বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩

কোটিপতি আমানতকারী বাড়লেও কমেছে তাদের জমা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০১ পূর্বাহ্ণ
কোটিপতি আমানতকারী বাড়লেও কমেছে তাদের জমা

ব্যাংক খাতে পরিবারভিত্তিক আমানতকারীর সংখ্যা বাড়লেও কোটিপতি আমানতকারীদের জমার পরিমাণ কমেছে। চলতি বছরের মার্চ থেকে জুন— এই তিন মাসে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা বেড়েছে ৫৬ জন। তবে একই সময়ে তাদের ব্যাংকে রাখা আমানতের পরিমাণ কমেছে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা।

অপরদিকে ক্ষুদ্র ও লাখপতি আমানতকারীর সংখ্যা যেমন বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে তাদের সঞ্চয়ের পরিমাণও। তিন মাসে এই শ্রেণির আমানতকারী বেড়েছেন ৩২ লাখ ৫৭ হাজার ৭৫৯ জন। তাদের ব্যাংক আমানত বেড়েছে ৩১ হাজার ১০০ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিবারভিত্তিক আমানতসংক্রান্ত প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

কোটিপতি বেড়েছে, টাকা কমেছে

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চে ব্যাংক খাতে কোটিপতি আমানতকারী ছিলেন ৪০ হাজার ৬৪৫ জন। তাদের ব্যাংক আমানতের স্থিতি ছিল ৯১ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।

জুনে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০ হাজার ৭০১ জনে। অর্থাৎ তিন মাসে সংখ্যা বেড়েছে ৫৬ জন। কিন্তু এ সময় তাদের আমানতের স্থিতি কমে দাঁড়িয়েছে ৯০ হাজার ২০০ কোটি টাকা। অর্থাৎ আমানত কমেছে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা।

এদিকে ৫০ কোটি টাকার বেশি আমানত রয়েছে— এমন গ্রাহকের সংখ্যাও এক বছরে কমেছে। গত বছরের জুনে এ ধরনের আমানতকারী ছিলেন ২৬ জন। তাদের মোট আমানত ছিল ২ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। চলতি বছরের জুনে এ সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ১৫ জনে। একই সঙ্গে তাদের আমানতের পরিমাণও কমে হয়েছে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা।

ছোট সঞ্চয়কারীদের আমানত বেড়েছে

কোটিপতি আমানতকারীদের বিপরীতে ছোট ও লাখপতি সঞ্চয়কারীদের ব্যাংকমুখী প্রবণতা বেড়েছে। মার্চে পরিবারভিত্তিক ক্ষুদ্র ও লাখপতি আমানতকারী ছিলেন ১৭ কোটি ১০ লাখ ১৮ হাজার ৩১০ জন। তাদের মোট আমানতের স্থিতি ছিল ১১ লাখ ২৫ হাজার ৩০০ কোটি টাকা।

জুনে এই শ্রেণির আমানতকারীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ কোটি ৪২ লাখ ৭৬ হাজার ৬৯ জন। তাদের আমানতের স্থিতি বেড়ে হয়েছে ১১ লাখ ৫৬ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।

অর্থাৎ মাত্র তিন মাসে ক্ষুদ্র ও লাখপতি আমানতকারী বেড়েছেন ৩২ লাখ ৫৭ হাজার ৭৫৯ জন। একই সময়ে তাদের আমানত বেড়েছে ৩১ হাজার ১০০ কোটি টাকা।

পরিবারভিত্তিক আমানত বেড়েছে

বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে, মার্চে পরিবারভিত্তিক আমানতকারীর সংখ্যা ছিল ১৭ কোটি ১০ লাখ ৫৯ হাজার। তাদের মোট আমানতের স্থিতি ছিল ১২ লাখ ১৬ হাজার ৬০০ কোটি টাকা।

জুনে পরিবারভিত্তিক আমানতকারীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৭ কোটি ৪৩ লাখ ১৭ হাজার। তাদের মোট আমানতের স্থিতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ লাখ ৪৬ হাজার ৬০০ কোটি টাকা।

