বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩

আশ্রয়কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা বিষয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সংলাপ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৫:৫৩ অপরাহ্ণ
আশ্রয়কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা বিষয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সংলাপ

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় যুব-নেতৃত্বে দুর্যোগের উপর স্থায়ী আদেশাবলী (এসওডি) ও আশ্রয়কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা বিষয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সাথে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন-২০২৬) সকাল ১০ টায় সদর উপজেলা উপজেলা পরিষদ হলরুমে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা সিডো বাস্তবায়নে এবং একশনএইড বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।

সিডো সংস্থার প্রধান নির্বাহী শ্যামল কুমার বিশ্বাস’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অর্ণব দত্ত।

এসময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো: শাহিনুল ইসলাম, জেলা ত্রাণ ও পূর্নবাসন অফিস সাতক্ষীরা বাবলু রাজা, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর সাতক্ষীরার প্রোগ্রাম অফিসার ফাতেমা জোহরা, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসের সেনেটারী ইন্সপেক্টর মো: আবুল হোসেন, উপজেলা ঈমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা শেখ মাহবুবুর রহমান, ব্রক্ষরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান নুরুল হুদা,ক্রিসেন্ট এর পরিচালক আবু জাফর সিদ্দিকী, সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের ওসিসি আব্দুল হাই সিদ্দিক, গাভা আইডিয়াল কলেজের অধ্যক্ষ শিবপদ গাইনসহ সাংবাদিকবৃন্দ ।

দুর্যোগ সম্পর্কিত স্থায়ী আদেশাবলী (এসওডি) সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা প্রদান করা। ওয়ার্ড, ইউনিয়ন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটিসমূহকে সক্রিয় করা এবং ওয়ার্ড, ইউনিয়ন ও উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটিসমূহে যুবকদের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা। ঘাটতিসমূহ চিহ্নিত করে এবং নারী ও অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সহজলভ্য আশ্রয় সুবিধার পক্ষে সমর্থন জানিয়ে লিঙ্গ-সংবেদনশীল জরুরি আশ্রয় ব্যবস্থাপনার উন্নতি সাধন করা। যুব-নেতৃত্বাধীন সৃজনশীল অংশগ্রহণ ও যোগাযোগের মাধ্যমে দুর্যোগ প্রস্তুতি, আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা এবং ঝুঁকি হ্রাস বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা। উন্নত দুর্যোগ সুশাসন ও জবাবদিহিতার জন্য যুবসমাজ, স্থানীয় সরকার এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মধ্যে তথ্য-প্রমাণ ভিত্তিক সংলাপ সহজতর করার উদ্দেশ্যে এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয় ।

উপস্থিত অতিথিবৃন্দ বলেন, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে দুর্যোগের স্থায়ী আদেশাবলী (এসওডি) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের নিয়ে এ ধরণের প্রোগ্রাম করলে আর ও ভাল হবে। সাতক্ষীরা দুর্যোগ প্রবণ এলাকা এখানের মানুষকে অবশ্যই দুর্যোগ কালিন সময়ে নিজেদের সচেতন হতে হবে যুবদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাপ করতে হবে।

 

সকলের উপস্থিতিতে এ ধরণের যুগোপযোগি প্রোগ্রাম করলে সকলের দায়িত্ববোধ কাজ করবে তিনি বলেন যুবদের ইউনিয়নের অন্যান্য কমিটিতে অর্ন্তভূক্তি করার সম্মতি প্রদান করেন। যুব সদস্যরা ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটিতে অর্ন্তভূক্ত হওয়ার প্রস্তাব করেন যা আগামীতে অর্ন্তভূক্তি ও প্রস্তাবিত দাবসমুহ পুরণ করার আশ্বাস প্রদান করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প সমন্বয়কারী, মোঃ তহিদুজ্জামান (তহিদ), ইন্সপেরিটর একশনএইড বাংলাদেশ নয়ন হোসেন, প্রোগ্রাম অফিসার চন্দ্র শেখর হালদার প্রমুখ।

Ads small one

সাতক্ষীরায় লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১৫ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা

অনলাইন ডেস্ক: সাতক্ষীরায় লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। গত দুই দিনে জেলায় নতুন করে ২৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে গত ৬ সেপ্টেম্বর ১৫ জন, ৭ সেপ্টেম্বর ১৩ জন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। এ সময়ে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় সাত জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র প্রেরণ করা হয়।

 

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেলায় ২৩৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। বিভিন্ন হাসপাতালে এখনো চিকিৎসাধীন ৩২ জন। বাকিরা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।

ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় জেলার হাসপাতালগুলোতে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকরা জ্বর, মাথাব্যথা, শরীর ব্যথাসহ ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দিয়েছেন।

