মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

সাতক্ষীরা সদর ও দেবহাটার অবকাঠামো উন্নয়নে ২০ কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ৬:৫১ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সদর ও দেবহাটার অবকাঠামো উন্নয়নে ২০ কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরা সদর ও দেবহাটা উপজেলার অবকাঠামো উন্নয়নে ২০ কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। সম্প্রতি সংশ্লিষ্ঠ মন্ত্রণালয় উক্ত বরাদ্দের অনুমোদন প্রদান করে। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী জনগণের চাওয়া পাওয়া পূরণ করতে জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আলহাজ্ব মো. আব্দুর রউফ এর প্রচেষ্টায় এসব প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে সংবাদপত্রে প্রকাশের জন্য কয়েকজন সাংবাদিকের পাঠানো রিপোর্ট থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

উক্ত রিপোর্টের তথ্যানুযায়ী বরাদ্দকৃত অর্থে প্রাথমিক পর্যায়ে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আলিপুর ইউনিয়নে চলাচলের অনুপযোগী ৬ টি রাস্তা নতুন করে নির্মাণ করা হবে। এছাড়া, বাঁশদহা ইউনিয়নে ১ টি, বল্লী ইউনিয়নে ১ টি, ভোমরা ইউনিয়নে ২ টি, বৈকারী ইউনিয়নে ১ টি নতুন রাস্তা নির্মাণ করা হবে। বরাদ্দকৃত অর্থে আলিপুর ইউনিয়নে ৫ টি রাস্তা সংস্কার করা হবে।

 

দেবহাটা উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়নের ৩টি, পারুলিয়া ইউনিয়নে ০১টি নতুন রাস্তা নির্মাণ করা হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবন নির্মাণ ও ১০টির ভবন উর্দ্ধমুখী সম্প্রসারণ করা হবে। স্কুল ও কলেজ ভবন সংস্কার করা হবে সাতক্ষীরা সদর ও দেবহাটা উপজেলায় ১৭ টি।

 

এছাড়া সাতক্ষীরা সদর ও দেবহাটা উপজেলার কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন ১২ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবন নির্মাণ ও ১০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন উর্দ্ধমুখী সম্প্রসারণ করা হবে। ১৫ টি বেসরকারি ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন সংস্কার করা হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন “সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় উন্নয়ন” প্রকল্পে সাতক্ষীরা সদর ও দেবহাটা উপজেলায় ১৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নতুন নির্মাণ ও সম্প্রসারণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।

 

জরাজীর্ণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় উন্নয়ন প্রকল্পে সাতক্ষীরা সদর ও দেবহাটা উপজেলায় ২০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মেরামত ও সংস্কার হবে। এছাড়া অন্যান্য প্রকল্পের আওতায় সাতক্ষীরা সদর ও দেবহাটা উপজেলায় ১০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নতুন নির্মাণ ও সম্প্রসারণ হবে। মেরামত ও সংস্কারের লক্ষ্যে সাতক্ষীরা সদর ও দেবহাটা উপজেলার ২০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অন্তভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়াও পর্যায়ক্রমে তার সকল নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রেখে জনগণের চাওয়া পাওয়া পূরণ করবেন আলহাজ্ব মো. আব্দুর রউফ বলে রিপোর্টে জানানো হয়েছে।

Ads small one

কলারোয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই ক্লিনিকে জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই ক্লিনিকে জরিমানা

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই ক্লিনিক ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) কলারোয়া উপজেলার কেরালকাতা ইউনিয়ন এর মা জননী নার্সিং হোম এবং মাতৃকল্যাণ ক্লিনিকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম।

 

এ সময় ক্লিনিকে সরকারি অনুমোদন না থাকায়, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং অনুমোদিত ডাক্তার না থাকায় উভয় প্রতিষ্ঠানকে মেডিকেল প্র্যাকটিস এবং বেসরকারি ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরি (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ- ১৯৮২ অনুযায়ী পাঁচ হাজার করে সর্বমোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সেই সাথে ক্লিনিকের সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

 

আদালত পরিচালনাকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. বাপ্পি কুমার দাস, বেঞ্চ সহকারী এমএ মান্নানসহ থানা পুলিশের সদস্যবৃন্দ। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে বলে জানান উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলাম।

পাইকগাছায় আমড়ার বাম্পার ফলন: দূর-দূরান্তে যাচ্ছে উপকূলের টক-মিষ্টি ফল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় আমড়ার বাম্পার ফলন: দূর-দূরান্তে যাচ্ছে উপকূলের টক-মিষ্টি ফল

