শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩

প্রতি রাতে ঘুম একই সময় ভেঙে যায়, জেনে নিন কারণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৯:২৪ পূর্বাহ্ণ
প্রতি রাতে ঘুম একই সময় ভেঙে যায়, জেনে নিন কারণ

অনেক মানুষ লক্ষ্য করেন যে তারা প্রায় প্রতিদিন রাতে নির্দিষ্ট একটি সময়ে ঘুম ভেঙে যায়। কখনো সেটি মাঝরাতে, কখনো ভোরের দিকে। বিষয়টি অদ্ভুত মনে হলেও এর পেছনে শরীরের ভেতরের জৈবিক ঘড়ি, ঘুমের অভ্যাস, মানসিক চাপ এবং কিছু শারীরিক সমস্যাও কাজ করতে পারে।

ঘুমের এই পুনরাবৃত্তি সবসময়ই বড় কোনো রোগের ইঙ্গিত নাও হতে পারে, তবে কারণগুলো বুঝতে পারলে ঘুমের মান উন্নত করা সহজ হয়।

শরীরের প্রাকৃতিক ঘুমের ছন্দ
মানুষের শরীরের একটি নিজস্ব সময়সূচি থাকে, যাকে বলা হয় সার্কাডিয়ান রিদম। এটি প্রায় ২৪ ঘণ্টার একটি চক্র, যা মস্তিষ্কের একটি অংশ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

এই জৈবিক ঘড়ি ঠিক করে দেয় কখন ঘুম আসবে, কখন শরীর জেগে উঠবে, এমনকি শরীরের তাপমাত্রা এবং হরমোন নিঃসরণের সময়ও নিয়ন্ত্রণ করে।

যদি কেউ প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যায়, তাহলে শরীর সেই সময় অনুযায়ী একটি অভ্যাস তৈরি করে নেয়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, যদি কেউ প্রতিদিন রাত ১০টায় ঘুমিয়ে পড়েন এবং শরীরের ঘুমের চক্র ছয় ঘণ্টার হয়, তাহলে ভোর ৪টার দিকে ঘুম ভেঙে যাওয়া স্বাভাবিক হয়ে যেতে পারে।

অনেক সময় মানুষ এই জেগে ওঠা টেরও পান না, কারণ ঘুম এবং জাগরণের মাঝামাঝি একটি হালকা অবস্থায় তারা আবার ঘুমিয়ে পড়েন।

ঘুমের ধাপগুলো যেভাবে কাজ করে
ঘুম একটানা এক অবস্থায় থাকে না। এটি কয়েকটি ধাপে বিভক্ত থাকে।

প্রথমে থাকে হালকা ঘুম, এরপর গভীর ঘুম, এবং পরে আসে স্বপ্নের ধাপ। এই পুরো প্রক্রিয়াটি একটি চক্রের মতো চলতে থাকে।

প্রতি ৯০ থেকে ১২০ মিনিট পর ঘুমের একটি পূর্ণ চক্র শেষ হয়। তখন সামান্য সময়ের জন্য ঘুম ভেঙে যেতে পারে। অনেক সময় এটি এত দ্রুত ঘটে যে আমরা তা মনে রাখি না।

প্রতি রাতে একই সময় ঘুম ভেঙে যাওয়ার কারণ-

পরিবেশগত কারণ
ঘুম ভাঙার পেছনে আশপাশের পরিবেশ বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

রাতের শব্দ, যেমন যানবাহন, ট্রেন বা বৈদ্যুতিক যন্ত্রের শব্দ ঘুমের মধ্যে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। ঘরের এসি বা হিটার চালু এবং বন্ধ হওয়াও ঘুম ভেঙে দিতে পারে।

তাপমাত্রার পরিবর্তনও একটি কারণ। শীতকালে রাতে তাপমাত্রা কমে গেলে বা গরমে বেশি গরম লাগলে শরীর ঘুমের মধ্যে সাড়া দিতে পারে।

ডিজিটাল ডিভাইসের প্রভাব
মোবাইল ফোন, ট্যাবলেট বা টেলিভিশনের মতো ডিভাইস ঘুমের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। এসব যন্ত্র থেকে আসা আলো বা শব্দ মস্তিষ্ককে সক্রিয় করে রাখতে পারে।

