কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য; বাংলা কবিতায় নতুন ধারার কবি
অরবিন্দ মৃধা
এক দিকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন, অন্যদিকে দুর্ভিক্ষ-মহামারী-দাঙ্গা-প্রাকৃতিক
দুর্যোগ শহর গ্রাম জুড়ে, জনজীবনে নার্ভিশ্বাস, বিভীষিকাময় সময়, যেনতেন ভাবে মৃত্যু যেন মানুষের জীবনে স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছিল ১৯৪০ এর দশক জুড়ে। এমনি এক সংকটময় অশান্ত বিপন্ন সময়ে দেশপ্রেম, প্রেরণা, প্রতিবাদ,প্রতিরোধ,সাম্যবাদ, মানব সেবা, স্বাধীনতার জন্য এক হাতে ঝান্ডা এক হাতে রোমান্টিকতা বর্জিত শাণিত কবিতা নিয়ে জীবন বাজি’র শপথে উল্কা’র গতিতে বাংলা কাব্যে যে সব্যসাচী তরুণ কবি’র আবির্ভাব ঘটেছিল, যিনি সোচ্চার কণ্ঠে উচ্চারণ করেছেন, ‘চলে যাব-তবু আজ যতক্ষণ দেহে আছে প্রাণ, প্রাণপণে পৃথিবীর সরাব জঞ্জাল, এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য ক’রে যাব আমি-নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার’। সেই তিনি বাংলা কবিতায় নতুন ধারার কবি; কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য। একুশ বছরের সল্পায়ু কালে মাত্র ছ’সাত বছরের কাব্য-সাহিত্যকর্ম ও রাজনৈতিক জীবনে একজন একনিষ্ঠ কর্তব্য পালনকারীর দৃষ্টান্ত হিসেবে কবি সুকান্ত বিরল। তাঁর কবিতা ফুটে উঠেছে জাগরণী চেতনা,গণমানুষের জীবনসংগ্রাম এবং জরাজীর্ণ ও শোষণমুক্ত এক নতুন পৃথিবী গড়ার তীব্র বিপ্লবী প্রত্যয়।
পুঁজিপতি ও শোষক শ্রেণীর বিরুদ্ধে এবং বঞ্চিত মেহনতি মানুষের পক্ষে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর। প্রত্যাহিক সুখ-দুঃখ এবং অধিকার আদায়ের লড়াই তার কবিতার মূল বিষয়বস্তু।
আশৈশবে জ্যাঠাতো বোন রানু দি’র কোলে বসে শিশু সুকান্ত রবীন্দ্রনাথের কবিতা,গান আর মা সুনীতি দেবীর মুখে রামায়ণ শুনতে শুনতে বেড়ে উঠেছিলেন। রানু দিদি’ই নাম রেখেছিলেন সুকান্ত। তার পিতা নিবারণ ভট্টাচার্যের ছিল বইয়ের ব্যবসায়।ছাত্র জীবনে পিতার সাজিয়ে রাখা বইয়ের রাশ থেকে
পছন্দসই বই পড়ে সাহিত্যরস আস্বাদন করেছেন। আমৃত্য বন্ধু অরুণাচল এর মা কমলা বসু ছিলেন সাহিত্যিক। তার প্রেরণা, আর বৈমাত্রেয় বৌদি’র (কবির মনমোহন দাদার স্ত্রী) উৎসাহে কিশোর সুকান্ত কাব্য সাহিত্যচর্চায় অনুপ্রাণিত হয়ে উঠেন। উপনয়ন কালে বৌদি তাকে এক টাকা উপহার দিয়েছিলেন,সেই খুশির খবর বন্ধু ভুপেন ভট্রাচার্যকে জানালে তার পরামর্শে স্টুডিওতে গিয়ে ছবি উঠানো হয়। গালে হাত দেওয়া সেই ছবিই আমরা এখন দেখি,সময়টা ছিল ১৯৩৭ সাল। এ বছরই তার মা সুনীতি দেবী ও দিদি রানু মারা যান। তার পরে পিতার মৃত্যু। এ বিয়োগ ব্যথা রবীন্দ্রনাথের কথা মনে করিয়ে দেয়। নি¤œ মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে মা,দিদি, বাবাকে হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়েন। তাইতো