ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়ন নিয়ে অপপ্রচার বন্ধের আহ্বান
নিজস্ব প্রতিনিধি: ছয় বছর আগের একটি নির্মাণকাজের বিরোধকে কেন্দ্র করে সাতক্ষীরা জেলা ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করেছেন সংগঠনের সভাপতি মো. আব্দুল বারী। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য ও অপপ্রচার বন্ধ করে আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টায় সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোল এলাকায় সংগঠনের প্রধান কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব কথা বলেন আব্দুল বারী।
লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, প্রায় ছয় বছর আগে পলাশপোল ইসলামি হাসপাতালের সামনে ১০তলা ভবন নির্মাণের কাজ নিয়ে বিরোধের সূত্রপাত। ওই কাজের টেন্ডারে মফিজুল নামে একজন এগিয়ে থাকলেও তোফাজ্জেল নামে এক সাব-কন্ট্রাক্টর সংগঠনের নিয়ম ভেঙে কাজে যুক্ত হওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে সালিশের পর তোফাজ্জেলকে কাজ না করার সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়। পরে ভবনটির কাঠামোগত কাজ খুলনা থেকে শ্রমিক এনে সম্পন্ন করা হয়।
সভাপতির দাবি, পরবর্তী সময়ে ভবনমালিক সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা না করে ফিনিশিংয়ের কাজের জন্য সাতক্ষীরার সাইদুল নামে এক ঠিকাদারকে নিয়োগ দেন। বিষয়টি জানার পর সংগঠনের পক্ষ থেকে তাঁকে আগের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে কাজ বন্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হলে তিনি তা মেনে নেন।
আব্দুল বারী আরও জানান, ভবন মালিক আগের ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে বিষয়টি পুনর্বিবেচনার আবেদন করলে গত ২৫ অক্টোবর সংগঠনের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা ডাকা হয়। সভা শুরুর আগে সাইদুল ইসলাম কয়েকজন সহযোগী মিস্ত্রিকে নিয়ে কার্যালয়ে উপস্থিত হলে উত্তেজনা ও বাকবিত-া হয়। একপর্যায়ে অসুস্থতার কারণে তিনি কার্যালয় ত্যাগ করেন। পরে বিরোধ আরও বাড়লে উভয় পক্ষ থানায় পৃথক দুটি অভিযোগ দায়ের করে।
সভাপতি বলেন, একটি কাজের বিরোধকে কেন্দ্র করে সংগঠনকে বিতর্কিত করা অনাকাক্সিক্ষত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে উভয় পক্ষেরই সম্মানহানি হচ্ছে। বিরোধ দীর্ঘায়িত হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। তাই প্রশাসনের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন ও স্থায়ী সমাধানের দাবি জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুর রাজ্জাক শিকদার, উপদেষ্টা মো. আলমগীর হোসেন, মো. আসাদুল ইসলাম, মো. আলহাজ শামসুর রহমান, মো. আব্দুস সামাদ, সাজেদুর রহমান বাবু ও মো. আইয়ুব আলীসহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।









