মাঝারি ও হালকা যানবাহন উল্টে যাচ্ছে। সম্প্রতি রাস্তায় গর্তে আটকে একটি ইজিবাইক উল্টে যেতে দেখা যায়। এভাবে প্রতিদিন ছোট-বড় দুর্ঘটনা নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে।

​স্থানীয়দের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি ও দায়িত্বহীনতার কারণেই সংস্কারকাজ নির্দিষ্ট সময়ে ও যথাযথভাবে এগোচ্ছে না। সড়কটির দীর্ঘদিনের এই বেহাল দশা জরুরি চিকিৎসাসেবা প্রার্থী, শিক্ষার্থী ও নিত্যদিনের যাত্রীদের যাতায়াত ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে।

​এ বিষয়ে স্থানীয় বাসচালক আব্দুর রউফ  আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, “এই রাস্তায় গাড়ি চালানো মানেই জীবন বাজি রাখা। প্রতিদিন কোনো না কোনো গাড়ি কাদায় আটকে যাচ্ছে বা উল্টে দুর্ঘটনা ঘটছে। গাড়ি মেরামতের খরচ চালাতে গিয়ে লাভ তো দূরের কথা, পকেটের টাকা গচ্চা যাচ্ছে। দ্রুত এ রাস্তা ঠিক করা না হলে গাড়ি চালানো বন্ধ দেওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না।”

​জরুরি প্রয়োজনে উপজেলা সদরে চিকিৎসাধীন স্বজনকে নিয়ে যাচ্ছিলেন শ্যামনগরের বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম। ভোগান্তির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “রাস্তার যে অবস্থা, সুস্থ মানুষও এতে যাতায়াত করলে অসুস্থ হয়ে পড়বে। আশঙ্কাজনক কোনো রোগীকে এভাবে হাসপাতালে নেওয়া অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। সড়ক সংস্কারের নামে আমাদের এভাবে জিম্মি করে রাখার কোনো মানে হয় না।”

​দীর্ঘদিন ধরে চলা এমন অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

​জনভোগান্তি নিরসনে আশু হস্তক্ষেপ কামনা করে কালিগঞ্জের এক স্থানীয় ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর হোসেন ও সাইফুল ইসলাম বলেন, “সড়কটি এত গুরুত্বপূর্ণ একটি যোগাযোগ মাধ্যম, অথচ এটি এখন চরম অবহেলিত। সংশ্লিষ্ট সড়ক বিভাগ ও প্রশাসনের অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করা উচিত। ঠিকাদারকে জবাবদিহিতার আওতায় এনে দ্রুত সড়কটি চলাচলের উপযোগী না করলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের শেষ থাকবে না।”

​স্থানীয় সচেতন মহল ও ভুক্তভোগীদের দাবি, অনতিবিলম্বে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে তদারকির আওতায় এনে সড়ক সংস্কারের কাজ দ্রুত শেষ করা হোক এবং সড়কটিকে নিরাপদ চলাচলের উপযোগি করা হোক।

এদিকে তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, সাতক্ষীরা-ভেটখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের দৈর্ঘ্য ৬২ কিলোমিটার। দীর্ঘদিন ধরে এ মহাসড়কের সংস্কার হয়নি। ফলে সড়কটি আগে থেকেই ছিল খানাখন্দে ভরা। এই পরিস্থিতিতে দেড় বছর আগে নির্মাণকাজ হাতে নেওয়া হয়। এই কাজ চলতি বছরের জুনে শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এই সময়ে কাজ হয়েছিল মাত্র ৩১ শতাংশ। সংস্কার করতে গিয়ে কোথাও কোথাও কেটে রাখা হয় রাস্তা। ফলে ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। এরপর বৃষ্টির পানিতে সড়কটি কাদাপানির খালে পরিণত হয়।

