সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩

সুন্দরবনই আমাদের রেইনফরেস্ট : উপকূল বাঁচানোর লড়াই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ১০:৫৮ পূর্বাহ্ণ
সুন্দরবনই আমাদের রেইনফরেস্ট : উপকূল বাঁচানোর লড়াই

‎তারিক ইসলাম

‎২২ জুন, বিশ্ব রেইনফরেস্ট দিবস। বিশ্বজুড়ে যখন জলবায়ু পরিবর্তনের চরম অভিঘাত আর উষ্ণায়নের তাপদাহে মানবসভ্যতা থমকে দাঁড়ানোর উপক্রম, তখন এই দিনটির গুরুত্ব অপরিসীম। পৃথিবীর ফুসফুস খ্যাত আমাজন বা কঙ্গোর মতো রেইনফরেস্ট বা চিরহরিৎ বনগুলো আজ মানুষেরই সৃষ্টি করা লোভ আর অসচেতনতার বলি হচ্ছে।

 

প্রতি মিনিটে ধ্বংস হচ্ছে এক একটি বিশাল বনাঞ্চল। তবে দূরবর্তী রেইনফরেস্টের এই ক্ষত কেবল দূর দেশের সংকট নয়; এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে আমাদের মতো জলবাযয় ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর ওপর।

‎আমরা যারা সাতক্ষীরা তথা দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলে বাস করি, আমাদের জন্য বনের গুরুত্ব বুঝিয়ে বলার অপেক্ষা রাখে না। আমাদের অঞ্চলে সরাসরি আমাজনের মতো রেইনফরেস্ট বা বৃষ্টিপ্রচুর বন না থাকলেও, আমাদের মাথার ওপর পরম মমতায় ছায়া দিয়ে চলেছে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন ‘সুন্দরবন’।

 

রেইনফরেস্ট যেমন বৈশ্বিক কার্বন শোষণ করে পৃথিবীকে শীতল রাখে, আমাদের সুন্দরবনও ঠিক একইভাবে বছরের পর বছর কোটি কোটি টন কার্বন বুকে ধারণ করে বাংলাদেশকে রক্ষা করে আসছে। সিডর, আইলা, আম্পান থেকে শুরু করে সাম্প্রতিককালের রেমাল—প্রতিটি প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ে এই সুন্দরবন নিজের বুক পেতে আমাদের উপকূলের লাখ লাখ মানুষকে বাঁচিয়েছে।

‎দুর্ভাগ্যবশত, আমরা কি এই পরম বন্ধুর প্রতি সঠিক বিচার করছি? বিশ্বজুড়ে রেইনফরেস্ট ধ্বংসের যে চিত্র, আমাদের সুন্দরবনের ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম নয়। বিষ দিয়ে মাছ শিকার, বন্যপ্রাণী নিধন, নির্বিচারে গাছ কাটা এবং প্লাস্টিক দূষণের কারণে সুন্দরবনের বাস্তুতন্ত্র আজ চরম হুমকির মুখে। সুন্দরবন যদি তার কার্যক্ষমতা হারায়, তবে সাতক্ষীরাসহ পুরো উপকূলীয় অঞ্চল সমুদ্রের নোনা জলে তলিয়ে যাবে, বাস্তুচ্যুত হবে লাখ লাখ মানুষ।

‎সাতক্ষীরা বোটানিক্যাল সোসাইটির পক্ষ থেকে আমরা প্রতিনিয়ত স্থানীয় উদ্ভিদবৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং প্রকৃতি সুরক্ষায় কাজ করে যাচ্ছি। আজকের এই বিশেষ দিবসে আমাদের উপলব্ধি করতে হবে যে, বন রক্ষা করা কোনো বিলাসী উদ্যোগ নয়, এটি আমাদের বেঁচে থাকার লড়াই।

‎আমাদের এখনই কিছু কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি:
‎১. সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা।
‎২. উপকূল জুড়ে ব্যাপক হারে স্থানীয় ও নোনা জল সহনশীল বৃক্ষরোপণ সামাজিক আন্দোলনে রূপ দেওয়া।
‎৩. জীববৈচিত্র্য ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করা।

