বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

নির্বাচিত হই বা না হই, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ছেড়ে যাইনি: কাজী আলাউদ্দীন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৪৪ অপরাহ্ণ
নির্বাচিত হই বা না হই, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ছেড়ে যাইনি: কাজী আলাউদ্দীন

মিলন বিশ্বাস: “আমি নির্বাচিত হই বা না হই, কখনো সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ছেড়ে যাইনি, ভবিষ্যতেও যাব না।” আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সাতক্ষীরার আশাশুনি ও কালিগঞ্জ উপজেলার পূজাম-পে সরকারি বরাদ্দের চাল বিতরণ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাতক্ষীরা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ কাজী আলাউদ্দীন।

বুধবার আশাশুনি উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে এবং কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে পৃথক অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। দুই উপজেলায় মোট ১৬১টি পূজাম-পে প্রতিটিতে ৬০০ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
কাজী আলাউদ্দীন বলেন, বর্তমান সরকার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ভোট ও সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করেছে। তিনি নির্বাচনে বিজয়ী হতে না পারলেও এলাকার মানুষের পাশ থেকে সরে যাননি।

 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এলাকার উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। নিজের নির্বাচনে পরাজয়ের প্রসঙ্গ তুলে কাজী আলাউদ্দীন বলেন, দলের অভ্যন্তরীণ বিভক্তি ও বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে তিনি পরাজিত হয়েছেন। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উভয় প্রার্থীকে ডেকে তাঁকে মনোনয়ন দিয়েছিলেন এবং অন্য প্রার্থীকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন। তবে সেই আহ্বান উপেক্ষা করায় তাঁকে পরাজয় বরণ করতে হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

কাজী আলাউদ্দীন আরও বলেন, “হিন্দু-মুসলমান আমরা সবাই ভাই ভাই।” সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার পর্যায়ক্রমে তৃণমূলের মানুষের কল্যাণে কাজ করছে। সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে সবার দোয়া ও আশীর্বাদ কামনা করেন তিনি। কালিগঞ্জ উপজেলার মন্দিরগুলোর উন্নয়ন প্রসঙ্গে কাজী আলাউদ্দীন জানান, বর্তমান সরকারের মাধ্যমে ইতোমধ্যে উপজেলার ৪৬টি মন্দিরের উন্নয়নে বরাদ্দের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বাকি মন্দিরগুলোর উন্নয়নেও পর্যায়ক্রমে বরাদ্দের ব্যবস্থা করা হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, আগে প্রতিটি পূজাম-পে ৫০০ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হতো। এবার প্রধানমন্ত্রী আরও ১০০ কেজি বাড়িয়ে প্রতিটি ম-পে ৬০০ কেজি করে চাল বরাদ্দ দিয়েছেন। এ ছাড়া হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের বরাদ্দের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী আরও পাঁচ কোটি টাকা বাড়িয়েছেন বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়। আশাশুনি উপজেলায় ১০৬টি এবং কালিগঞ্জ উপজেলায় ৫৫টি পূজাম-পে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সে হিসাবে দুই উপজেলায় মোট ১৬১টি পূজাম-পের জন্য ৯৬ হাজার ৬০০ কেজি বা ৯৬.৬ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ রয়েছে। অনুষ্ঠানে পূজাম-পগুলোর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের হাতে চালের ডিও (বরাদ্দপত্র) তুলে দেওয়া হয়।

বুধবার দুপুর ৩টায় আশাশুনি উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামানন্দ কুন্ডু। এতে উপস্থিত ছিলেন আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীদুর ইসলাম, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি নীলকণ্ঠ সোম, সাধারণ সম্পাদক রনজিত বৈদ্য ও উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আবু জাহিদ সোহাগ।

 

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম। অন্যদিকে, কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া আক্তার। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মফিজুর রহমান, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মাহাদি হাসান শিহাব, উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রনজিত সরকার ও সাধারণ সম্পাদক মিলন কুমার ঘোষ। এ ছাড়া দুই উপজেলার পূজাম-পগুলোর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

Ads small one

ভিডিএফের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি বাগেরহাটের শুভ্র, সম্পাদক সাতক্ষীরার হোসেন আলী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ণ
ভিডিএফের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি বাগেরহাটের শুভ্র, সম্পাদক সাতক্ষীরার হোসেন আলী

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম যুব-নেতৃত্বাধীন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ভলান্টিয়ার ডেভেলপমেন্ট ফোরামের (ভিডিএফ) খুলনা বিভাগীয় নির্বাহী কমিটি নির্বাচন-২০২৬-এ সভাপতি পদে ২০৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বাগেরহাটের যুব সংগঠক অমিত দাস শুভ্র। একই সংখ্যক ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সাতক্ষীরার তরুণ সাংবাদিক ও যুব সংগঠক মো. হোসেন আলী।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সচিব ড. আবুল হোসেনের আদেশক্রমে নির্বাচন কমিশনার নাজিয়া তারান্নুম স্বাক্ষরিত পত্রে এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এর আগে দেশের আটটি বিভাগে একযোগে ভিডিএফের বিভাগীয় নির্বাহী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত অনলাইনে ভোট গ্রহণ করা হয়।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, খুলনা বিভাগীয় নির্বাহী কমিটির সহসভাপতি-১ (কৌশল ও পরিকল্পনা) পদে যশোরের রাহিয়া ভূঁইয়া ইরা, সহসভাপতি-২ (কার্যক্রম ও পরিচালনা) পদে মাগুরার মো. ইব্রাহীম শেখ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে নড়াইলের শেখ নাজমুস সাকিব সিয়াম এবং কোষাধ্যক্ষ পদে বাগেরহাটের প্রিতম ম-ল নির্বাচিত হয়েছেন।