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের সাতক্ষীরা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সাতক্ষীরা থেকে ভেটখালী পর্যন্ত আঞ্চলিক মহাসড়কটি নির্মাণে বরাদ্দ রয়েছে ৮২২ কোটি টাকা। ২০২৫ সালের অক্টোবরে মহাসড়কটি নির্মাণের কার্যাদেশ দেওয়া হয়। চলতি বছরের জুন মাসে তা শেষ করার কথা ছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ না হওয়ায় মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত।

৬২ কিলোমিটারের এই সড়কের কাজ দেওয়া হয়েছে ৫টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে।

নির্মাণকাজে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এমডি মাঈনুদ্দীন লিমিটেডের প্রকল্প পরিচালক রবিউল ইসলাম বলেন, আমরা যখন কোনো সামগ্রী আনি, তখন সেটার উৎস অনুমোদন থাকে। এ ছাড়া নির্মাণ সামগ্রীগুলো টেস্ট করে আনা হয়। অনিয়ম করার কোন সুযোগ নেই।

মহাসড়কটির নির্মাণকাজের সার্বক্ষণিক নজরদারি করা হচ্ছে বলে আগেই জানিয়েছেন সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আনোয়ার পারভেজ। তিনি বলেন, বিভিন্ন জটিলতায় কার্যাদেশ দেওয়া হয় ২০২৫-এর অক্টোবরে। কাজের মেয়াদ ছিল ২ বছর ১১ মাস অথচ বিভিন্ন প্রক্রিযায় সময় নষ্ট হয়েছে ২ বছর। ১১ মাসে আমাদের কাজের অগ্রগতি শতকরা ৩২ ভাগ। এর মধ্যে বৈদ্যুতিক পোলের জন্য ২ ও ৩ নং প্যাকেজের কাজের অগ্রগতি হচ্ছে না। তিনি বলেন, ‘চলতি বছরের জুনে শেষ করার কথা থাকলেও তা শেষ হয়নি। আশা করি ২০২৭ সালের জুনের মধ্যে সমুদয় কাজ শেষ হবে। আর কাজ নিয়মিত মনিটরিং করা হয়।

Ads small one

আজ সাতক্ষীরায় আসছেন আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৩৫ পূর্বাহ্ণ
আজ সাতক্ষীরায় আসছেন আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান

ডেস্ক রিপোর্ট: আজ সাতক্ষীরা সফরে আসছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
সফরসূচি অনুযায়ী, মন্ত্রী ১২ তারিখ রাত ৮ টায় সাতক্ষীরা সার্কিট হাউজে উপস্থিত হবেন এবং রাত্রি যাপন করবেন।
পরের দিন ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টায় সাতক্ষীরা জেলা জজ আদালতের সম্মেলনকক্ষে জেলা পর্যায়ের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। একই দিন সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে সাতক্ষীরা জেলার সংসদ সদস্য, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক, বিজিবির সিও, র‌্যাবের সিও, পুলিশ সুপারসহ জেলার বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান, জেলা পরিষদ প্রশাসক, পৌর প্রশাসকসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। পরে বিকেল ৩টায় তিনি জেলা ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ সব অঙ্গসংগঠনের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় যোগ দেবেন।

‘সাত ভাই চম্পা’ গানে কবরীর পরা শাড়ির প্রেমে নূতন, কিনেছিলেন ৭ টাকায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ
‘সাত ভাই চম্পা’ গানে কবরীর পরা শাড়ির প্রেমে নূতন, কিনেছিলেন ৭ টাকায়

ছোটবেলা থেকেই গান, নাচ, অভিনয়ের প্রেমে পড়েছিলেন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী নূতন। ‘রূপবান’ সিনেমায় সুজাতার এবং ‘সাত ভাই চম্পা’ সিনেমা দেখে কবরীর অভিনয় ও সৌন্দর্যে মোহাবিষ্ট হয়েছিলেন তিনি। তার ভালোবাসা এতটাই তীব্র ছিল, ‘সাত ভাই চম্পা’ গানে কবরীর পরা শাড়ির মতো একই শাড়ি কেনার জন্য অস্থির হয়ে পড়েছিলেন।