‎রেইনফরেস্ট দিবসের বৈশ্বিক ডাক হলো—প্রকৃতিকে তার নিজের মতো করে বাঁচতে দেওয়া। আসুন, এই দিবসে আমরা শুধু দূর দেশের বনের জন্য আফসোস না করে, আমাদের ঘরের কাছের সুন্দরবনকে বাঁচাতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই। সুন্দরবন বাঁচলে, বাঁচবে উপকূল; আর উপকূল বাঁচলেই বাঁচবে আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ।

‎‎লেখক: তারিক ইসলাম, ‎সভাপতি, সাতক্ষীরা বোটানিক্যাল সোসাইটি।

Ads small one

তালায় খাল সংস্কার, পাইপ স্থাপন ও জলাবদ্ধতা নিরসন কার্যক্রমের উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৫:২৬ অপরাহ্ণ
তালায় খাল সংস্কার, পাইপ স্থাপন ও জলাবদ্ধতা নিরসন কার্যক্রমের উদ্বোধন

তালা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় খাল সংস্কার, পাইপ স্থাপন ও জলাবদ্ধতা নিরসন কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার সমাধান এবং এলাকার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

সোমবার (২২ জুন) দুপুর ১২টায় উপজেলার শিরাশুনী পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ওয়াটার জাস্টিস ফান্ডের সহযোগিতায় এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা উত্তরণের বাস্তবায়নে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। প্রকল্পের আওতায় শিরাশুনী জামতলা থেকে ভবানীপুর পর্যন্ত খাল সংস্কার ও খনন কাজ পরিচালিত হবে।

 

উত্তরণের পরিচালক শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিব। তিনি বলেন, “জলাবদ্ধতা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম প্রধান সমস্যা। এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে স্থানীয় মানুষের দুর্ভোগ কমবে এবং কৃষি ও পরিবেশের উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।”

 

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহমান তাসকিয়া, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. মাহমুদুল হক, তালা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মৃণাল কান্তি রায়, সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম, তেতুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ এবং উপজেলা পানি কমিটির সাধারণ সম্পাদক মীর জিল্লুর রহমান।

 

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অধ্যাপক মোশারফ হোসেন। এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং এলাকার সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

 

বক্তারা বলেন, খাল সংস্কার ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে এলাকার জলাবদ্ধতা অনেকাংশে কমে আসবে। পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়নেও এ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে সংশ্লিষ্ট এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে গৃহীত প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে।

খুলনায় আঞ্চলিক বিপণন কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৪:৫৭ অপরাহ্ণ
খুলনায় আঞ্চলিক বিপণন কর্মশালা অনুষ্ঠিত

কৃষি বিপণন অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টিপ্রিনিউরশিপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার) এপিসিইউ-ডিএএম অংগ’ প্রকল্পের আওতায় আঞ্চলিক বিপণন কর্মশালা আজ (সোমবার) খুলনা সিএসএস আভা সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এম. এম. আরিফ পাশা।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি বলেন, কৃষি দেশের প্রধান চালিকা শক্তি। দেশের ৪৫ শতাংশ মানুষ সরাসরি কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু আমাদের কৃষি ব্যবস্থা সেই পুরনো রয়ে গেছে। বর্তমানে বাজারমুখি বিশ^ব্যবস্থার সাথে তাল মেলাতে গেলে আমাদের সনাতন কৃষি ব্যবস্থাকে পরিবর্তন করতে হবে। আমাদের আমদানি কমাতে হবে এবং কোয়ালিটি ফুড উৎপাদন করে বিদেশে রপ্তানি করতে হবে।

খুলনা কৃষি বিপণন কার্যালয়ের উপপরিচালক মোছা: শাহনাজ বেগমের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের খুলনা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো: রফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মিজ সিফাত মেহনাজ ও পার্টনারের এজেন্সি প্রোগ্রাম ডিরেক্টর ড. মুহাম্মদ আব্দুলাহ আল ফারুক। কর্মশালায় প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পার্টনারের সিনিয়র মনিটরিং অফিসার তৌহিদ মো: রাশেদ খান ও খুলনা কৃষি বিপণন কার্যালয়ের সিনিয়র কৃষি বিপণন কর্মকর্তা সুমন হোসাইন। কৃষি বিপণন কার্যালয় এই কর্মশালার আয়োজন করে।

