সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় তেইশ লক্ষ টাকার মালামাল আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় তেইশ লক্ষ টাকার মালামাল আটক

পত্রদূত রিপোর্ট: রবিবার (০৯ আগস্ট ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ গাজীপুর, তলুইগাছা, মাদরা, কাকডাঙ্গা ও চান্দুরিয়া বিওপি এবং বাঁকাল চেকপোষ্ট এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ ও ঔষধ আটক করেছে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, গাজীপুর বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার ঘেরের পাড় হতে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। তলুইগাছা বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার শালবাগান হতে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

 

কাকডাঙ্গা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার ভাদিয়ালি হতে ২ লাখ ১০ হাজার টাকার ভারতীয় ঔষধ আটক করে। মাদরা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার আম বাগান হতে ৮ লাখ ০৪ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। চান্দুরিয়া বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার কাঁদপুর হতে ৩ লাখ ১৬ হাজার ৫০০ টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

এছাড়াও, বাঁকাল চেকপোষ্ট এর আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার আলিপুর হাটখোলা হতে ৯০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ২২ লাখ ৯০ হাজার ৫০০ টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে।

 

দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

 

 

 

Ads small one

শ্যামনগরে দুস্থদের আর্থিক সহায়তা দিল উপজেলা পরিষদ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১১ পূর্বাহ্ণ
শ্যামনগরে দুস্থদের আর্থিক সহায়তা দিল উপজেলা পরিষদ

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগরে উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে হতদরিদ্র ও দুস্থ জনগোষ্ঠীর মধ্যে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। সোমবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) পক্ষে সহায়তার এই অর্থ হস্তান্তর করেন কর্মকর্তা সাদ্দাম হোসেন।
উপজেলা পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, সহায়তার অংশ হিসেবে প্রতিজন দুস্থ ও অসহায় ব্যক্তিকে নগদ পাঁচ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়। ১০ আগস্ট পর্যন্ত মোট ৫৫ জন দুস্থ ব্যক্তির মধ্যে এই অর্থ বিতরণ করা হয়েছে।
সোমবার বাদঘাটা গ্রামের পঙ্গুত্ববরণকারী আব্দুল হামিদ ও মানিকপুর গ্রামের বৃদ্ধা সুফিয়া বেগমসহ কয়েকজনের হাতে এই অর্থ তুলে দেওয়া হয়। পর্যায়ক্রমে আরও কয়েকজন অসচ্ছল ব্যক্তিকে এই সহায়তা প্রদান করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

শ্যামনগরে গুড নেবারসের দুর্যোগ সহনশীলতা প্রকল্পের সূচনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১০ পূর্বাহ্ণ
শ্যামনগরে গুড নেবারসের দুর্যোগ সহনশীলতা প্রকল্পের সূচনা

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগরে জাপানভিত্তিক আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা গুড নেবারসের তিন বছর মেয়াদি একটি প্রজেক্ট ইনসেপশন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকালে গুড নেইবারস বাংলাদেশের কান্ট্রি হেড বার্টিন গোমেজের সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং উপকূলীয় বাঁধে এক লাখ গাছ লাগানোর মাধ্যমে সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলা। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামসুজ্জাহান কনক প্রকল্পের সফলতা কামনায় সব ধরনের প্রশাসনিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন গুড নেইবারস জাপানের এশিয়া সেকশন ম্যানেজার মিয়ুকি সুজিই। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, কর্মকর্তা ও বিভিন্ন অংশীজনের উপস্থিতিতে ফিতা কেটে প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক শুভ সূচনা করা হয়।

জেলায় ৮৩ হাজার হেক্টরে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ণ
জেলায় ৮৩ হাজার হেক্টরে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা

 

এম শফিকুল ইসলাম: অনুকূল আবহাওয়ায় সাতক্ষীরা জেলাজুড়ে পুরোদমে শুরু হয়েছে রোপা আমন ধানের আবাদ। আষাঢ় ও শ্রাবণ মাসজুড়ে বীজতলা থেকে চারা তুলে মাঠে লাগাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন স্থানীয় কৃষকেরা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে সাতক্ষীরার সাতটি উপজেলায় ৮৩ হাজার ১৫৫ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। এতে সম্ভাব্য চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২ লাখ ৬৫ হাজার ৬৭০ মেট্রিক টন। ইতিমধ্যে প্রায় সাড়ে ১১ হাজার হেক্টর জমিতে চারা রোপণ সম্পন্ন হয়েছে।
কৃষকেরা জানান, সার, কীটনাশক ও শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি পাওয়ায় এবার উৎপাদন খরচ কিছুটা বেশি হচ্ছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সাইফুল ইসলাম জানান, কীটপতঙ্গের আক্রমণ ও রোগবালাই রোধে কৃষি কর্মকর্তারা নিয়মিত মাঠ পরিদর্শন করছেন এবং কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছেন। এ ছাড়া সারের কৃত্রিম সংকট এড়াতে বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে।