বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে দুর্যোগে উপকূলীয় মানুষের জীবন জীবিকা বদলে যাচ্ছে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ৫:৪৬ অপরাহ্ণ
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে দুর্যোগে উপকূলীয় মানুষের জীবন জীবিকা বদলে যাচ্ছে

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা (খুলনা): জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট ঘন ঘন দুর্যোগ, লবণাক্ততা বৃদ্ধি ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ার কারণে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের প্রথাগত জীবন-জীবিকা মারাত্মক সংকটের মুখে পড়েছে। কৃষি ও মাছ ধরার ওপর নির্ভরশীলতা কমে যাওয়ায় উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর বেঁচে থাকার উপায় ও পেশায় ব্যাপক পরিবর্তন আসছে।

বাংলাদেশের উপকূলীয় ভৌগোলিক অবস্থান এবং ব-দ্বীপপ্রধান দেশ হওয়ার কারণে বাংলাদেশ একটি দুর্যোগ প্রবণ দেশ। বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যেমন-ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, ঘূর্ণিঝড়, খরা, বন্যা, নদী ভাঙন বাংলাদেশের নিত্যসঙ্গী। এর মধ্যে যোগ হয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনের দুর্যোগ। জলবায়ুর পরিবর্তনের প্রভাব এ দেশে প্রতিনিয়তই দৃশ্যমান। জলবায়ু পরিবর্তন স্পষ্টতই মানুষের জীবন ও জীবিকার ওপর প্রভাব ফেলছে। সময়ের বিবর্তনে পরিবর্তনশীল জলবায়ুর এই চক্র উপকূলে বসবাসরত সকল প্রাণীকুলের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ বাস করে উপকূলে, যাদের জীবিকার প্রধান বা একমাত্র উপাদান হচ্ছে কৃষি। বর্তমানে কৃষি থেকে যে খাদ্যশস্য উৎপাদন হয় তা দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা এনে দিয়েছে, কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তন ভবিষ্যতে এ ধারা অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রে বড়সড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলবে। বিশেষত ২০৫০ সালের মধ্যে যে চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা আছে, সেটা ৮ শতাংশ এবং গম উৎপাদন কমবে ৩২ শতাংশ। যার প্রভাব পড়বে উপকূলের মানুষের জীবন জীবিকার উপর।

গত দুই দশকে বাংলাদেশে ১৮৫টি প্রাকৃতিক দুর্যোগ আঘাত হেনেছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বে ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান সপ্তম। আর দেশের উপকূলীয় এলাকার মানুষ ও প্রকৃতি জলবায়ু ঝুঁকিতে সবচেয়ে বেশি আছে। সিডর, আইলা এবং অন্যান্য ঘূর্ণিঝড়ের কারণে চিংড়ি খামারসহ মৎস্য শিল্প এবং ফসলি জমির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। ফলস্বরূপ খামার এবং মাছ ধরার নৌকাগুলোতে দৈনিক শ্রমের সুযোগ মারাত্মকভাবে প্রভাবিত হয়েছিল। কয়রা, পাইকগাছা, শ্যামনগর, আশাশুনি এলাকার লোকেরা কাজ, বিকল্প আয় এবং ইট প্রস্তুতকারক, রিকশাচালক এবং শ্রমিক হিসেবে কর্মসংস্থানের জন্য অন্যান্য অঞ্চলে স্থানান্তরিত হতে বাধ্য হয়। কয়রার দক্ষিণ বেদকাশীর বাসিন্দা মোহাম্মদ শাহজাহান গাজী জানান, মাছের ঘেরে ও কৃষি কাজ করে সংসার চলছে না তাই খুলনা শহরে রিকশা চালিয়ে সংসারে খরচ বহন করছি।

উপকূলীয় মানুষের জীবন ও জীবিকায় যেসব বড় পরিবর্তন আসছে। লবণাক্ত পানি প্রবেশ করায় ফসলি জমি নষ্ট হচ্ছে। ঐতিহ্যবাহী ধান চাষ ব্যাহত হওয়ায় কৃষকরা বাধ্য হয়ে লবণ-সহিষ্ণু জাতের ধান, তরমুজ বা শাকসবজি চাষে ঝুঁকছেন। মাছ শিকারিরা গভীর সমুদ্রে দুর্যোগের ঝুঁকি ও মাছের আকাল দেখে কাঁকড়া চাষ বা দিনমজুরিতে পেশা পরিবর্তন করছেন। অতিরিক্ত লবণাক্ততার কারণে মিষ্টি পানির পুকুর বা ঘেরে মাছ চাষ কঠিন হয়ে পড়েছে। এর বিকল্প হিসেবে উপকূলের অনেক এলাকায় এখন কুঁচে মাছ ও কাঁকড়া চাষের প্রসার ঘটেছে।