কর্মশালায় মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা তাদের কার্যক্রম বিষয়ক মতামত তুলে ধরেন।
পার্টনার প্রোগ্রামের মাধ্যমে কৃষি ব্যবসায় যুবক ও নারীদের উৎসাহিত করার জন্য সারাদেশে ২০ হাজার জনকে অন-দ্যা-জব প্রশিক্ষণ প্রদান ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ইনকিউবেশন সাপোর্ট প্রদান করা হবে। যার মধ্যে রয়েছে ১২ হাজার নারী ও আট হাজার যুবক।

 

২০ হাজারের মধ্যে ছয় হাজার পাঁচশত ৭৫ জনকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে, যার মধ্যে তিন হাজার আটশত ১৫ জন নারী উদ্যোক্তা এবং দুই হাজার সাতশত ৬০ জন পুরুষ উদ্যোক্তা। এই প্রকল্পটি দেশের আটটি বিভাগে সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভাসহ ৬৪টি জেলা ও ২০৮টি উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

কর্মশালায় সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, কৃষি উদ্যোক্তা, ম্যাবস সদস্য, আড়তদাররা অংশ নেন। তথ্যবিবরণী

সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে ছাত্রশিবিরের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৪:৫১ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে ছাত্রশিবিরের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত
নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে অনার্স প্রথম বর্ষের প্রায় ১ হাজার ২০০ শিক্ষার্থীকে নিয়ে নবীন বরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ শাখা। সোমবার (২২ জুন) সকাল ৯টায় কলেজ ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো. রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি জিয়াউর রহমান ফাহিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, শিক্ষাজীবন শুধু সনদ অর্জনের জন্য নয়, বরং নিজেকে একজন আদর্শ, নৈতিক ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলারও গুরুত্বপূর্ণ সময়। তিনি শিক্ষার্থীদের মাদক, সন্ত্রাস ও সকল ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থেকে জ্ঞানার্জনের মাধ্যমে দেশের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কলেজ কার্যক্রম সম্পাদক হাফেজ ইউসুফ ইসলাহী, সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, সাতক্ষীরা শহর ছাত্রশিবিরের সভাপতি মেহেদী হাসান এবং সেক্রেটারি মো. নুরুন্নবী।
আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান, শহর জামায়াতের আমির জাহিদুল ইসলাম বকুল, সদর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা হাবিবুর রহমান, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় এইচআরডি সম্পাদক আব্দুর রহিম, জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি জুবায়ের রহমান এবং জেলা জামায়াতের অফিস সেক্রেটারি মাওলানা রুহুল আমিন।
বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইতিবাচক সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কার্যক্রমের বিকল্প নেই। তারা নবীনদের শিক্ষাজীবনের শুরু থেকেই সময়ের সঠিক ব্যবহার, একাডেমিক উৎকর্ষ অর্জন এবং সমাজকল্যাণমূলক কাজে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।
এসময় সাতক্ষীরা শহর ছাত্রশিবিরের অফিস সম্পাদক আরিফ বিল্লাহ, অর্থ সম্পাদক হাফেজ আনিসুর রহমান, শিক্ষা ও মানবসম্পদ সম্পাদক আবু সালেহ সাদ্দাম, তথ্য ও মিডিয়া সম্পাদক মো. মাসুদ রানা, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আল রাজিব, প্রকাশনা ও গবেষণা সম্পাদক মো. ইমরান হোসেন আফজাল, মাদরাসা কার্যক্রম সম্পাদক মো. শাহনেওয়াজ, তথ্যপ্রযুক্তি ও প্রচার সম্পাদক মো. ওয়ালীউল্লাহ, এইচআরডি সম্পাদক মো. মাসুদুজ্জামান, ক্রীড়া সম্পাদক হাফেজ এবাদুল ইসলাম, ব্যবসা শিক্ষা সম্পাদক শামীম হোসেন এবং আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক মো. আতিক মুজাহিদসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয়। এছাড়া সাংগঠনিক পরিচিতি, দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়।