শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩

হরমুজ দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের প্রতি ইরানের কঠোর সতর্কবার্তা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
হরমুজ দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের প্রতি ইরানের কঠোর সতর্কবার্তা

হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক ও সামরিক জাহাজগুলোর প্রতি কঠোর সতর্কবার্তা জারি করেছে ইরান।
দেশটির সামরিক বাহিনীর কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর খাতাম আল-আম্বিয়া জানিয়েছে, প্রণালিটি ব্যবহার করার ক্ষেত্রে নির্ধারিত নিয়ম-কানুন কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোকে গুরুতর পরিণতির মুখোমুখি হতে হতে পারে।

শনিবার বার্তাসংস্থা আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।

ইরানি গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে দেশটির সামরিক বাহিনী জানায়, হরমুজ প্রণালির ব্যবস্থাপনা বর্তমানে দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে। এ কারণে সব বাণিজ্যিক জাহাজ, তেলবাহী ট্যাংকার এবং অন্যান্য নৌযানকে নির্ধারিত নৌপথ ব্যবহার করতে হবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, প্রণালি দিয়ে যাত্রা শুরুর আগে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌবাহিনীর অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে। নির্ধারিত বিধিনিষেধ অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোর নিরাপত্তা মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি এলাকায় অবস্থানরত বিদেশি সামরিক বাহিনীগুলোকেও সতর্ক করেছে তেহরান।

ইরান জানিয়েছে, সামুদ্রিক চলাচল বা প্রণালির ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের হস্তক্ষেপের চেষ্টা করা হলে তার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।

বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে ইরানের এমন অবস্থান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, প্রণালিতে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলে বৈশ্বিক তেল পরিবহন ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর এর উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়তে পারে।

Ads small one

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের সামনে মাদক বিরোধী মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ৫:৪৮ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের সামনে মাদক বিরোধী মানববন্ধন

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাঁকাল ইসলামপুর এলাকায় মাদক, জুয়া, তাস, চুরি এবং সব ধরনের অসামাজিক ও অশ্লীল কার্যক্রম বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে স্থানীয় এলাকাবাসীর উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

বিক্ষোভ মিছিলটি এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মেডিকেল কলেজের প্রধান ফটকের সামনে মানববন্ধনে মিলিত হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন শরিফুল, মুনতাজ, হাফিজুল, রুম্মন, শাহাদাতসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা “মাদককে না বলুন, সুস্থ-সুন্দর জীবন গড়ুন”, “মাদকমুক্ত সমাজ চাই” সহ বিভিন্ন স্লোগানসংবলিত ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড বহন করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের সামনে কেউ মাদক বিক্রি করলে তার দোকান উচ্ছেদ করা হবে। কোনোভাবেই এই এলাকায় মাদক ব্যবসা চলতে দেওয়া হবে না।”

বক্তারা বলেন, মাদক, জুয়া, তাস, চুরি ও অন্যান্য সামাজিক অপরাধ যুবসমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে এবং সমাজের শান্তি-কৃঙ্খলা নষ্ট করছে। এসব অপরাধ নির্মূলে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপের পাশাপাশি অভিভাবক, জনপ্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।

এ সময় তারা আইনকৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি এলাকায় মাদক ব্যবসা, জুয়া ও সব ধরনের অসামাজিক কর্মকান্ড বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। পাশাপাশি একটি মাদকমুক্ত, নিরাপদ ও সুন্দর সমাজ গড়ে তুলতে সামাজিক প্রতিরোধ আন্দোলন আরও জোরদার করার আহ্বান জানান।

কর্মসূচিতে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি, যুবসমাজ, ধর্মপ্রাণ মুসল্লি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

 

পেলের ১৯৫৮ বিশ্বকাপ ফাইনালের জার্সি ৪৮ লাখ ৮৮ হাজার ডলারে বিক্রি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ৫:২৮ অপরাহ্ণ
পেলের ১৯৫৮ বিশ্বকাপ ফাইনালের জার্সি ৪৮ লাখ ৮৮ হাজার ডলারে বিক্রি

ছয় দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও ফুটবল সম্রাট পেলের আবেদন এতটুকুও কমেনি। ১৯৫৮ বিশ্বকাপ ফাইনালে ব্রাজিলকে প্রথম শিরোপা জেতানোর ম্যাচে তার পরা জার্সি নিলামে বিক্রি হয়েছে রেকর্ড ৪৮ লাখ ৮৮ হাজার ডলারে (প্রায় ৪.৯ মিলিয়ন ডলার)। এটি পেলের স্মারক সামগ্রীর মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যে বিক্রির নতুন রেকর্ড।

বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক নিলাম প্রতিষ্ঠান সোথেবিস-এর আয়োজিত নিলামে জার্সিটি বিক্রি হয়। এর মধ্য দিয়ে পেলের স্মারক সামগ্রীর মধ্যে এটিই সর্বোচ্চ মূল্যে বিক্রি হয়েছে। এর আগে ২০২২ সালে পেলের ১৯৫৮ সালের রুকি কার্ড ব্যক্তিগতভাবে বিক্রি হয়েছিল ১৩ লাখ ৩০ হাজার ডলারে। যা সে সময় ফুটবলের প্রথম ১০ লাখ ডলারের কার্ড হিসেবে রেকর্ড গড়েছিল।

১৯৫৮ সালের সেই ফাইনালে পেলের বয়স ছিল মাত্র ১৭ বছর। বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলা ও গোল করা সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে এখনও তার রেকর্ড অক্ষুণ্ন রয়েছে। সুইডেনের বিপক্ষে ওই ম্যাচে তিনি ৫৫ ও ৯০ মিনিটে দুটি গোল করেছিলেন।

ফাইনালের পর পেলে জার্সিটি তার সতীর্থ দিদাকে উপহার দিয়েছিলেন। পরে দিদা সেটি রিও ডি জেনেইরোর একটি জাদুঘরে দান করেছিলেন। ২০০৪ সালে সেই জাদুঘর জার্সিটি ক্রিস্টিজ- এর নিলামে তোলে। যেখানে সেটি বিক্রি হয়েছিল ১ লাখ ৫ হাজার ৬০০ ডলারে। এবার সোথেবিসের নিলামে জার্সিটির সঙ্গে ছবির মাধ্যমে সত্যতা যাচাইয়ের আনুষ্ঠানিক নথিও যুক্ত ছিল।

ব্রাজিলের পাঁচটি বিশ্বকাপ শিরোপার প্রথমটির স্মারক এই জার্সিটি এখন ফুটবল ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দামে বিক্রি হওয়া জার্সি। তালিকার শীর্ষে রয়েছে ১৯৮৬ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ‘হ্যান্ড অব গড’ ম্যাচে পরা ডিয়েগো ম্যারাডোনার জার্সি। ২০২২ সালে ৯.২৮ মিলিয়ন ডলারে সেটি বিক্রি হয়েছিল।

টিকি-টাকার লড়াইয়ে কে এগিয়ে, আর্জেন্টিনা নাকি স্পেন?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ৫:২৪ অপরাহ্ণ
টিকি-টাকার লড়াইয়ে কে এগিয়ে, আর্জেন্টিনা নাকি স্পেন?

টিকি-টাকার কথা উঠলেই প্রথমেই যে দলের নাম আসে, সেটি স্পেন। ছোট ছোট নিখুঁত পাস, বলের দখলে প্রতিপক্ষকে অসহায় করে তোলার সেই ফুটবল দর্শনেই একসময় বিশ্ব ফুটবলে রাজত্ব করেছে লা রোহারা। এবার সেই ঐতিহ্যকে সঙ্গী করেই বিশ্বকাপ ফাইনালে নামছে স্পেন। তবে প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনাও এবারের আসরে পাসিং ফুটবলে সমান উজ্জ্বল। ফলে টিকি-টাকার জনক স্পেনের সামনে তাদেরই অস্ত্র দিয়ে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। তাই টিকি-টাকার লড়াইয়ে অপেক্ষা জমজমাট এক ফাইনালের।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশি সফল পাস করেছে আর্জেন্টিনা ৪ হাজার ২০৭টি। শুধু বলের দখলই নয়, সেই পাসিংকে কার্যকর আক্রমণে রূপ দিয়েছে লা আলবিসেলেস্তেরা। এখন পর্যন্ত ১৯টি গোল করেছে। এছাড়া ছয়বার তাদের শট লেগেছে পোস্ট বা ক্রসবারে, যা আক্রমণে ধারাবাহিক আধিপত্যেরই প্রমাণ।

স্পেনের সফল পাসের সংখ্যা ৪ হাজার ১৮। পাসিংয়ে আর্জেন্টিনার চেয়ে সামান্য পিছিয়ে থাকলেও রক্ষণে তারা পুরো টুর্নামেন্টের সেরা দল। এখন পর্যন্ত মাত্র একটি গোল হজম করেছে স্প্যানিশরা। পাশাপাশি ছয়টি ম্যাচে প্রতিপক্ষকে গোলশূন্য রেখে ক্লিন শিটও ধরে রেখেছে।

টিকি-টাকার লড়াইয়ে কে এগিয়ে?

পরিসংখ্যান বলছে, আক্রমণে স্পষ্টভাবে এগিয়ে আর্জেন্টিনা, আর রক্ষণে একচেটিয়া আধিপত্য স্পেনের। অর্থাৎ ফাইনালে দেখা যাবে টুর্নামেন্টের সবচেয়ে কার্যকর আক্রমণের বিপক্ষে সবচেয়ে শক্তিশালী রক্ষণভাগের লড়াই।

ফুটবলীয় দর্শনে দুই দলই বল দখল ও ছোট ছোট পাসের ওপর নির্ভরশীল। তবে পার্থক্যটা ফাইনাল থার্ডে। আর্জেন্টিনা যেখানে দ্রুত আক্রমণে ফিনিশিংয়ে অভ্যস্ত, স্পেন সেখানে ধৈর্য ধরে বল ঘুরিয়ে প্রতিপক্ষকে ক্লান্ত করে সুযোগ তৈরি করে।

তাই ফাইনালের আগে প্রশ্ন উঠেছে, আর্জেন্টিনার আগ্রাসী আক্রমণ কি স্পেনের দুর্ভেদ্য রক্ষণ ভাঙতে পারবে, নাকি টিকি-টাকার আসল রাজা হয়ে উঠবে স্পেন?