শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩

এক্সপ্রেসওয়েতে মুখে স্কচটেপ প্যাঁচানো মরদেহ ফেলে যাওয়া গাড়ির চালক গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ
এক্সপ্রেসওয়েতে মুখে স্কচটেপ প্যাঁচানো মরদেহ ফেলে যাওয়া গাড়ির চালক গ্রেপ্তার

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে মুখে স্কচটেপ প্যাঁচানো অবস্থায় ইসমাইল হোসেন (৫০) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ ফেলে পালিয়ে যাওয়া গাড়ির চালক সোহেল রানাকে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মহাখালী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে এক ক্ষুদে বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে র‌্যাব-১।

নিহত ইসমাইল হোসেন গাজীপুরের বাসিন্দা। মেয়ের বিয়ের জন্য জমি বিক্রির টাকা নিয়ে জামালপুরের গ্রামের বাড়ি থেকে গাজীপুরে ফিরছিলেন তিনি। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে বনানী থানা পুলিশ। তখন তার মুখে স্কচটেপ মারা ছিল। পরনে ছিল অটোরিকশাচালকদের ইউনিফর্মের মতো নীল রঙের শার্ট ও লুঙ্গি।

পুলিশের মাধ্যমে খবর পেয়ে শনিবার ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করেন স্বজনরা। ইসমাইল জামালপুর সদর উপজেলার জালাল উদ্দিনের ছেলে।

স্বজনরা জানান, ইসমাইলের একমাত্র মেয়ে শারমিনের বিয়ে ঠিক হয়েছে। এ জন্য গ্রামের জমি বিক্রি করে টাকা নিয়ে গাজীপুরে পরিবারের কাছে ফিরছিলেন তিনি। বাড়িতে ফিরেই মেয়ের বিয়ের দিন-তারিখ চূড়ান্ত করার কথা ছিল তার। কিন্তু পথে কোনও এক জায়গা থেকে নিখোঁজ হন ইসমাইল।

ঢামেক হাসপাতালে মরদেহ শনাক্তের পর ইসমাইলের ছেলে হাসান জানান, তার বাবার কাছে ৫ লাখ টাকা ও দুটি মোবাইল ফোন ছিল। সেগুলো পাওয়া যায়নি।

বনানী থানার এসআই নজরুল ইসলাম তালুকদার বলেন, আঙুলের ছাপ নিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভাণ্ডারের সঙ্গে মিলিয়ে ইসমাইলের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে।

স্বজনদের বরাত দিয়ে তিনি জানান, ইসমাইল ডেল্টা স্পিনিং মিলে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে চাকরি করতেন। অসুস্থতার কারণে নয় মাস আগে চাকরি ছেড়ে দেন। তিনি গাজীপুরের কাশিমপুর এলাকায় স্ত্রী, দুই সন্তান ও ছেলের বউকে নিয়ে থাকতেন। প্রায় চার মাস আগে তিনি জামালপুরের গ্রামের বাড়িতে যান। সেখানে তার মা ও বড় বোন থাকেন।

ইসমাইলের ছেলে হাসান বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে গাজীপুরে যাওয়ার উদ্দেশে জামালপুর থেকে রওনা হয়েছিলেন বাবা। রাত ১১টার দিকে তিনি আমাকে ফোন করে জানান, সকালে পৌঁছাবেন। আমার ছোট বোন শারমিনের বিয়ের কথা-বার্তা চূড়ান্ত করতেই তিনি ঢাকায় ফিরছিলেন। বাড়িতে এসেই বিয়ের দিন-তারিখ ঠিক করার কথা ছিল।’

হাসান বলেন, ‘বোনের বিয়ের জন্য গ্রামের ১১ শতাংশ জমি সাড়ে ১০ লাখ টাকায় বিক্রি করেছিলেন বাবা। এর মধ্যে ২ লাখ টাকা ঋণ শোধ করেন। কিছু টাকা দিয়ে গ্রামে একটি ঘর দেন। বাকি ৫ লাখ টাকা নগদ এবং কিছু বাজার নিয়ে গাজীপুরে ফিরছিলেন। বাবার সঙ্গে একটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন ও একটি বাটন ফোনও ছিল। সেগুলো পাওয়া যায়নি।’

