শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩

আশাশুনিতে বোরো ধানে বাম্পার ফলনের আশা, চোখে কালবৈশাখির ভয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:২১ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে বোরো ধানে বাম্পার ফলনের আশা, চোখে কালবৈশাখির ভয়

আশাশুনি সংবাদদাতা: আশাশুনির বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন দুলছে কাঁচা-পাকা ধানের শীষ। সবুজের বুক চিরে ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ছে সোনালি আভা। রোদ আর হালকা বাতাসে দিগন্তজোড়া ক্ষেত যেন এক নীরব উৎসবের প্রস্তুতি নিচ্ছে। আর কয়েক দিনের মধ্যেই শুরু হবে ধান কাটার মৌসুম-কৃষকের বছরের সবচেয়ে ব্যস্ত ও প্রত্যাশার সময়। তবে এই আনন্দের মাঝেও রয়েছে দুশ্চিন্তা।

 

মৌসুমের শেষ সময়ে এসে কালবৈশাখির আশঙ্কা আর শ্রমিকসংকট কৃষকদের ভাবিয়ে তুলেছে। চলতি মৌসুমের শুরুতে তীব্র তাপপ্রবাহে ধানের শীষ বের হওয়ার সময় ‘চিটা’ পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক কয়েক দিনের বৃষ্টিতে সেই শঙ্কা অনেকটাই কেটে গেছে। জমিতে আর্দ্রতা ফিরে আসায় ধানগাছ এখন সতেজ, দানাও ভালোভাবে গঠিত হচ্ছে। আশাশুনির কাদাকাটি এলাকার কৃষক আব্দুল মালেক বলেন, “কয়েক দিন আগে খুব ভয় ছিল।

 

এত গরমে মনে হচ্ছিল ধান ঠিকমতো হবে না। কিন্তু আল্লাহর রহমতে বৃষ্টি হওয়ায় এখন জমির অবস্থা ভালো। যদি বড় ঝড় না হয়, তাহলে ফলন ভালোই হবে।” কৃষকদের মতে, এই সময়টাতে মাঝারি বৃষ্টি উপকারী হলেও কালবৈশাখির ঝড় বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হতে পারে। হঠাৎ দমকা হাওয়ায় পাকা ধান মাটিতে লুটিয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে, যা কাটার আগেই ফলন নষ্ট করে দিতে পারে। ধান পাকতে শুরু করলেও এখনই শ্রমিক পাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন অনেক কৃষক।

 

স্থানীয়ভাবে পর্যাপ্ত শ্রমিক না থাকায় বাইরের এলাকা থেকে শ্রমিক আনতে হয়, এতে খরচও বাড়ছে। বুধহাটা এলাকার কৃষক সুধাংশু বলেন, “ধান কাটার সময় শ্রমিক পাওয়া যায় না। যারা আসে, তারা বেশি মজুরি চায়। এতে আমাদের খরচ অনেক বেড়ে যায়। সময়মতো ধান কাটতে না পারলে আবার ঝড়ে নষ্ট হওয়ার ভয় থাকে।” স্থানীয় সেচ পাম্প মালিকরাও জানিয়েছেন, মৌসুমের শেষ দিকে এসে ডিজেলের সংকট ও বাড়তি দামে জ্বালানি কিনতে হওয়ায় সেচ ব্যয়ও বেড়েছে। যদিও সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে কিছুটা স্বস্তি মিলেছে।

 

আশাশুনি উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। মাঠের বর্তমান অবস্থা সন্তোষজনক এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, “ধান এখন পাকার পথে। আমরা কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দিচ্ছি-যেন সময়মতো ধান কাটতে পারেন এবং ঝড়ের পূর্বাভাস পেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেন।

 

আবহাওয়া সহায়ক থাকলে এ বছর ফলন ভালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।” সব উদ্বেগের মাঝেও কৃষকের চোখে এখন স্বপ্ন। মাঠের সোনালি ধান ঘরে তুলতে পারলেই শুরু হবে নবান্নের আনন্দ-পিঠা-পুলি, নতুন চালের ভাত আর গ্রামীণ জীবনের চিরচেনা উৎসব। আশাশুনির মাঠ যেন এখন সেই অপেক্ষার গল্প বলছে-প্রকৃতি, পরিশ্রম আর অনিশ্চয়তার সঙ্গে লড়াই করে সোনালি স্বপ্ন ঘরে তোলার গল্প।

 

 

বিদ্যুতের দাম বাড়তে পারে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৩০ পূর্বাহ্ণ
বিদ্যুতের দাম বাড়তে পারে