অর্থাৎ তিন মাসে পরিবারভিত্তিক আমানত বেড়েছে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা। একই সময়ে আমানতকারীর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

সব মিলিয়ে জুনে ব্যাংক খাতে মোট আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২২ লাখ ১১ হাজার কোটি টাকা। এক বছরের ব্যবধানে ব্যাংক খাতে আমানত বেড়েছে প্রায় ১১ শতাংশ। আর চলতি বছরের মার্চ থেকে জুন— তিন মাসে আমানত বেড়েছে প্রায় আড়াই শতাংশ।

কেন কমছে বড় আমানতকারীদের টাকা

ব্যাংক খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বড় আমানতকারীদের একটি অংশ এখন ব্যাংকে টাকা রাখার পরিবর্তে অন্য খাতে বিনিয়োগ করছেন। বিশেষ করে সরকারি ট্রেজারি বিল ও সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের প্রবণতা রয়েছে। কেউ কেউ ব্যাংক থেকে টাকা তুলে অন্য খাতেও সরিয়ে নিচ্ছেন।

এ কারণে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা সামান্য বাড়লেও তাদের মোট আমানতের পরিমাণ কমেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অপরদিকে ক্ষুদ্র ও লাখপতি আমানতকারীদের বড় অংশের কাছে ব্যাংক এখনও সঞ্চয়ের প্রধান মাধ্যম। ফলে এই শ্রেণির গ্রাহকদের আমানত বাড়ছে।

আমানতের চিত্রে বদল

ব্যাংক খাতের আমানতের চিত্রে এ পরিবর্তনকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ পরিবারভিত্তিক আমানতের অর্ধেকেরও বেশি রয়েছে ক্ষুদ্র ও লাখপতি সঞ্চয়কারীদের হাতে। কোটিপতি আমানতকারীদের মোট আমানতের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম।

এর বাইরে ব্যাংকগুলোতে করপোরেট খাতের আমানতও রয়েছে। এর পরিমাণ প্রায় ১০ লাখ কোটি টাকা।

ফলে সামগ্রিকভাবে ব্যাংক খাতে আমানত বাড়লেও সেই প্রবৃদ্ধির বড় অংশ আসছে ছোট ও মাঝারি সঞ্চয়কারীদের কাছ থেকে। বিপরীতে বড় আমানতকারীদের একটি অংশ ব্যাংকের বাইরে বিভিন্ন বিনিয়োগমাধ্যমে অর্থ সরিয়ে নেওয়ায় তাদের আমানতের স্থিতি কমেছে।

Ads small one

গাজায় যা ঘটছে তার কোনও সাফাই চলে না: কাতারের প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১৪ পূর্বাহ্ণ
গাজায় যা ঘটছে তার কোনও সাফাই চলে না: কাতারের প্রধানমন্ত্রী

গাজায় ইসরায়েলের ‘গণহত্যামূলক যুদ্ধের’ তীব্র নিন্দা জানিয়ে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান বিন জাসিম আল থানি বলেছেন, অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে এই ধ্বংসযজ্ঞের জন্য যারাই দায়ী, তারাই ‘যুদ্ধাপরাধী’। একই সঙ্গে কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বেও থাকা শেখ মোহাম্মদ মঙ্গলবার ‘পিয়ার্স মরগান আনসেন্সরড’ শোতে গাজায় ইসরায়েলি কার্যক্রমের প্রকৃতি সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের নেতৃত্বাধীন হামলাকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে বর্ণনা করে তিনি বলেন, এর নিন্দা জানানো উচিত এবং এই হামলার সাথে জড়িত অপরাধীদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। তবে এর জবাবে ইসরায়েলের প্রতিক্রিয়া কোনোভাবেই যুক্তিযুক্ত ছিল না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, হাসপাতালগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে, স্কুলগুলোতে হামলা চালানো হয়েছে। যতই যুক্তি ও অজুহাত দেখানো হোক না কেন, এর পক্ষে কোনও কিছুই গ্রহণযোগ্য নয়।