তিনি জানান, শুক্রবার সকালে গাজীপুরের জিরানীতে বাবার নামার কথা ছিল। সেই অনুযায়ী জিরানীতে গিয়ে তাকে অনেকবার ফোন দিলেও মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। পরে বনানী থানা পুলিশ বিষয়টি জামালপুর থানা পুলিশকে জানায়। সেখান থেকে খবর পেয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে বাবার মরদেহ পান তিনি।

এসআই নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা ধারণা করছি, তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে গাড়িতে করে এনে লাশটি ফেলে দেওয়া হয়েছে। ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরার ভিডিও সংগ্রহ করে গাড়ি শনাক্তের কাজ চলছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা হয়েছে।’

বনানী থানার ওসি ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘ইসমাইলের মরদেহ ফেলে পালিয়ে যাওয়া গাড়িটি শনাক্ত করা হয়েছে। ফলে ঘটনায় জড়িতদের বিষয়ে জানা সম্ভব হবে। আশা করছি, দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে।’

Ads small one

এক মঞ্চে মেসি-রোনালদো, স্বপ্নের আয়োজন করছেন তেভেজ!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ণ
এক মঞ্চে মেসি-রোনালদো, স্বপ্নের আয়োজন করছেন তেভেজ!

পেশাদার ফুটবলকে বিদায় জানিয়েছেন ২০২২ সালেই। কিন্তু কার্লোস তেভেজের আনুষ্ঠানিক বিদায়ী ম্যাচটা এখনো হয়নি। এবার সেই অপেক্ষার অবসান হতে পারে। যদি সব পরিকল্পনা ঠিকঠাক এগোয়, ডিসেম্বরে বোকা জুনিয়র্সের ঘরের মাঠ বোম্বোনেরায় দেখা যেতে পারে ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে।

প্রায় দুই দশক ধরে বিশ্ব ফুটবলের আলো নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিয়েছেন মেসি ও রোনালদো। ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে এসে দুজনকে একই দলে কিংবা একই মাঠে খেলতে দেখা তাই নিঃসন্দেহে ফুটবলপ্রেমীদের জন্য অবিস্মরণীয় এক দৃশ্য হয়ে উঠতে পারে।

আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে সম্প্রতি অবসরের ঘোষণা দেওয়া মেসি এবং পর্তুগালের অধিনায়ক রোনালদো সর্বশেষ একই মাঠে ছিলেন ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে। সেবার একটি প্রদর্শনী ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিলেন দুজন। মেসি খেলেছিলেন পিএসজির হয়ে, আর রোনালদো ছিলেন রিয়াদ অল-স্টার একাদশে।

সৌদি আরবের কিং ফাহদ ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সেই রোমাঞ্চকর ম্যাচে ৫-৪ গোলে জিতেছিল পিএসজি। মেসি করেছিলেন একটি গোল, আর রিয়াদ অল-স্টার একাদশের হয়ে জোড়া গোল করেছিলেন রোনালদো।

আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টস শনিবার জানিয়েছে, বোকা জুনিয়র্সের সভাপতি ও তেভেজের সাবেক সতীর্থ হুয়ান রোমান রিকেলমের সঙ্গে নিজের বিদায়ী ম্যাচ আয়োজন নিয়ে কথা বলেছেন তেভেজ। বোম্বোনেরায় ম্যাচটি আয়োজনের বিষয়ে রিকেলমের কাছ থেকে সবুজ সংকেতও পেয়েছেন তিনি।

তবে ম্যাচের চূড়ান্ত তারিখ এখনো নির্ধারিত হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, ডিসেম্বরের দ্বিতীয় কিংবা তৃতীয় সপ্তাহের শুক্র বা শনিবার আয়োজন করা হতে পারে ম্যাচটি।

বোকা জুনিয়র্সের হয়ে ক্যারিয়ারে তিন দফা খেলেছেন তেভেজ। তিন অধ্যায়ে ক্লাবটির হয়ে ২৭৯ ম্যাচে মাঠে নেমে করেছেন ৯৪ গোল, জিতেছেন ১১টি ট্রফি। তাই তার আনুষ্ঠানিক বিদায়ের জন্য বোম্বোনেরার চেয়ে উপযুক্ত মঞ্চ আর কী-ই বা হতে পারে!

