সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩

জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ে দুই দিনের সাংবাদিক প্রশিক্ষণ শুরু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৯ পূর্বাহ্ণ
জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ে দুই দিনের সাংবাদিক প্রশিক্ষণ শুরু

নিজস্ব প্রতিনিধি: পরিবেশগত মানবাধিকার লঙ্ঘনের ফলে স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও জীববৈচিত্র্যের ওপর এর প্রভাব, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলা এবং পরিবেশগত মানবাধিকার সুরক্ষায় স্থানীয় সাংবাদিকদের ভূমিকা জোরদার করার লক্ষ্যে সাতক্ষীরায় দুই দিনব্যাপী সাংবাদিক প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে, নেটজ বাংলাদেশের সহায়তায় এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা বারসিকের উদ্যোগে সোমবার সকালে শহরের ম্যানগ্রোভ সভাঘরে এ প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধনী সেশনে প্রশিক্ষণের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও কর্মসূচি তুলে ধরেন প্রকল্প সমন্বয়কারী কুমারেশ চন্দ্র বাউলিয়া। পরিবেশগত ক্ষতি এবং উন্নয়নমূলক কর্মকা-ের ফলে উদ্ভূত পরিবেশগত মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়গুলো দায়িত্বশীল ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে গণমাধ্যমে তুলে ধরাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
দিনব্যাপী বিভিন্ন সেশনে প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বারসিকের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী শাহিন ইসলাম, টেকনিক্যাল অফিসার সুপর্ণা মিত্র, নেটজ প্রোগ্রাম ম্যানেজার মোঃ মনিরুজ্জামান, এরিয়া অফিসার রোকসানা পারভীন, ফিল্ড ফেসিলিটেটর রাশেদুল হাসান প্রমুখ। এ সময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক দক্ষিণের মশালের সম্পাদক আশেক-ই-এলাহী, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাসেম, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম বেলাল হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক এম শাহীন গোলদারসহ অন্যেরা।
কর্মশালার প্রথম দিনে আশাশুনি থেকে ৫ জন, শ্যামনগর থেকে ৫ জন এবং সাতক্ষীরা সদরের ১৪ জনসহ মোট ২৪ জন স্থানীয় সাংবাদিক ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর অংশ নেন।
কর্মশালায় পরিবেশগত মানবাধিকারের ধারণা, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং জলবায়ু পরিবর্তন ও অপরিকল্পিত উন্নয়নের কারণে স্থানীয় প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও জীববৈচিত্র্যের ওপর সৃষ্ট প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। প্রশিক্ষণে অংশ নিয়ে সাংবাদিকেরা স্থানীয় প্রেক্ষাপটে পরিবেশগত মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণগুলো চিহ্নিত করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষায় গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে নিজস্ব মতামত ও প্রস্তাবনা তুলে ধরেন।
আয়োজক সংস্থার প্রতিনিধিরা উল্লেখ করেন, প্রশিক্ষণ শেষে সাংবাদিকেরা তাঁদের অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে উপকূলীয় অঞ্চলের জলবায়ু সংকট, স্থানীয় পরিবেশীয় সমস্যা, সিএসও ও স্টুডেন্ট ফোরামের ইতিবাচক পরিবেশীয় উদ্যোগ এবং অভিযোজন কৌশল নিয়ে গভীর ও প্রভাব বিস্তারকারী সংবাদ প্রকাশে সমর্থ হবেন, যা নীতি নির্ধারণে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
মঙ্গলবার প্রশিক্ষণের দ্বিতীয় দিনে বাস্তবভিত্তিক বিষয় নির্বাচন, প্রতিবেদন প্রস্তুতকরণের কৌশল, ডিজিটাল নৈতিকতা এবং ব্যক্তিগত ও পেশাগত কর্মপরিকল্পনা তৈরির মাধ্যমে দুই দিনব্যাপী এই আয়োজন শেষ হবে।

Ads small one

কপোতাক্ষের ভাঙনে তালার ৪ গ্রামে আতঙ্ক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ণ
কপোতাক্ষের ভাঙনে তালার ৪ গ্রামে আতঙ্ক

তিন দিন ধরে বাঁধ আগলে আছে মানুষ, প্রশাসনের দেখা নেই!

