রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩

দেবহাটায় ওয়াহেদুজ্জামানকে পিটিয়ে হত্যা, আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০১ পূর্বাহ্ণ
দেবহাটায় ওয়াহেদুজ্জামানকে পিটিয়ে হত্যা, আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরায় দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়া ইউনিয়নের বড় শান্তা গ্রামের শামছুদ্দিন সানার ছেলে ওয়াহেদুজ্জামান সানা ওরফে শামীমকে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা দায়েরের পর এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারে জেলা ও জেলার বাইরে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।
এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামিদের মধ্যে রয়েছেন পারুলিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক সাদিকুল ইসলাম ওরফে ভদু, ৭ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি কামরুল ইসলাম ও ফজলুল হক আমিনী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁদের দেওয়া উসকানিমূলক বক্তব্যের ভিডিওচিত্র ভাইরাল হওয়ার পর থেকে তাঁদের গ্রেপ্তারের দাবি জোরালো হয়েছে।
মামলার বাদী নিহতের বড় ভাই আব্দুল জলিল। এজাহারভুক্ত অন্য আসামিরা হলেনÑমোবারেক হোসেন মোড়ল, আসাদুল ইসলাম মোল্লা, মোক্তার হোসেন খান, নাজমুল, মিজানুর রহমান মিজান, আবুল কাশেম ও মো. আজাহারুল ইসলাম।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দেবহাটা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আল আমীন জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসাদুল ইসলাম ও মোক্তার হোসেন খানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য, ওয়াহেদুজ্জামান দীর্ঘদিন ধরে মানসিক রোগে ভুগছিলেন। মহানবীকে কটূক্তির অভিযোগে গত সোমবার তাঁর বাড়িতে হামলা চালানো হয়। পরবর্তীতে তিনি কুলিয়া বাজারের এক ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে গেলে সেখান থেকেও তাঁকে টেনেহিঁচড়ে বের করে মারধর করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ উদ্ধার করে তাঁকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে জেলা হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।
জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান দলীয় সম্পৃক্ততার দাবি অস্বীকার করে বলেন, হত্যাকা-ের সঙ্গে জামায়াতের কারও যোগসূত্র নেই এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত। দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচএম শাহীন জানান, ডিজিটাল প্রযুক্তি ও অভিযানিক কার্যক্রম ব্যবহার করে পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

Ads small one

গুড়পুকুর মেলায় বাড়তি আয়ের সুযোগ, স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মুখে হাসি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১৮ পূর্বাহ্ণ
গুড়পুকুর মেলায় বাড়তি আয়ের সুযোগ, স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মুখে হাসি

0-0x0-0-0#

মিলন বিশ্বাস: সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুর মেলাকে ঘিরে বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের। মেলার কয়েক দিনের বেচাকেনায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে তাঁদের সংসারে। সারা বছর যেখানে সীমিত আয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয়, সেখানে মেলাকে কেন্দ্র করে বাড়তি ক্রেতার সমাগম তাঁদের আয়ের নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, মেলায় খরচ বাদ দিয়ে মোটামুটি লাভ থাকছে। অন্যদিকে, মেলা শেষ হলে আবারও কমে যাবে বেচাকেনা অপেক্ষা করতে হবে পরবর্তী মেলার জন্য।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) মেলার ১৭তম দিনে শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে গিয়ে দেখা যায়, বিভিন্ন দোকানে ক্রেতা-দর্শনার্থীদের আনাগোনা রয়েছে। পোশাক, প্রসাধনী, খেলনা ও গৃহস্থালির সামগ্রীর দোকানের পাশাপাশি চা-নাশতা ও খাবারের দোকানেও চলছে বেচাকেনা। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিভিন্ন উপজেলা থেকে প্রতিমা দর্শনে আসা মানুষও ঘুরে দেখছেন মেলা। এতে মেলাপ্রাঙ্গণে বাড়তি প্রাণচাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
মেলার এই বাড়তি জনসমাগমে উপকৃত হচ্ছেন স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন চা বিক্রেতা, খাবারের দোকানি ও বিভিন্ন ছোট পণ্যের বিক্রেতারা। মেলায় আসা মানুষের আনাগোনা বাড়ায় তাঁদের পণ্য ও সেবা বিক্রির সুযোগও বাড়ছে। বিশেষ করে অস্থায়ী দোকানিদের কাছে মেলার দিনগুলো বাড়তি আয়ের গুরুত্বপূর্ণ সময়।
মেলায় চায়ের দোকান চালানো লেয়াকাত বলেন, “মেলার এই কয়েক দিন বেচাকেনা একটু ভালো হচ্ছে। তা না হলে এর আগে দিনে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা আয় করতে হতো। সেই টাকা দিয়ে সংসার চালানো কঠিন ছিল। মেলার এই কয়েক দিন পরিবার নিয়ে একটু ভালোভাবে সংসার চালাতে পারছি।”
লেয়াকাতের কথায় উঠে আসে স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের প্রতিদিনের জীবনসংগ্রামের চিত্র। সীমিত আয়ের মধ্যে সংসারের খরচ সামলাতে হয় তাঁদের। তাই মেলার মতো বড় আয়োজন তাঁদের জন্য বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরি করে। কয়েক দিনের ভালো বেচাকেনাও তাঁদের সংসারে কিছুটা স্বস্তি এনে দেয়।
অন্যদিকে, শিশুদের খেলনার চাহিদাকে কেন্দ্র করে ভালো বেচাকেনার আশা করছেন দূরদূরান্ত থেকে আসা ব্যবসায়ীরা। ঢাকা থেকে মেলায় খেলনার দোকান নিয়ে এসেছেন সোহাগ। তিনি বলেন, “মেলায় আসার জন্য ছোট বাচ্চাদের আগ্রহ বেশি থাকে। মেলার শুরু থেকেই শিশুদের খেলনার চাহিদা ভালো ছিল। এখন মেলা শেষের দিকে, চাহিদা আরও বেড়েছে। বেচাকেনাও ভালো হচ্ছে। তবে মেলা শেষ হলে আবার বেচাকেনা কমে যাবে। তখন অন্য কোনো মেলার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।”
সোহাগের মতো অনেক ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীর জীবিকা নির্ভর করে বিভিন্ন মেলায় দোকান বসানোর ওপর। এক মেলা শেষ হলে অন্য মেলায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে হয় তাঁদের। ফলে মেলার শেষ দিনগুলোতে ভালো বেচাকেনা তাঁদের জন্য বাড়তি আয়ের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হয়ে ওঠে।
ব্যবসায়ীরা জানান, দোকান পরিচালনা, পণ্য কেনা ও অন্যান্য খরচ মেটানোর পর মোটামুটি লাভ থাকছে। তবে বিক্রির পরিমাণ দোকান ও পণ্যের ধরন অনুযায়ী ভিন্ন। মেলার শেষ সময় পর্যন্ত ক্রেতাদের আনাগোনা থাকলে বেচাকেনা আরও ভালো হবে বলে আশা তাঁদের।
এদিকে, মেলায় দর্শনার্থীদের উপস্থিতি বাড়লেও সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা ভালো রয়েছে বলে জানিয়েছেন মেলায় আসা মানুষজন। মেলাপ্রাঙ্গণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা ও নজরদারি দর্শনার্থীদের স্বস্তি দিচ্ছে। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মেলায় ঘুরতে আসা মানুষ কেনাকাটা ও বিনোদনের পাশাপাশি নিরাপদ পরিবেশে সময় কাটানোর সুযোগ পাচ্ছেন।
প্রায় ৩০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুর মেলা শুরু হয়েছে গত ১ অক্টোবর। দুই বছর বিরতির পর এবার মেলা বসায় স্থানীয় মানুষের পাশাপাশি দূরদূরান্তের ব্যবসায়ীদের মধ্যেও আগ্রহ তৈরি হয়েছে। শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে আয়োজিত এ মেলা চলবে আগামী ২০ অক্টোবর পর্যন্ত।
ঐতিহ্য, বিনোদন ও কেনাকাটার পাশাপাশি গুড়পুকুর মেলা স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মেলাকে ঘিরে কয়েক দিনের বাড়তি আয় তাঁদের সংসারে কিছুটা স্বস্তি এনে দিচ্ছে। তাই দর্শনার্থীদের উপস্থিতি ও বেচাকেনার এই গতি মেলার শেষ দিন পর্যন্ত বজায় থাকবে এমন প্রত্যাশা ব্যবসায়ীদের।

অবশেষে আমিনী গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১৬ পূর্বাহ্ণ
অবশেষে আমিনী গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে ওয়াহিদুজ্জামান শামীমকে পিটিয়ে হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি ফজলুল হক আমিনীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে কালিগঞ্জ থানার কৃষ্ণনগর এলাকা থেকে পুলিশ ও এসআরবির যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলম।
দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচ এম শাহীন বলেন, ‌‘রাত ১১টার দিকে পুলিশ ও এসআরবির যৌথ অভিযানে শামীম হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফজলুল হক আমিনীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে। এর আগে এই মামলার দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক এলাকাবাসী পত্রদূতকে জানায়, বার বার মব সৃষ্টি ও আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে কোন ধরনের শাস্তি না পাওয়ায় আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে একের পর এক নৃশংস মব তৈরি করে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন ফজলুল হক আমিনী। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়া এলাকায় তিনি হয়ে উঠেছেন আরও বেশি বেপরোয়া। এর আগেও বিভিন্ন ঘটনায় মব বা বিচারবহির্ভূত নির্যাতনে নেতৃত্ব দেওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলেও আইনের কঠোর প্রয়োগ না থাকায় তিনি বারবার পার পেয়ে গেছেন এবং আরও বেপরোয়া রূপে ফিরে এসেছেন বলে স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মে মাসে ধর্ম অবমাননার মিথ্যা অভিযোগ তুলে মব সৃষ্টি করে পারুলিয়ার শহিদুল ইসলাম নামের এক বীর মুক্তিযোদ্ধাকে নির্মমভাবে মারধর করা হয়। এখানেই ক্ষান্ত হননি তিনি; একই বছরের অক্টোবর মাসে সোহাগ হোসেন নামের আরেক যুবকের বাড়িতে মব তৈরি করে চালানো হয় ভয়াবহ গণপিটুনি। সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো, পারুলিয়া ১ নম্বর ইউনিয়নের এক সদস্যের বিরুদ্ধেও ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে তার বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও গণপিটুনির মতো জঘন্য ঘটনা ঘটানো হয়। এসব প্রতিটি লোমহর্ষক ঘটনায় মূল নেতৃত্ব বা উসকানিদাতা হিসেবে ফজলুল হক আমিনীর নামই বারবার উঠে এসেছে।
গ্রেপ্তারের দু’দিন পূর্বে দৈনিক পত্রদূত এর পক্ষ থেকে এই প্রািতবেদক ফজলুল হক আমিনীর সাথে কথা বললে তিনি দাবি করেন, তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত নন। তবে পারুলিয়ার এক যুবক আল্লাহ, রাসূল ও কোরআন-হাদিস নিয়ে কটূক্তি করেছে দাবি করে তিনি জানান, এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটলে তিনি নিজের জায়গা থেকে সবসময় নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন। এর আগের ঘটনাগুলোতেও যে তিনি উপস্থিত ছিলেন এবং নেতৃত্ব দিয়েছেন, তা তিনি অকপটে স্বীকার করেন। ফেসবুক এবং লাইভে স্ট্যাটাস দিয়ে লোক জড়ো করে এই বিচারবহির্ভূত মব সৃষ্টির কথা তিনি স্পষ্ট স্বীকার করেন। প্রশাসন বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে ধরলে তার কোনো আপত্তি নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর পরিণামে তার ফাঁসি বা জেল হলেও তার কোনো আফসোস নেই।
নিজের সামাজিক ও পেশাগত পরিচয়ের আড়ালে তিনি পারুলিয়া বাজারের গরু-ছাগল জবাইয়ের পাশাপাশি মোটরসাইকেল চালক সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন এবং বিভিন্ন মসজিদে ইমামের প্রক্সি দিয়ে থাকেন বলে জানান। ইসলাম ও রাসূলের অবমাননার নামে তার এই বিচারবহির্ভূত কর্মকান্ড ও ক্ষোভ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি ঘোষণা দেন।
শামীম হত্যার ঘটনায় তাকে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের করার পর থেকে তাকে আর এলাকায় দেখা যায়নি। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করে তার পক্ষে পাবলিক সেন্টিমেন্ট নেওয়ার চেষ্টা করছে।
এই ঘটনায় মানবাধিকার কর্মী মাধব চন্দ্র দত্ত তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, কোনো ব্যক্তি কখনোই রাষ্ট্রের আইন নিজের হাতে তুলে নিতে পারে না। ফজলুল হক আমিনী যে হত্যাযঞ্জের নেতৃত্ব দিয়েছেন সেজন্য তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের এখনই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্র যদি এখনই জোরালো পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়, তবে এ ধরনের মব সন্ত্রাস বারবার ঘটতেই থাকবে, যা আমিনী এর আগেও ঘটিয়েছেন। এই ঘটনার মাধ্যমেই পরিষ্কার প্রমাণিত হয় যে তিনি আইনকে বিন্দুমাত্র তোয়াক্কা করেন না। তিনি যে ভাষাতেই সাফাই গান না কেন, মূলত তিনি প্রকাশ্যে মৃত্যুদন্ড বা বিচারবহির্ভূত শাস্তির ঘোষণা দিয়েছেন। যা তাকে একজন স্বঘোষিত অপরাধীতে পরিণত করেছে। তাই আইন প্রয়োগকারী সংস্থার উচিত তাকে কোনোভাবেই ছাড় না দেওয়া।
এরআগে মামলা দায়েরের পর পুলিশ ইতোমধ্যে আরো দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

সম্প্রীতি বজায় রেখে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে অ্যাডভোকেট সৈয়দ ইফতেখার আলীর আহ্বান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ণ
সম্প্রীতি বজায় রেখে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে অ্যাডভোকেট সৈয়দ ইফতেখার আলীর আহ্বান

সাতক্ষীরার মায়ের বাড়ি মন্দিরে আলোচনা সভা

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরার মায়ের বাড়ি মন্দিরে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ ইফতেখার আলী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব আনন্দ ও সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে আসে। অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গঠনে সব ধর্মের মানুষের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা অপরিহার্য। তিনি বলেন, শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধের ধারা বজায় রাখতে সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ তারিকুল হাসান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মো. শের আলী, সাতক্ষীরা জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মো. আব্দুস সামাদ, জেলা যুবদলের সাবেক প্রধান সমন্বয়ক ও সাবেক কাউন্সিলর আইনুল ইসলাম নান্টা, সাতক্ষীরার জিপি অসীম কুমার ম-ল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট কামরুজ্জামান ভুট্টো, পৌর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল মামুন রাজু, জেলা কৃষক দলের সাবেক আহ্বায়ক আহসানুল কাদির স্বপন, জেলা বিএনপির সদস্য প্রভাষক আতাউর রহমান, জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক সিকদার, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আবু রায়হান ও সাধারণ সম্পাদক দুদায়াভ মাসুদ অর্ঘ্য। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা মন্দির সমিতির সভাপতি সোমনাথ ব্যানার্জি।