টিওয়াইসি স্পোর্টসের খবর অনুযায়ী, ৪২ বছর বয়সী তেভেজের পাশে বিদায়ী ম্যাচে থাকবেন তার শৈশবের বন্ধু ও ফুটবল ক্যারিয়ারের ঘনিষ্ঠজনেরা। প্রতিপক্ষ দলেও থাকবেন ক্যারিয়ারের বিভিন্ন সময়ে তার সঙ্গে একই ড্রেসিংরুম ভাগ করা তারকারা।

ইউরোপের ফুটবলে ওয়েস্ট হ্যাম ইউনাইটেড, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, ম্যানচেস্টার সিটি ও জুভেন্টাসের মতো বড় ক্লাবে খেলেছেন তেভেজ। আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়েও তার পথচলা ছিল এক দশকের বেশি সময়ের। ২০০৪ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত আলবিসেলেস্তেদের হয়ে ৭৬ ম্যাচে মাঠে নেমে করেছেন ১৩ গোল।

সব মিলিয়ে প্রায় ৬০ জন সাবেক ও বর্তমান তারকা এই বিশেষ আয়োজনে উপস্থিত থাকতে পারেন বলে জানিয়েছে টিওয়াইসি স্পোর্টস। আর সেই তালিকায় সবচেয়ে বড় দুই নাম মেসি ও রোনালদো। ৩৯ বছর বয়সী মেসি এবং ৪১ বছর বয়সী রোনালদো দুজনকেই আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তেভেজের সঙ্গে রোনালদোর সম্পর্ক ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড থেকে, আর মেসির সঙ্গে তার সম্পর্ক আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের ড্রেসিংরুম থেকে।

ফলে বোম্বোনেরায় তেভেজের বিদায়ী ম্যাচ সত্যিই যদি মেসি ও রোনালদোকে এক মাঠে হাজির করতে পারে, তাহলে সেটি শুধু একটি বিদায়ী ম্যাচ থাকবে না। পরিণত হতে পারে ফুটবল নস্টালজিয়ার এক মহাউৎসবে।

সিডনিতে শাবনূরের বাসায় অতিথি তাসকিন, জমলো বারবিকিউ আড্ডা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৪১ পূর্বাহ্ণ
সিডনিতে শাবনূরের বাসায় অতিথি তাসকিন, জমলো বারবিকিউ আড্ডা

ক্রিকেট মাঠে নয়, সিনেমার পর্দাতেও নয়; সুদূর অস্ট্রেলিয়ার সিডনির এক ঘরোয়া আয়োজনে দেখা মিললো তাসকিন আহমেদ ও শাবনূরের। হাসিমুখে ক্যামেরাবন্দি দুই তারকার সেই মুহূর্ত প্রকাশ্যে আসতেই ভক্তদের কৌতূহল, কীভাবে একসঙ্গে হলেন ক্রিকেট ও চলচ্চিত্রের দুই জনপ্রিয় মুখ?

ঘটনার সূত্রপাত সিডনিতে শাবনূরের ভাইয়ের বাসায়। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সেখানে বারবিকিউ পার্টিতে যোগ দেন জাতীয় ক্রিকেট দলের তারকা পেসার তাসকিন আহমেদ। বর্তমানে ছেলে ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করছেন শাবনূর।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) শাবনূরের সঙ্গে তোলা একটি ছবি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেন তাসকিন। ছবিতে দুজনকেই দেখা যায় বেশ হাস্যোজ্জ্বল ও স্বতঃস্ফূর্ত ভঙ্গিতে।

পোস্টে তাসকিন জানান, অস্ট্রেলিয়ার সিডনির নিউ সাউথ ওয়েলসে শাবনূরের পরিবারের সঙ্গে বারবিকিউ পার্টিতে অংশ নিয়েছেন তিনি। পরিবারের আতিথেয়তায় দারুণ একটি সন্ধ্যা কেটেছে বলেও জানান এই ক্রিকেটার।

আয়োজনের জন্য শাবনূর ও তার পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তাসকিন লেখেন, ‘সেটা একটা সুন্দর সন্ধ্যা এবং বারবিকিউ রাত ছিল। আমাদের আতিথেয়তা করার জন্য শাবনূর আপু ও তার পরিবারকে ধন্যবাদ।’

 

তাসকিনের পোস্টের আগেই অবশ্য এই সাক্ষাতের কথা জানান শাবনূরও। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাসকিনের সঙ্গে কাটানো সময়ের কিছু মুহূর্ত শেয়ার করে তিনি লেখেন, ভাইয়ের বাসায় পরিবারের সঙ্গে প্রিয় ক্রিকেটার তাসকিন আহমেদের সঙ্গে বারবিকিউ পার্টিতে দারুণ সময় কেটেছে তাদের।