কষ্টের ধারায় তার ক্ষিপ্র কলমে উচ্চারিত হয়েছে, ‘অবাক পৃথিবী অবাক যে বার বার,দেখি এই দেশে মৃত্যুরই কারবার’। ‘ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়,পুর্ণিমার চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি’। কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য (জন্ম ১৫ই আগষ্ট ১৯২৬, মৃত্যু ১৩ই মে ১৯৪৭)। জন্ম কলকাতা কালীঘাট মাতুলালয়ে। পৈত্রিক বাড়ি গোপালগঞ্জ জেলার কোটালিপাড়া উপজেলার ঊনশিয়া গ্রামে। পড়াশোনা,রাজনীতি ও সাহিত্যচর্চা কলকাতা কেন্দিক। প্রথাগত শিক্ষা শুরু হয় কমলা বিদ্যা মন্দিরে। পরে বেলেঘাটা দেশবন্ধু স্কুল থেকে ১৯৪৫ খ্রি, মেট্রিকুলেশন পরীক্ষায় অকৃতকার্য হন! এখানে বোধ করি রবীন্দ্র-নজরুলকে সন্মান জানিয়েছেন।
কাব্য চর্চার পাশাপাশি ১৯৪২ এ ভারত ছাড়ো আন্দোলন থেকে কিশোর সুকান্ত প্রগতিশীল রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। ১৯৪১ সালে রবীন্দ্রনাথের কবিতা আবৃত্তি করে কলকাতা বেতারে গল্প দাদুর আসরে যোগ দেন।তাঁর মৃত্যুতে ওই আসরে স্বরচিত শোক কবিতা পাঠ করেন।
১৩ই কার্ত্তিক ১৩৪৮ বন্ধু অরুণাচলকে লেখা এক পত্রের ভাষ্যে কাব্য সৃষ্টি সম্পর্কে সুকান্ত লিখেছেন,’মানুষ কাব্যের স্রষ্টা,কাব্য কবি করে না সৃজন,কাব্যের নতুন জন্ম, যেই পথ যখনই বিজন’।
এই ‘বিজন’পথেই রবীন্দ্র-নজরুল-জীবনানন্দ ধারার বাইরে এসে বাংলা কাব্য-সাহিত্যে সুকান্তের রচনা শৈলী,স্বতন্ত্র সুকান্তধারা সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে। তার রচিত কবিতা, গান, গল্প, নাটক, প্রবন্ধ, চিঠিপত্রগুলি নিয়ে প্রকাশিত গ্রন্থ- ছাড়পত্র, পূর্বাভাস, ঘুম নেই, মিঠেকড়া, অভিযান, হরতাল, গীতিগুচ্ছ, পত্রগুচ্ছ প্রভৃতি থেকে স্বতন্ত্র ধারা সম্পর্কে ধারণা করা যায়।
‘আমরা জেগেছি আমরা লেগেছি কাজে,আমরা কিশোর বীর’। ১৯৪৩-৪৭,পর্যন্ত কবি সুকান্তের সাংগঠনিক তৎপরতার উল্লেখযোগ্য কাজ ছিল কিশোর বাহিনী গঠন ও পরিচালনা করা,কাব্য-সাহিত্য রচনার পাশাপাশি সাম্যবাদী দর্শনে রাজনৈতিক কর্মকা-ের সাথে ওতোপ্রোতভাবে সম্পৃক্ত থাকা। তার গড়া কিশোর বাহিনীর কাজ ছিল সমাজ সেবামুলক। যেমন দুর্ভিক্ষে ত্রাণ সংগ্রহ ও বিতরণ, লঙ্গরখানা খুলে খাবার বিতরণ, দু:খি জনে বস্ত্র দান, ভেদ-বিচ্ছেদে মিলন, দাঙ্গা বিক্ষুব্ধ মানুষের মিলন, পীড়িতের সেবা করা প্রভৃতি। কবিতায় বলেছেন-‘দেশের মুক্তিদূত আমরা, আমরা সৃষ্টি করব পৃথিবী নতুন শতাব্দীর’।
