শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

আদালতের নির্দেশ ছাড়া একাধিক মামলার সাজা একসঙ্গে নয়: হাইকোর্ট

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:২৭ অপরাহ্ণ
আদালতের নির্দেশ ছাড়া একাধিক মামলার সাজা একসঙ্গে নয়: হাইকোর্ট

অনলাইন ডেস্ক:  কোনো ব্যক্তি একাধিক ফৌজদারি মামলায় পৃথকভাবে দণ্ডিত হলে আদালতের স্পষ্ট নির্দেশ ছাড়া ওই সাজা একই সঙ্গে চলার সুযোগ নেই বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।

 

আদালত বলেছেন, পৃথক মামলায় দণ্ড দেওয়ার সময় সংশ্লিষ্ট রায়ে সাজা একই সঙ্গে চলবে, এমন সুস্পষ্ট নির্দেশনা না থাকলে একটি মামলার সাজা শেষ হওয়ার পর পরের মামলার সাজা কার্যকর হবে।

 

চেক ডিজঅনারের পৃথক ছয় মামলায় দণ্ডিত এক ব্যক্তিকে কারাগারে আটকে রাখার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিটের রুল খারিজ করে এ রায় দেন বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি ও বিচারপতি শেখ তাহসিন আলীর হাইকোর্ট বেঞ্চ।

 

২০২৫ সালের ২৭ আগস্ট দেওয়া ওই রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে। আদালতের মূল রায়টি লিখেছেন বিচারপতি শেখ তাহসিন আলী।

‘মো. নাসির উদ্দিন বনাম রাষ্ট্র’ মামলায় দেওয়া রায়ে হাইকোর্ট রিট আবেদনকারীকে রায় ও আদেশের তারিখ থেকে দুই মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আত্মসমর্পণ না করলে তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

প্রকাশিত রায়ের বিবরণ অনুযায়ী, চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী মো. নাসির উদ্দিন নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্ট, ১৮৮১-এর ১৩৮ ধারায় দায়ের করা চেক ডিজঅনারের ছয়টি পৃথক মামলায় বিভিন্ন মেয়াদে দণ্ডিত হন। ২০২১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে বিভিন্ন মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

 

একপর্যায়ে সাজা ভোগের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও তাকে মুক্তি না দিয়ে বেআইনিভাবে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে, এমন অভিযোগে ২০২২ সালে হাইকোর্টে রিট করেন নাসির উদ্দিন। ওই রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে একই বছরের ১১ এপ্রিল হাইকোর্ট রুল জারি করেন।

 

সাজা ভোগ করা সত্ত্বেও তাকে কারাগার থেকে মুক্তি না দেওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের নিষ্ক্রিয়তা ও ব্যর্থতা কেন আইনি কর্তৃত্ববহির্ভূত ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। পাশাপাশি তাকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেওয়া হয়।

 

রুলের শুনানিতে রিটকারীর আইনজীবী মো. শাহ আলম যুক্তি দেন, মামলা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় নাসির উদ্দিন কারাগারে ছিলেন। ওই সময় তার সাজা থেকে বাদ দেওয়া হয়নি। ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫এ ধারার অধীনে বিচারাধীন অবস্থায় কারাভোগের সময় সমন্বয় করা হলে তার সাজা ইতোমধ্যে শেষ হয়ে গেছে। ফলে তাকে কারামুক্ত করা উচিত।

 

তবে বিবাদীদের পক্ষে আইনজীবী মো. সমীর সাত্তার যুক্তি দেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৯৭ ধারা অনুযায়ী কোনো দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি অন্য মামলায় পুনরায় দণ্ডিত হলে আদালত স্পষ্টভাবে সাজা একই সঙ্গে চলার নির্দেশ না দিলে একটি মামলার সাজা শেষ হওয়ার পর পরের সাজা কার্যকর হবে। নাসির উদ্দিনের ক্ষেত্রে বিচারিক আদালতগুলো সাজা একই সঙ্গে চলার কোনো নির্দেশ দেননি।

 

তিনি আরও বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫এ ধারা এবং সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের সার্কুলার অনুযায়ী, যে মামলায় বিচার চলাকালে আসামি হেফাজতে ছিলেন, কেবল সেই মামলার সাজা থেকে সংশ্লিষ্ট সময় বাদ যাবে। এক মামলায় ভোগ করা কারাদণ্ডের সময় অন্য মামলার সাজা কমানোর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না।

 