পরবর্তীতে তৎকালীন সাত টাকা দিয়ে সেই শাড়িটি কিনেছিলেন তিনি। জনপ্রিয় পডকাস্ট ‘বিহাইন্ড দ্য ফেইম উইথ আরআরকে’-এ অংশ নিয়ে নূতন বলেছেন তার এমন না বলা অনেক কথা।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টায় মাছরাঙা টেলিভিশন ও রেডিও দিনরাত ৯৩.৬ এফএম-এ একযোগে প্রচারিত হবে এই পডকাস্ট। এটি সঞ্চালনায় রুম্মান রশীদ খান।

নূতন এই পডকাস্টে জানিয়েছেন, একসময় ফোক ফ্যান্টাসি সিনেমার অপরিহার্য নায়িকা হিসেবে সাপ নিয়ে নির্মিত অসংখ্য সিনেমায় তিনি অভিনয় করেছেন। ‘রাজমহল’ ছিল এ ঘরানায় তার প্রথম সিনেমা। সেই সিনেমায় জোড়া সাপকে হাতে নিয়ে শুটিং করতে গিয়ে মনের অজান্তে দুটি সাপকে গলা টিপে মেরে ফেলেছিলেন তিনি।

শবনম ফারিয়া অভিনয় করতে চান, তবে… শবনম ফারিয়া অভিনয় করতে চান, তবে…
তিনি আরও জানান, একসময় প্রয়াত এহতেশাম তাকে ‘পীচ ঢালা পথ’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য বলেছিলেন। সে সময় তিনি রাজি হননি। তবে ‘নতুন প্রভাত’ সিনেমার মাধ্যমে পরবর্তীতে নায়িকা নূতন হিসেবে তিনি চলচ্চিত্র জগতে পা রাখেন।

‘বিহাইন্ড দ্য ফেইম উইথ আরআরকে’ প্রযোজনা করছেন জেড আই ফয়সাল।

শবনম ফারিয়া অভিনয় করতে চান, তবে…

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:০৯ পূর্বাহ্ণ
শবনম ফারিয়া অভিনয় করতে চান, তবে…

ছোট পর্দার একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। ২০১৩ সালে আদনান আল রাজীব পরিচালিত ‘অল টাইম দৌড়ের উপর’ নাটকের মাধ্যমে অভিনয়ে আত্মপ্রকাশ ঘটে তার। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। উপহার দিয়েছেন বেশ কিছু দর্শকপ্রিয় নাটক।

তবে এখন আর আগের মতো অভিনয়ে নেই তিনি। বিভিন্ন সময়ে অভিনয়ে নেই কেন এই প্রশ্নের মুখে পড়েন অভিনেত্রী। এবার সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন তিনি।

সম্প্রতি গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে শবনম ফারিয়া বলেন, ‘আমি এখন জীবনের যে পর্যায়ে আছি সে জায়গা থেকে নিয়মিত ২২-২৩ দিন অভিনয় করা সম্ভব না। আমি অভিনয় করতে চাই। কিন্তু নিয়মিত যে কাজ সেটা আমি আর করতে চাই না। বছরে ৫-৬টি কাজ করতে চাই।’

আমি এই পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত: সামান্থা রুথ প্রভুআমি এই পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত: সামান্থা রুথ প্রভু
ফারিয়া অভিনীত খণ্ড নাটকের তালিকায় রয়েছে- ‘কালো বরফ’, ‘মাকে আমার পড়ে না মনে’, ‘বুক ভরা ভালোবাসা’, ‘তবু ভালোবাসি তোমায়’, ‘মাছ পাখি ও তুমি’ ইত্যাদি। ধারাবাহিকের মধ্যে রয়েছে ‘সোনার সেকল’, ‘দোস্ত দুশমন’, ‘ফ্যামিলি ক্রাইসিস’, ‘বকুলপুর’, ‘শান্তিপুরীতে অশান্তি’ ইত্যাদি।

২০১৮ সালে ছোট পর্দা পেরিয়ে ‘দেবী’ সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে শবনম ফারিয়ার।