বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

সুন্দরবনকে বনদস্যুমুক্ত করার দাবিতে বুড়িগোয়ালিনীতে গণমিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:০০ অপরাহ্ণ
সুন্দরবনকে বনদস্যুমুক্ত করার দাবিতে বুড়িগোয়ালিনীতে গণমিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি

এমএ হালিম, শ্যামনগর (সাতক্ষীরা): সুন্দরবনকে বনদস্যুমুক্ত করা এবং জেলে-বাওয়ালিদের নিরাপদে জীবিকা নির্বাহের নিশ্চয়তার দাবিতে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনীতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতীকী অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বুড়িগোয়ালিনীর নীলডুমুর বাজারে উপকূলীয় প্রেসক্লাব চত্বরে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। উপকূলীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল হালিমের উদ্বোধনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়।

কর্মসূচিতে সুন্দরবনসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকার জেলে, বাওয়ালি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। তাঁরা সুন্দরবনে বনদস্যুদের অপতৎপরতা বন্ধ, অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের মতো অপরাধ দমন এবং বনজীবীদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

গণমিছিল ও অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন বনদস্যু নির্মূল কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ও সাতক্ষীরা জেলা কৃষক দলের নেতা সালাউদ্দিন লিটন। তিনি বলেন, সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল হাজার হাজার জেলে ও বাওয়ালি জীবিকার তাগিদে প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন। বনদস্যুদের কারণে তাঁদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ও জীবিকা হুমকির মুখে পড়ছে। সুন্দরবনকে সম্পূর্ণ বনদস্যুমুক্ত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত ও কার্যকর অভিযান পরিচালনার দাবি জানান তিনি।

বক্তারা বলেন, সুন্দরবন শুধু বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদ নয়, এটি উপকূলীয় মানুষের জীবন-জীবিকার অন্যতম প্রধান অবলম্বন। বনদস্যুদের ভয়ে জেলে-বাওয়ালিরা নিরাপদে সুন্দরবনে প্রবেশ করতে পারেন না। অপহরণ ও মুক্তিপণের আতঙ্কে তাঁদের পরিবারের সদস্যদেরও উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাতে হয়। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে বনদস্যুদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

কর্মসূচি থেকে সুন্দরবনে নিয়মিত টহল জোরদার, বনদস্যুদের আস্তানা চিহ্নিত করে অভিযান পরিচালনা, অপহৃত জেলেদের দ্রুত উদ্ধারের ব্যবস্থা এবং বনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। বক্তারা আরও বলেন, সুন্দরবনকে বনদস্যুমুক্ত করতে শুধু সাময়িক অভিযান যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন ধারাবাহিক নজরদারি ও কার্যকর পদক্ষেপ। উপকূলের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না গেলে সুন্দরবননির্ভর অর্থনীতি ও জীবিকায় নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্যসচিব জি এম রুস্তম আলী, গাবুরা ইউনিয়ন বিএনপির সদস্যসচিব খায়রুল ইসলাম মিলন, যুবনেতা খালিদ হোসেন, বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য এম এম রবিউল ইসলাম, ইউনিয়ন বিএনপি নেতা হেলাল উদ্দিন, ওহিদুল ইসলাম, আবু হোছাইন, গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আবিয়ার রহমান, সংরক্ষিত নারী সদস্য ফরিদা খাতুন, গাবুরা ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য মাস্টার আব্দুর রহিম, সিরাজুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতা আশিকুর রহমান আশিক ও ইয়াছিন আরাফাতসহ বনদস্যু নির্মূল কমিটির নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মো. রবিউল ইসলাম।

Ads small one

ইমরানের ‘বর্ষা চোখ’, কেন আলোচনায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:২১ অপরাহ্ণ
ইমরানের ‘বর্ষা চোখ’, কেন আলোচনায়

বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ইমরান মাহমুদুলের কণ্ঠে ‘বর্ষা চোখ’ গানটি আবারও আলোচনায় এসেছে। গানটি ইউটিউবে ৫ কোটি ভিউয়ের মাইলফলক স্পর্শ করেছে। প্রেম, আবেগ আর প্রিয় মানুষকে সব দুঃখ থেকে আগলে রাখার আকুতিতে তৈরি গানটি দীর্ঘদিন ধরেই শ্রোতাদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে।

২০১৫ সালে সংগীতা থেকে প্রকাশিত ইমরানের একক অ্যালবাম ‘বলতে বলতে চলতে চলতে’র সাত নম্বর গান `বর্ষা চোখ’। গানটির কথা লিখেছেন গীতিকার তারেক আনন্দ। সুর, সংগীতায়োজন ও কণ্ঠ দিয়েছেন ইমরান নিজেই।

 

গানটিতে প্রিয় মানুষের চোখে অশ্রু বা বিষাদ দেখতে না চাওয়ার আকুলতা এবং তাকে সবসময় সুখে রাখার প্রতিশ্রুতি ফুটে উঠেছে। নতুন প্রজন্মের কাছেও গানটি বেশ জনপ্রিয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও টিকটকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফরমে গানটির সঙ্গে জেন-জি প্রজন্মের তরুণ-তরুণীদের পারফরম্যান্সও চোখে পড়ছে।

গীতিকার তারেক আনন্দ জানান, একদম শেষ মুহূর্তে গানটি লেখার সুযোগ পান তিনি। দ্রুত লেখা শেষ করে ইমরানকে পাঠানোর পরদিনই তৈরি হয় গানটির ট্র্যাক। প্রথমবার শুনেই আবেগাপ্লুত হয়েছিলেন তিনি।

অন্যদিকে ইমরান বলেন, ‘রোমান্টিক কথার সঙ্গে মানানসই সহজ ও সুন্দর সুর করার চেষ্টা করেছিলেন। শ্রোতাদের ভালোবাসাই তাঁর কাছে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।’

আদালতে সাংবাদিকের ফোন কেড়ে নিলেন পরীমণি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:১২ অপরাহ্ণ
আদালতে সাংবাদিকের ফোন কেড়ে নিলেন পরীমণি

ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা মারধর, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি দেখানোর মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন নিয়ে বের হওয়ার সময় সাংবাদিকের মোবাইল ফোন কেড়ে নেন চিত্রনায়িকা পরীমণি। এসময় তিনি বিরক্তিও প্রকাশ করেন।

এদিকে পরীমণির সঙ্গে আসা তার নিরাপত্তারক্ষীর ধাক্কায় আদালতে আসা এক বিচারপ্রার্থীর মাথা ফেটে গেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ঢাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এসব ঘটনা ঘটে। পরীমণির আদালতে আসাকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ছিল বুধবার। তবে পরীমণি আদালতে হাজির হননি। তার পক্ষে অ্যাডভোকেট নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভী সময়ের আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, অ্যালার্জিজনিত কারণে পরীমনি অসুস্থ। এই কারণে তিনি আদালতে হাজির হতে পারেননি।

তবে আসামিপক্ষের আবেদনে আপত্তি জানিয়ে বাদীপক্ষের আইনজীবী আবুল কালাম মোহাম্মদ সোহেল জামিন বাতিল চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি নিয়ে আদালত জামিন বাতিল করে পরীমণির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আদালত।

বৃহস্পতিবার গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পরদিনই আত্মসমর্পণ করে জামিন নিতে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আদালতে এসে পৌঁছান পরীমণি।

ঢাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণে গাড়িতেই বসে ছিলেম পরীমণি। তাকে ঘিরে ছিলেন তার নিজস্ব নিরাপত্তারক্ষীরা। আশপাশ দিয়ে মানুষের চলাচল কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করেন তারা।

কালো পোশাক পরিহিত ১১ নিরাপত্তারক্ষীসহ সাধারণ পোশাকে আরও কয়েকজনকে তাকে ঘিরে রাখতে দেখা যায়।

