মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩

আশ্রয়কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা বিষয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সংলাপ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৫:৫৩ অপরাহ্ণ
আশ্রয়কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা বিষয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সংলাপ

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় যুব-নেতৃত্বে দুর্যোগের উপর স্থায়ী আদেশাবলী (এসওডি) ও আশ্রয়কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা বিষয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সাথে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন-২০২৬) সকাল ১০ টায় সদর উপজেলা উপজেলা পরিষদ হলরুমে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা সিডো বাস্তবায়নে এবং একশনএইড বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।

সিডো সংস্থার প্রধান নির্বাহী শ্যামল কুমার বিশ্বাস’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অর্ণব দত্ত।

এসময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো: শাহিনুল ইসলাম, জেলা ত্রাণ ও পূর্নবাসন অফিস সাতক্ষীরা বাবলু রাজা, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর সাতক্ষীরার প্রোগ্রাম অফিসার ফাতেমা জোহরা, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসের সেনেটারী ইন্সপেক্টর মো: আবুল হোসেন, উপজেলা ঈমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা শেখ মাহবুবুর রহমান, ব্রক্ষরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান নুরুল হুদা,ক্রিসেন্ট এর পরিচালক আবু জাফর সিদ্দিকী, সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের ওসিসি আব্দুল হাই সিদ্দিক, গাভা আইডিয়াল কলেজের অধ্যক্ষ শিবপদ গাইনসহ সাংবাদিকবৃন্দ ।

দুর্যোগ সম্পর্কিত স্থায়ী আদেশাবলী (এসওডি) সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা প্রদান করা। ওয়ার্ড, ইউনিয়ন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটিসমূহকে সক্রিয় করা এবং ওয়ার্ড, ইউনিয়ন ও উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটিসমূহে যুবকদের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা। ঘাটতিসমূহ চিহ্নিত করে এবং নারী ও অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সহজলভ্য আশ্রয় সুবিধার পক্ষে সমর্থন জানিয়ে লিঙ্গ-সংবেদনশীল জরুরি আশ্রয় ব্যবস্থাপনার উন্নতি সাধন করা। যুব-নেতৃত্বাধীন সৃজনশীল অংশগ্রহণ ও যোগাযোগের মাধ্যমে দুর্যোগ প্রস্তুতি, আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা এবং ঝুঁকি হ্রাস বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা। উন্নত দুর্যোগ সুশাসন ও জবাবদিহিতার জন্য যুবসমাজ, স্থানীয় সরকার এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মধ্যে তথ্য-প্রমাণ ভিত্তিক সংলাপ সহজতর করার উদ্দেশ্যে এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয় ।

উপস্থিত অতিথিবৃন্দ বলেন, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে দুর্যোগের স্থায়ী আদেশাবলী (এসওডি) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের নিয়ে এ ধরণের প্রোগ্রাম করলে আর ও ভাল হবে। সাতক্ষীরা দুর্যোগ প্রবণ এলাকা এখানের মানুষকে অবশ্যই দুর্যোগ কালিন সময়ে নিজেদের সচেতন হতে হবে যুবদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাপ করতে হবে।

 

সকলের উপস্থিতিতে এ ধরণের যুগোপযোগি প্রোগ্রাম করলে সকলের দায়িত্ববোধ কাজ করবে তিনি বলেন যুবদের ইউনিয়নের অন্যান্য কমিটিতে অর্ন্তভূক্তি করার সম্মতি প্রদান করেন। যুব সদস্যরা ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটিতে অর্ন্তভূক্ত হওয়ার প্রস্তাব করেন যা আগামীতে অর্ন্তভূক্তি ও প্রস্তাবিত দাবসমুহ পুরণ করার আশ্বাস প্রদান করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প সমন্বয়কারী, মোঃ তহিদুজ্জামান (তহিদ), ইন্সপেরিটর একশনএইড বাংলাদেশ নয়ন হোসেন, প্রোগ্রাম অফিসার চন্দ্র শেখর হালদার প্রমুখ।

Ads small one

কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় সাতক্ষীরায় যুবদলের উদ্যোগে প্রতিবাদ মিছিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় সাতক্ষীরায় যুবদলের উদ্যোগে প্রতিবাদ মিছিল

নিজস্ব প্রতিনিধি: সংগঠনিক সপ্তাহ উপলক্ষে অপপ্রচার শিষ্টাচার বহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় যুবদলের নির্দেশনায় সাতক্ষীরায় যুবদলের উদ্যোগে প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকালে শহরের একটি চায়নিজ রেস্টুরেন্টের সামনে থেকে সাতক্ষীরা জেলা, সদর উপজেলা ও পৌর যুবদলের আয়োজনে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের হয়। প্রতিবাদ মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পলাশপোল স্কুলের সামনে গিয়ে সমাবেশ করে।

 

সমাবেশে জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান মুকুলের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল আলম বাবু, সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোঃ নজরুল ইসলাম, পৌর যুব দলের আহ্বায়ক আলী শাহিন, সদস্য সচিব মাসুম রানা সবুজ, তরিকুল ইসলাম কল্লোল, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক দেবাশীষ চৌধুরী, সাবেক সহসাংগঠনিক সম্পাদক কাজী রাসিউল করিম রোমান, অ্যাডভোকেট হাসিব, সাবেক সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এসআই আশা প্রমুখ।

 

প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশে সাতক্ষীরা জেলা, সদর উপজেলা ও পৌর যুবদলের নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সাতক্ষীরায় ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের কমিটি গঠন, উপকূল সুরক্ষায় ১৮ দফা দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৬:৫১ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের কমিটি গঠন, উপকূল সুরক্ষায় ১৮ দফা দাবি

নিজস্ব প্রতিনিধি: জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সাতক্ষীরায় ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম (ক্যাফ)-এর জেলা পর্ষদ গঠন করা হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা শহরের পানসি হোটেলের সম্মেলন কক্ষে ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের গঠন ও অর্ধবার্ষিক সমন্বয় সভায় এ কমিটি গঠন করা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমন।

সভায় জলবায়ু সংকট ও উপকূলীয় এলাকার বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা লিডার্সের অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড ক্যাপাসিটি বিল্ডিং অফিসার বিপাশা অধিকারী। এছাড়া বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সাবেক সদস্য সচিব শেখ মোশফিকুর রহমান মিল্টন, অ্যাডভোকেট এস এম বিপ্লব, নাট্যকর্মী ও শিক্ষক মাহফুজা লিপি, শিক্ষক নয়ন ভট্টাচার্য্য, লিডার্সের ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর মো. আব্দুল্লাহ, আশাশুনি উপজেলা ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের সভাপতি মো. ইসমাইল হোসেন লিংকন, সাধারণ সম্পাদক মো. আকাশ হোসেন, সহ-সভাপতি মিনতি সরকার, শ্যামনগর উপজেলা ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের সভাপতি প্রধান শিক্ষক এস এম আমজাদ হোসেন, গণফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও নাগরিক নেতা আলী নুর খান বাবুল, তরুণ জলবায়ু কর্মী হৃদয় মন্ডল, নুত্যশিল্পী তনয়া মেধা সায়নী, যুব জলবায়ু কর্মী সুদীপা বসু, সঙ্গীতশিল্পী মিতু মন্ডল ও নিপমালা সাহা।

লিডার্সের অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড ক্যাপাসিটি বিল্ডিং অফিসার বিপাশা অধিকারী তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল বর্তমানে জলবায়ু পরিবর্তনের বহুমাত্রিক সংকটের মুখোমুখি। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন, লবণাক্ততা বৃদ্ধি ও সুপেয় পানির সংকট উপকূলের মানুষের জীবন-জীবিকা, স্বাস্থ্য ও অর্থনীতির ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাটসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত সবচেয়ে বেশি বহন করছে।

আলোচনায় শেখ মোশফিকুর রহমান মিল্টন বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়ায় উপকূলীয় কৃষিজমি ও বসতভিটা হুমকির মুখে পড়ছে এবং বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। অ্যাডভোকেট এস এম বিপ্লব বলেন, সিডর, আইলা, আম্পান ও রেমালের মতো দুর্যোগ উপকূলীয় অঞ্চলের অর্থনীতি ও জনজীবনে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষত সৃষ্টি করেছে।

 

মাহফুজা লিপি বলেন, লবণাক্ততা বৃদ্ধি কৃষি, সুপেয় পানি ও জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রধান শিক্ষক এস এম আমজাদ হোসেন বলেন, টেকসই বেড়িবাঁধ, নিরাপদ পানির ব্যবস্থা, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সম্প্রসারণ এবং সুন্দরবন সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। আলী নুর খান বাবুল বলেন, জাতীয় বাজেটে উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য বিশেষ বরাদ্দ ও দীর্ঘমেয়াদি মহাপরিকল্পনা গ্রহণ জরুরি।

সভা থেকে সভার সভাপতি সাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমন উপকূল উন্নয়ন বোর্ড গঠন, উপকূলীয় অঞ্চলকে জলবায়ু ও দুর্যোগ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ঘোষণা, টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, নিরাপদ সুপেয় পানির ব্যবস্থা, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সম্প্রসারণ, জলবায়ু সহনশীল কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলা, সুন্দরবন সংরক্ষণ, জেলে সম্প্রদায়ের সুরক্ষা এবং পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন নিশ্চিতসহ ১৮ দফা দাবি তুলে ধরেন।

সভায় সর্বসম্মতিতে সাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমনকে আহবায়ক ও এডভোকেট এস এম বিপ্লবকে সদস্য সচিব করে ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের সাতক্ষীরা জেলা কমিটি গঠন করা হয়।

কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় পনেরো লক্ষ টাকার মালামাল আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৬:৩০ অপরাহ্ণ
কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় পনেরো লক্ষ টাকার মালামাল আটক

পত্রদূত রিপোর্ট: মঙ্গলবার (২৩ জুন ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ কাকডাঙ্গা, মাদরা, হিজলদী ও চান্দুরিয়া বিওপির টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ ও ঔষধ আটক করে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন হেডকোয়াটার জানায়, কাকডাঙ্গা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার কেড়াগাছি হতে ৮ লাখ ২০ হাজার টাকার মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। মাদরা বিওপির আভিযানে উত্তর ভাদিয়ালি হতে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার ঔষধ আটক করে। হিজলদী বিওপির আভিযানে বড়ালি হতে ৯০ লাখ ৬০০ টাকার মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

এছাড়াও, চান্দুরিয়া বিওপির আভিযানে কাঁদপুর হতে ৪ লাখ ২০ হাজার টাকার মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।
আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ১৪ লাখ ৭০ হাজার ৬০০ টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে। দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।