ঘুমের সময় হালকা শব্দ বা আলোও ঘুমের গভীরতা কমিয়ে দিতে পারে, ফলে মাঝরাতে ঘুম ভেঙে যেতে পারে।

মানসিক চাপ ও উদ্বেগ
চাপ এবং দুশ্চিন্তা ঘুমের বড় শত্রু। দীর্ঘ সময় মানসিক চাপ থাকলে শরীরের রক্তচাপ এবং হরমোনের ভারসাম্য পরিবর্তিত হতে পারে।

এর ফলে রাতে ঘুম ভেঙে যাওয়া, বুক ধড়ফড় করা বা অস্থির অনুভূতি হতে পারে। উদ্বেগজনিত সমস্যায় এই পরিস্থিতি আরও বেশি দেখা যায়।

ঘুমের ব্যাধি
কিছু শারীরিক সমস্যাও নিয়মিত ঘুম ভাঙার কারণ হতে পারে।

ঘুমের সময় শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা। এতে শরীর অক্সিজেনের ঘাটতি অনুভব করে এবং হঠাৎ ঘুম ভেঙে যেতে পারে।

আরেকটি সমস্যা হলো ঘুমের সময় শরীর চলতে না পারা, যা অনেককে ভয় পেয়ে জাগিয়ে তোলে।

চোখেই মিলতে পারে ফ্যাটি লিভারের ইঙ্গিত, বুঝবেন যেসব লক্ষণে
রাতে বারবার প্রস্রাবের প্রয়োজন
রাতে বারবার প্রস্রাবের প্রয়োজন হলে ঘুম নিয়মিতভাবে ভেঙে যেতে পারে। এটি ডায়াবেটিস, প্রোস্টেট সমস্যা, ব্লাডার সমস্যা বা অতিরিক্ত পানি পান করার কারণে হতে পারে।

কখনো কখনো ঘুমের শ্বাসকষ্টের সমস্যাও এই অবস্থার সঙ্গে যুক্ত থাকে।

হজমজনিত সমস্যা
অ্যাসিডিটি বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থাকলে শোয়ার পর বুক জ্বালা বা অস্বস্তি হতে পারে।

বিশেষ করে সমতলভাবে শুয়ে থাকলে পেটের অ্যাসিড ওপরে উঠে এসে অস্বস্তি তৈরি করতে পারে, যা ঘুম ভেঙে দেয়।

হরমোনের পরিবর্তন
নারীদের ক্ষেত্রে বয়স বা শারীরিক পরিবর্তনের কারণে হরমোনের ওঠানামা ঘুমে প্রভাব ফেলতে পারে। এতে রাতের ঘাম, হঠাৎ গরম লাগা বা ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে।

গর্ভাবস্থায়ও শরীরের পরিবর্তনের কারণে ঘুম ভাঙা সাধারণ একটি বিষয়।

বয়স বাড়ার প্রভাব
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘুমের মান পরিবর্তিত হয়। অনেকের ক্ষেত্রে গভীর ঘুম কমে যায় এবং ঘুম ভাঙার প্রবণতা বেড়ে যায়।

এ ছাড়া বয়সজনিত নানা রোগ যেমন ডায়াবেটিস, হৃদরোগ বা শ্বাসকষ্টও ঘুমে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

ওষুধের প্রভাব
কিছু ওষুধ ঘুমের স্বাভাবিক চক্রকে প্রভাবিত করতে পারে। কিছু ওষুধ শরীরকে উত্তেজিত রাখে, আবার কিছু ওষুধ বারবার প্রস্রাবের প্রয়োজন বাড়িয়ে দেয়।

এ ছাড়া ক্যাফেইন বা উদ্দীপক জাতীয় উপাদানও ঘুম ভাঙার কারণ হতে পারে।

প্রতি রাতে একই সময়ে ঘুম ভেঙে যাওয়া সবসময় গুরুতর সমস্যা নাও হতে পারে। অনেক সময় এটি শরীরের স্বাভাবিক অভ্যাস বা জীবনযাত্রার ফল। তবে যদি এটি দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে এবং ক্লান্তি বা অস্বস্তি বাড়ায়, তাহলে ঘুমের অভ্যাস, খাদ্যাভ্যাস এবং শারীরিক অবস্থার দিকে নজর দেওয়া জরুরি।