২০২৫ সালের অক্টোবরে কার্যকর হওয়া ‘যুদ্ধবিরতি’ ইসরায়েল প্রায় প্রতিদিন লঙ্ঘন করছে বলেও অভিযোগ করেন শেখ মোহাম্মদ। তার দাবি, এরপর থেকে গাজা উপত্যকায় ১ হাজার ৪০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। তিনি বলেন, আরও ভূখণ্ড দখল করা হয়েছে- উপত্যকার প্রায় ৭০ শতাংশ এখন দখল করা এবং ইসরায়েলি বাহিনী সেখানে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না। তারা এই চুক্তির প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণ করছে না। এটি দেখাচ্ছে যে তাদের ভিন্ন উদ্দেশ্য রয়েছে।

গাজায় যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠায় কাতারের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা যুদ্ধের প্রথম দিন থেকেই ইসরায়েল বারবার ‘ব্যাহত’ করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

২০২৫ সালে কাতারের রাজধানী দোহায় ইসরায়েলের হামলারও নিন্দা জানিয়েছেন শেখ মোহাম্মদ। ওই হামলায় আলোচনার জন্য জড়ো হওয়া হামাসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল। হামলায় প্রাণঘাতী বিস্ফোরণ ঘটে, যা কাতারের সার্বভৌমত্বের নজিরবিহীন লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সব ঘাঁটি গুটিয়ে ইরাক ছাড়লো মার্কিন বাহিনীসব ঘাঁটি গুটিয়ে ইরাক ছাড়লো মার্কিন বাহিনী
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দোহায় আমরা যখন মধ্যস্থতা করছিলাম এবং সেই সময় ট্রাম্পের প্রস্তাব বাস্তবায়নের চেষ্টা চালাচ্ছিলাম, ঠিক তখনই ইসরায়েল আমাদের ওপর হামলা চালায়। এটি সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য এবং নিন্দনীয়। এটি মধ্যস্থতাকারীদের ওপর হামলার এমন এক নজির সৃষ্টি করেছে, যা ইতিহাসের কোনও যুদ্ধেই কখনও ঘটেনি।

তিনি যোগ করেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ‘সব সীমা অতিক্রম করে ফেলেছেন, যেভাবে তিনি অতীতেও অন্যান্য সীমা অতিক্রম করেছিলেন’।

ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী পেলো মরক্কো

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১২ পূর্বাহ্ণ
ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী পেলো মরক্কো

মরক্কোর ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মারাকেশের মেয়র ফাতিমা এজ্জাহরা এল মানসুরি। গত সপ্তাহের পার্লামেন্ট নির্বাচনে তার দল জয়ী হওয়ার পর মঙ্গলবার তাকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দিয়েছেন দেশটির রাজা ষষ্ঠ মোহাম্মদ। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

রাজকীয় মন্ত্রিসভা জানিয়েছে, ৫০ বছর বয়সী এল মানসুরিকে নতুন সরকার গঠনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর আগে তিনি আবাসন মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছেন।

নিয়োগের পর টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে এল মানসুরি বলেন, তার নিয়োগ ‘সত্যিই ঐতিহাসিক’। তিনি বলেন, প্রথমবারের মতো দেশের ইতিহাসে একজন নারী সরকার পরিচালনার দায়িত্ব নিচ্ছেন। এটি শুধু তার জন্য নয়, সব মরক্কোর নারীর জন্য গর্বের বিষয়।

এল মানসুরির নেতৃত্বাধীন মধ্য-ডানপন্থি অথেনটিসিটি অ্যান্ড মডার্নিটি পার্টি (পিএএম) ৩৯৫ আসনের প্রতিনিধি পরিষদে ৯৭টি আসন পেয়েছে। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দলটির চেয়ে ৩১টি বেশি আসন পেলেও সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ১৯৮ আসনের অনেক কম রয়েছে তাদের। ফলে অন্য দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠন করতে হবে পিএএমকে।

সব ঘাঁটি গুটিয়ে ইরাক ছাড়লো মার্কিন বাহিনীসব ঘাঁটি গুটিয়ে ইরাক ছাড়লো মার্কিন বাহিনী
এল মানসুরি বলেন, ‘কাজ আজ থেকেই শুরু হচ্ছে’। প্রথমে নিজেদের দলের মধ্যে আলোচনা হবে, এরপর সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলেও জানান তিনি।