এ ছাড়া মানবসম্পদ, প্রশাসন ও লজিস্টিকস বিষয়ক সম্পাদক পদে মাগুরার মো. আরাফাত হাসান, মিডিয়া ও জনসংযোগ বিষয়ক সম্পাদক পদে চুয়াডাঙ্গার মো. সাইফুল্লাহ আল সাদিক, পর্যবেক্ষণ, গবেষণা ও উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক পদে কুষ্টিয়ার রায়ানা তাবাসসুম এবং নারী ও শিশু কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক পদে বাগেরহাটের ইরানি বিশ্বাস নির্বাচিত হয়েছেন। কার্যনির্বাহী সদস্য পদে বিজয়ী হয়েছেন সাতক্ষীরার রিংকী চৌধুরী।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ভলান্টারি সার্ভিসেস ওভারসিজের (ভিএসও) সহযোগিতায় পরিচালিত ভিডিএফ বাংলাদেশের তরুণ স্বেচ্ছাসেবকদের একটি জাতীয় নেটওয়ার্ক। দেশের ৬৪টি জেলায় কার্যক্রম পরিচালনাকারী এ সংগঠন যুব নেতৃত্বের বিকাশ, স্বেচ্ছাসেবকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, জলবায়ু সচেতনতা তৈরি এবং তৃণমূল পর্যায়ে টেকসই সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এ নির্বাচনে দেশের আট বিভাগের মোট ৩ হাজার ৩১৯ জন নিবন্ধিত ভোটারের মধ্যে ১ হাজার ১৬০ জন ভোট দিয়েছেন। সে হিসাবে ভোটদানের হার ৩৪.৯৫ শতাংশ। নির্বাচনে বিভিন্ন পদে মোট ১১৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং তাদের মধ্যে ৮৮ জন নির্বাচিত হয়েছেন।

 

বৈকারী ইউনিয়নে কমিউনিটি লিগ্যাল ক্যাম্প

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০৩ অপরাহ্ণ
বৈকারী ইউনিয়নে কমিউনিটি লিগ্যাল ক্যাম্প

স্বদেশ সংস্থার বাস্তবায়নে ‘আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)’, সুইজারল্যান্ড দূতাবাস, গ্লোবাল অ্যাফার্স কানাডা (জিএসি) ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহায়তায় ‘নাগরিকতা: সিভিক এনগেজমেন্ট ফান্ড (সিইএফ)’ প্রকল্পের অধীনে ‘এনগেজ ঘর’ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় সদর উপজেলার বৈকারী ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মোছা. মৌরুদা খাতুনের সভাপতিত্বে একটি কমিউনিটি লিগ্যাল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।

ক্যাম্পে উপস্থিত ছিলেন মানবাধিকারকর্মী অ্যাডভোকেট এস এম বিপ্লব হোসেন ও জেলা তথ্য অফিসের মো. মনিরুজ্জামান। ক্যাম্পে নারী ও শিশু অধিকার, শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং বিদ্যমান আইন সম্পর্কে সচেতনতামূলক আলোচনা করা হয়।

 

পাশাপাশি আগত সেবাপ্রার্থীদের বিভিন্ন বিষয়ে বিনামূল্যে আইনি পরামর্শ প্রদান করা হয়। এ সময় এলাকার শতাধিক নারী-পুরুষ উপস্থিত থেকে ক্যাম্পে অংশগ্রহণ করেন। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন নাগরিকতা প্রকল্পের প্রোগ্রাম অফিসার মো. আজহারুল ইসলাম। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

আশাশুনিতে সাংবাদিক বিএম আলাউদ্দীনের মেজ দাদার ইন্তেকাল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৫৯ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে সাংবাদিক বিএম আলাউদ্দীনের মেজ দাদার ইন্তেকাল

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে সাংবাদিক বিএম আলাউদ্দীনের মেজ দাদা শহিদুল ইসলাম বিশ্বাস (৭২) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত এলেম বিশ্বাসের ছেলে শহিদুল ইসলাম বিশ্বাস দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন।

জোহরের নামাজের পর ফকরাবাদ ঈদগাহ মাঠে মরহুমের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় ইমামতি করেন তাঁর পৌত্র হাফেজ মাওলানা আল আমিন বিশ্বাস। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।

জানাজায় উপস্থিত ছিলেন যুবদল নেতা শরিফুল ইসলাম শরীফ, ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আব্দুল ওয়াজেদ আলী, ফকরাবাদ হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ মাওলানা মফিজুল ইসলাম, বাইতুল আমান জামে মসজিদের খতিব ইয়াসিন আরাফাত, সাবেক ইউপি সদস্য হাফেজ রুহুল আমিন, সাবেক সেনা কর্মকর্তা মইনুল বিশ্বাসসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

মৃত্যুকালে তিনি এক কন্যা ও তিন ছেলেসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, শুভাকাক্সক্ষী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে পরিবার-পরিজন ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।