রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩
রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩

দৃশ্যমান হয়ে উঠছে ৩৫ হাজার মুক্তায় গাঁথা বুড়িয়ার দুর্গাপ্রতিমা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:০৬ অপরাহ্ণ
দৃশ্যমান হয়ে উঠছে ৩৫ হাজার মুক্তায় গাঁথা বুড়িয়ার দুর্গাপ্রতিমা

আশাশুনি সংবাদদাতা: প্রতিমার শরীরে মাটির প্রলেপ, তার ওপর রং-তুলির কাজ। এরপর একে একে বসানো হচ্ছে হাজার হাজার মুক্তা। পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হতে এখনও বাকি। এরই মধ্যে ব্যতিক্রমী প্রতিমা দেখতে ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা। সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী বুড়িয়া সার্বজনীন দুর্গামন্দিরে চলছে এমন আয়োজন। বুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অবস্থিত মন্দিরটিতে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। প্রতিমাশিল্পী ও কারিগরেরা ব্যস্ত রং, সাজসজ্জা ও মুক্তার কাজ নিয়ে। ১৩টি প্রতিমার সাজসজ্জায় ব্যবহার করা হচ্ছে প্রায় ৩৫ হাজার মুক্তা। সব মিলিয়ে প্রতিমা তৈরিতে খরচ হচ্ছে প্রায় চার লাখ টাকা।

 

আয়োজকরা জানান, এবারের মূল আকর্ষণ মুক্তার কারুকাজ। প্রচলিত সাজসজ্জার বাইরে ভিন্ন নকশায় তৈরি করা হচ্ছে ১৩টি প্রতিমা। প্রতিমার শরীর ও অলংকারের বিভিন্ন অংশে বসানো হয়েছে মুক্তা। পূজা শুরুর আগেই দূর-দূরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা এসে প্রতিমা তৈরির কাজ দেখছেন। প্রতিমাশিল্পী প্রকাশ ম-ল বলেন, প্রতিবছরই নতুন কিছু করার চেষ্টা করেন তাঁরা। এবার দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমায় দেখা কয়েকটি মূর্তির নকশার সঙ্গে নিজেদের পরিকল্পনা মিলিয়ে প্রতিমার নকশা করা হয়েছে। মুক্তার কাজ সূক্ষ্ম হওয়ায় সময় ও শ্রম বেশি লেগেছে। চারজন শিল্পী ৫২ দিন ধরে কাজ করেছেন। ১৩টি প্রতিমায় প্রায় ৩৫ হাজার মুক্তা ব্যবহার করা হয়েছে। কাজের প্রায় ৯৭ শতাংশ শেষ হয়েছে। বুড়িয়া সার্বজনীন দুর্গামন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি অর্ধেন্দু ম-ল বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এই মন্দিরে দুর্গোৎসব হয়ে আসছে। প্রতিবছর ঐতিহ্য ধরে রেখে নতুন কিছু করার চেষ্টা করা হয়। এবার মুক্তার কারুকাজের মাধ্যমে প্রতিমায় ভিন্নতা আনা হয়েছে।

 

দর্শনার্থীদের নতুনত্বের স্বাদ দেওয়াই তাঁদের লক্ষ্য। তিনি জানান, দর্শনার্থীর সংখ্যা বাড়তে পারে বিবেচনায় নিরাপত্তার ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। ম-পে সিসি ক্যামেরার পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবকেরা দায়িত্ব পালন করবেন। স্থানীয় বাসিন্দা অসিত ম-ল বলেন, বুড়িয়া আড়ংকে ঘিরে প্রতিবছরই মানুষের আগ্রহ থাকে। এবার মুক্তার কারুকাজ সেই আকর্ষণ আরও বাড়িয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা এস এম শরিফুল ইসলাম বলেন, বড়দল ইউনিয়নে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে সম্প্রীতির সঙ্গে বসবাস করছেন। দুর্গোৎসবেও পারস্পরিক সহযোগিতার সেই সংস্কৃতি দেখা যাবে।

 

আশাশুনি পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রনজিত কুমার বৌদ্দ জানান, এ বছর উপজেলায় ১০৬টি মন্দিরে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। বিভিন্ন ম-পে নেওয়া হয়েছে ব্যতিক্রমী প্রতিমা ও সাজসজ্জার উদ্যোগ। বুড়িয়ায় মুক্তাখচিত প্রতিমা, ঘুঘুমারীতে ঝরনার আদলে বিশেষ আয়োজন এবং বুধহাটা কাছারীবাড়ি ও দক্ষিণ বড়দলে ডাল দিয়ে প্রতিমা তৈরির কাজ শে পর্যায়ে। অপর দিকে বুধহাটা সুবর্ণ বনিক পাড়ায় সাধারণ মাটির কাজ দিয়ে তৈরি প্রতিমা সকলের নজড় কাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। পূজা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে ম-পগুলোর সঙ্গে প্রশাসন, স্থানীয় নেতৃবৃন্দ সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করছেন।