এদিকে পরীমণি আত্মসমর্পণ করবেন জেনে অনেক সাংবাদিক আদালতপাড়ায় ভীড় জমান।

১১টা ৪০ মিনিটের দিকে গাড়ি থেকে এজলাসের উদ্দেশে বের হন পরীমণি। তার নিরাপত্তারক্ষীরা তাকে ঘিরে এজলাসে নিয়ে যান। এসময় সাংবাদিকরা ছবি, ভিডিও করতে গেলে ধাক্কাধাক্কি করেন তার নিরাপত্তারক্ষীরা।

লিফটে ওঠার সময় ভিডিও করতে গেলে সমকালের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার রবিউল হোসাইনের মোবাইল কেড়ে নেন পরীমণি। পরে রবিউল হোসাইন আবার টান মেরে মোবাইল ফিরিয়ে নেন।

ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১-এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক মাহফুজুর রহমানের আদালতে যান পরীমণি। পরে শুনানি শুরু হয়। আদালতের বেঞ্চে বসে থাকা পরীমণি আসামির কাঠগড়ায় গিয়ে দাঁড়ান। পরীমণির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভী জামিন চেয়ে শুনানি করেন। শুনানি নিয়ে আদালত ৫০০ টাকা মুচলেকায় তার জামিনের আদেশ দেয়।

জামিন নিয়ে আদালত থেকে বের হওয়ার সময় পরীমণিকে ঘিরে রাখেন তার নিরাপত্তারক্ষীরা। সাংবাদিকরা ছবি তুলতে গেলে, ভিডিও করতে গেলে ধাক্কাধাক্কি করেন পরীমণির নিরাপত্তারক্ষীরা। তাদের ধাক্কায় আদালতের বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা সুজন চন্দ্র মনি দাস নামে এক বিচারপ্রার্থীর মাথা ফেটে যায়। সেখান থেকে রক্তক্ষরণ হতে দেখা যায়।

এবিষয়ে সুজন চন্দ্র মনি দাসের ভাই বলেন, ‘আমরা আদালতে এসেছিলাম। এখানে দাঁড়িয়ে ছিলাম। নায়িকা পরীমণির নিরাপত্তারক্ষীরা ধাক্কা দিয়ে আমার ভাইয়ের মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে।’

এদিকে নিচে এসে গাড়িতে ওঠার আগে সমকালের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার রবিউল হোসাইনের দিকে তেড়ে যান পরীমণি। এসময় সাংবাদিকদের ওপর বিরক্তি প্রকাশ করতে দেখা যায় তাকে। পরে আদালতপ্রাঙ্গন ছাড়েন তিনি।

পরীমণির নিরাপত্তারক্ষীদের ধাক্কায় অনেক সাংবাদিক হেনস্তা হওয়ার অভিযোগ করেছেন।

এমনভাবে নিরাপত্তারক্ষীদের নিয়ে আদালতে আসা নিয়ে পরীমণি প্রতি অনেক আইনজীবী ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ৬ জুলাই আদালতে মামলাটি করেন ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন। আদালত অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দেয়।

২০২৩ সালের ১৮ মার্চ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের ঢাকা জেলার পরিদর্শক মনির হোসেন আদালতে পরীমণি ও জুনায়েদ বোগদাদী জিমির বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দেন। তাদের বিরুদ্ধে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।

ওই বছরের ১৮ এপ্রিল আদালত দুই আসামিকে ২৫ জুন আদালতে হাজির হতে সমন জারি করে। ওই দিন আত্মসমর্পণ করে জামিন পান তারা।

গত বছরের গত ২৬ জানুয়ারি পরীমণি ও তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ঢাকার তৎকালীন জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মো. জুনাইদ।

সেদিন পরীমণি আদালতে হাজির না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। তবে পরোয়ানা জারির পর দিনই আত্মসমর্পণ করে জামিন পান তিনি।

এরপর ২৭ মার্চ এ মামলায় অভিযোগ গঠনের আদেশ চ্যালেঞ্জ করে রিভিশন দায়ের করেছিলেন এ চিত্রনায়িকা। গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর ঢাকার নবম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ সাজ্জাদুর রহমান খান খারিজ করে দিয়ে মামলা চলতে কোনও বাধা নেই মর্মে আদেশ দেন।

