বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ: ভারতকে টপকে পাঁচে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ১২:২৪ পূর্বাহ্ণ
টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ: ভারতকে টপকে পাঁচে বাংলাদেশ

পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জয় শুধু র‌্যাংকিংয়েই নয়, বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের টেবিলেও বড় পরিবর্তন এনে দিল বাংলাদেশের জন্য। দুই ম্যাচের সিরিজে পাকিস্তানকে ২-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করার পর ২০২৫-২৭ চক্রের ডব্লিউটিসি পয়েন্ট টেবিলে পাঁচ নম্বরে উঠে এসেছে বাংলাদেশ।

সিলেটে দ্বিতীয় টেস্টে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে সিরিজ নিশ্চিত করে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। এর আগে মিরপুরে প্রথম টেস্ট জিতেছিল ১০৪ রানে। টানা দুই জয়ে বাংলাদেশের পয়েন্ট শতাংশ বা পিসিটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৮.৩৩। চার ম্যাচ শেষে এই পয়েন্ট শতাংশ নিয়েই ভারতকে টপকে পাঁচে উঠেছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের উত্থানে এক ধাপ পিছিয়ে ছয়ে নেমে গেছে ভারত। তাদের পিসিটি এখন ৪৮.১৫। অন্যদিকে পাকিস্তানের অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে। বাংলাদেশের কাছে সিরিজ হারের পর তারা নেমে গেছে আট নম্বরে। পাকিস্তানের পিসিটি মাত্র ৮.৩৩, তাদের নিচে আছে শুধু ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

ডব্লিউটিসি টেবিলের শীর্ষে আছে অস্ট্রেলিয়া। তাদের পিসিটি ৮৭.৫০। অস্ট্রেলিয়ার পর দুই ও তিনে আছে নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা।

সিলেট টেস্টে পাকিস্তানের সামনে লক্ষ্য ছিল ৪৩৭ রান। চতুর্থ ইনিংসে লড়াই করলেও শেষ পর্যন্ত ৩৫৮ রানে অলআউট হয় সফরকারীরা। পঞ্চম দিনের সকালে পাকিস্তান যোগ করতে পারে ৪২ রান। এরপর ১৩ বলের মধ্যে শেষ ৩ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় তারা।

বাংলাদেশের জয়ের নায়ক ছিলেন তাইজুল ইসলাম। বাঁহাতি এই স্পিনার দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৪.২ ওভারে ১২০ রান দিয়ে নেন ৬ উইকেট। শেষ দিনে সাজিদ খানকে ফিরিয়ে নিজের পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন তিনি। এরপর শরিফুল ইসলাম ফেরান ৯৪ রান করা মোহাম্মদ রিজওয়ানকে। শেষ উইকেট হিসেবে খুররম শাহজাদকে আউট করে বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করেন তাইজুল।

রিজওয়ানের বিদায়ের সঙ্গেই পাকিস্তানের শেষ আশা কার্যত শেষ হয়ে যায়। ১৬৬ বলে ১০ চারে ৯৪ রান করে লড়ছিলেন তিনি। সাজিদ খানের সঙ্গে তার জুটি বাংলাদেশকে কিছুটা চাপে ফেলেছিল। তবে তাইজুল সেই জুটি ভেঙে দেন, আর পরের ধাক্কাতেই ম্যাচ বাংলাদেশের হাতে চলে আসে।

পাকিস্তানের বিপক্ষে এটি বাংলাদেশের টানা দ্বিতীয় টেস্ট সিরিজ হোয়াইটওয়াশ। ২০২৪ সালেও পাকিস্তানকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। এবার দেশের মাটিতে একই ব্যবধানে সিরিজ জিতে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দৌড়েও নিজেদের শক্ত অবস্থানে তুলে আনল শান্তর দল।

পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জয় শুধু র‌্যাংকিংয়েই নয়, বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের টেবিলেও বড় পরিবর্তন এনে দিল বাংলাদেশের জন্য। দুই ম্যাচের সিরিজে পাকিস্তানকে ২-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করার পর ২০২৫-২৭ চক্রের ডব্লিউটিসি পয়েন্ট টেবিলে পাঁচ নম্বরে উঠে এসেছে বাংলাদেশ।

সিলেটে দ্বিতীয় টেস্টে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে সিরিজ নিশ্চিত করে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। এর আগে মিরপুরে প্রথম টেস্ট জিতেছিল ১০৪ রানে। টানা দুই জয়ে বাংলাদেশের পয়েন্ট শতাংশ বা পিসিটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৮.৩৩। চার ম্যাচ শেষে এই পয়েন্ট শতাংশ নিয়েই ভারতকে টপকে পাঁচে উঠেছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের উত্থানে এক ধাপ পিছিয়ে ছয়ে নেমে গেছে ভারত। তাদের পিসিটি এখন ৪৮.১৫। অন্যদিকে পাকিস্তানের অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে। বাংলাদেশের কাছে সিরিজ হারের পর তারা নেমে গেছে আট নম্বরে। পাকিস্তানের পিসিটি মাত্র ৮.৩৩, তাদের নিচে আছে শুধু ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