বি. এম. জুলফিকার রায়হান, তালা: ঝুড়ি ভর্তি মাটি, হাতে কোদাল। রাত জেগে নদীর পাড়ে পাহারা। সাতক্ষীরার তালা উপজেলার খেশরা ইউনিয়নের বালিয়া গ্রামের মানুষ এখন এভাবেই দিন কাটাচ্ছে। কপোতাক্ষ নদের বেড়িবাঁধে নতুন করে ফাটল দেখা দেওয়ায় জোয়ারের পানির চাপে যেকোনো মুহূর্তে বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কায় আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে বালিয়া, শুভংকরকাঠি, তেঘরিয়া ও শ্রীমন্তকাঠি গ্রামের হাজারও মানুষ।

গত শনিবার রাতে জোয়ারের পানির তীব্র চাপে বালিয়া গ্রামের বেড়িবাঁধের একটি অংশ ভেঙে যায়। বিলের মধ্যে থাকা মৎস্যঘেরের মালিকেরা প্রথমে বিষয়টি টের পেয়ে দ্রুত গ্রামে এসে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দেন। ঘুম ভেঙে গ্রামের নারী-পুরুষ-শিশু ঝুড়ি ও কোদাল নিয়ে ছুটে যান নদের পাড়ে। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় তাঁরা ভাঙা অংশ সাময়িকভাবে মেরামত করে লোকালয়ে পানি প্রবেশ ঠেকান। সেদিন রক্ষা পেলেও বিপদ কাটেনি।

সোমবার দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, বাঁধের আরও দুটি স্থানে নতুন করে ফাটল ধরেছে। পানি চুঁইয়ে ভেতরে ঢুকছে। তিন দিন ধরে গ্রামের মানুষ পালা করে বাঁধ পাহারা দিচ্ছেন এবং দুর্বল স্থানগুলো মাটি দিয়ে শক্ত করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু জনবল ও উপকরণের অভাবে তা কতক্ষণ টিকবে, তা নিয়ে সংশয়ে আছেন সবাই।

ভুক্তভোগী নাজমিন আক্তার উল্লেখ করেন, শনিবার রাতে সময়মতো না গেলে এতক্ষণে ঘরবাড়ি ও মাছের ঘের লোনা পানিতে তলিয়ে যেত। নতুন করে ফাটল ধরার পর তিন দিন ধরে পানি উন্নয়ন বোর্ড, রাজনৈতিক নেতা ও প্রশাসনকে ফোন দেওয়া হলেও কেউ এসে দেখেনি। এই বাঁধ ভেঙে গেলে বালিয়াসহ পাশের শুভংকরকাঠি, তেঘরিয়া ও শ্রীমন্তকাঠি গ্রামের শতাধিক বাড়িঘর প্লাবিত হবে এবং তলিয়ে যাবে বিস্তীর্ণ মাছের ঘের ও কৃষি জমি। ক্ষতির পরিমাণ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি।

বালিয়া গ্রামের বাসিন্দা হাবিবুর রহমান গাজী ও জামাল উদ্দীন জানান, প্রায় ১২-১৩ বছর আগে কপোতাক্ষ নদ খনন শুরু হলে এলাকাবাসী সিএস ম্যাপ অনুযায়ী নদ খননের দাবি জানান। পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রথমে দুই দিন সিএস ম্যাপ অনুযায়ী কাজ করার পর তা বন্ধ করে দেয়। এরপর চলমান গতিতে খনন করায় কপোতাক্ষ নদ তার নিজস্ব গতিপথ থেকে সরে এসে বালিয়া গ্রামের জনবসতির কাছে চলে আসে। এর ফলে বালিয়া অংশে নদের গভীরতা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়।

 

একই সময়ে এই এলাকায় টিআরএম প্রকল্প বাস্তবায়ন হওয়ায় নদ আরও খরস্রোতা হয়ে ওঠে। কিন্তু পানি উন্নয়ন বোর্ড এখানে কোনো স্থায়ী বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ করেনি। ফলে প্রতিবছর জোয়ারের পানির চাপে টিআরএম সংযোগ খালের পাশে দুটি পয়েন্টে বাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে কৃষক ও ঘেরমালিকদের কোটি টাকার ক্ষতি হয়। বারবার লিখিত দরখাস্ত, সভা ও মানববন্ধন করেও আজ পর্যন্ত কোনো স্থায়ী সমাধান মেলেনি।

খেশরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম লাল্টু জানান, বালিয়া গ্রামের বাঁধের একাধিক স্থান ঝুঁকিপূর্ণ এবং বাঁধে নতুন করে ফাটল দেখা দিয়েছে। বাঁধ ভেঙে গেলে পুরো এলাকা লোনা পানিতে ডুবে যাবে। বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ড ও উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হলেও এখনো কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। গ্রামবাসীর একটাই দাবি, অবিলম্বে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ জরুরি ভিত্তিতে মেরামত করা এবং কপোতাক্ষ নদের বালিয়া অংশ সিএস ম্যাপ অনুযায়ী পুনরায় খনন করে স্থায়ী ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহমান তাযকিয়া জানান, বালিয়া এলাকার বাঁধের বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত এবং ইতিপূর্বে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন। স্থানীয় সংসদ সদস্যের অনুরোধে সেখানে গিয়ে প্রাথমিকভাবে কাজের অনুমতি পাওয়া গেলেও পরে তা বাতিল করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে সারা দেশে বর্তমানে জরুরি কাজ বন্ধ থাকায় আপাতত সেখানে কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। মন্ত্রণালয় থেকে পুনরায় বরাদ্দ পাওয়া গেলে বাঁধের কাজ করা সম্ভব হবে।