 

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. জয়ন্ত কুমার সরকার বলেন, “জেলা সদর ও উপজেলা হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে নতুন করে রোগী ভর্তি হচ্ছেন। ডেঙ্গুর বিস্তার ঠেকাতে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

ডা. জয়ন্ত বলেন, “বাড়িঘর ও আশপাশের এলাকায় পানি জমতে দেওয়া যাবে না। একই সঙ্গে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে হবে।”

পরীমণির বায়োপিকে কাজ করতে চান দীঘি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
পরীমণির বায়োপিকে কাজ করতে চান দীঘি

শিশুশিল্পী হিসেবেই বেশ জনপ্রিয়তা পান প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। তবে এখন নায়িকা হিসেবেই তিনি নিয়মিত কাজ করছেন। এর মধ্যে কয়েকটি সিনেমাতে প্রধান নায়িকা হিসেবে দেখা গেছে তাকে।

সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে দীঘি জানান, জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমণির বায়োপিকে তিনি কাজ করতে চান। এটি বেশ চ্যালেঞ্জিং একটি কাজ হবে বলেও মন্তব্য করেন নায়িকা।

কেন পরীমণির বায়োপিকে কাজ করতে চান সেটিও তিনি জানান। তার কথায়, কোনও একটি অনুষ্ঠানে পরীমণি জানিয়েছেন তার বায়োপিকে তিনি নিজেই অভিনয় করবেন। কারণ অন্য কেউ পারবে না। সে চ্যালেঞ্জ থেকেই দীঘি কাজটি করতে আগ্রহী।

দীঘির ভাষ্য, ‘আমার মনে হয় তার (পরীমণি) বায়োপিক যদি হয় তাহলে এটি দারুণ একটি এন্টারটেইমেন্ট বায়োপিক হবে।’

নায়িকা হিসেবে দীঘির উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সিনেমা হলো-‘টুঙ্গিপাড়ার মিয়াভাই’, ‘তুমি আছো তুমি নেই’ ও ‘শ্রাবণ জ্যোৎস্নায়’। এদিকে মুক্তির অপেক্ষায় আছে তার অভিনীত ‘বিদায়’ সিনেমাটি। এটি পরিচালনা করেছেন মেহেদী হাসান হৃদয়।

আরব আমিরাত ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশকে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৩ পূর্বাহ্ণ
আরব আমিরাত ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশকে

বাংলাদেশ নারীদের এশিয়া কাপে বাঁচা মরার ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে আগে ব্যাট করতে নেমে ১০৩ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে । তবে এদিন শুরুতেই বাংলাদেশকে ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল তুলনামূলক খর্ব শক্তির দল।

বিশেষ করে আগে ব্যাট করতে নেমে চাপে থাকা বাংলাদেশ যখন ৫৫ রানের মধ্যেই ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলে। তবে শেষ দিকে শারমিন আক্তার সুপ্তার ৩১ বলে ৩৮ রানের ইনিংসে ভর করে লড়াই করার মতো পুঁজি পেয়েছে বাংলাদেশ।

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের।

টাইগ্রেস ওপেনার দিলারা আক্তার রানের খাতা খোলার আগে প্রথম ওভারেই বিদায় নিয়েছেন। ৩ বলে ০ রান করেন দিলারা। তিনে নেমে ব্যর্থ ছিলেন সোবহানা মোস্তারীও। ৬ বলে ৩ রান করেছেন তিনি। টিকে থাকা ওপেনার জুয়াইরিয়া ফেরদৌস কিছুটা চেষ্টা চালিয়েছেন। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে জোড়া উইকেট হারিয়ে মাত্র ২১ রান তোলে বাংলাদেশ।

পাওয়ারপ্লে শেষে ২০ বলে ১৬ রান করে সাজঘরে ফিরে গেছেন জুয়াইরিয়া। অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি থেমেছেন ২৮ বলে ২৩ রান করে। স্বর্ণা আক্তার এবং ফাহিমা খাতুন মেরেছেন গোল্ডেন ডাক। আউট হন পরপর দুই বলে। মাত্র ৫ বলের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ।

শেষ দিকে শারমিন আক্তার সুপ্তা ঝড় তোলেন। ৩১ বলে ৩৮ রানের ক্যামিও খেলেন শারমিন। তাতেই একশ পার করার রসদ পায় বাংলাদেশ। এছাড়া নাহিদা আক্তার ২৬ বলে ১৬ রান করে টিকে ছিলেন। ৪ বলে ৩ রান করে অপরাজিত ছিলেন রাবেয়া খান। নির্ধারিত ২০ ওভারের খেলা শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ১০৩ রানের পুঁজি দাঁড় করায় বাংলাদেশ।