সিলেট টেস্টে পাকিস্তানের সামনে লক্ষ্য ছিল ৪৩৭ রান। চতুর্থ ইনিংসে লড়াই করলেও শেষ পর্যন্ত ৩৫৮ রানে অলআউট হয় সফরকারীরা। পঞ্চম দিনের সকালে পাকিস্তান যোগ করতে পারে ৪২ রান। এরপর ১৩ বলের মধ্যে শেষ ৩ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় তারা।

বাংলাদেশের জয়ের নায়ক ছিলেন তাইজুল ইসলাম। বাঁহাতি এই স্পিনার দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৪.২ ওভারে ১২০ রান দিয়ে নেন ৬ উইকেট। শেষ দিনে সাজিদ খানকে ফিরিয়ে নিজের পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন তিনি। এরপর শরিফুল ইসলাম ফেরান ৯৪ রান করা মোহাম্মদ রিজওয়ানকে। শেষ উইকেট হিসেবে খুররম শাহজাদকে আউট করে বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করেন তাইজুল।

রিজওয়ানের বিদায়ের সঙ্গেই পাকিস্তানের শেষ আশা কার্যত শেষ হয়ে যায়। ১৬৬ বলে ১০ চারে ৯৪ রান করে লড়ছিলেন তিনি। সাজিদ খানের সঙ্গে তার জুটি বাংলাদেশকে কিছুটা চাপে ফেলেছিল। তবে তাইজুল সেই জুটি ভেঙে দেন, আর পরের ধাক্কাতেই ম্যাচ বাংলাদেশের হাতে চলে আসে।

পাকিস্তানের বিপক্ষে এটি বাংলাদেশের টানা দ্বিতীয় টেস্ট সিরিজ হোয়াইটওয়াশ। ২০২৪ সালেও পাকিস্তানকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। এবার দেশের মাটিতে একই ব্যবধানে সিরিজ জিতে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দৌড়েও নিজেদের শক্ত অবস্থানে তুলে আনল শান্তর দল।

Ads small one

সংবাদ সম্মেলনে রাস্তা দখলের অভিযোগ অস্বীকার করলেন জামায়াত নেতা ওমর ফারুক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৭:২৫ অপরাহ্ণ
সংবাদ সম্মেলনে রাস্তা দখলের অভিযোগ অস্বীকার করলেন জামায়াত নেতা ওমর ফারুক

সংবাদদাতা: নিজের বিরুদ্ধে আনা পারিবারিক রাস্তা দখলের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন সাতক্ষীরা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ঘোষপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মো. ওমর ফারুক।

বুধবার বিকালে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, স্থানীয় মো. শরিফুল আলম (মনু) তাঁর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করেছেন, তার কোনো আইনগত ভিত্তি নেই। প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরতেই তিনি এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন বলে জানান।

লিখিত বক্তব্যে জামায়াত নেতা ওমর ফারুক দাবি করেন, ইফতা হাউজিং লিমিটেডের পক্ষে তিনি ১০ ফুট প্রশস্ত একটি রাস্তা ক্রয় করেছেন, যার উল্লেখ সংশ্লিষ্ট নিবন্ধিত দলিলে সুস্পষ্টভাবে রয়েছে।

তিনি জানান, ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ তারিখে সম্পাদিত পারিবারিক রেজিস্ট্রি বণ্টননামা অনুযায়ী মো. শরিফুল আলম (মনু) সাবেক দাগ নং-২০৪৯, হাল দাগ নং-৬৩৫২-এর ২৫.৬০ শতক জমির একক মালিক হন। পরে তিনি নিজের সম্পত্তি থেকে ইফতা হাউজিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে ৫.৮৪ শতক জমি বিক্রয়ের চুক্তি করেন।

ওমর ফারুকের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯ এপ্রিল ২০১৬ তারিখের ২৭৮১ নম্বর নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে ৬ ফুট এবং বিক্রিত অংশ থেকে আরও ৪ ফুটসহ মোট ১০ ফুট প্রশস্ত ও ২৬৭ ফুট দীর্ঘ রাস্তা হস্তান্তর করা হয়। এছাড়া ১৯ জুলাই ২০১৬ তারিখের ৪৯৫৪ নম্বর দলিলের মাধ্যমেও খোরশেদ আলম গং-এর নামে জমি বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ওই ১০ ফুট রাস্তার বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি আরও বলেন, নিবন্ধিত দলিলসমূহে ১০ ফুট রাস্তার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকায় এটিকে পারিবারিক রাস্তা হিসেবে দাবি করার কোনো আইনগত ভিত্তি নেই। তাঁর দাবি, এটি মো. শরিফুল আলম (মনু)-এর নিজস্ব সম্পত্তি থেকে নিবন্ধিতভাবে বিক্রয়কৃত রাস্তা।

