বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩

১২ বছরে তৃতীয়বার পিছু হটলো মোদি সরকার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১:০৮ পূর্বাহ্ণ
১২ বছরে তৃতীয়বার পিছু হটলো মোদি সরকার

ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ শুধু একজন মন্ত্রীর বিদায় নয়, বরং গত ১২ বছরে গণআন্দোলনের মুখে নরেন্দ্র মোদি সরকারের তৃতীয় বড় ধরনের পিছু হটার ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর আগে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ)-এনআরসি ইস্যু এবং কৃষি আইনবিরোধী আন্দোলনের চাপেও সরকার অবস্থান পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছিল।

বিশ্লেষকদের মতে, তিনটি ঘটনার মধ্যেই একটি অভিন্ন ধারা দেখা যায়। সরকার শুরুতে আন্দোলনের নৈতিক শক্তিকে গুরুত্ব না দিয়ে যতটা সম্ভব অনড় অবস্থানে থাকে। তবে রাজনৈতিক মূল্য বাড়তে শুরু করলে শেষ পর্যন্ত অবস্থান বদলায়।

সিএএ-এনআরসি আন্দোলন

প্রথম বড় ঘটনা ছিল সিএএবিরোধী আন্দোলনের সময়। সে সময় জাতীয় নাগরিক নিবন্ধন (এনআরসি) বাস্তবায়নের পরিকল্পনা থেকে সরকার প্রকাশ্যে সরে আসার ইঙ্গিত দেয়। যদিও দেশজুড়ে এনআরসি চালুর কোনও আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি, রাজনৈতিকভাবে সরকারের অবস্থান পরিবর্তন স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রকাশ্যে বলেন, এনআরসি নিয়ে সরকার কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি। অথচ এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দেশব্যাপী এনআরসি বাস্তবায়নের কথা একাধিকবার বলেছিলেন এবং সরকারের পরিকল্পনার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত প্রকল্পটি কার্যত স্থগিত হয়ে যায়। সরকারের উপলব্ধি হয়, প্রশাসনিক উদ্যোগ হিসেবে উপস্থাপিত বিষয়টি রাজনৈতিক দায়ে পরিণত হয়েছে।

কৃষক আন্দোলন

দ্বিতীয়বার সরকারকে পিছু হটতে হয় কৃষক আন্দোলনের মুখে। প্রায় এক বছর আন্দোলন চলার পর সরকার তিনটি কৃষি আইন বাতিল করে।

শুরুতে সরকার আন্দোলনকে নিয়ন্ত্রণযোগ্য বলে মনে করেছিল। আন্দোলনকে ভৌগোলিকভাবে সীমিত এবং রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত বলেও তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু কৃষকেরা আন্দোলন চালিয়ে যান। শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী মোদি আইন প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন এবং কৃষকদের কাছে ক্ষমা চান। এটিকে সরকারের ওপর আন্দোলনের চাপের স্বীকৃতি হিসেবেই দেখা হয়।

প্রশ্নপত্র ফাঁসবিরোধী আন্দোলন

ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পেছনে থাকা প্রশ্নপত্র ফাঁসবিরোধী আন্দোলনকে এই ধারাবাহিকতার তৃতীয় ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে এই আন্দোলনের বৈশিষ্ট্য ছিল ভিন্ন।

এটি কোনও নির্দিষ্ট মতাদর্শভিত্তিক সংগঠন বা একক নেতৃত্বের অধীনে গড়ে ওঠেনি। আন্দোলন ছিল বিকেন্দ্রীভূত এবং নেতৃত্বনির্ভর নয়। ফলে কয়েকজন নেতার সঙ্গে আলোচনা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার প্রচলিত রাজনৈতিক কৌশল কার্যকর হয়নি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া মিম ও ইনস্টাগ্রাম রিল আন্দোলনে নতুন গতি এনে দেয়। একই সঙ্গে শান্তিপূর্ণ হলেও আন্দোলনটি ছিল সুসংগঠিত, যা সরকারের জন্য মোকাবিলা করা কঠিন হয়ে পড়ে।

আগের আন্দোলনগুলোর চেয়ে কেন আলাদা

এর আগে আন্দোলনের ক্ষেত্রে বিজেপি সাধারণত আন্দোলনের বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ করা, নেতৃত্বকে লক্ষ্যবস্তু করা, আন্দোলনকারীদের বিভক্ত করা কিংবা সময়ক্ষেপণের কৌশল নিয়েছিল।

