রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

স্মরণীয় আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:১৯ অপরাহ্ণ
স্মরণীয় আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়

প্রকাশ ঘোষ বিধান

আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় ভারতের রসায়নশাস্ত্রের জনক। তিনি প্রথম দেশীয় শিল্প উদ্যোক্তা এবং একজন মহান সমাজসেবক হিসেবে স্মরণীয়। তিনি মার্কিউরাস নাইট্রাইট আবিষ্কার এবং উপমহাদেশের প্রথম ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় মূলত বিজ্ঞান ও শিল্পক্ষেত্রে ভারতীয় উপমহাদেশকে স্বাবলম্বী করার ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য বিশ্বজুড়ে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন।

তিনি ১৮৬১ সালের ২আগস্ট বর্তমান বাংলাদেশের খুলনার পাইকগাছা উপজেলার রাড়ুলী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৪৪ সালের ১৬ জুন মৃত্যুবরণ করেন। তিনি ছিলেন ভুবনমোহিনী দেবী ও স্থানীয় জমিদার হরিশচন্দ্র রায়ের পুত্র। তিনি এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি মারকিউরাস নাইট্রাইট আবিষ্কার এবং বেঙ্গল কেমিক্যালস প্রতিষ্ঠা করেন। অবিভক্ত বাংলার খুলনা জেলায় জন্মগ্রহণ করা এই মহান মনীষী আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় ছিলেন একাধারে বিশ্বখ্যাত বাঙালি, একজন বিজ্ঞানী, সফল শিক্ষক, ভারতীয় রসায়নশাস্ত্রের জনক, শিল্পোদ্যোক্তা এবং মানবদরদী মহান সমাজসেবক। তিনি পি. সি. রায় নামেও পরিচিত।

অধ্যাপনাকালে তার প্রিয় বিষয় রসায়ন নিয়ে তিনি নিত্য নতুন অনেক গবেষণাও চালিয়ে যান। ১৮৯৬ সালে প্রফুল্ল চন্দ্র রায় রসায়ন বিজ্ঞানের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী আবিষ্কার করেন। তিনি ল্যাবরেটরিতে সম্পূর্ণ নতুন এবং অত্যন্ত অস্থায়ী একটি যৌগ মার্কিউরাস নাইট্রাইট (ঐমঘঙ₂) তৈরি করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেন। তার স্মরণীয় কালজয়ী বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার। এই আবিষ্কারের ফলে তাঁর বিশ্বজোড়া খ্যাতি তৈরি হয় এবং বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞান সাময়িকী নেচার তাঁর ভূয়সী প্রশংসা করে। এ ছাড়া তিনি ১২টি যৌগিক লবণ এবং ৫টি থায়োএস্টার আবিষ্কার করেন। তার মোট গবেষণাপত্রের সংখ্যা ১৪৫ টি।

তৎকালীন ব্রিটিশ আমলে ভারতীয়দের চিকিৎসায় শতভাগ বিদেশি আমদানিকৃত ওষুধের ওপর নির্ভর করতে হতো। বাঙালিদের ব্যবসায় অনাগ্রহ ও হীনম্মন্যতা পর্যবেক্ষণে ১৮৯২ সালে ৭০০ টাকা বিনিয়োগে ও নিজ উদ্যোগে, নিজস্ব গবেষণাগার থেকেই বেঙ্গল কেমিক্যাল কারখানা প্রতিষ্ঠা করেন এবং পরবর্তীকালে ১৯০১ খ্রিষ্টাব্দে তা কলকাতার মানিকতলায় ৪৫ একর জমিতে স্থানান্তরিত করা হয়। তখন এর নতুন নাম রাখা হয় বেঙ্গল কেমিক্যাল এন্ড ফার্মাসিউটিক্যাল ওয়ার্কস লিমিটেড। এটি ছিল সমগ্র ভারতবর্ষের প্রথম আধুনিক ওষুধ ও রাসায়নিক প্রস্তুতকারক কারখানা, যা ভারতীয়দের শিল্পায়নের পথ দেখায় এবং আত্মসম্মানবোধ জাগ্রত করে।

সমবায়ের পুরোধা স্যার পিসি রায় ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে নিজ জন্মভূমিতে একটি কো-অপারেটিভ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি খুলনা টেক্সটাইল মিলও প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯০৩ খ্রিস্টাব্দে বিজ্ঞানী পি সি রায় পিতার নামে আর,কে,বি,কে হরিশ্চন্দ্র স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। বাগেরহাট জেলায় ১৯১৮ সালে তিনি পি.সি কলেজ নামে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। যা আজ বাংলাদেশের শিক্ষা বিস্তারে বিশাল ভূমিকা রাখছে।