ভর্তুকির ক্রমবর্ধমান চাপ সামাল দিতে ফের বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আবাসিকসহ সব ধরনের গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির প্রস্তাব তৈরি করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। একই সঙ্গে পাইকারি (বাল্ক) বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর তিনটি বিকল্প প্রস্তাবও প্রস্তুত করা হয়েছে। শিগগির এসব প্রস্তাব বিদ্যুতের মূল্য সমন্বয়ের জন্য গঠিত মন্ত্রিসভা কমিটির কাছে পাঠানো হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আবাসিক গ্রাহকদের ক্ষেত্রে ব্যবহারভেদে ইউনিটপ্রতি ৭০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৮০ পয়সা পর্যন্ত বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে লাইফলাইন বা প্রান্তিক গ্রাহক—যারা মাসে ০ থেকে ৭৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন—তাদের জন্য কোনো মূল্য বৃদ্ধি রাখা হয়নি।

পাশাপাশি পাইকারি বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর তিনটি বিকল্প প্রস্তাব তৈরি করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। এসব প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে ভর্তুকি ৫ হাজার থেকে ১২ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত কমানো সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এর আগে গত ৯ এপ্রিল বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা মূল্য সমন্বয়ের লক্ষ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়। অর্থমন্ত্রীকে আহ্বায়ক করে গঠিত এ কমিটিতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বাণিজ্যমন্ত্রী সদস্য হিসেবে রয়েছেন। এছাড়া অর্থ বিভাগ, বিদ্যুৎ বিভাগ এবং জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের সচিবরা সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। কমিটি বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা দামের পুনর্নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা যাচাই করে মন্ত্রিসভার জন্য সুপারিশ দেবে।

বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেশে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়। সে সময় গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের খুচরা মূল্য গড়ে ৮ দশমিক ৪৮ শতাংশ বাড়িয়ে ইউনিটপ্রতি ৮ টাকা ৯৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়। একই সময়ে পাইকারি মূল্য ৫ দশমিক ০৭ শতাংশ বাড়িয়ে ইউনিটপ্রতি ৭ টাকা ৪ পয়সা করা হয়।

বিদ্যুৎ সচিব ফারজানা মমতাজ স্বাক্ষরিত প্রস্তাবে বলা হয়েছে, সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম দুই বছর বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম না বাড়ানোর নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর এলএনজি, ফার্নেস অয়েল ও ডিজেলের সরবরাহে চাপ তৈরি হয়। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায় এবং ভর্তুকির পরিমাণ দ্রুত বৃদ্ধি পায়।

এ পরিস্থিতিতে সরকার একদিকে কৃচ্ছ্রসাধন নীতি গ্রহণ করেছে, অন্যদিকে বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে। উচ্চমূল্য সত্ত্বেও এলএনজি আমদানি অব্যাহত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সচল রাখতে কয়লার সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে, যাতে বেসলোড বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিঘ্ন না ঘটে। তবে এসব পদক্ষেপের কারণে উৎপাদন ব্যয় আরও বেড়েছে।

প্রস্তাবে বলা হয়, বর্তমানে বিদ্যুতের গড় পাইকারি মূল্য ৭ টাকা ৪ পয়সা, যা উৎপাদন ব্যয়ের তুলনায় কম। ফলে উৎপাদন ব্যয় ও বিক্রয়মূল্যের মধ্যে বড় ঘাটতি তৈরি হয়েছে, যা ভর্তুকির মাধ্যমে পূরণ করতে হচ্ছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সম্ভাব্য ঘাটতি প্রায় ৫৬ হাজার ৪৭৫ কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির উচ্চমূল্য অব্যাহত থাকলে এই চাপ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পাইকারি দামের তিন বিকল্প
বিদ্যুৎ বিভাগের প্রস্তাব অনুযায়ী, বর্তমান পাইকারি মূল্য ৭ টাকা ৪ পয়সা থেকে ৫০ পয়সা বাড়িয়ে ৭ টাকা ৫৪ পয়সা করা হলে ভর্তুকি ৫ হাজার ২৪৪ কোটি টাকা কমতে পারে। এক টাকা বাড়িয়ে ৮ টাকা ৪ পয়সা করা হলে সাশ্রয় হবে প্রায় ১০ হাজার ৪৮৯ কোটি টাকা। আর ১ টাকা ২০ পয়সা বাড়িয়ে ৮ টাকা ২৪ পয়সা নির্ধারণ করলে ভর্তুকি কমবে প্রায় ১২ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকা।

