শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

অক্টোবরের শেষদিন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ণ
অক্টোবরের শেষদিন

সুজন হোসেন
অক্টোবর শেষ হয়ে যাচ্ছে ধীরে, আরেকটু রয়েছে বাকি তাহ
যেতে যেতে বিনষ্ট করল মোর অবকাশ আর ভালো লাগা।
মোর দেহ ক্ষয় করেছে শহর আর অবসর ক্ষয় করলো সে,
মোর অবসর নষ্টের জন্যই কেবল হয় তাহার আগমন।

অন্তর ভাঙলো, দেহ ভাঙলো পরিশেষে অবসর ভাঙলো,
অক্টোবরের শেষ বর্ষণে মোর শেষ অবকাশ ভাঙলো।
ইচ্ছে করিলাম আজিকে দিগন্ত পেরুবো, যাবো অজানায়
ইচ্ছে ছিল উড়বো আকাশে, উঠব ফুঁড়ে একেবারে মহাকাশ।
ইচ্ছে আজিকে রংধনু আনবো, মাখিয়ে দেবো তোমার গালে,
তুমি ছুঁয়ে দেখবো তাহা, তোমার কোমল আঙ্গুলি স্পর্শে।
ইচ্ছে ছিল প্রজাপতির সাথে উড়বো, ফুলে বসবো,
তোমার জন্য মিশরের কোনো উদ্যান থেকে মধু আনবো,
অথবা ফুল আনবো ব্যাবিলনের সে উদ্যান থেকে।
মনে মোর ইচ্ছে ছিল আজিকে ভালোবাসবো নিজেকে,
এবছরে কেবল আজি নিজেকে ভালোবাসা যায়।
ইচ্ছে আরো ছিল মোর হেমলক পান করার ভীষণ,
ইচ্ছে ছিল দেখতে নিজেকে মারতে লাগে কেমন।
এটুকু জীবনে না করা হলো হত্যা না হওয়া হতো হত্যা,
আজিকে এ অবসরে মোর ইচ্ছে ছিল ভীষণ তাহার।

তব যত ইচ্ছে সব বিনষ্ট হলো এই বর্ষণের,
চার দেওয়ালে আবদ্ধ আমি যেনো চার হাজার বছর সেখা!
আজকে বড্ড বিষাদের লাগে এ ঋতুকে,
কিছুকাল আগ লিখেছিলাম এই ঋতুর গুণগান,
আজিকে অবসর নষ্টের করছি তারই বদনাম।
যেমন বদনাম আর সুনাম করি প্রেমিকাকে মোরা,
বস্তুত পৃথিবীর সবচেয়ে বদনাম প্রক্তনের হয়,
তব কিছুকাল আগে সবথেকে প্রশংসা তারই হতো।

Ads small one

সীমান্তে গুলি, আহত বাংলাদেশি যুবককে নিয়ে গেলো বিএসএফ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:৫০ পূর্বাহ্ণ
সীমান্তে গুলি, আহত বাংলাদেশি যুবককে নিয়ে গেলো বিএসএফ

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে মনিরুল ইসলাম (৩৫) নামে এক যুবক আহত হয়েছেন। পরে তাকে আটক করে ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে যায় বিএসএফ।

শুক্রবার (০৬ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে জীবননগর উপজেলার হরিহরনগর গ্রামের সীমান্তবর্তী এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে। আহত মনিরুল ইসলাম হরিহরনগর গ্রামের লিয়াকত ইসলামের ছেলে। তবে তিনি জীবিত রয়েছেন নাকি মারা গেছেন, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় স্বর্ণ চোরাচালানের জন্য সীমান্তের কাঁটাতারের কাছাকাছি এলাকায় যান মনিরুল ইসলামসহ সাতজন। এ সময় তাদের দেখে গুলি ও রাবার বুলেট ছোড়ে বিএসএফ সদস্যরা। এতে মনিরুলের পায়ে গুলি লাগে ও পিঠের বিভিন্ন স্থানে রাবার বুলেটের আঘাত লাগে। একপর্যায়ে তিনি আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এসময় মনিরুলের সঙ্গে থাকা অন্যরা পাশের খালের পানিতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যান। পরে আহত মনিরুলকে আটক করে ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে যান বিএসএফ সদস্যরা।

এ বিষয়ে মহেশপুর-৫৮ বিজিবির সহকারী পরিচালক মুন্সী ইমদাদুর রহমান বলেন, ‘আমরা বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছি।’

এদিকে সীমান্তে গুলির শব্দ ও এক বাংলাদেশি যুবককে বিএসএফ ধরে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ণ
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ

আজ ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। ১৯৭৫ সালের এই দিনে সিপাহী-জনতার বিপ্লবে দেশের তৎকালীন রাজনীতির গতিধারা পাল্টে গিয়েছিল। দেশ ও জাতি পেয়েছিল নতুন দিশা।

১৯৭৫ সালের এ দিনে জেনারেল জিয়াউর রহমান দেশের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন। এরপর সেনাবাহিনীর ভেতর ও বাইরে অভ্যুত্থান ও পাল্টা অভ্যুত্থানের মধ্যেও জিয়াউর রহমান দেশকে স্থিতিশীলতার দিকে নিয়ে যান।

ইতিহাস পর্যালোচনা করে জানা যায়, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে তৎকালীন সরকারপ্রধান শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ড এবং ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতাকে হত্যার ঘটনার ধারাবাহিকতায় সেনাবাহিনীর তৎকালীন উপপ্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খালেদ মোশাররফ তার অনুসারী সেনা সদস্যদের নিয়ে এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে বন্দি করেন। নিজেকে সেনাপ্রধান হিসেবে ঘোষণা দিয়ে ৬ নভেম্বর বঙ্গভবনে গিয়ে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট খন্দকার মোশতাক আহমেদকে গ্রেফতার করে মন্ত্রিসভা বাতিল ও জাতীয় সংসদ ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা দেন খালেদ। প্রধান বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে দেশের প্রেসিডেন্টের পদে বসান। ওই রাতেই সেনাবাহিনীর সাধারণ সিপাহিরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

সেই অভ্যুত্থানে স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন দিয়ে সর্বস্তরের জনতা রাজপথে নেমে আসে। সিপাহি-জনতার মিলিত সেই বিপ্লবে বন্দি অবস্থায় থেকে মুক্ত হন জিয়াউর রহমান। পাল্টা অভ্যুত্থান ঠেকাতে গিয়ে ৭ নভেম্বর সকালে কয়েকজন অনুসারীসহ প্রাণ হারান খালেদ মোশাররফ। অভূতপূর্ব এক সংহতির নজির সৃষ্টি হয় দেশের রাজনীতিতে। জিয়াউর রহমান চলে আসেন ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বিএনপির কর্মসূচি

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সাত দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি। প্রথম দিন শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টায় শেরে বাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং দলের কেন্দ্রীয় নেতারা।

এরপর নয়াপল্টন দলীয় কার্যালয়ের সামনে শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

শোভাযাত্রাটি নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে কাকরাইলে প্রধান বিচারপতির বাসভবনের কাছে গিয়ে ডান দিকে মোড় নেবে। এরপর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে দিয়ে বাংলামোটর ও ফার্মগেট হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে গিয়ে শেষ হবে।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।

 

 

মন খারাপের দিন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:০৯ পূর্বাহ্ণ
মন খারাপের দিন

ফারুক আহম্মেদ জীবন
তুমি কি জানো সখি…
সেদিন কোন কষ্টে গগন বক্ষ বিদীর্ণ হয়ে
করুণ রোদন করেছিল?
অঝোর ধারায় সারাটাদিন নেমেছিল প্রবল বৃষ্টি?
গগন জুড়ে জমেছিল খ- মেঘ
উঠেছিল দমকা হাওয়ার কালবৈশাখী ঝড়ের বেগ?
বিকট শব্দে বিদ্যুৎ চমকায়
ঝলকে ঝলকে হয়েছিল বজ্রপাত?
জানো..সেদিন সমস্ত সৃষ্টি কুলও নিরবে কেঁদেছিল
ঝাপসা হয়ে গিয়েছিল তাদের দৃষ্টি।
তুমি জানো নাতো?
সেদিনটা ছিল আমার ভীষণ মন খারাপের দিন,
তোমার অবজ্ঞা অবহেলা
আর তোমার তাচ্ছিল্য ভরা আঘাত
আমার বুকের পাঁজর ভেঙ্গে চৌচির করে দিয়েছিল
কষ্টের মেঘে ভরেছিল মন গগন
বুকে চিনচিনে প্রচ- ব্যথা উঠেছিল সেদিন।

তুমি জানো সখি…..
সেদিন তুমি যে বিকট বজ্রের ধ্বনি শুনেছিলে
সেটি ছিল আমার মনের আর্তনাদ
আর আমার বুকের পাঁজর ভাঙ্গার শব্দ
সেদিন তুমি আকাশের বৃষ্টি ঝরা যে কান্না দেখেছিলে
সেটা ছিল আমার কলিজার রক্ত ক্ষরণ
যা- আঁখি থেকে গড়িয়ে পড়েছিল
অথচ সেটা ছিল জল সাদৃশ্য বুকের রক্তপাত।