কিন্তু এবার আন্দোলনের বয়ান সরকারের পাল্টা বক্তব্যের চেয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। বিরোধী দলও এ আন্দোলনের প্রধান চালিকাশক্তি ছিল না।

২০ জুলাইয়ের দমন-পীড়নের পর আন্দোলনকারীরা পিছিয়ে না গিয়ে আরও দৃঢ় অবস্থান নেয়। এমনকি সোনম ওয়াংচুক নিজের অবস্থান কিছুটা নমনীয় করলেও আন্দোলনকারীরা ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি থেকে সরে আসেননি। এতে স্পষ্ট হয়, আন্দোলনের নেতৃত্ব ছিল ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা এবং কোনও এক ব্যক্তির সঙ্গে সমঝোতা করে আন্দোলন থামানো সম্ভব নয়।

কেন অস্বস্তিতে বিজেপি

বিজেপির সূত্রগুলোর মতে, এবার আন্দোলন সরকারকে আরও বেশি অস্বস্তিতে ফেলেছে অন্য একটি কারণে। সিএএবিরোধী আন্দোলন বা কৃষক আন্দোলনের বিপরীতে এবার আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী ও তরুণদের বড় অংশই বিজেপির নিজস্ব সামাজিক ভিত্তির মধ্যে থেকে এসেছে।

একজন বিজেপি নেতা বলেন, ঘোষিত রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের আন্দোলনের চেয়ে এটি বেশি বিপজ্জনক। কারণ, মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের যেসব শিক্ষার্থী সাধারণত বিজেপির সমর্থক বা সমর্থকগোষ্ঠীর কাছাকাছি বলে বিবেচিত, তাদের ক্ষোভকে সহজে বিরোধী রাজনীতির অংশ হিসেবে ব্যাখ্যা করা যায় না।

এতে সরকারের সামনে নতুন বাস্তবতা তৈরি হয়েছে, রাষ্ট্রের প্রতি অসন্তোষ এখন শুধু প্রচলিত বিরোধী শিবিরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই।

গণচাপের মুখে আরেক মন্ত্রীর বিদায়

মোদি সরকারের আমলে জনগণের চাপের মুখে পদত্যাগ করা আরেক মন্ত্রী ছিলেন তৎকালীন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এম জে আকবর। #মিটু আন্দোলনের সময় যৌন হয়রানির অভিযোগ ওঠার পর ব্যাপক জনচাপের মুখে তিনি পদত্যাগ করেন। তবে সেটি সরকারি নীতি বা সরকারের বৈধতাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা আন্দোলন ছিল না।

সরকারের সামনে যে চ্যালেঞ্জ

সিএএ-এনআরসি, কৃষি আইন এবং প্রশ্নপত্র ফাঁস—এই তিনটি আন্দোলন মোদি সরকারের রাজনৈতিক চরিত্রও তুলে ধরেছে বলে বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে।

সরকার রাজনৈতিক এজেন্ডা নিয়ন্ত্রণ এবং শক্তির প্রদর্শনে দক্ষ হলেও দীর্ঘস্থায়ী মতবিরোধের সঙ্গে গণতান্ত্রিকভাবে ধারাবাহিক সংলাপ চালিয়ে যেতে তুলনামূলকভাবে দুর্বল। সমালোচকদের মতে, সরকার সাধারণত মতভেদের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনায় না গিয়ে রাজনৈতিক ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হলে তবেই অবস্থান পুনর্বিবেচনা করে। অর্থাৎ, যুক্তির চেয়ে রাজনৈতিক চাপই সরকারের সিদ্ধান্তে বেশি প্রভাব ফেলে।

তবে সরকারি সূত্রগুলোর দাবি, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ছিল পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার কৌশলগত সিদ্ধান্ত। সরকারের বিশ্বাস, এতে তাৎক্ষণিক সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব হয়েছে এবং একই সঙ্গে সরকারের সামগ্রিক কর্তৃত্বও অক্ষুণ্ন রাখা গেছে।

একজন বিজেপি নেতা বলেন, তরুণদের মধ্যে যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে, তা প্রশমিত করাই এই সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য। যদিও শুধু পদত্যাগে সমস্যার সমাধান হবে বলে সরকার মনে করে না। শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও তিনি দাবি করেন।

সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

Ads small one

অসময়ে হলুদ তরমুজ চাষে স্বাবলম্বী সাতক্ষীরার কৃষকেরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ণ
অসময়ে হলুদ তরমুজ চাষে স্বাবলম্বী সাতক্ষীরার কৃষকেরা