তাসকিন ও তার পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে শাবনূর লেখেন, ‘ধন্যবাদ তাসকিন ও তোমার পরিবারকে, তোমাদের সঙ্গে সময়টা সত্যিই সুন্দর ছিলো।’

বাংলাদেশের ক্রিকেটে তাসকিনের অবদানের প্রশংসা করে তাকে দেশের গর্ব ও এই সময়ের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার হিসেবে উল্লেখ করেছেন শাবনূর। তাসকিনের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও আরও অনেক সাফল্যও কামনা করেছেন তিনি।

 

অন্যদিকে তাসকিনও শাবনূরকে ‘আপু’ সম্বোধন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের আনন্দের কথা জানিয়েছেন।

দুই তারকার পোস্ট প্রকাশের পরই তা নিয়ে ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যেও তৈরি হয়েছে আগ্রহ। মন্তব্যের ঘরে ভালোবাসা ও শুভেচ্ছায় ভরিয়ে দিয়েছেন অনেকে। কেউ ছবিটির প্রশংসা করেছেন, কেউ আবার এমন সুন্দর একটি মুহূর্ত ভাগ করে নেওয়ার জন্য দুজনকেই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

ক্রিকেট মাঠে গতিময় পেসার হিসেবে তাসকিনের পরিচিতি, আর রুপালি পর্দায় শাবনূর দীর্ঘদিন ধরেই দর্শকের ভালোবাসার নাম। দুই ভিন্ন জগতের এই দুই তারকাকে এক ফ্রেমে দেখে তাই স্বাভাবিকভাবেই আগ্রহ তৈরি হয়েছে ভক্তদের মধ্যে।

তবে আলোচনার কেন্দ্রে থাকা ছবিটির সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক তারকাখ্যাতির বাইরের সেই সহজ মুহূর্ত। ক্রিকেট মাঠ কিংবা আলো-ঝলমলে পর্দার বাইরে পরিবারের সঙ্গে হাসি-আড্ডায় সময় কাটাতে দেখা গেল তাসকিন ও শাবনূরকে—সিডনির সেই সন্ধ্যায় যেন প্রবাসের মাটিতে মিলল এক টুকরো বাংলাদেশ।

‘বাড়ি দখল’ এর ঘটনায় যা বললেন দিলারা জামান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ণ
‘বাড়ি দখল’ এর ঘটনায় যা বললেন দিলারা জামান

দেড় যুগেরও বেশি সময় ধরে রাজধানীর উত্তরায় নিজের কেনা ফ্ল্যাটে বাস করছেন দেশের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী দিলারা জামান। কিন্তু শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে তার বাড়ি দখল হয়েছে। এ বিষয়টি শুনে বিস্মিত ও বিরক্ত হয়েছেন অভিনেত্রী।

দিলারা জামান জানান, প্রচারিত বক্তব্যের সঙ্গে তার বর্তমান জীবনের কোনও মিল নেই। ফলে বিভ্রান্তি দূর করতে বিষয়টি পরিষ্কার করেছেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘মানুষের মাথা কি নষ্ট হয়ে গেছে! একটু ভেবেচিন্তে, কথা বলে লিখলে তো ভালো হয়। ভালো কাজে যদি মস্তিষ্ক কাজে না লাগে, তাহলে কেমন লাগে! কী আর বলব।’

তাহলে দিলারা জামানের বাড়ি দখলের ঘটনা কি একেবারেই ঘটেনি? ঘটেছিল, তবে সেটি আজকের ঘটনা নয়—প্রায় ২২–২৩ বছর আগের।

তার মতে, ২০০৩–২০০৪ সালের দিকে তিনি ঢাকার শ্যামলী এলাকায় থাকতেন। সেখানে ছিল তার পৈতৃক বাড়ি। বাবার কাছ থেকে পাওয়া সেই বাড়িতেই পরিবার নিয়ে থাকতেন তিনি। একপর্যায়ে বাড়িটি দখলের পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরবর্তীতে সেই দখলের পরিস্থিতি আর এগোয়নি।

দিলারা জামানের ভাষ্য, ‘ঢাকার শ্যামলীর সেই ঘটনা তো ২২–২৩ বছর আগের। সেই বাড়ি পরে বিক্রি করে দিই। ২০০৮ সালে আমি পরিবার নিয়ে উত্তরায় চলে আসি। এখানে ১৬০০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট কিনি। তার পর থেকে এখানেই থাকছি।’