Ads small one

তায়কোয়ানডোতে সাতক্ষীরার ৪ খেলোয়াড়ের ৪ পদক অর্জন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:০৭ অপরাহ্ণ
তায়কোয়ানডোতে সাতক্ষীরার ৪ খেলোয়াড়ের ৪ পদক অর্জন

সংবাদদাতা: তায়কোয়ানডো অঙ্গনে সাতক্ষীরার জন্য গৌরব বয়ে এনেছে সাতক্ষীরা নবজীবন তায়কোয়ানডো ক্লাব। রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত ওপেন ক্লাব কাপ তায়কোয়ানডো চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬-এ অংশ নিয়ে ক্লাবটির চারজন খেলোয়াড়ই পদক অর্জন করেছেন। তাদের অসাধারণ সাফল্যে অর্জিত হয়েছে ১টি স্বর্ণ, ২টি রৌপ্য ও ১টি তাম্্রপদক।

গত ২ ও ৩ অক্টোবর ২০২৬ রাজধানীর মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় এ প্রতিযোগিতা। দেশের বিভিন্ন ক্লাবের প্রতিভাবান তায়কোয়ানডো খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ চ্যাম্পিয়নশিপে সাতক্ষীরা নবজীবন তায়কোয়ানডো ক্লাবের চারজন খেলোয়াড় অংশ নেন এবং প্রত্যেকেই পদক জয়ের কৃতিত্ব অর্জন করেন।

পদকজয়ী খেলোয়াড়দের মধ্যে শুভজিৎ অসাধারণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করে স্বর্ণপদক অর্জন করেন। জিহান ও সামি লাভ করেন রৌপ্যপদক। আর আফ্রিদী অর্জন করেন তাম্্রপদক। চারজন খেলোয়াড়ের চারটি পদক অর্জনের এ সাফল্য সাতক্ষীরার ক্রীড়াঙ্গনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। খেলোয়াড়দের এই অর্জনের পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের কঠোর পরিশ্রম, নিয়মিত অনুশীলন, শৃঙ্খলা, আত্মনিবেদন এবং প্রশিক্ষকদের নিবিড় দিকনির্দেশনা।

সাতক্ষীরা নবজীবন ইনস্টিটিউটের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং সাতক্ষীরা জেলা তায়কোয়ানডো অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান প্রশিক্ষক শেখ মুস্তাসিম বিল্লাহর নেতৃত্বে খেলোয়াড়রা প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণের পাশাপাশি খেলোয়াড়দের মানসিক দৃঢ়তা ও প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব গড়ে তুলতেও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

ক্লাবের এ সাফল্যে সাতক্ষীরা নবজীবন ইনস্টিটিউট ও সাতক্ষীরা নবজীবন তায়কোয়ানডো ক্লাবের পক্ষ থেকে পদকজয়ী সকল খেলোয়াড়, প্রশিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। তাদের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় সাতক্ষীরা তথা বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে আরও গৌরবময় অধ্যায় রচিত হবে-এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

অসুস্থতায় ৯ মাস শুটিংয়ে নেই, এবার ফিরতে চান তানিয়া বৃষ্টি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:০৬ অপরাহ্ণ
অসুস্থতায় ৯ মাস শুটিংয়ে নেই, এবার ফিরতে চান তানিয়া বৃষ্টি

দীর্ঘ প্রায় নয় মাস অভিনয় থেকে দূরে আছেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি। অসুস্থতার কারণে এই বিরতি তার। এখন শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় আবারও অভিনয়ে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।

শনিবার (৩ অক্টোবর) ফেসবুক লাইভে নিজের শারীরিক অবস্থা নিয়ে কথা বলেন বৃষ্টি। জানালেন, আগের চেয়ে এখন অনেকটা ভালো আছেন তিনি।

লাইভে এক প্রশ্নের জবাবে তানিয়া বৃষ্টি বলেন, ‘এখন আমার কেমো থেরাপি চলছে। ছয় মাসের মধ্যে তিন মাস শেষ হলো, চতুর্থ মাসের কেমো চলছে। আরও দুই মাস এটা চলার পর কিছু টেস্ট করা হবে। সেটার পর ডাক্তার জানাবে, পরবর্তী চিকিৎসা কী হবে।’

অভিনয়ে ফেরা প্রসঙ্গে তানিয়া বৃষ্টি বলেন, ‘এই মাস থেকেই শুটিং শুরু করতে চাই। কথাবার্তা চলছে। তবে কবে থেকে কাজ শুরু করতে পারবো, সেটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘অসুস্থতার কারণে আমি নয় মাসের মতো শুটিং করিনি। এখনো অসুস্থ আছি, তবে তখন একটু বেশি খারাপ ছিলাম। এখন অনেকটা ভালো আছি।’

তানিয়া বলেন, ‘যারা আমাকে ভালোবাসেন, আমাকে সাপোর্ট দেন, আমার জন্য অপেক্ষা করেন, তাদের যেটা চাওয়া আমি সেটা করতে চাই। যদি এত মানুষ চান আমি কাজ করি, তাহলে আমি অবশ্যই করবো।”

 