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: উপকূলীয় উপজেলা পাইকগাছায় চলতি মৌসুমে মুখরোচক ফল আমড়ার বাম্পার ফলন হয়েছে। পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এ ফলের ফলন ও বাজার দর ভালো পাওয়ায় মুখে হাসি ফুটেছে স্থানীয় আমড়া চাষি ও ব্যবসায়ীদের।

খুলনার লবণাক্ত এ উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে গদাইপুর, রাড়ুলী, হরিঢালী ও কপিলমুনির মতো উঁচু এলাকাগুলোতে প্রচুর আমড়ার চাষ হয়। পুষ্টিবিদদের মতে, ভিটামিন এ, বি, সি, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও আয়রনসমৃদ্ধ এ ফলটি স্বাস্থ্য সুরক্ষায় দারুণ ভূমিকা রাখে। বাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি কাঁচা আমড়া বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকায়।

আষাঢ় থেকে ভাদ্রÑএই তিন মাস আমড়ার প্রধান মৌসুম। ব্যাপারীরা এ সময় গ্রাম ঘুরে পুরো গাছের ফল এককালীন চুক্তিতে কিনে নেন। এরপর আড়ত হয়ে এ আমড়া সরবরাহ করা হয় ঢাকা, খুলনা, সাতক্ষীরাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, রোদযুক্ত উঁচু স্থানে সারিবদ্ধভাবে রোপণ করলে ৩-৪ বছরের মধ্যে ফল পাওয়া যায়। এখানে মূলত দেশি ও হাইব্রিড—দুই জাতের আমড়া চাষ হয়। হাইব্রিড জাতের চারা রোপণের মাত্র এক বছরের মধ্যেই ফলন মেলে। দানাদার সার ও বর্ষার মৌসুমে পোকা দমনে সামান্য কীটনাশক ব্যবহার করলেই গাছ রোগমুক্ত থাকে।

চলতি মৌসুমে কাঙ্ক্ষিত ফলন পাওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে পাইকগাছা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ একরামুল হোসেন জানান, আমড়া উপকূলীয় এলাকার একটি অন্যতম অর্থকরী ফসল। উৎপাদন আরও বাড়াতে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও নতুন চারা রোপণে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে।

 

খানাখন্দে জর্জরিত পাটকেলঘাটা-চোমরখালি সড়ক: দুর্ভোগে শত গ্রামের মানুষ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ১০:৫৬ অপরাহ্ণ
খানাখন্দে জর্জরিত পাটকেলঘাটা-চোমরখালি সড়ক: দুর্ভোগে শত গ্রামের মানুষ

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: পাটকেলঘাটা বাণিজ্যিক কেন্দ্রের দক্ষিণ অঞ্চলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির এখন বেহাল দশা। সড়কের বিভিন্ন স্থানে তৈরি হওয়া বিশাল খানাখন্দকের কারণে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা, চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন শত শত গ্রামের বাসিন্দা।

খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের পাটকেলঘাটা হাইস্কুল সংলগ্ন এলাকা থেকে শুরু হওয়া এ সড়কটি সরুলিয়া ও খলিশখালী ইউনিয়নের ওপর দিয়ে দক্ষিণ দিকে প্রসারিত হয়েছে। রাজেন্দ্রপুর, লালচন্দ্রপুর, জুসখোলা, চোমরখালি, আমতলা ডাঙা, শিয়ালডাঙ্গা, কাশিয়াডাঙ্গা ও খলিশখালীসহ বহু গ্রামের মানুষের একমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম এটি। প্রতিদিন এই পথ দিয়েই খুলনা, সাতক্ষীরা, কেশবপুর, আশাশুনি ও গোয়ালপোতাগামী যানবাহন চলাচল করে। স্থানীয় স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে।

বর্ষা মৌসুমে এই দুর্ভোগ বহুগুণ বেড়ে যায়। স্থানীয় কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা শামীম শেখ আফসোস করে জানান, পুরো সাতক্ষীরা জেলায় এত খারাপ রাস্তা আর কোথাও আছে বলে তাঁর জানা নেই। অন্যদিকে খলিশখালী ইউনিয়নের প্রবীণ বাসিন্দারাও জানান, সড়কটির এমন চরম দুরবস্থা তাঁরা আগে কখনো দেখেননি।

যোগাযোগব্যবস্থার এই নাজুক অবস্থা নিয়ে সরুলিয়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মাসুদ রানা ও ইউপি সদস্য মোহাম্মদ রুস্তম মোড়ল জানান, সড়কটি মেরামতের বিষয়ে একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মোস্তফা লুৎফুল্লাহর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি জানান, সড়কটির বেহাল দশার বিষয়ে তিনি অবগত আছেন। দ্রুততম সময়ের মধ্যে জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কটি সংস্কারের ব্যবস্থা নিতে তিনি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।