১৯৪৪ সালে ‘আকাল’ পত্রিকা সংকলন ও সম্পাদনা করেন। তিনি ‘দৈনিক স্বাধীনতা’ পত্রিকার কিশোর বিভাগ সম্পাদনা করতেন।এর পাশাপাশি তারণ্যদীপ্ত আগুন ঝরা লেখনি। কবি সুকান্ত ছিলেন-গণমানুষের মনে সাম্যবাদ, দ্রোহ, তেজ,উদ্দীপনা সৃষ্টিকারী, মানুষের কবি। তাঁর মেজবৌদিকে লেখা এক চিঠিতে বলেছেন,’ ‘আমি কবি-আমি যে জনতার কবি হতে চাই’। বন্ধুকে বলেছেন- ‘ঠিকানা আমার চেয়েছো বন্ধু- আমি যাযাবর, কুড়াই পথের নুঁড়ি, হাজার জনতা যেখানে, সেখানে আমি প্রতিদিন ঘুরি’। তারই কণ্ঠে উচ্চারিত হয়েছে, ’সাবাস বাংলাদেশ, জ্বলে পুড়ে মরে ছারখার তবু মাথা নোয়াবার নয়’, ‘প্রত্যহ যারা ঘৃণিত ও পদানত,দেখ আজ তারা সবেগে সমুদ্যত’। দুর্ভিক্ষে মানুষের একতা প্রসঙ্গে বলেছেন,ক্ষুধার ক্ষমাহীন তাড়নায়,পাশাপাশি ঘেঁষাঘেঁষি সবাই দাঁড়ালে একই লাইনে,ইতর ভদ্র হিন্দু আর মুসলমান,একই বাতাসে নিলে নি:শ্বাস’। উদীপ্ত কণ্ঠে বলেছেন,’’বন্ধু তোমার ছাড়ো উদ্বেগ সুতীক্ষè করে চিত্ত, বাংলার মাটি দুর্জয় ঘাঁটি বুঝে নিক দুর্বৃত্ত’। কবিতায় এই দৃঢ়, অকুতোভয় উক্তি কবি সুকান্তকে স্বতন্ত্র মর্যদায় উর্ণীত এবং নতুন ধারার কবি হিসেবে করতে সক্ষম হয়েছে।
কবি দেখে যাননি তবে বলে গেছেন, ’স্বাধীন হবে ভারতবর্ষ থাকবে না বন্ধন, আমরা সবাই স্বরাজ যজ্ঞে হব রে ইন্ধন’। রানার’কে সুধিয়েছেন ‘রানার রানার এ বোঝা টানার দিন কবে শেষ হবে’। শ্রমিকের দিগন্ত উন্মোচনের হাতিয়ার এই ‘রানার’। মুক্তকণ্ঠে আহবান জানিয়ে বলেছেন,’জনগণ হও আজ উদ্বুদ্ধ,শুরু করো প্রতিরোধ,জনযুদ্ধ’। কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য মুলত: দ্বন্দ্ব-বিক্ষুব্ধ বিশ্বে, অনাহার ক্লিষ্ট দেশে চরম প্রতিকূল সময়ে ৭/৮ বছর কাব্য সাহিত্যচর্চায় করতে পেরেছেন। সময়টা ছিল, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, ভারত ছাড়ো আন্দোলন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, তেতাল্লিশের মন্বন্তর, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, ফ্যাসিবাদী শাসন। এ সবের বিরুদ্ধে তরুণ কবি দ্রোহের কবি সুকান্তে’র কলমে বারুদের মত ঝরেছে নতুন ধারার কাব্য-সাহিত্য।
তিনি বাংলা কবিতায় যে জোরালো প্রতিবাদ ও দ্রোহের সুর ফুটিয়ে তুলেছিলেন, তা তাঁকে অনন্য পরিচিতি দিয়েছে। নতুন ধারার কবি হিসেবে সুকান্ত ভট্টাচার্যের বৈশিষ্ট্য গণমানুষের কথা উচ্চারণ। তার কবিতায় অলংকারের চেয়ে বাস্তবতা প্রাধান্য পেয়েছে। শোষিত, বঞ্চিত, ক্ষুধার্থ ও শ্রমজীবী মানুষের দুঃখ-যন্ত্রণা, সাম্যবাদ ও দ্রোহী চেতনাকে তিনি কবিতার প্রধান বিষয়ে পরিনত করেছেন। বাড়ির রেলিং, ভাঙা সিঁড়ি, দিয়াশলাইয়ের কাঠি বা কলম এর মতো সাধারণ ও দৈনন্দিন বস্তুও তাঁর লেখনীতে কবিতা হয়ে অসাধারণ রূপায়ণ হয়ে উঠেছে। তাঁর দ্রোহের অনেক কবিতা বিভিন্ন সুরকারের ছোঁয়ায় বিপ্লবী চেতনার গণসঙ্গীত হয়ে উঠেছে। সুকান্ত ভট্টাচার্যের অল্প সংখ্যক গানে ফুটে উঠেছে,প্রকৃতিপ্রেম,নির্জনতা,রোমাঞ্চকর আত্ম উপলব্ধির সুর। এই পর্যায়ে আমরা দেখি রবীন্দ্র-নজরুল-দ্বিজেন্দ্র ধারার বাইরে সুকান্তের কাব্য-সাহিত্যের ভাষ্যে দৃঢ়তা, উদ্দীপনা, প্রতিবাদ, প্রতিরোধ, দেশপ্রেম, জাগরণ, মানব-মিলন, সেবা, সেতুবন্ধনের ক্ষেত্রে একটা ভিন্ন মাত্রা যুক্ত হয়েছে। তার কবিতায় সাহস, উদীপনা, সাম্যবাদ, মানব মিলনের সংযত উচ্চারণ বাংলা সাহিত্যে অদ্বিতীয়। তাঁর গানে লেগেছে প্রেমের দোলা-’ মালাখানি নিয়ে মোর, এ কী বাঁধিলে অলখ ডোর! নিবেদিত প্রাণে গোপনে তোমার কী সুর তোলা’! সুকান্তের পত্রগুচ্ছ, সল্প সংখ্যক গল্প ও অন্যান্য রচনা বাংলা সাহিত্যে অমূল্য সম্পদ।
