৭ বছর পর সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ল্যাপারোস্কপিক পিত্তথলি অপারেশন শুরু
নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে নারী ও কিশোরীদের মানবাধিকার উন্নয়ন এবং সামাজিক অংশগ্রহণ বৃদ্ধির লক্ষ্যে সাতক্ষীরায় জেলা মানবাধিকার সুরক্ষা দলের (সিএসও) ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
‘রিসার্চ ইনিশিয়েটিভস বাংলাদেশ’ (রিইব)-এর বাস্তবায়নে এবং নেটজ বাংলাদেশ ও বিএমজেডের সহায়তায় পরিচালিত ‘হোপ’ প্রকল্পের আওতায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জেলার সার্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতি, সহিংসতা প্রতিরোধ এবং সুরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
সভার শুরুতে রিইব-এর প্রকল্প সমন্বয়কারী খালিদ হাসান প্রকল্পের অগ্রগতি তুলে ধরেন। আলোচনা পর্বে সিএসও সদস্য বেলাল হোসেন ও আসাদুজ্জামান মধু তৃণমূল পর্যায়ে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেন।
সভায় সাতক্ষীরা সদরে যৌন সহিংসতার শিকার এক প্রতিবন্ধী শিশুর পরিবারকে আইনি ও সামাজিক সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সিএসও সদস্য হাজী আইয়ূব আলী ও মাহফুজা পারভীন লিপি শিশুটির পরিবারকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। মাহফুজা খাতুন লিপির সঞ্চালনায় সভায় রিইবের টেকনিক্যাল অ্যান্ড অ্যাডভোকেসি কোঅর্ডিনেটর তাহেরা সিদ্দিকা ও এরিয়া সমন্বয়কারী রেখা খাতুনসহ অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদদাতা: সাতক্ষীরায় যুবদের অংশগ্রহণে সমতা, পিতৃতন্ত্র ও লিঙ্গ-রূপান্তরমূলক দৃষ্টিভঙ্গি (জেন্ডার ট্রান্সফর্মেটিভ অ্যাপ্রোচ) বিষয়ক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২১ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর শহরের অদূরে অগ্রগতি রিসোর্টে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করে ‘ফাউন্ডেশন ফর ওমেন পসিবিলিটিস’।
সার্বিক সহযোগিতায় ছিল স্থানীয় সংগঠন ‘অর্জন ফাউন্ডেশন’। জেলার ২২ জন যুবক-যুবতী এই প্রশিক্ষণে অংশ নেন। কর্মশালা পরিচালনা করেন ফাউন্ডেশন ফর ওমেন পসিবিলিটির ফরিদা বেগম।
তাঁকে সহযোগিতা করেন শান্ত খান ও পিপাসা আক্তার। অনুষ্ঠানে অর্জন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মহুয়া মঞ্জুরী, সাংবাদিক ও উন্নয়নকর্মী ফারুক রহমানসহ স্থানীয় গুণীজনেরা উপস্থিত ছিলেন।
মুখে সরাসরি পা চালিয়ে দিলেন প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়। মাঠে লুটিয়ে পড়লেন ফর্টিস এফসির নোরিকি আকাদা। দৃশ্যটি দেখে লাল কার্ডের অপেক্ষায় ছিলেন সতীর্থরা। কিন্তু রেফারির সিদ্ধান্তে বিস্ময়ে হতবাক হন তারা। কারণ লাল কার্ডের জায়গায় দেখানো হলো হলুদ কার্ড! ফেডারেশন কাপ ফুটবলের ম্যাচে এমন সিদ্ধান্তে রেফারিং নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।
গোপালগঞ্জে ফর্টিস এফসি ও ফকিরেরপুল ইয়ংমেন্সের ম্যাচটি শেষ হয়েছে ১-১ গোলে ড্রয়ে। তবে ফল ছাপিয়ে ম্যাচের ৮২ মিনিটের একটি ঘটনা নিয়েই এখন বেশি আলোচনা।
ফর্টিসের নোরিকি আকাদাকে আটকাতে গিয়ে ইয়ংমেন্সের মোহামেদ ফোফানা সরাসরি তার মুখ বরাবর পা চালিয়ে দেন। আঘাত পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন নোরিকি। ঘটনাস্থলে দৌড়ে আসেন রেফারি জুনায়েদ শরীফ। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে তিনি ফোফানাকে লাল কার্ড না দেখিয়ে হলুদ কার্ড দেখান।
রেফারির এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করেন ফর্টিসের খেলোয়াড়রা। তবে তাতে সিদ্ধান্তের কোনো পরিবর্তন হয়নি।
ঘটনাটি নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ফর্টিস এফসির সভাপতি শাহীন হাসান। তিনি বলেন, ‘এই সব কিছুর জন্য যদি আমরা কিছু বলি, তাহলে ওনাদের ডিসিপ্লিনারি কমিটি আমাদের শাস্তি দেবে, জরিমানা করবে। আর খেলার জন্য মাঠে ঢোকা যাবে না। কিন্তু কখনও এর জন্য রেফারি কোনও শাস্তি পাবে না।’
দেশের ফুটবল নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, ‘আজব এক আমাদের দেশের ফুটবল। কেন জানি না এই ফুটবল খেলা নিয়ে পড়ে আছি। আমার মনে হয়, এই ফুটবল খেলা থেকে সরে আসা উচিত।’
রেফারিং নিয়ে একই ধরনের হতাশা ফর্টিসের ম্যানেজার রাশেদুল ইসলামের কণ্ঠেও। তিনি বলেন, ‘এখন আর চিঠি দেই না। কারণ এতে কোনো লাভ হয় বলে মনে হয় না। রেফারিদের মধ্যে যারা ভুল করেন, তারা নিজেরা ভুল শুধরাতে না চাইলে কেউ শুধরাতে পারবে না। আমাদের দেশেও ভালো রেফারি আছেন। সমস্যাটা হলো, ভালোর সংখ্যাটা কম।’
ম্যাচের ওই ঘটনা ও কার্ডের সিদ্ধান্ত নিয়ে সঙ্গে কথা বলেছেন বাফুফের বিদায়ী হেড অব রেফারিজ আজাদ রহমান। তার মতে, ফোফানার ওই চ্যালেঞ্জ সরাসরি লাল কার্ডের যোগ্য, ‘ওই ডিফেন্ডার যেভাবে চার্জ করেছে, তাতে করে তো সরাসরি লাল কার্ড হয়। ম্যাচে রেফারি কেন লাল কার্ড দেখালো না, বোধগম্য হচ্ছে না। শুধু রেফারি নন, দুই সহকারী রেফারিও তো ঠিকমতো অ্যাসিস্ট করতে পারেননি। এখন দেখি রিপোর্ট কী আসে।’