শিক্ষাবিদ ও আচার্য রূপে তার অবদান, কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজ এবং পরে বিজ্ঞান কলেজে অধ্যাপনাকালে তিনি একদল বিশ্বমানের বিজ্ঞানী তৈরি করেছিলেন। তাঁর হাত ধরেই গড়ে ওঠে ভারতের প্রথম আধুনিক রসায়ন গবেষণা স্কুল। বিশ্বখ্যাত বাঙালি বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসু, মেঘনাদ সাহা, এবং জ্ঞানচন্দ্র ঘোষের মতো ব্যক্তিত্বরা সরাসরি তাঁর ছাত্র ছিলেন। শিক্ষার্থীদের প্রতি তাঁর এই পরম স্নেহ ও শিক্ষাদানের অনন্য গুণের কারণেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে আচার্য উপাধিতে ভূষিত করেন।
ইতিহাস ও সাহিত্যের প্রতি অনুরাগতিনি কেবল ল্যাবরেটরিতেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না, বরং ভারতের প্রাচীন বিজ্ঞানচর্চার গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরেন। তাঁর দীর্ঘ গবেষণার ফসল এ হিস্ট্রি অব হিন্দু কেমিস্ট্রি গ্রন্থটি প্রাচীন ভারতের রসায়ন চর্চার এক প্রামাণ্য দলিল।

মানবতাবাদ ও আত্মত্যাগআচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় অত্যন্ত সাদাসিধে ও মিতব্যয়ী জীবনযাপন করতেন। তার নাস্তার দাম তৎকালীন ১ টাকার বেশি হলে তেলেবেগুনে জ্বলে উঠতেন। নিজের জন্য তিনি মাসিক ৪০ টাকা রাখতেন। ১৯২৬ থেকে ১৯৩৬ সাল পর্যন্ত তিনি নিজেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ লাখ ৩৬ হাজার টাকা দান করেন। তাঁর উপার্জনের সিংহভাগই তিনি দরিদ্র শিক্ষার্থীদের তহবিল, বিশ্ববিদ্যালয় এবং দেশের বিভিন্ন দুর্যোগে অকাতরে দান করে দিতেন। তাঁর মৃত্যুর পর দেখা যায়, বেঙ্গল কেমিক্যালে তাঁর নিজের কোনো শেয়ার ছিল না, যার সুফল ভোগ করেছিল অনাথ ও বিধবারা।

রসায়ন বিজ্ঞানের বৈশ্বিক অগ্রগতি এবং ভারতের আত্মনির্ভরশীলতার ভিত্তি গড়ে দেওয়ার ঐতিহাসিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ব্রিটেনের রয়্যাল সোসাইটি অব কেমিস্ট্রি তাঁকে ইউরোপের বাইরে প্রথম কেমিক্যাল ল্যান্ডমার্ক প্লেক দিয়ে সম্মানিত করে। তাঁকে ভারতীয় রসায়নশাস্ত্রের জনক এবং মাস্টার অব নাইট্রেড বলা হয়।

শিক্ষকতার জন্য তিনি সাধারণ্যে আচার্য হিসেবে আখ্যায়িত। ১৯১১ খ্রিস্টাব্দে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে তৃতীয়বারের মত তিনি ইংল্যান্ড যান এবং সেখান থেকেই সি আই ই লাভ করেন। ১৯১১ খ্রিস্টাব্দে ডারহাম বিশ্ববিদ্যালয় তাকে এই ডিগ্রি দেয়। ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি ব্রিটিশ সরকারের থেকে নাইট উপাধি লাভ করেন। এছাড়া ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং পরবর্তীকালে মহীশুর ও বেনারস বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও তিনি ডক্টরেট পান।

বাঙালি রসায়নবিদ ও উদ্যোক্তা পি সি রায় আজীবন অবিবাহিত বা চিরকুমার ছিলেন। তিনি তাঁর উপার্জিত অর্থের সিংহভাগই মানুষের সেবায় বিলিয়ে দেন। দুর্ভিক্ষ, বন্যা বা মহামারীর সময় তিনি নিজে তহবিল গঠন করে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতেন। জীবনের শেষ দিনগুলো তিনি একটি সাধারণ কামরায় অত্যন্ত সাদাসিধেভাবে কাটিয়েছেন। ১৯৪৪ সালের ১৬ জুন তিনি পরলোকগমন করেন। তবে বাঙালি বিজ্ঞানীদের মধ্যে এই অনন্য ত্যাগের জন্য সবচেয়ে বেশি স্মরণ করা হয় আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়কে।

লেখক : সাংবাদিক ও কলামিস্ট

 