সঠিক অভ্যাস এবং সচেতনতার মাধ্যমে ঘুমের মান উন্নত করা সম্ভব এবং রাতে গভীর ও নিরবচ্ছিন্ন ঘুম পাওয়া সহজ হয়ে যায়।

সূত্র: ভেরি ওয়েল হেল্থ

Ads small one

কেশবপুর প্রেস ক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন: জয়দেব সভাপতি, কুদ্দুস সম্পাদক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪১ পূর্বাহ্ণ
কেশবপুর প্রেস ক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন: জয়দেব সভাপতি, কুদ্দুস সম্পাদক

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে কেশবপুর প্রেস ক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনে সভাপতি পদে জয়দেব চক্রবর্তী (লোকসমাজ) এবং সাধারণ সম্পাদক পদে রুহুল কুদ্দুস (ইনকিলাব) নির্বাচিত হয়েছেন।
এ ছাড়া সহসভাপতি পদে আব্দুল হাই সিদ্দিকী (নয়া দিগন্ত ও পূর্বাঞ্চল) ও মোতাহার হোসাইন (সমকাল ও গ্রামের কাগজ), যুগ্ম সম্পাদক পদে মশিয়ার রহমান (আলোকিত বাংলাদেশ) ও মেহেদী হাসান জাহিদ (সময়ের খবর), কোষাধ্যক্ষ পদে সিদ্দিকুর রহমান (খোলা কাগজ), দপ্তর সম্পাদক পদে আলমগীর হোসেন (দৈনিক খুলনাঞ্চল), ক্রীড়া ও সাহিত্য সম্পাদক পদে মাসুম বিল্লাহ (প্রতিদিনের কথা), এবং গ্রন্থাগার সম্পাদক পদে মতিয়ার রহমান (অনির্বাণ) নির্বাচিত হয়েছেন। কার্যনির্বাহী পাঁচ সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন আজিজুর রহমান (যুগান্তর), নুরুল ইসলাম খান (কালের কণ্ঠ), আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ (দৈনিক কল্যাণ), উৎপল দে (কালবেলা) ও শেখ শাহীনুর ইসলাম (করতোয়া)।
নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রেস ক্লাবের সদস্য ও ভোটারদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, সাংবাদিকদের পেশাগত ঐক্য, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সাংবাদিকতার মান উন্নয়নে তাঁদের ভূমিকা অব্যাহত থাকবে। সংবাদ পরিবেশনে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে লেখনী ধারণ এবং সমাজের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা তুলে ধরার মাধ্যমে তাঁরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করবেন। প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি আশরাফুজ্জামান ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ নবনির্বাচিত কমিটিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে আগামী দিনে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

শ্যামনগরে গ্রামীণ নারী কৃষি মেলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ণ
শ্যামনগরে গ্রামীণ নারী কৃষি মেলা

‘জলবায়ু অভিঘাত পেরিয়ে গ্রামীণ নারী ক্ষমতায়ন ও সমৃদ্ধির পথে’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে বুড়িগোয়ালিনী ও গাবুরা ইউনিয়নের নারী দলের সদস্যদের আয়োজনে শ্যামনগরের বুড়িগোয়ালিনীর দাতিনাখালি বালুর মাঠে গ্রামীণ নারী কৃষি মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। লিডার্স, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন ও অ্যাম্বাসি অব সুইডেনের সহযোগিতায় কমিউনিটি ভিত্তিক জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন কর্মসূচি–সিআরইএ প্রকল্পের আওতায় আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস উপলক্ষে এ মেলার আয়োজন করা হয়। ৯ নম্বর বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান জিএম আব্দুর রউফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার ওয়ালিউল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. জামাল হোসেন, উপকূলীয় প্রেসক্লাবের সম্পাদক ও সাংবাদিক হুদা মালী, বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের সমাজসেবক জি এম রুস্তম আলী, ফেইথ ইন অ্যাকশনের জেন্ডার অফিসার নয়মী বিশ্বাস, পিসিআরসিবি প্রকল্প সিসিডিবির সহসভাপতি মিনতি রানী মল্লিক, মেঘনা নারী দলের সভাপতি নার্গিস সুলতানা, দোলন চাঁপা নারী দলের সহসভাপতি জেবুন্নেছা খাতুন এবং লিডার্সের সিআরইএ প্রকল্প সমন্বয়কারী সুব্রত অধিকারীসহ প্রকল্পের অন্যান্য কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রকল্প কর্মকর্তা সুলতা রানী সাহা। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