মীর মোস্তফা আলী: প্রাকৃতিক দূর্যোগের ঝুঁকিতে থাকা উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরায় চিংড়ি ঘেরের আইল ও পতিত জমিতে আধুনিক মালচিং পদ্ধতিতে শুরু হয়েছে অসময়ের বা বর্ষাকালীন তরমুজ চাষ। সবজির পাশাপাশি এখন ক্ষেতজুড়ে শোভা পাচ্ছে বাংলালিংক ও আকর্ষণীয় হলুদ জাতের তরমুজ। চলতি মৌসুমে জেলার ১০৮ হেক্টর জমিতে এই তরমুজের সফল আবাদ হয়েছে।
উপকূলীয় সাতক্ষীরার সাতটি উপজেলাতেই এখন ঝুলছে মিষ্টি ও রসালো এই ফল। বিশেষ করে তালা, কলারোয়া, কালিগঞ্জ ও আশাশুনি উপজেলায় বাংলালিংক ও হলুদ তরমুজের ফলন বেশি হয়েছে।
তালা উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের তিনটি গ্রামের ২৮ জন কৃষক বেসরকারি সংস্থা ‘উন্নয়ন প্রচেষ্টা’ ও পিকেএসএফের সহযোগিতায় ২১ বিঘা জমিতে প্রথম এই হলুদ তরমুজের আবাদ শুরু করেন। মাত্র ৬৫ দিনে ফলন আসায় অল্প খরচে অধিক মুনাফা পাচ্ছেন চাষিরা।
উপজেলার কৃষক ইকবাল, শিপন ও হান্নান জানান, জমি প্রস্তুত, সার, মালচিং পেপার, মাচা ও জাল বাবদ প্রায় ৩৫ হাজার টাকা খরচ হলেও এই ফল বিক্রি করে বিঘা প্রতি ১ লাখ থেকে দেড় লাখ টাকা আয়ের আশা করছেন তারা। অল্প সময়ে ফলন পাওয়ায় একই জমিতে বছরে দুইবার তরমুজ চাষ করা সম্ভব।
উন্নয়ন প্রচেষ্টার কৃষিবিদ নয়ন হোসেনের মতে, সাতক্ষীরার মাটি অসময়ের তরমুজ চাষের জন্য বেশ উপযোগী। চাকরির পেছনে না ঘুরে শিক্ষিত তরুণরা কৃষি উদ্যোগে যুক্ত হলে নিজেদের স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি দেশের পুষ্টি চাহিদা মেটাতে বড় অবদান রাখতে পারবেন।

বইয়ের বিকল্প কেবল বই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ণ
বইয়ের বিকল্প কেবল বই

 

