মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

আলোচনা সভায় বক্তারা: ৬৮ শতাংশ নারী বাবার বাড়িতেও সহিংসতার শিকার হন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০০ অপরাহ্ণ
আলোচনা সভায় বক্তারা: ৬৮ শতাংশ নারী বাবার বাড়িতেও সহিংসতার শিকার হন
পত্রদূত ডেস্ক: “পিত্রালয়: নারীর প্রতি পারিবারিক সহিংসতার এক উপেক্ষিত ক্ষেত্র”(‘দ্য ন্যাটাল ফ্যামিলি: আ নিগলেক্টেড সাইট অব ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স এগেইনস্ট উইমেন’) শীর্ষক এক বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ মঙ্গলবার এনজিও ফোরাম, ব্লক-ই, ৪/৬ লালমাটিয়ায় প্রাগ্রসর আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন ভারতের বিশিষ্ট নারীবাদী অধিকারকর্মী এবং ‘স্বয়ম’-এর প্রতিষ্ঠাতা অনুরাধা কাপুর। তিনি পিত্রালয়ে নারীর প্রতি সহিংসতার বিভিন্ন ধরন, এর সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রেক্ষাপট এবং এ বিষয়ে কার্যকর প্রতিরোধ ও পলিসি সংক্রান্ত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেন।
তিনি বলেন, নারীর প্রতি সহিংসতাকে আমরা প্রায়ই শুধু স্বামীর বাড়ির নির্যাতনের মধ্যে সীমাবদ্ধ করে দেখি। অথচ গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৬৮শতাংশ নারী বাবার বাড়িতেও সহিংসতার শিকার হন। ছোটবেলা থেকেই অনেক মেয়ের চলাফেরা, বন্ধুর বাড়িতে যাওয়া, বাইরে কাজ করা কিংবা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ সীমিত করে দেওয়া হয়, যা ধীরে ধীরে স্বাভাবিক নিয়ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়।
তিনি বলেন, বাবা-মা, ভাইসহ পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে চরিত্র নিয়ে অপবাদ, শারীরিক ও যৌন নির্যাতন, মারধর এবং সম্পত্তির অধিকার চাইলে সম্পর্ক ছিন্ন করার হুমকির মতো ঘটনাও ঘটে। এমনকি স্বামীর বাড়িতে নির্যাতনের শিকার হলেও অনেক নারীকে বাবার বাড়িতে ফিরে আসতে দেওয়া হয় না; বরং “মানিয়ে নেওয়ার” পরামর্শ দেওয়া হয়। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন পিত্রালয়ে  নারী সহিংসতাকে স্বাভাবিকীকরণ করা হচ্ছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, পরিবারে বাবা-মায়ের সম্পর্ক খারাপ হলে সন্তানের ওপর নির্যাতনের ঝুঁকি বেড়ে যায়। অনেক নারী শৈশবের সহিংসতাকে দীর্ঘদিন সহিংসতা হিসেবে চিনতেই পারেন না, কারণ তা সমাজে স্বাভাবিক হিসেবে গ্রহণযোগ্য হয়ে গেছে। তবে তিনি আশার কথা তুলে ধরে বলেন, অনেক নারী এসব পরিস্থিতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন, নিজস্ব কৌশলে মোকাবেলা করেছেন এবং নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনের পথ খুঁজে নিয়েছেন।
ইউ ক্যানের নির্বাহী পরিচালক জিনাত আরা হক বলেন, সমাজে আমরা ‘বাবার বাড়ি’ বলি, কিন্তু ‘মায়ের বাড়ি’ বলি না—এই ভাষাই নারীর অধিকারহীনতার বাস্তবতাকে প্রকাশ করে। ছোটবেলা থেকেই মেয়েদের শেখানো হয় জমি-সম্পত্তি তাদের বিষয় নয়; তাদের ভূমিকা কেবল গৃহস্থালির কাজে সীমাবদ্ধ। এই বৈষম্যের মধ্য দিয়েই অনেক নারী নিজেকে দ্বিতীয় লিঙ্গ হিসেবে ভাবতে শেখেন। তিনি বলেন, পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কর্মক্ষেত্র—প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে সহিংসতামুক্ত করতে হবে, আর সেই পরিবর্তনের শুরু হতে হবে পরিবার থেকেই।
উত্তরাধিকার ও বৈষম্য প্রসঙ্গে  নারী প্রগতি সংস্থার নির্বাহী পরিচালক শাহানাজ সুমি  বলেন, পরিবারে সম্পত্তিতে সমান অধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার কারণে অনেক মেয়ের ভাগ্য যেন আগেই নির্ধারিত হয়ে যায়। শৈশব থেকেই তারা জীবনের নানা ক্ষেত্রে কম সুযোগ, কম গুরুত্ব ও কম অধিকার পেতে পেতে বড় হয়। তিনি বলেন, এই বৈষম্যকে আর স্বাভাবিক হিসেবে মেনে নেওয়া যাবে না। কেন একজন মেয়ের সঙ্গে বৈষম্য করা হচ্ছে, কেন তাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না, কেন তার প্রতি নির্যাতন হচ্ছে—এসব প্রশ্ন এখনই জোরালোভাবে তুলতে হবে। অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য পরিবার থেকেই সচেতনতা, প্রতিবাদ ও পরিবর্তনের উদ্যোগ নিতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। অধিকারকর্মী, শিক্ষার্থী, উন্নয়নকর্মী, গবেষক, শিক্ষক, নারী আন্দোলনের কর্মী এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা আলোচনায় অংশ নিয়ে পিত্রালয়ে নারীর প্রতি সহিংসতার বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় করেন।
আলোচনায় অন্যান্যরা বলেন, নারীর প্রতি সহিংসতার বিষয়টি শুধু বৈবাহিক পরিবারের মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখে দেখলে সমস্যার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক আড়ালে থেকে যায়। পিত্রালয়েও নারীরা বিভিন্ন ধরনের সহিংসতার শিকার হতে পারেন। তাই নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে বৈবাহিক পরিবারের পাশাপাশি পিত্রালয়কেও আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
প্রাগ্রসরের নির্বাহী পরিচালক ফওজিয়া খন্দকার বলেন, পিতৃতন্ত্র অনেক সময় অদৃশ্য কাঠামো হিসেবে কাজ করে, যার ভেতর থেকেই নারীর প্রতি নানা ধরনের নির্যাতন ও বৈষম্য তৈরি করে।
তিনি উল্লেখ করেন, গবেষণা অনুযায়ী প্রায় ৬৮ শতাংশ নারী শারীরিক এবং ৭২ শতাংশ নারী মানসিক (ইমোশনাল) নির্যাতনের অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন। তিনি বলেন, এসব সহিংসতা নিয়ে আরও বেশি কথা বলা জরুরি। পরিবর্তনের জন্য শুধু অন্যদের করণীয়ের দিকে তাকিয়ে না থেকে প্রত্যেককে নিজের অবস্থান থেকে প্রশ্ন তোলা, সচেতনতা তৈরি করা এবং প্রতিরোধের উদ্যোগ নেওয়ার মধ্য দিয়েই শুরু করতে হবে।
প্রাগ্রসর মনে করে,  নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে পিত্রালয়ের ভূমিকাকে আরও গুরুত্ব দিয়ে দেখা জরুরি। এ বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, গবেষণা, নীতিগত উদ্যোগ এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা জোরদার করার মাধ্যমে নারীর জন্য আরও নিরাপদ পারিবারিক পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব।

Ads small one

তালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪৪ অপরাহ্ণ
তালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

তালা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালা উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণার সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আরিফুজ্জামানের সঞ্চালনায় সভায় উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।

সভায় বক্তব্য দেন তালা থানার ওসি (তদন্ত) সাখাওয়াত হোসেন, পাটকেলঘাটা থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মৃণাল কান্তি রায়, সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. মাহমুদুল হক, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. শফিকুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি মাওলানা মফিদুল ইসলাম, সেক্রেটারি ইদ্রিস আলী ও সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. তারিক ইমান।

এ ছাড়া জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম. মফিদুল হক (লিটু), ইসলামকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক গোলাম ফারুক, তেঁতুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম, খলিলনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রণব ঘোষ বাবলু, সরুলিয়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শেখ মাসুদ রানা, তালা সদর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান শেখ আব্দুর রাজ্জাক, খেশরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম (লাল্টু), কুমিরা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মফিদুল ইসলাম, তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি সেলিম হায়দার, সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন ও উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আকবার হোসেন বক্তব্য দেন।

সভায় আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, পূজামন্ডপ ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পুলিশি টহল জোরদার, মাদক, অনলাইন জুয়া ও চুরি প্রতিরোধসহ উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। সভায় সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. তারিক ইমান জানান, আগামী ৮ অক্টোবর থেকে ২২ দিন ইলিশ মাছ আহরণ, পরিবহন, ক্রয়-বিক্রয় ও বাজারজাতকরণের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে। এ সময় নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা কামনা করা হয়।

 

সভায় অপরাধ দমন ও শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ জনগণের সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এ সময় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং আইনশৃঙ্খলা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কলারোয়ায় দুস্থ ও প্রতিবন্ধীদের ভ্যান ও হুইলচেয়ার দিলেন জেলা প্রশাসক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় দুস্থ ও প্রতিবন্ধীদের ভ্যান ও হুইলচেয়ার দিলেন জেলা প্রশাসক

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়ায় উপজেলা পরিষদের উদ্যোগে অসহায়, দুস্থ ও প্রতিবন্ধী মানুষের মাঝে ভ্যান এবং পৌরসভা থেকে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের সেবা গ্রহণকারীদের জন্য হুইলচেয়ার বিতরণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৯ প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মাঝেও হুইলচেয়ার বিতরণ করা হয়। এছাড়া পাঁচ জন অসহায় ব্যক্তিকে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ভ্যান বিতরণ করা হয়।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ্ কাউসার আজিজ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের চলাচল ও জীবিকা নির্বাহে সহায়তার জন্য ভ্যান এবং শারীরিক প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মাঝে হুইলচেয়ার প্রদান করেন সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক মিজ্ কাউসার আজিজ। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের হাতে হুইলচেয়ার তুলে দেওয়ায় তাদের শিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ আরও সহজ হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

উপজেলা প্রশাসনের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তারা বলেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এ ধরনের কার্যক্রম মানবিক সহায়তার পাশাপাশি তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে সহকারী কমিশনার (ভূমি) সিরাজুস সালেহীন, থানার ওসি (তদন্ত) হারুনুর রশিদসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গণমাধ্যম কর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মাসুদুর রহমান।

পাটকেলঘাটার পল্লীতে মসজিদের দান বাক্সের তালা ভেঙে চুরি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩৫ অপরাহ্ণ
পাটকেলঘাটার পল্লীতে মসজিদের দান বাক্সের তালা ভেঙে চুরি

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: পাটকেলঘাটার কাশিয়াডাঙ্গা পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদের দান বাক্সের তালা ভেঙে চুরি সংগঠিত হয়েছে।

সোমবার রাতে এ ছুরির ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়রা সাংবাদিকদের জানিয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সদস্য জানিয়েছে আনুমানিক দেড় দুই হাজার টাকা চুরি হয়েছে।