স্পাইক লি-অ্যাঞ্জেলিনা জোলির পর এবার সম্মানিত হচ্ছেন পামেলা অ্যান্ডারসন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:১০ অপরাহ্ণ
স্পাইক লি-অ্যাঞ্জেলিনা জোলির পর এবার সম্মানিত হচ্ছেন পামেলা অ্যান্ডারসন

ইতালির তুরিনো চলচ্চিত্র উৎসবে আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন অভিনেত্রী পামেলা অ্যান্ডারসন। এদিকে উৎসবে কপোলা পরিচালিত ‘দ্য লাস্ট শোগার্ল’ ছবির বিশেষ প্রদর্শনীর আগে মঞ্চে উপস্থিত হয়ে দর্শকদের সঙ্গে কথোপকথনেও অংশ নেবেন তিনি।

ইতালির উত্তরাঞ্চলীয় শহর তুরিনে আগামী ২৪ নভেম্বর থেকে ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে তুরিনো চলচ্চিত্র উৎসবের ৪৪তম আসর।

ইতালির ন্যাশনাল ফিল্ম মিউজিয়াম পরিচালিত এই চলচ্চিত্র উৎসব মূলত নবীন পরিচালক এবং স্বাধীন ধারার সিনেমার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।

‘দ্য লাস্ট শোগার্ল’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য ২০২৫ সালের গোল্ডেন গ্লোবসের মনোনয়ন পেয়েছিলেন পামেলা। ‘বেওয়াচ’ তারকা হিসেবে পরিচিত এই অভিনেত্রীর অভিনয়জীবনে ছবিটি বড় ধরনের প্রত্যাবর্তনের ইঙ্গিতও দিয়েছিল।

তুরিনো চলচ্চিত্র উৎসবের শৈল্পিক পরিচালক জুলিও বাসে এক বিবৃতিতে বলেন, ‘সিনেমা কখনও কখনও বিস্ময়কর কিছু ঘটাতে পারে। যেমন, এমন একজন মানুষের সঙ্গে আমাদের সত্যিকারের পরিচয় করিয়ে দিতে পারে, যাকে আমরা সারাজীবন ধরে চিনি বলে মনে করেছি। ‘দ্য লাস্ট শোগার্ল’-এর মাধ্যমে পামেলা অ্যান্ডারসন আমাদের সেই অভিজ্ঞতা দিয়েছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ভেবেছিলাম তার সম্পর্কে সবকিছুই জানি। কিন্তু এই ছবিতে তার প্রতিটি অভিব্যক্তি ও অঙ্গভঙ্গির মধ্য দিয়ে এমন সংবেদনশীলতা প্রকাশ পেয়েছে, যা একই সঙ্গে আবেগপ্রবণ করে এবং বিস্মিত করে।’

তুরিনো চলচ্চিত্র উৎসবের পক্ষ থেকে পামেলাকে দেওয়া হবে ‘স্টেলা দেলা মোল’ পুরস্কার। এর আগে এই সম্মাননা পেয়েছেন স্পাইক লি, আন্তোনিও বান্দেরাস, অ্যাঞ্জেলিনা জোলি এবং শ্যারন স্টোনের মতো তারকারা।

পামেলা এর মধ্যে কয়েকটি নতুন ছবির কাজ শেষ করেছেন। এগুলো হলো-ব্রায়ান ক্লাগম্যান পরিচালিত ‘সামডেজ’, যেখানে তার সহশিল্পী বিলি বব থর্নটন। এছাড়া মাইকেল সিরার পরিচালনায় প্রথম ছবি ‘লাভ ইজ নট দ্য আনসার’-এ অভিনয় করেছেন তিনি। এটি একটি ব্যতিক্রমী ধাঁচের কমেডি ছবি। এতে পামেলার সঙ্গে রয়েছেন স্টিভ কুগান এবং জেমি ডরনান।

অন্যদিকে, স্যালি পটারের ‘আলমা’ ছবিতেও অভিনয় করেছেন পামেলা। এই ছবিতে তার সহশিল্পী রিচার্ড ই. গ্র্যান্ট।