‎তারিক ইসলাম
‎সভ্যতার সূচনা থেকে আজ পর্যন্ত মানবজাতির জ্ঞানচর্চা, মননশীলতা এবং উৎকর্ষ সাধনের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত বাহন হলো বই। প্রযুক্তি এবং ডিজিটাল মাধ্যমের অভূতপূর্ব বিপ্লবের যুগে আজ চারদিকে নানা প্রশ্ন ও সংশয় দানা বাঁধছে—ডিজিটাল স্ক্রিন, ই-বুক বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই সময়েও কি বইয়ের আবেদন অপরিবর্তিত থাকবে? নাকি এর কোনো বিকল্প চলে এসেছে? গভীর ও সূক্ষ্মভাবে বিবেচনা করলে একটি সত্যই সামনে ভেসে ওঠে—তা হলো, বইয়ের বিকল্প কেবল আরেকটি বই-ই হতে পারে, অন্য কিছু নয়।
‎আজকের দিনে তথ্য প্রাপ্তির পথ অত্যন্ত সহজলভ্য। ইন্টারনেটের এক ক্লিকেই হাজারো তথ্য, নিবন্ধ ও সারসংক্ষেপ চোখের সামনে চলে আসে। কিন্তু তথ্য আর জ্ঞান এক জিনিস নয়। তথ্য আমাদের সাময়িক কৌতূহল মেটায় বা কাজের সুবিধা করে দেয়, আর জ্ঞান আমাদের ভেতরটাকে সমৃদ্ধ করে, চিন্তাশক্তিকে শাণিত করে এবং জীবনদর্শনের ভিত্তি গড়ে দেয়। এই পূর্ণাঙ্গ জ্ঞানলাভের একমাত্র এবং প্রধান মাধ্যম হলো বই পড়া। একটি পূর্ণাঙ্গ বইয়ের পাতায় পাতার সঙ্গে যখন একজন পাঠকের চোখ ও মনের সংযোগ ঘটে, তখন সেখানে এক গভীর মনস্তাত্ত্বিক যাত্রা শুরু হয়, যা কোনো টুকরো তথ্য বা ডিজিটাল স্ক্রিনের ক্ষণস্থায়ী স্ক্রোলিংয়ে পাওয়া অসম্ভব।
‎বই পড়ার অভিজ্ঞতা অত্যন্ত গভীর ও ইন্দ্রিয়গ্রাহী। কাগজের ঘ্রাণ, পাতা উল্টানোর শব্দ এবং একটি আস্ত কাহিনীর ভেতরে ডুবে যাওয়ার অনুভূতি কেবল একটি বস্তুগত বইই দিতে পারে। এর বিপরীতে, ডিজিটাল মাধ্যমে পড়ার সময় মনোযোগ বিক্ষিপ্ত হওয়ার আশঙ্কা বহুগুণ বেশি থাকে। নোটিফিকেশন, পপ-আপ বিজ্ঞাপন বা ইন্টারনেটের নানা প্রলোভন পাঠকের মনোযোগকে বারবার ছিন্ন করে। ফলে লেখকের মূল ভাবনার গভীরে পৌঁছানো বা তার সাথে মানসিক ঐক্য স্থাপন করা কঠিন হয়ে পড়ে। বই আমাদের এক ধরনের একাগ্রতা শেখায়, যা আজকের দ্রুতগতির বিক্ষিপ্ত যুগে বড় বেশি দুর্লভ।
‎অনেকে মনে করেন, ই-বুক বা অডিওবুক বইয়ের বিকল্প হয়ে উঠতে পারে। নিঃসন্দেহে এগুলো প্রযুক্তির চমৎকার উপহার এবং বিশেষ পরিস্থিতিতে অত্যন্ত উপযোগী। কিন্তু এগুলোকে বইয়ের পরিপূরক বলা চলে, বিকল্প নয়। অডিওবুক শোনার সময় আমাদের কল্পনাশক্তির ওপর শ্রোতা হিসেবে একধরনের সীমাবদ্বতা তৈরি হয়, কারণ কথক বা কণ্ঠশিল্পীর উচ্চারণের ওপর আমাদের নির্ভর করতে হয়। অথচ নিজে বই পড়ার সময় পাঠক নিজেই তার কল্পনার রঙে চরিত্র ও দৃশ্যপটকে জীবন্ত করে তোলেন। বই পড়ার এই সৃজনশীল প্রক্রিয়াটি একান্তই পাঠকের নিজস্ব।
‎সবশেষে বলা যায়, সমাজ পরিবর্তনশীল, প্রযুক্তির রূপ বদলায়, বিনোদনের মাধ্যমও নতুন থেকে নতুনতর হয়; কিন্তু মানুষের মননশীলতার খোরাক জোগাতে বইয়ের আসন চিরকাল অক্ষুণ্ণ থাকে। একটি ভালো বই মানুষের শ্রেষ্ঠ বন্ধু, সুসময়ের আনন্দ এবং দুর্দিনের সান্ত¡না। তাই যত আধুনিকতাই আসুক না কেন, মানুষের বিবেক, বুদ্ধি ও আবেগের সঠিক বিকাশ ঘটাতে বইয়ের স্থান কেউ দখল করতে পারবে না। বইয়ের বিকল্প কেবল বই-ই। লেখক: তারিক ইসলাম, ‎সভাপতি, সাতক্ষীরা বোটানিক্যাল সোসাইটি।

 

কলারোয়ায় হাজী কল্যাণ সংস্থার মতবিনিময় সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ণ
কলারোয়ায় হাজী কল্যাণ সংস্থার মতবিনিময় সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় আগামী ২২ আগস্ট অনুষ্ঠিতব্য হাজী সম্মেলন উপলক্ষে কলারোয়ায় এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে কলারোয়ার মরহুম ডাক্তার আনিসুর রহমান ভবনের দ্বিতীয় তলায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। কলারোয়া উপজেলা হাজী কল্যাণ সংস্থার সভাপতি ও কলারোয়া সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবু নসরের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা হাজী কল্যাণ সংস্থার সভাপতি আলহাজ মো. দ্বীন আলী। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ গোলাম মোস্তফা। উপজেলা হাজী কল্যাণ সংস্থার সাধারণ সম্পাদক কাজী শামসুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ইউনুস আলী, শাহীনুর রহমান ও আব্দুর রউফ উপস্থিত ছিলেন।