সংবাদ সম্মেলনে ওমর ফারুক বলেন, তিনি কারও পারিবারিক রাস্তা দখল করেননি। তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অসত্য, বিভ্রান্তিকর এবং সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা বলে তিনি দাবি করেন।

এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, গণমাধ্যম ও সচেতন নাগরিকদের প্রতি নিবন্ধিত দলিল, ভূমি-সংক্রান্ত রেকর্ড এবং প্রকৃত তথ্য যাচাই করে বিষয়টি দেখার আহ্বান জানান

 

 

শাল্যে-বেড়াডাঙ্গায় জলাবদ্ধতা নিরসনে মাঠে নামলেন এক চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৭:২১ অপরাহ্ণ
শাল্যে-বেড়াডাঙ্গায় জলাবদ্ধতা নিরসনে মাঠে নামলেন এক চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী

টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের শাল্যে ও বেড়াডাঙ্গা গ্রামের প্রায় ৩০০ একর ফসলি জমিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে কৃষিকাজ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ পরিস্থিতিতে পানি নিষ্কাশনের উদ্যোগ নিয়ে মাঠে নেমেছেন ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল ওয়ারেছ।

বুধবার (২৯ জুলাই, ২০২৬) দুপুরে তিনি শাল্যে এলাকায় গিয়ে জলাবদ্ধতার বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে বেতনা নদীর ঘোলের কান্দা এলাকায় পাইপ বসানোর মাধ্যমে পানি নিষ্কাশন কার্যক্রম শুরু করেন। স্থানীয়দের সহযোগিতায় প্রয়োজনীয় অন্যান্য ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হয়।

অধ্যাপক আব্দুল ওয়ারেছ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এ এলাকার মানুষ জলাবদ্ধতার কারণে ভোগান্তি পোহাচ্ছেন। কৃষকদের ফসলি জমি রক্ষা এবং মানুষের দুর্ভোগ কমাতে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও জনস্বার্থে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার চেষ্টা থাকবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান ও ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. নুরুল হুদা।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা শাহিনুর রহমান, সাবেক ইউপি সদস্য আবুল হোসেন ডবলু, শিক্ষক ফিরোজ হোসেন, শেখ আব্দুল ওহাব, বেলাল হোসেন রিপন, সাংবাদিক মো. জামাল উদ্দিন খান, মো. আইয়ুব আলী, জিয়াউর রহমান, আব্দুর রকিব, আব্দুল বারী, আশুতোষ মহালদার, নিতাই, প্রসেনজিৎ, সাকিব, তৌহিদুজ্জামানসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

 

সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাসকল্পে সাতক্ষীরায় সচেতনতামূলক রোড শো অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৭:১৫ অপরাহ্ণ
সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাসকল্পে সাতক্ষীরায় সচেতনতামূলক রোড শো অনুষ্ঠিত

সংবাদদাতা: “মানসম্মত হেলমেট ও নিরাপদ গতি কমবে জীবন” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাসকল্পে সচেতনতামূলক সৃষ্টির লক্ষ্যে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) সাতক্ষীরা সার্কেলের উদ্যোগে রোড শো অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৯ জুলাই ‘২৬) বিকালে শহরের কেন্দীয় বাসটার্মিনালে পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ, বাস মালিক সমিতি, শ্রমিক ইউনিয়ন ও বিআরটিএ সাতক্ষীরার যৌথ আয়োজনে ঘরেফেরা/ঘরমুখো মানুষদের সচেতনতা বৃদ্ধি করতে এ রোড শো আয়োজন করা হয়।

বিআরটিএ খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ জিয়াউর রহমান এর দিক নির্দেশনায় অনুষ্ঠিত রোড শোতে পথচারী ও চালকদের মাঝে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।

সকলের উদ্দেশ্যে সচেতনতামূলক মাইকিং সঞ্চালনা করেন বিআরটিএ সাতক্ষীরা সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি) উসমান সরওয়ার আলম।

রোড শো তে এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিআরটিএ’র সাতক্ষীরার সার্কেলের মেকানিক্যাল এ্যাসিস্ট্যান্ট মোঃ ওবায়দুর রহমান, উচ্চমান সহকারী মোঃ নাসির উদ্দিন।

রোড শোতে বাসটার্মিনাললে চালক/শ্রমিক ও পথচারীদের মাঝে ব্যাপক সাড়া পরিলক্ষিত হয়েছে। স্থানীয় মানুষ ও সাধারণ জনগণ এই কার্যক্রমকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।