ইসলামপন্থী আন্দোলনের বিরুদ্ধে ভারসাম্য বজায় রাখতে বর্তমান রাজকীয় উপদেষ্টা ফুয়াদ আলী এল হিম্মার প্রতিষ্ঠিত পিএএম দলে ২০০৮ সালে যোগ দেন মানসুরি। ২০০৯ সালে মারাকেশের প্রথম নারী মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হন তিনি। ছয় বছর পর পদ হারালেও ২০২১ সালে তিনি আবারও মেয়রের দায়িত্ব নেন।

ফের বাড়লো স্বর্ণের দাম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ণ
ফের বাড়লো স্বর্ণের দাম

দেশের বাজারে এবার স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের হলমার্ক করা প্রতি গ্রাম স্বর্ণালংকারের দাম ১৯ হাজার ৭৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে ২৯ সেপ্টেম্বর একই মানের স্বর্ণের দাম ছিল ১৯ হাজার ৫৯৫ টাকা। অর্থাৎ এক দিনের ব্যবধানে প্রতি গ্রামে দাম বেড়েছে ১৯০ টাকা।

বাজুস জানিয়েছে, তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম বেড়ে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হয়েছে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এ দাম কার্যকর থাকবে।

বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের ৩০ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত সভায় নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কত হলো স্বর্ণের দাম

বাজুসের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের হলমার্ক করা প্রতি গ্রাম স্বর্ণালংকারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯ হাজার ৭৮৫ টাকা।

এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম স্বর্ণালংকারের দাম ১৮ হাজার ৮৯৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১৬ হাজার ২২৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি গ্রাম স্বর্ণালংকারের দাম ১৩ হাজার ২৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম দাঁড়ায় প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৮১ টাকা। এর সঙ্গে অলংকারের নকশা অনুযায়ী মজুরি যোগ হবে।

এর আগে ২৯ সেপ্টেম্বর ২২ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম ছিল ১৯ হাজার ৫৯৫ টাকা। সে হিসাবে এক ভরিতে দাম বেড়েছে প্রায় ২ হাজার ২১৪ টাকা।

তবে এর আগের কয়েক দফায় স্বর্ণের দাম কমিয়েছিল বাজুস। ২৮ সেপ্টেম্বর ২২ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম ১৯ হাজার ৭৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তারও আগে ২৬ সেপ্টেম্বর একই মানের স্বর্ণের দাম ছিল ১৯ হাজার ৯৭০ টাকা।

ফলে সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে স্বর্ণের বাজারে একাধিকবার দাম পরিবর্তন করেছে বাজুস।

রুপার দামও বাড়লো

স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার অলংকারের দামও বাড়িয়েছে বাজুস।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম রুপার অলংকারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৭০ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ৩৫৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩০৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে ২৯ সেপ্টেম্বর ২২ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম রুপার দাম ছিল ৩৫৫ টাকা। অর্থাৎ এক দিনের ব্যবধানে প্রতি গ্রামে দাম বেড়েছে ১৫ টাকা।

আলাদা করে ভ্যাট নেওয়া যাবে না

বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নির্ধারিত বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ফলে গ্রাহকের কাছ থেকে বিক্রয়মূল্যের বাইরে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।

তবে অলংকারের নকশা অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ নির্ধারিত স্বর্ণের দামের সঙ্গে অলংকার তৈরির মজুরি আলাদাভাবে যোগ হবে।

পুরোনো স্বর্ণের অলংকার বদলের ক্ষেত্রে মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে ১২ শতাংশ এবং পুরোনো স্বর্ণালংকার কেনার ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়া যাবে না।

বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে নির্ধারিত এ দাম কার্যকর থাকবে।

সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজার পরিস্থিতির সঙ্গে সমন্বয় করে স্বর্ণের দাম কয়েক দফা পরিবর্তন করেছে বাজুস। ফলে অল্প সময়ের ব্যবধানে স্বর্ণের দামে ওঠানামা দেখা যাচ্ছে।