দুর্যোগে পুরুষরা কর্মহীন হয়ে পড়লে নারীরা বাড়ির আঙিনায় সবজি চাষ, হাঁস-মুরগি পালন ও কাঁকড়া প্রক্রিয়াজাতকরণের মতো অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হচ্ছেন। দুর্যোগে ঘরবাড়ি ও জমি হারিয়ে অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে শহরমুখী হচ্ছেন, যার ফলে উপকূলীয় অঞ্চল থেকে জলবায়ু উদ্বাস্তুর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে তেমনি পেশাও বদলে যাচ্ছে। পাইকগাছার গোপালপুর গ্রামের করিম গাজী বলেন, অল্প একটু জায়গায় মাছ ও ধান চাষ করে এখন আর সংসার চলছে না। তাই যশোরে ইট ভাটায় কাজ করে ছয় মাস আর বাকি ছয় মাস ক্ষেতে কাজ করে জীবন জীবিকা নির্বাহ করছে।

স্থানীয়ভাবে আর কোনো কাজের সুযোগ থাকে না, তখন মানুষ চূড়ান্ত সিদ্ধান্তটি নিতে বাধ্য হন এলাকা ত্যাগ করার। গত দুই দশকে উপকূলীয় জেলাগুলো থেকে ঢাকামুখী মানুষের স্রোত অভাবনীয় হারে বেড়েছে। গ্রামের একজন দক্ষ কৃষক যখন খুলনা বা ঢাকায় আসেন, তখন তার কৃষিজ্ঞান কোনো কাজে আসে না। তিনি বাধ্য হয়ে রিকশা চালাতে, নির্মাণ শ্রমিক বা কারখানার নিম্নবেতনের শ্রমিকে পরিণত হতে। খুলনা, ঢাকা বা চট্টগ্রামের মতো শহরগুলোর বস্তিতে খোঁজ নিলে দেখা যাবে, সেখানকার বাসিন্দাদের একটা বিশাল অংশ শ্যামনগর, দাকোপ বা কয়রা অঞ্চল থেকে আসা। লবণাক্ততা তাদের কেবল ভিটেমাটি থেকেই উচ্ছেদ করেনি, তাদের পেশাগত পরিচয় ও সামাজিক মর্যাদাটুকুও কেড়ে নিয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকা ক্রমেই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। প্রতি বছর ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস এ অঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি করে। সহায় সম্পদ হারিয়ে তারা শহরমুখি হচ্ছে।

Ads small one

পপির ‘বিতর্কিত মন্তব্যে’ ওমর সানীর আপত্তি, জানালেন ভিন্ন কথা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৫৬ অপরাহ্ণ
পপির ‘বিতর্কিত মন্তব্যে’ ওমর সানীর আপত্তি, জানালেন ভিন্ন কথা

অভিনয় থেকে দীর্ঘদিন ধরেই দূরে আছেন একসময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা সাদিকা পারভীন পপি। স্বামী-সন্তান ও সংসারেই এখন ব্যস্ত তিনি। এর মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার নামে ছড়িয়ে পড়া একটি বক্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। তবে ছড়িয়ে পড়া ওই বক্তব্য নিজের নয় বলে জানিয়েছেন পপি।

ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একটি ফটোকার্ডে দাবি করা হয়, পপি বলেছেন, “যতটা পাপ কামিয়েছি, তার সবটা ধুয়েমুছে সুন্দরভাবে মরতে চাই।”

এবার এই বিষয়টি নিয়ে বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে পপির প্রথম নায়ক ওমর সানী মুখ খুলেছেন।

‘কুলি’খ্যাত অভিনেতা বলেন, “পপির কথাটা যেভাবে এসেছে, এভাবে ঠিক না। যদি সে এভাবে বলে থাকে।”

ধর্ম-কর্ম দুই জিনিস জানিয়ে তিনি আরও বলেন, “আসলে ধর্ম-কর্ম দুইটা আলাদা জিনিস। কর্মটা হালাল ধর্মতো কোনও কথাই নেই।”

চলচ্চিত্রের বাইরে যারা ড্রাগস, মেয়ে মানুষ ও অবৈধ পয়সা কামায় তাদের থেকে চলচ্চিত্রের মানুষদের ভালো বলেও দাবি করেন অভিনেতা তার পোস্টে। তিনি বলেন, “আমরা অবশ্যই ভালো। আল্লাহর হুকুম ছাড়া কেউ মক্কা এবং মদিনাতে যেতে পারে না, কিন্তু আল্লাহ আমাদের ডেকেছেন। বুঝলে বুঝপাতা না বুঝলে তেজপাতা।”