উভয় পক্ষের শুনানি ও নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে হাইকোর্ট রুল খারিজ করে রায় দেন। আদালত বলেন, রিট আবেদনে নাসির উদ্দিন নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্ট, ১৮৮১-এর ১৩৮ ধারার বৈধতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলেননি।

 

বিচার বা অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো এখতিয়ারগত ত্রুটিও তিনি প্রমাণ করতে পারেননি। ফলে ওই ধারায় চলমান ফৌজদারি কার্যক্রমে রিটের মাধ্যমে হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই।

 

রায়ে হাইকোর্ট আরও বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫এ ধারা অনুযায়ী বিচার চলাকালে আসামি নির্দিষ্ট যে মামলায় কারাভোগ করেছেন, কেবল সেই মামলার মোট সাজা থেকে ওই সময় বাদ যাবে। আর ৩৯৭ ধারার বিধান অনুযায়ী, পৃথক মামলায় বিচারিক আদালত সাজা একই সঙ্গে চলার কোনো নির্দেশ না দিলে প্রতিটি মামলার সাজা একের পর এক কার্যকর হবে।

 

তবে কারাভোগের সময় হিসাবের ক্ষেত্রে রিটকারীর আইনজীবীকে ছয়টি মামলার বিচার চলাকালীন তার কারাভোগের সময়ের একটি ‘ক্যালকুলেশন শিট’ প্রস্তুত করতে বলেছেন হাইকোর্ট।

 

নিম্ন আদালতের নথি পরীক্ষা করে ওই হিসাব জেল কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে হবে। এরপর কারা কর্তৃপক্ষ বিচারাধীন অবস্থায় আটক থাকার সময় যথাযথভাবে হিসাব করে সংশ্লিষ্ট মামলার সাজা থেকে তা বাদ দেবেন।

 

আদালত একই সঙ্গে পর্যবেক্ষণে বলেন, সংশ্লিষ্ট আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ না করা পর্যন্ত রিট এখতিয়ারের অধীনে ফৌজদারি কার্যক্রম বাতিল করার সুযোগ নেই। বিচারিক আদালতের দেওয়া ফৌজদারি রায়েও রিট এখতিয়ার প্রয়োগ করে হাইকোর্টের হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই।

 

রিটকারীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. শাহ আলম। বিবাদীদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. সমীর সাত্তার ও মুহাম্মদ আলী আক্কাস চৌধুরী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মহাদ্দেস-উল-ইসলাম (টুটুল) ও মাহফুজ বিন ইউসুফ।

Ads small one

নগরঘাটায় ওয়ার্ডভিত্তিক ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৪ অপরাহ্ণ
নগরঘাটায় ওয়ার্ডভিত্তিক ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালা উপজেলার নগরঘাটায় ওয়ার্ডভিত্তিক ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মিঠাবাড়ি বহুমুখী সংঘের উদ্যোগে আয়োজিত এ ফাইনালে ৪ নং ও ৫ নং ওয়ার্ডের দল মুখোমুখি হয়। নির্ধারিত সময়ে খেলা অমীমাংসিত থাকায় টাইব্রেকারে ৪ নং ওয়ার্ড বিজয়ী হয়।

খেলা শেষে বিজয়ী দলের খেলোয়াড়দের হাতে লক্ষাধিক টাকা মূল্যের একটি গরু পুরস্কার হিসেবে তুলে দেওয়া হয়। এছাড়া টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী সকল ওয়ার্ডের খেলোয়াড়দের মাঝে একটি করে ছাগল প্রদান করা হয়।

ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শিল্পপতি আলহাজ্ব ইবাদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিঠাবাড়ি বহুমুখী সংঘের উপদেষ্টা শেখ রুহুল আমিন আকাশ, তরুণ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনিরুল ইসলাম, মো. আইয়ুব হোসেন, সভাপতি সম লিয়াকত আলী, সহ-সভাপতি ইলিয়াস হোসেন, সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক আতাউর রহমান আতা, ওয়ার্ড সদস্য শেখ সরোয়ার, আব্দুল গফুরসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

খেলার ধারাভাষ্যে ছিলেন শিক্ষক ওলিউর রহমান ওলি, মো. মিজানুর রহমান, মো. জাকির হোসেন ও আলমগীর হোসেন। টুর্নামেন্টের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন মোশাররফ হোসেন।
ফাইনাল খেলাকে ঘিরে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী ও দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। বিকেল থেকেই মাঠে দর্শকদের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