আলো ঝলমলে রাতের গুড়পুকুর মেলা, বাড়ছে দর্শনার্থীদের আনাগোনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ণ
আলো ঝলমলে রাতের গুড়পুকুর মেলা, বাড়ছে দর্শনার্থীদের আনাগোনা

0-0x0-0-0#

মিলন বিশ্বাস: সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুর মেলায় দুপুরের পর থেকেই বাড়তে শুরু করে দর্শনার্থীদের ভিড়। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামতেই আলো ঝলমলে মেলা প্রাঙ্গণ পরিণত হয় মানুষের মিলনমেলায়। কেনাকাটা, ঘোরাঘুরি ও বিনোদনের আনন্দে মেতে ওঠেন নানা বয়সী মানুষ। মেলা শেষের দিকে চলে আসায় ব্যবসায়ীদের বেচাকেনাও জমে উঠেছে। অন্যদিকে, মেলার সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা পরিদর্শন করেছেন পুলিশের খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল করিম।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) মেলার ১৫তম দিনে সাতক্ষীরা শহরের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে এমন উৎসবমুখর পরিবেশ দেখা যায়। গত ১ অক্টোবর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া ঐতিহ্যবাহী এ মেলা ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকেও দর্শনার্থীরা আসছেন। মেলায় রয়েছে প্রসাধনী, পোশাক, শিশুদের খেলনা, গৃহস্থালির সামগ্রী ও খাবারের নানা দোকান। রঙিন আলোকসজ্জা আর মানুষের পদচারণায় সন্ধ্যার পর মেলা প্রাঙ্গণ হয়ে ওঠে আরও প্রাণবন্ত।

মেলার শেষ পর্যায়ে এসে বেচাকেনা ভালো হওয়ায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করছেন বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ব্যবসায়ীরা। তাঁদের প্রত্যাশা, মেলার বাকি দিনগুলোতে ক্রেতা-দর্শনার্থীর উপস্থিতি আরও বাড়বে এবং বিক্রিও ভালো হবে।

ঢাকা থেকে আসা কসমেটিকস ব্যবসায়ী মাসুদ বলেন, “মেলার শেষ দিকে এসে বেচাকেনা ভালো হচ্ছে। দুপুরের পর থেকেই ক্রেতাদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। এভাবে ক্রেতা আসতে থাকলে সামনের দিনগুলোতে বেচাকেনা আরও ভালো হবে বলে আশা করছি।”

বরিশাল থেকে শিশুদের খেলনা নিয়ে আসা ব্যবসায়ী আকবর বলেন, “মেলার শেষ সপ্তাহে এসে ক্রেতাদের আনাগোনা ভালো। শিশুদের খেলনার প্রতি ছোটদের আগ্রহ রয়েছে। এখন বেচাকেনা ভালো হওয়ায় আমরা আশাবাদী। মেলার শেষ দিনগুলোতে আরও ভালো বিক্রির প্রত্যাশা করছি।”
মাদারীপুর থেকে আসা ব্যবসায়ী নাজমুল হোসেন বলেন, “মেলা শেষের দিকে হওয়ায় এখন বেচাকেনা ভালো হচ্ছে। বিভিন্ন বয়সী মানুষ মেলায় আসছেন, পছন্দের জিনিস কিনছেন। সামনে দর্শনার্থীদের উপস্থিতি আরও বাড়লে আমাদের ব্যবসাও ভালো হবে বলে আশা করছি।”

এদিকে, বৃহস্পতিবার গুড়পুকুর মেলার সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা পরিদর্শন করেন পুলিশের খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল করিম। মেলায় দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও পুলিশের দায়িত্ব পালন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন তিনি। সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মেলায় নিরাপত্তাব্যবস্থা সন্তোষজনক রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো অনাকাঙ্খিত ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

শতাব্দীর ঐতিহ্য বহনকারী গুড়পুকুর মেলা সাতক্ষীরার মানুষের কাছে শুধু কেনাকাটার জায়গা নয়, বরং সামাজিক মিলন ও বিনোদনেরও অন্যতম উপলক্ষ। মেলা শেষের দিকে এসে দর্শনার্থীদের আনাগোনা এবং ব্যবসায়ীদের বেচাকেনায় প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসায় আয়োজক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।