এ সব বিবেচনায় এ কথা বললে অত্যুক্তি হবে না যে, রবীন্দ্রনাথ যদি বাংলা কবিতার অনুরাধা নক্ষত্র হন, কাজী নজরুল যদি ধুমকেতু হন, তাহলে কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য বাংলা কবিতার উল্কা। কারণ উল্কা’র ন্যায়
আলোর স্ফুরণ ঘটিয়ে বাংলা কবিতা শাণিত হয়েছে তাঁর কলমে। উল্কার মতই তাঁর আবির্ভাব,ক্ষণিক তেজদীপ্তি ছড়িয়ে অবসান। বুদ্ধদেব বসু বলেছেন,কবি সুকান্ত মাত্র সাত/আট বছরে বাংলা কবিতার মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছেন’। সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের মতে তার কবিতায় কঠিন কঠোর শপথ। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ তার লেখনীর প্রশংসা করে বলেছেন সুকান্ত বেঁচে থাকলে বাংলা কাব্য সাহিত্য অনেক কিছুই পেত।
কবি সুকান্তের রাজনৈতিক প্রজ্ঞায় ছিলেন বিশেষ ব্যক্তিত্ব। কবিবন্ধু ভুপেন’কে ১২.৯.৪৬ ও ৩০.১০.৪৬ তারিখে লেখা পত্রে জানা যায়, চট্রগ্রাম অস্ত্রগার লুন্ঠনের কারামুক্ত বীর বিপ্লবীরা সদলবলে কবিকে হাসপাতালে দেখতে যান এবং শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় সিক্ত করেন। যাঁরা গিয়েছিলেন তাঁদের মধ্যে বিপ্লবী সুনীল চ্যাটার্জী, গনেশ ঘোষ, অম্বিকা চক্রবর্তী, বীর কালী চক্রবর্তী এ ছাড়া বিভিন্ন পর্যায়ের শ্রমিক ও কৃষক নেতা তার সাথে দেখা করেছেন। কবি খুশিতে আবেগাপ্লুত হয়ে বন্ধুকে লিখেছেন,’ আমি তো আনন্দে মুহ্যমান সত্যি কথা বলতে কি এতখানি গর্বিত কোন দিনই নিজেকে মনে করিনি। ফ্রান্সে আর আমারিকায় আমার জীবনী বেরুবে যেদিন শুনলাম সে দিনও এত সার্থক মনে হয়নি আমার এই রোগজীর্ণ অশিক্ষিত জীবনকে’,। কথায় বলে, ’যার হয় যক্ষা তার নেই রক্ষা’ তখনকার ঘাতক ব্যাধি যক্ষা অকালে কবি সুকান্তকে জীবন থেকে আলাদা করেছে। কবি বন্ধু ভূপেন’কে লেখা পত্রে বলেছেন, ’ধ্বংসের প্রতীক স্বপ্নকে ভুলে মৃত্যুমুখী আমি বাঁচতে চাই’। শয্যাশায়ী কবি সুকান্ত ‘রেড-এড কিওর হোম’ হাসপাতালের নির্জনে নিঃসঙ্গ অবস্থায় লেখেন-’দেবদারু গাছে রোদের ঝলক, হেমন্তে ঝরে পাতা, সারাদিন ধরে মুরগীরা ডাকে,এই নিয়ে দিন গাঁথা’। ১৯৪৭ সালে রচিত এই কবিতাটি খুলনার ‘সপ্তর্ষি’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
তারণ্যের কবি, উদ্দীপনার কবি, মানব সেবা, জাতিগতদ্বন্ধ নিরসনের কবি। বাংলা সাহিত্যে উল্কার ন্যায় ক্ষিপ্র কবি, তীর্যক জ্যোতির্ময়, ক্ষণজন্মা শাণিত কবি, কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্মশতবর্ষে জানাই শ্রদ্ধাঞ্জলি।