কলারোয়া পুলিশের অভিযানে এক আ.লীগ সদস্যসহ ৭ ব্যক্তি আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:১০ অপরাহ্ণ
কলারোয়া পুলিশের অভিযানে এক আ.লীগ সদস্যসহ ৭ ব্যক্তি আটক
নিজস্ব প্রতিনিধি: কলারোয়ায় পৃথক অভিযান ও মামলায় ৭ ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহষ্পতিবার রাতে ও শুক্রবার তাদের আটক করা হয়।

কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

থানা সূত্র জানায়, ১০পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ পৌরসদরের তুলশীডাঙ্গা ২নং ওয়ার্ডের মৃত হাজী আনোয়ার হোসেনের পুত্র মোঃ বজলুর রহমান ওরফে বাপ্পী (৩৬), কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্য ঝিকরা গ্রামের মৃত মৃত আমির চাঁদ গাজীর পুত্র মোঃ আহসান উল্লাহ (৪৩) ও চুরি মামলার আসামি উপজেলার গয়ড়া গ্রামের শহিদুল ইসলামের পুত্র মোঃ আমিরুল ইসলাম (৩০)কে আটক করে শুক্রবার সাতক্ষীরার বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

অপরদিকে, গ্রেপ্তারী পরোয়ানাভুক্ত আসামি পৌরসদরের গোপিনাথপুরের মৃত আনোয়ার হোসেনের পুত্র রফিকুল ইসলাম বাদশা (৩৭), ঝিকরা গ্রামের আব্দুর রহমান সিকদারের পুত্র মো.আকিব (২৩), উপজেলার পাঁচপোতা গ্রামের শেখ রিয়াজ উদ্দিনের পুত্র শেখ রুবেল উদ্দিন (২৯) এবং চার মাসের বিনাশ্রম করাদন্ড ও নগদ আড়াইহাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রাপ্ত আসামি পৌরসদরের তুলশীডাঙ্গা গ্রামের জাবেদ আলী গাজীর পুত্র হযরত আলী (৬০) কে আটক বৃহষ্পতিবার সাতক্ষীরার বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

ক্যাশলেস বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সাতক্ষীরায় কৃষি ব্যাংকের র‌্যালি ও সমাবেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৭ অপরাহ্ণ
ক্যাশলেস বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সাতক্ষীরায় কৃষি ব্যাংকের র‌্যালি ও সমাবেশ

নিজস্ব প্রতিনিধি: ‘লেনদেন হচ্ছে ক্যাশলেস, এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলা কিউআর কোডের ব্যবহার বাড়াতে ও গ্রাহকদের সচেতন করার লক্ষ্যে সাতক্ষীরায় এক র‌্যালি ও সচেতনতামূলক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাতক্ষীরা শাখা এই কর্মসূচির আয়োজন করে।

সমাবেশ ও র‌্যালিতে উপস্থিত ছিলেন কৃষি ব্যাংক, সাতক্ষীরা প্রধান অঞ্চলের মুখ্য আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক এস এম এ কাইয়ুম, সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. রুহুল কুদ্দুস এবং সাতক্ষীরা শাখার ব্যবস্থাপক মো. আব্দুস সেলিম।

অনুষ্ঠানে মুখ্য আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক এস এম এ কাইয়ুম বলেন, “স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার অন্যতম পূর্বশর্ত হলো লেনদেনকে ক্যাশলেস করা। বাংলা কিউআর কোডের মাধ্যমে যেকোনো ব্যাংকের গ্রাহক সহজেই নিরাপদ ও দ্রুত লেনদেন করতে পারবেন। প্রান্তিক পর্যায়েও এই প্রযুক্তি পৌঁছে দিতে কৃষি ব্যাংক নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।”

সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. রুহুল কুদ্দুস তাঁর বক্তব্যে বলেন, “নগদ টাকার ঝুঁকি এড়াতে ও ডিজিটাল লেনদেনে উৎসাহ বাড়াতে ব্যাংকগুলো এখন গ্রাহকদের নানা সুবিধা দিচ্ছে। বাংলা কিউআর ব্যবহার বাড়লে দেশের অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে।”

সাতক্ষীরা শাখার ব্যবস্থাপক মো. আব্দুস সেলিম উপস্থিত গ্রাহকদের উদ্দেশে বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু ব্যাংকিং সুবিধা দেওয়া নয়, বরং গ্রাহকদের আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া। এখন থেকে খুচরা কেনাকাটা থেকে শুরু করে সব ধরনের লেনদেন স্মার্টফোনের মাধ্যমে সহজ ও নিরাপদ করা সম্ভব।”

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে সিআরএম (CRM) অফিসের কর্মকর্তা, সাতক্ষীরা শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারী, ব্যাংকের গ্রাহক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।