Ads small one

সখিপুরের কাজিমহল্লা মাদ্রাসায় ১১ বস্তা চাল দিলেন আলফা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩৭ অপরাহ্ণ
সখিপুরের কাজিমহল্লা মাদ্রাসায় ১১ বস্তা চাল দিলেন আলফা

Oplus_131072

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা: সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার সখিপুর ইউনিয়নের কাজিমহল্লা মাদ্রাসার খাদ্য সংকট মোকাবিলায় মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশন। ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা ও দেবহাটা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আল ফেরদৌস আলফার পক্ষ থেকে মাদ্রাসাটিতে ১১ বস্তা চাল প্রদান করা হয়েছে।

শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেলে চাল হস্তান্তরকালে উপস্থিত ছিলেন ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি, কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক, উপজেলা সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় পরিচালকবৃন্দ। এ সময় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মাদ্রাসার সার্বিক কার্যক্রম ও শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। শুধু ব্যক্তিগত উদ্যোগ নয়, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সমাজের মানুষের মৌলিক প্রয়োজন পূরণে সহযোগিতা করাই সংগঠনটির উদ্দেশ্য।

মাদ্রাসায় খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়ায় সংশ্লিষ্টরা আল ফেরদৌস আলফা ও ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, এ ধরনের সহযোগিতা শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের খাদ্য সংকটই মোকাবিলা করে না, বরং সমাজে মানবিকতা, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।

স্থানীয়রা বলেন, বর্তমান সময়ে বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নানা সংকট মোকাবিলায় সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন। মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানোর এমন উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা আল ফেরদৌস আলফার পক্ষ থেকে দেওয়া এ সহায়তাকে মানবিক ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।

সংগঠনটির মূলমন্ত্র—“জীবন প্রতিযোগিতার নয়, জীবন সহযোগিতায়”-এই বার্তাকেই সামনে রেখে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।

 

 

 

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় তেইশ লক্ষ টাকার মালামাল আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় তেইশ লক্ষ টাকার মালামাল আটক

পত্রদূত রিপোর্ট: রবিবার (০৯ আগস্ট ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ গাজীপুর, তলুইগাছা, মাদরা, কাকডাঙ্গা ও চান্দুরিয়া বিওপি এবং বাঁকাল চেকপোষ্ট এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ ও ঔষধ আটক করেছে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, গাজীপুর বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার ঘেরের পাড় হতে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। তলুইগাছা বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার শালবাগান হতে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

 

কাকডাঙ্গা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার ভাদিয়ালি হতে ২ লাখ ১০ হাজার টাকার ভারতীয় ঔষধ আটক করে। মাদরা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার আম বাগান হতে ৮ লাখ ০৪ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। চান্দুরিয়া বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার কাঁদপুর হতে ৩ লাখ ১৬ হাজার ৫০০ টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

এছাড়াও, বাঁকাল চেকপোষ্ট এর আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার আলিপুর হাটখোলা হতে ৯০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ২২ লাখ ৯০ হাজার ৫০০ টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে।

 

দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

 

 

 

সাতক্ষীরায় সেবা বান্ধব পুলিশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:২০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় সেবা বান্ধব পুলিশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন

পত্রদূত রিপোর্ট: রবিবার (০৯ আগস্ট ২০২৬) সকাল ৯ টায় সাতক্ষীরা ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের আয়োজনে ‘পুলিশের মোটিভেশন ট্রেনিং ও নৈতিক উন্নয়ন সংক্রান্ত’ প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।

 

জনবান্ধব, সেবামুখী ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন পুলিশ বাহিনী গড়ে তোলার লক্ষ্যে ৫ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট (ভারপ্রাপ্ত) এ.এস.এম. হাফিজুর রহমান।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করেন পুলিশ সুপার আবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলম।

উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধান অতিথি বলেন, এই প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য হলো পুলিশ সদস্যদের মধ্যে জনসেবার মানসিকতা, সততা, শৃঙ্খলা, মানবিকতা, পেশাদারিত্ব ও নৈতিক মূল্যবোধ আরও সুদৃঢ় করা।

 

জনগণের প্রতি আরও আন্তরিক, দায়িত্বশীল ও মানবিক আচরণের মাধ্যমে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ ও আস্থাভাজন সম্পর্ক গড়ে তোলা। তিনি প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান ও মূল্যবোধ কর্মক্ষেত্রে যথাযথভাবে প্রয়োগের জন্য সকল প্রশিক্ষণার্থী’র প্রতি আহ্বান জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), মোঃ শাহীনুর চৌধুরীসহ বিভিন্ন পদমর্যাদার প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থী পুলিশ সদস্যবৃন্দ।