সবশেষে ওমর সানী পপিকে এখনও ছোট মানুষ উল্লেখ করে বলেন, “ও (পপি) তো এখনও আমার কাছে ছোট মানুষ, ভালো থাকিস পপি।”

উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালে মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত ‘কুলি’ সিনেমার মধ্য দিয়ে বড়পর্দায় আসেন পপি। এ সিনেমার নায়ক ছিলেন ওমর সানী। এরপর এই জুটিকে ‘আমার বউ’সহ আরও কয়েকটি সিনেমায় দেখা যায়।

প্রধানমন্ত্রী বুদ্ধিমান মানুষ, সফরের সিদ্ধান্ত তার ওপর: ভারতীয় হাইকমিশনার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৫৪ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রী বুদ্ধিমান মানুষ, সফরের সিদ্ধান্ত তার ওপর: ভারতীয় হাইকমিশনার

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরের অনুকূল পরিবেশ আছে কিনা প্রশ্নে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, এটি সম্পূর্ণ প্রধানমন্ত্রীর ওপর নির্ভর করে। তিনি অনেক বুদ্ধিমান মানুষ, জনগণের নেতা তিনি। সুতরাং আমি মনে করি, এটি প্রধানমন্ত্রীর ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিত। আর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের খাতিরে যা করা প্রয়োজন, আমার এই বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই যে, উভয় পক্ষের অভিপ্রায় জনগণকেন্দ্রিক। যখন জনগণকেন্দ্রিক বিষয় হয়, তখন যা হওয়ার হবেই।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন ও ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ডেমোক্রেসিতে আলোচনার কোনও শেষ নাই। যদি আলোচনা শেষ হয়ে যায়, তাহলে ওটা ডেমোক্রেসি না। আলোচনা তো বহমান নদীর মতো। গঙ্গা-পদ্মা আছে, তার কোনও শেষ নাই, এটি বহমান থাকেই, কোথাও থমকে থাকে না। গঙ্গা-পদ্মা থমকে যাবে– এমন হতে পারে না। আলোচনা তেমনই নদীর স্রোতের মতো, সাগরের মতো, কোনোদিন থামবে না। আমি আশাবাদী, কনফিডেন্ট এইটাই হচ্ছে প্রসেস অব ডেমোক্রেসি, আর এই প্রসেসটা চিরকাল চলতেই থাকবে।

এ সময় তিনি জানান, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

 

আগামী বছর থেকে প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৪৮ অপরাহ্ণ
আগামী বছর থেকে প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, আগামী বছর থেকে দেশের প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কার্যক্রম চালু করা হবে। শিক্ষার্থীদের জন্য জুতা ও স্কুলব্যাগ প্রদান কার্যক্রম আরো সম্প্রসারণ করা হবে।

তিনি আজ (বুধবার) সকালে যশোর পিটিআই অডিটোরিয়ামে ‘বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষায় শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা, মনিটারিং, জবাবদিহিতা ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি পরিবর্তিত প্রত্যাশা’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের সব বিদ্যালয়কে কার্যকর ও মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে বর্তমান প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো হবে। সরকারি সেবার মধ্যে স্বাস্থ্য ও শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়। আগামীতে সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং কিন্ডারগার্টেনগুলোকে সরকারের মনিটরিংয়ের আওতায় আনা হবে। এর মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিতকরণ এবং শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী সেশন পরিচালনাকালে প্রাথমিক শিক্ষার বিভিন্ন শ্রেণির মৌলিক মানদন্ড, বিদ্যালয় পরিদর্শনের নিয়ম ও কার্যপদ্ধতি, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, গণমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা এবং প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

যশোর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (উন্নয়ন) মো: মতিয়ার রহমান এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (উপবৃত্তি) মো: মাসুদ হোসেন। স্বাগত বক্তৃতা করেন খুলনা বিভাগের প্রাথমিক শিক্ষার বিভাগীয় উপপরিচালক ড. মো: শফিকুল ইসলাম।

প্রশিক্ষণে খুলনা বিভাগের ১০ জেলার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, অতিরিক্ত জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, পিটিআই সুপারিনটেনডেন্ট, সহকারী সুপারিনটেনডেন্টসহ প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের সকলস্তরের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন। তথ্যবিবরণী