সুন্দরবনে ঘুমন্ত দুই জেলেকে কুপিয়ে জখম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২০ পূর্বাহ্ণ
সুন্দরবনে ঘুমন্ত দুই জেলেকে কুপিয়ে জখম

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার কয়রায় সুন্দরবনে কাঁকড়া আহরণ শেষে নৌকায় ঘুমন্ত অবস্থায় দুই জেলেকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। পরে তাঁদের সুন্দরবনের হেতালবুনিয়া খাল এলাকা থেকে উদ্ধার করে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসক তাঁদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। তবে হামলায় কারা জড়িত, তা তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা যায়নি।
সোমবার রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে সুন্দরবনের কোবাদক ফরেস্ট স্টেশনের আওতাধীন বাটলুয়া নদীসংলগ্ন হেতালবুনিয়া খাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গুরুতর আহত দুই জেলে হলেন কয়রা উপজেলার দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের গোলখালী গ্রামের ওসমান সরদারের ছেলে তরিকুল ইসলাম (৩২) এবং তাহের সরদারের ছেলে শরিফুল ইসলাম (৩০)। তাঁরা কোবাদক ফরেস্ট স্টেশন থেকে বৈধ পাশ নিয়ে সুন্দরবনে কাঁকড়া আহরণ করতে গিয়েছিলেন।
আহত জেলেদের চাচা আব্দুল গনি সরদার উল্লেখ করেন, সকালে হঠাৎ সাইদ নামের এক জেলের মোবাইল নম্বর থেকে তাঁর কাছে ফোন আসে। সাইদ তাঁকে দ্রুত ট্রলার নিয়ে সুন্দরবনে আসতে বলেন। সেখানে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, হেতালবুনিয়া খালের চরে তাঁর দুই ভাতিজাকে কুপিয়ে ফেলে রাখা হয়েছে। পরে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত সুন্দরবনে গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসক তাঁদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রেজাউল ইসলাম উল্লেখ করেন, তাঁর ওয়ার্ডের দুই জেলেকে শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে জখম অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার রাতে কাঁকড়া আহরণ শেষে তাঁরা নৌকায় ঘুমিয়ে ছিলেন বলে জানা গেছে। তবে কারা এ হামলা চালিয়েছে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় স্থানীয় জেলেদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
কয়রা থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ হাসানুজ্জামান উল্লেখ করেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। তবে ভুক্তভোগী জেলেদের পক্ষ থেকে এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

 

সাতক্ষীরায় সারের পর্যাপ্ত মজুদ থাকলেও মাঠপর্যায়ে সংকট ও চড়া দাম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২০ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় সারের পর্যাপ্ত মজুদ থাকলেও মাঠপর্যায়ে সংকট ও চড়া দাম

এম শফিকুল ইসলাম: সরকারি গুদামে পর্যাপ্ত মজুদ থাকলেও সাতক্ষীরার মাঠপর্যায়ে দেখা দিয়েছে তীব্র সার সংকট। রোপা আমন মৌসুমের ব্যস্ত সময়ে সারের জন্য কৃষকদের ছুটতে হচ্ছে দোকানে দোকানে। অভিযোগ উঠেছে, কৃত্রিম সংকট তৈরি করে প্রতি বস্তা সারে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত আদায় করা হচ্ছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি ও এমওপি সারের সরকারি মজুদ চাহিদার চেয়েও বেশি। তবে অসাধু ব্যবসায়ীদের অবৈধ মজুতদারি, কৃত্রিম সংকট তৈরি এবং অন্য এলাকায় পাচারের কারণে সাধারণ কৃষকেরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভোমরা এলাকার কৃষক আবু বক্কর গাজী অভিযোগ করে জানান, চড়া দামে না কিনলে ডিলাররা সার বিক্রি করছেন না। ডিলারদের সিন্ডিকেট অতিরিক্ত মুনাফা লুটতেই এই কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সাইফুল ইসলাম জানান, আগস্টে দেশে চাহিদার তুলনায় দ্বিগুণ সার বরাদ্দ ও মজুদ রয়েছে। সাতক্ষীরায়ও সারের কোনো বাস্তব ঘাটতি থাকার কথা নয়। অতিরিক্ত দাম আদায় বা অন্য এলাকায় পাচারের প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্ট ডিলারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।