খুচরা দামের প্রস্তাব
পাইকারির পাশাপাশি খুচরা পর্যায়েও মূল্য বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে নিম্নআয়ের গ্রাহকদের সুরক্ষায় লাইফলাইন পর্যায়ে (০-৭৫ ইউনিট) কোনো মূল্য বৃদ্ধি রাখা হয়নি। অন্য আবাসিক গ্রাহকদের ক্ষেত্রে ধাপে ধাপে ইউনিটপ্রতি ৭০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৮০ পয়সা পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে ০ থেকে ১০০ ইউনিট পর্যন্ত ব্যবহারে সর্বনিম্ন ৭০ পয়সা বৃদ্ধির প্রস্তাব রয়েছে।

আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট ও আইএমএফের সুপারিশ
বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এরই মধ্যে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। শ্রীলঙ্কায় আবাসিক খাতে ৭ দশমিক ২ শতাংশ, শিল্প খাতে ৮ দশমিক ৭ শতাংশ এবং সেবা খাতে ৯ দশমিক ৯ শতাংশ দাম বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে দেশটি পেট্রল, ডিজেল ও কেরোসিনের দাম প্রায় ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে। অন্যদিকে সিঙ্গাপুরে জ্বালানির মূল্য সরাসরি ট্যারিফে সমন্বিত হওয়ায় বিদ্যুতের দাম প্রায় ২০ শতাংশ বেড়েছে।

এদিকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ২০২৫ সালে বিদ্যুৎ খাত পর্যালোচনায় একটি কারিগরি মিশন পাঠায়, যা বিদ্যুৎ বিভাগ ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে টানা দুই সপ্তাহ আলোচনা করে। তাদের সুপারিশে বলা হয়, বিদ্যুৎ খাতে দক্ষতা বাড়ানো এবং ভর্তুকি কমাতে তিন বছরমেয়াদি একটি রোডম্যাপ প্রণয়ন জরুরি। পাশাপাশি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা নিশ্চিত রেখে ধাপে ধাপে বিদ্যুতের মূল্য সমন্বয়ের পরামর্শ দেওয়া হয়।

বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান মারা গেছেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:২৯ পূর্বাহ্ণ
বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান মারা গেছেন

রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
শুক্রবার সকালে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে মৃত্যু হয় তার। এর আগে গত শনিবার গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। তিনি দীর্ঘদিন ম্যালেরিয়াসহ অন্যান্য জটিলতায় ভুগছিলেন।

মাহবুবুর রহমান ১৯৯৪ সালের এপ্রিল মাসে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কাস্টমস ও এক্সাইজ) ক্যাডারের ১৩তম ব্যাচে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে সহকারী কমিশনার হিসেবে যোগদান করেন।

তিনি ২০১০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন কাস্টম হাউস, কাস্টম এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে ডেপুটি কমিশনার, যুগ্ম কমিশনার এবং অতিরিক্ত কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

আজ হজ ফ্লাইট উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:২৭ পূর্বাহ্ণ
আজ হজ ফ্লাইট উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাত ১১টা ৩৫ মিনিটে হজ ফ্লাইটের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ বছর বাংলাদেশ থেকে হজের উদ্বোধনী ফ্লাইটটি ১৮ এপ্রিল রাত ১২টা ২০ মিনিটে ৪১৯ জন হজযাত্রী নিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সৌদি আরবের জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে।
এদিন মোট ১৪টি ফ্লাইট রয়েছে, যার মধ্যে ছয়টি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, চারটি সৌদি আরবের সাউদিয়া ও চারটি ফ্লাইনাস পরিবহন করবে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

২০২৬ সালে বাংলাদেশ থেকে ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রী পবিত্র হজ পালন করবেন। এর মধ্যে সরকারি মাধ্যমে ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং হজ এজেন্সির মাধ্যমে ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজ পালনের জন্য যাবেন।

সৌদি আরবের সাথে স্বাক্ষরিত হজচুক্তি অনুসারে মোট হজযাত্রীর শতকরা ৫০ ভাগ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পরিবহন করবে। বাকি ৫০ ভাগের মধ্যে সৌদি আরবের সাউদিয়া শতকরা ৩৫ ভাগ ও ফ্লাইনাস ১৫ ভাগ হজযাত্রী পরিবহন করবে।

২১ মে প্রি-হজ ফ্লাইট শেষ হবে। প্রি-হজ ফ্লাইট ২০৭টি যার মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ১০২টি, সাউদিয়ার ৭৫ টি ও ফ্লাইনাস ৩০টি ফ্লাইট পরিচালনা করবে।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৩০ মে হতে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে এবং তা পহেলা জুলাই শেষ হবে।