শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

আইনজীবী তালিকাভুক্তির এমসিকিউতে পাস করলেন জাইমা রহমান, মোট উত্তীর্ণ ৯২০১

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৩:০৭ অপরাহ্ণ
আইনজীবী তালিকাভুক্তির এমসিকিউতে পাস করলেন জাইমা রহমান, মোট উত্তীর্ণ ৯২০১

সারাদেশের অধস্তন আদালতে প্র্যাকটিসের জন্য আইনজীবী তালিকাভুক্তির প্রথম ধাপ এমসিকিউ (নৈর্ব্যক্তিক) পরীক্ষায় পাস করেছেন ৯ হাজার ২০১ জন পরীক্ষার্থী।

শুক্রবার (১২ জুন) বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

জানা গেছে, এবার এমসিকিউ পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী কন্যা জাইমা রহমান। তিনি রাজধানীর বিএএফ শাহীন কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষা দেন এবং প্রথম ধাপের এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন।

বার কাউন্সিল সূত্রে জানা যায়, এবার এমসিকিউ পরীক্ষায় আবেদন করেছিলেন মোট ৩৭ হাজার ৮০ জন পরীক্ষার্থী।

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তি পরীক্ষা তিন ধাপে অনুষ্ঠিত হয়—এমসিকিউ (নৈর্ব্যক্তিক), লিখিত ও মৌখিক। এই তিন ধাপে উত্তীর্ণ হওয়ার পরই একজন প্রার্থী অধস্তন আদালতে আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিসের সুযোগ পান। তবে লিখিত পরীক্ষায় একবার উত্তীর্ণ হলে পরবর্তী তিনবার সরাসরি মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকে।

পরীক্ষা সংক্রান্ত নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত ও দিকনির্দেশনা দিয়ে থাকে বার কাউন্সিলের এনরোলমেন্ট কমিটি।

Ads small one

ফলে মজি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৫:০৫ অপরাহ্ণ
ফলে মজি

জয়ন্ত কুমার চঞ্চল
ফল নিয়ে ছড়া
যাক শুরু করা,
জৈষ্ঠ্য আষাঢ়ের
ফলে মজি মোরা।

আহা খুব ভালো
তুল তুলে জাম,
রসে ভরা কাঁঠাল
সাথে নানান আম।

লেবুটা খুব উপকারী
এই প্রচন্ড গরমে,
শরবত বা পানীয়
শহর আর গ্রামে।

কচি ডাব সেই ভাব
জুড়ায়ে যায় ভিতরে,
তালের আটি নরম
থাকুক আড্ডা আসরে।

লিচু থাক কিছু কিছু
আপেল কমলা পরে,
বেদনা মালটা আঙুর
এই জৈষ্ঠ্যে কি মুখে ধরে!

পেয়ারা আতা আমড়া
খাই মাঝে মাঝে,
বেশ ভালো বেল শশা
আসে হজমের কাজে।

 

প্রাণসায়র পাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৪:৫৯ অপরাহ্ণ
প্রাণসায়র পাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ

পত্রদূত রিপোর্ট: জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি মোকাবিলা এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেছেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ। তিনি বলেছেন, প্রকৃতিকে রক্ষা করতে হলে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে হলে ব্যাপক সবুজায়নের কোনো বিকল্প নেই।

শনিবার (১৩ জুন) বেলা সাড়ে ১২টায় সাতক্ষীরা শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী প্রাণসায়ের খালপাড়ে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। খালের দুই পাড়জুড়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণের মধ্য দিয়ে পাঁচ বছর মেয়াদি এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়।

জেলা প্রশাসক আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রা বৃদ্ধি, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রকোপ বাড়ছে। উপকূলীয় জেলা হিসেবে সাতক্ষীরাও এসব ঝুঁকির বাইরে নয়। এ বাস্তবতায় পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ হিসেবে বৃহৎ পরিসরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন অত্যন্ত সময়োপযোগী।

তিনি জানান, সরকারের ঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে ৫০ কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে। এই জাতীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে চলতি বছর এক কোটি গাছ লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি বৃক্ষরোপণের পর প্রতিটি গাছের যথাযথ পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

মিজ কাউসার আজিজ আরও উল্লেখ করেন, সাতক্ষীরা জেলার প্রতিটি উপজেলায় কমপক্ষে দুই একর জমিতে বনায়ন গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের সমন্বয়ে এই বনায়ন কর্মসূচি জেলার পরিবেশগত উন্নয়ন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহবায়ক এইচ এম রহমত উল্লাহ পলাশ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. মইনুল ইসলাম খান, সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, সহকারী বন সংরক্ষণ কর্মকর্তা প্রিয়াংকা হালদার, কৃষিবিদ সাইফুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু এবং পৌরসভার সচিব মোহাম্মদ লিয়াকত আলীসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।

শেষে প্রাণসায়ের খালের দুই পাশে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয় এবং স্থানীয় জনগণকে এই কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত হওয়ার আহবান জানান জেলা প্রশাসক।

উল্লেখ্য, একসময় প্রাণসায়ের খাল ছিল সাতক্ষীরার অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান। সময়ের ব্যবধানে এর সৌন্দর্য অনেকটাই ম্লান হয়ে গেলেও নতুন এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে খালপাড়ে আবারও সবুজের সমারোহ ফিরে আসবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে এটি শহরের পরিবেশ উন্নয়ন ও সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

কলারোয়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৪:৫৫ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ

সংবাদদাতা: প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে সাতক্ষীরার কলারোয়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।

শনিবার (১৩ জুন) সকালে কলারোয়া উপজেলা প্রশাসন ও বন বিভাগের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মোঃ ইজ্জত উল্লাহ।

 

এ সময় তিনি কলারোয়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে একটি ফলদ ও একটি ঔষধি গাছের চারা রোপণ করে উপজেলার সর্বস্তরের মানুষকে এই সবুজ বিপ্লবে শামিল হওয়ার আহ্বান জানান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া উপজেলা বিএনপি’র মুখপাত্র অধ্যক্ষ মোঃ রইছ উদ্দীন। অনুষ্ঠানটির সার্বিক সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনা করেন কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আরিফুল ইসলাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মোঃ ইজ্জত উল্লাহ বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের মারাত্মক ঝুঁকি থেকে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিকে রক্ষা করতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। প্রধানমন্ত্রীর এই দূরদর্শী ৫ বছর মেয়াদী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়তে এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।

 

এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সাধারণ জনগণকে, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে আসতে হবে। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যক্ষ মোঃ রইছ উদ্দীন বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা কোনো রাজনৈতিক বিষয় নয়, এটি আমাদের অস্তিত্বের লড়াই।

 

উপজেলার প্রতিটি খালি জায়গায় এবং বাড়ির আঙিনায় অন্তত তিনটি করে গাছ লাগানোর জন্য আমি কলারোয়াবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি। সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলাম বলেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই কর্মসূচি সফল করতে শতভাগ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে পর্যায়ক্রমে চারা বিতরণ ও রোপণ কার্যক্রম কঠোরভাবে মনিটরিং করা হবে।

 

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত জনসাধারণের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়।