টিভি নাটকের বাইরে তানিয়ার হাতে রয়েছে ‘ট্রাইব্যুনাল’ নামের একটি সিনেমার কাজ। রায়হান খান নির্মিতব্য এ ছবিতে আরও আছেন তারিক আনাম খান, সাবেরী আলম, মৌসুমী হামিদ, সায়রা আক্তার জাহান, আদর আজাদ, শাহেদ আলী, মিলন ভট্টাচার্য, অশোক ব্যাপারী, রাকিব হোসেন ইভন এবং উপমা।

যুক্তরাষ্ট্র কেন নিঃসঙ্গ শক্তিতে পরিণত হচ্ছে, জানালেন ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:০১ অপরাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্র কেন নিঃসঙ্গ শক্তিতে পরিণত হচ্ছে, জানালেন ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্র নিজের ইচ্ছাতেই নিঃসঙ্গ শক্তিতে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনি জানান, ওয়াশিংটনের আমূল পরিবর্তন ও চীনের উত্থান বৈশ্বিক রাজনৈতিক দৃশ্যপটকে নতুন করে রূপ দিচ্ছে।

৬২তম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে বক্তব্য প্রদানকালে জয়শঙ্কর বলেন, বর্তমান আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের তীব্র প্রতিযোগিতা, বিকাশমান ও মধ্যম শক্তির দেশগুলোর স্বাবলম্বী হওয়ার প্রবণতা এবং অংশীদারত্বের বৈচিত্র্যায়ন ও ঝুঁকি কমানোর উদ্যোগের মাধ্যমে সংজ্ঞায়িত হচ্ছে।

সম্মেলনে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এখানে উপস্থিত কেউই এই বিষয়ে দ্বিমত প্রকাশ করবেন না যে, আজকের বিশ্ব পরিস্থিতি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের একটি আমূল পুনর্বিন্যাসের দ্বারা চিহ্নিত হচ্ছে।

এই পুনর্বিন্যাসকে একটি ইচ্ছাকৃত অবস্থান উল্লেখ করে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নিজের ইচ্ছাতেই নিঃসঙ্গ শক্তিতে পরিণত হয়েছে।

আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার দ্বিতীয় প্রধান বৈশিষ্ট্য হিসেবে চীনের উত্থানকে চিহ্নিত করে জয়শঙ্কর দেশটির অর্থনৈতিক ক্ষমতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বিশ্ব প্রস্তুতকারক খাতের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ পরিচালনা করছে চীন, যা তাদের রাজনৈতিক প্রভাব বাড়াতে সহায়তা করছে।

বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র-চীন তীব্র প্রতিযোগিতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আজকের এই প্রতিযোগিতা কেবল এই দুটি দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং কোনও দেশের হাতে থাকা যেকোনও প্রভাবকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের দিকে ঠেলে দিয়েছে।

পাশাপাশি বিকাশমান ও মাঝারি শক্তির দেশগুলোর আত্মসচেতনতা বাড়ার কথা উল্লেখ করে জয়শঙ্কর বলেন, তারা এখন অধিকতর স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করছে। ভারতের ‘আত্মনির্ভর’ ধারণার কথা তুলে ধরে তিনি জানান, এই দেশগুলো এখন সরবরাহ শৃঙ্খল আরও শক্তিশালী করছে এবং নিজেদের অর্থনীতি ও নিরাপত্তার বাইরে গিয়ে অংশীদারত্বের বৈচিত্র্যায়ন ও ঝুঁকি কমানোর নীতি গ্রহণ করছে।

জয়শঙ্কর জোর দিয়ে বলেন, একসঙ্গে কাজ করার জন্য প্রতিটি বিষয়ে দেশগুলোর মধ্যে পূর্ণ ঐকমত্যের প্রয়োজন নেই। তিনি বলেন, যে দিনগুলোতে সব বিষয়ে অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি বা স্বার্থের শক্তিশালী মিল থাকতে হতো, সেই দিনগুলোর মাপকাঠি আজকের দিনে অনেক বেশি উঁচু। পর্যাপ্ত সাধারণ ভিত্তি বা লক্ষ্য থাকলেই দেশগুলোর একসঙ্গে কাজ করার জন্য তা যথেষ্ট।

উদীয়মান শক্তিগুলোর বিভিন্ন সহযোগিতার উদাহরণ হিসেবে তিনি কোয়াড, ইন্ডিয়া-মিডল ইস্ট-ইউরোপ ইকোনমিক করিডোর, ইন্টারন্যাশনাল নর্থ-সাউথ ট্রান্সপোর্ট করিডোর এবং ব্রিকস-এর কথা উল্লেখ করেন।

ব্রিকস প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ব্রিকস এমন এক পক্ষগুলোর একত্রিত হওয়ার উদাহরণ, যারা মনে করে তাদের ব্যক্তিগত কণ্ঠস্বরের চেয়ে যৌথ কণ্ঠস্বর অনেক বেশি শক্তিশালী।

এসব নমনীয় অংশীদারত্বের মাধ্যমেই আজকের পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক ব্যবস্থা গড়ে উঠছে বলে জানান তিনি।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে