শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

আশাশুনিতে দলিল লেখকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫০ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনিতে দলিল লেখকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলায় কর্মরত সনদপ্রাপ্ত দলিল লেখকদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এক অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) সকাল ১০টায় উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। শুদ্ধাচার, নৈতিকতা এবং কাজের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে আয়োজিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন আশাশুনি সাব-রেজিস্ট্রার মিন্টু চক্রবর্তী। দিনব্যাপী এই কর্মশালায় দলিল লেখকদের ভূমি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আইনের ওপর হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রধান আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল ভূমি আইন ও রেজিস্ট্রেশন আইন। ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন। দলিল লিখন ও ডিজিটাল পদ্ধতিতে তথ্য সংরক্ষণের নিয়মাবলি।
কর্মশালায় মূল প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তালাইসলামকাটি অফিসের সাব-রেজিস্ট্রার মাহমুদুর রহমান। আশাশুনি সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের নকলনবিশ নির্মল কুমার সরকারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন প্রধান সহকারী শেখ আব্দুল জব্বার ও স্থায়ী মোহরার মীর রফিকুজ্জামান সান্টু।
প্রশিক্ষণে আশাশুনি উপজেলার ৪৪ জন সনদপ্রাপ্ত দলিল লেখক অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বদরুদ্দোজা বদর, রাবিদ মাহমুদ চঞ্চল, দীপংকর কুমার মন্ডল, মোরশেদ মাহবুব লিপ্টন, আহসান হাবীব, বরুণ কুমার কাজল ও স ম ইসহাকসহ অন্যান্যরা।
সভাপতির বক্তব্যে মিন্টু চক্রবর্তী বলেন, সাধারণ মানুষ যাতে জমি রেজিস্ট্রেশন করতে এসে কোনো ধরনের ভোগান্তির শিকার না হন এবং আইনি জটিলতা এড়াতে সঠিক নিয়মে দলিল লেখা হয়, তা নিশ্চিত করতেই এই প্রশিক্ষণের আয়োজন। তিনি দলিল লেখকদের পেশাগত নৈতিকতা বজায় রেখে কাজ করার আহ্বান জানান।

Ads small one

এই শীতে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
এই শীতে

মকবুল মাহ্ফুজ
উলের সোয়েটার পরে আছে ওষুধের দোকান
নতুন বছরের ক্যালেন্ডারের গায়ে শীতের চাদর।

এই শীতে গাছেরা কুঁজো হয়ে আছে।
হাড় কাঁপানো শীত এ বছর
আগুনে সেঁকতে হচ্ছে হাত। পা রোজ।
কার যেন কবিতায় পড়েছিলাম
‘কথা বললেই শীত কম লাগে।’
ইস্, এরা যদি কথা বলতে পারত!

মিছামিছি লোভ দেখাচ্ছে
বাবুর আলী গোলদার
কিছু ইতর প্রাণী মলমূত্র ত্যাগ করছে,
দুর্গন্ধ নাকে আসছে।
নারী কী পুরুষ চেনা দায় হচ্ছে,

সর্বাঙ্গ ঢাকা আছে।
বিরতিহীন হাঁটছে,
এপাড়া-ওপাড়া যাচ্ছে।
ফিসফিসিয়ে বলছেÑ
অনন্তকাল সুখভোগের লোভ দেখাচ্ছে।
বাহ্! সুখ যেন ওদের হাতে,
মিছামিছি লোভ দেখাচ্ছে।
সরলমনা মানুষগুলো কি বুঝতে পারছে?

 

আমি তোমার বন্ধু হতে চাই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ণ
আমি তোমার বন্ধু হতে চাই

জহুরুল হক জুলু
সকালের রোদের চিকমিক সোনা গায়ে মেখে
যে নতুন দিনের জন্ম দেয়,
আর সন্ধ্যার আকাশে
আবিরের রঙ ছড়িয়ে

অস্তাচলে রেখে যাওয়া শেষ স্বাক্ষরÑ
শিল্পীর তুলিতে আঁকা রঙিন স্বপ্নের মতো;
আমি তার বন্ধু হতে চাই।
শীতের ভোরে
ঘাসের ডগায় জেগে থাকা শিশিরকণা

টুপটাপ ঝরে পড়ে নীরবে,
যেন একান্ত আপন ভেবে
বেদনার ভাষা জানাতে চায়Ñ
হৃদয় নিংড়ানো স্বচ্ছ সে কথা;
আমি তার বন্ধু হতে চাই।
সৌন্দর্যের ডালি সাজিয়ে, সুগন্ধ বিলিয়ে
যে নীরবে পৌঁছে যায় হৃদয়ের মনিকোঠায়,

অবশেষে একদিন
ঝরে পড়ে নিঃশব্দে,
নিজেকে নিঃশেষ করে দিয়েÑ
আমি সেই ফুলটিকে ধরে রাখতে চাই
সযতেœ স্মৃতির পাতায়;
আমি তার বন্ধু হতে চাই।
ঘুম ভাঙে কিচিরমিচির ডাকে,

হৃদয়ে জাগে অচেনা আলোড়ন।
কেউ দূর নীল আকাশে ভেসে যায়,
খাদ্যের সন্ধানে ব্যস্ত উড়াল;
সন্ধ্যা নামলে আবার
কুলায় ফেরে তৃপ্ত হৃদয়ে।
তাদের এই সহজ জীবনযাত্রা
কার না মন কাড়ে?
আমি সেই পাখিদের বন্ধু হতে চাই।

সবুজ ফসলের মাঠ মনকে ভুলিয়ে দেয়,
আলো-ছায়ার লুকোচুরি খেলায়
বাতাস দোলে ছন্দে ছন্দে;
তার ঢেউ এসে আছড়ে পড়ে
আমার হৃদয়ের তীরে।
আমি তারও বন্ধু হতে চাই।
তুমিও তবে হাত বাড়াওÑ
দিগন্ত-বিস্তৃত উন্মুক্ত হাত।

এসো, আমরা বন্ধু হই

এই সৌন্দর্যের, এই জীবনের,

এই অনন্ত মমতার।

শীতল বাতাসের এক অনুরোধ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ণ
শীতল বাতাসের এক অনুরোধ

শাহাবুদ্দীন
সবকিছুর বিনিময়ে তুমি ভালো থেকোÑ
যেমন ভোরের কুয়াশা তার অদৃশ্য আঙুল দিয়ে
ঘাসের ডগায় হেঁটে যায়,
শুধু নিঃশব্দে কিছু নরম আলো রেখে যায়।
আমি যত দিইÑ
শব্দ, সময়, স্মৃতি, অদৃশ্য আঙুলের স্পর্শÑ
সবই যেন মাটির নিচে সরে যায়;
কিন্তু তুমি ভালো থাকো,
এটাই আমার প্রার্থনা।
যেমন ঝড়ের পর একা পাতার ওপর
সন্ধ্যার আলো নেমে আসে,
তেমনি তোমার মুখে যেন
শান্তির নরম ছাপ থাকেÑ

যেখানে কেউ আহত হয় না, কেউ হারায় না।
আমি জানি, আমার দেওয়া সবকিছু
অদৃশ্য নদীর মতো বয়ে যাবে;
শুধু তুমি ভালো থেকো,
এই ভেবে নদীও থেমে যায়,
এক মুহূর্তের জন্য নিজেকে দাঁড় করায়।
তুমি ভালো থেকোÑ
যেমন হেমন্তের শেষে
শিশিরের নিচে একাকী ফুল;
শুধু নিজের উপস্থিতি দিয়ে
সমস্ত মাঠকে ভরিয়ে রাখে।
সবকিছুর বিনিময়ে,
যদি এই পৃথিবীর সমস্ত শব্দ,
সমস্ত নীরবতা, সমস্ত আকাশ
আমার হাতে এসে গলে যায়Ñ
তবু একটাই চাওয়া থাকবে:
তুমি ভালো থেকো,
যেমন নক্ষত্র নিজের আলো দিয়ে
রাত্রিকে আলোকিত রাখে,
অচল, অমোঘ, অদূর।