শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩

বই পড়লে সৃজনশীলতা বাড়ে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫২ অপরাহ্ণ
বই পড়লে সৃজনশীলতা বাড়ে

শ্যামল শীল

জ্ঞানর্জনের বহু পন্থা রয়েছে। আমরা নিয়মিত কোনো না কোনোভাবে শিখন প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছি। বন্ধুবান্ধব থেকে, পরিবার থেকে, সমাজ থেকে, কোনো ঘটনা থেকে আবার হয়তো কখনো ভুল করে সেই ভুল থেকে শিক্ষা নিচ্ছি। এগুলো সবই অনানুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় আমাদের অবচেতন মনে হচ্ছে, যা সাধারণত মায়ের কোল থেকে নিয়ে মৃত্যু পর্যন্ত চলমান থাকে।

তবে, এ শিখন প্রক্রিয়ার আমাদের মনোজগৎকে ব্যাপকভাবে প্রসারিত করে না। আমাদের মধ্য থেকে কোনো নতুনত্বের জন্ম হয় না। আমাদের মধ্যে থাকা বহুমুখী বৈশিষ্ট্যগুলোর প্রকাশ পায় না। বরং নতুন জ্ঞানের সৃষ্টি হয় পুরোনো জ্ঞানের চর্চার মাধ্যমে। আর সেই পুরোনো জ্ঞান মেলে বইতে। আমাদের চিন্তার প্রসারণ ঘটে যখন মস্তিষ্কের ওপর জোর প্রয়োগ করে কিছু শেখা হয়।

 

আমরা যখন বই পড়ি তখন তা আমরা করি এক রকম আমাদের প্রবৃত্তির বিরুদ্ধে গিয়ে। কারণ যখন বই পড়া হয় তখন আমাদের ব্রেনে অন্যান্য উত্তেজনামূলক কাজের তুলনায় ডোপামিন কম নিঃসরণ হয়। আর আমাদের প্রবৃত্তি আমাদের সেসব কাজের দিকে বেশি ধাবিত করে যাতে ডোপামিন নিঃসরণ বেশি হয়।

একটি গবেষণায় দেখা গেছে, একজন মানুষ বর্তমানে গড়ে ১৬ মিনিট পড়াশোনা করে। আর যারা খুব বেশি বই পড়ে তারা গড়ে ৪৮ মিনিট পড়াশোনা করে। গবেষণার এই রিপোর্ট আপনাকে হয়তো হতাশ করবে। সমাজে বইপড়ুয়া লোকের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। আর এটাও বলা ভুল হবে না যে, প্রকৃতপক্ষে এটাও একটা সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির কারণ। এ বিষয়টি আরো পরিষ্কার হবে বই পড়ার উপকারিতা কি তা জানলে।

বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে কেউ চাইলে এ প্রশ্ন তুলতেই পারে, আমরা এখন প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত। বর্তমান সরকারের বদৌলতে সবার হাতে স্মার্টফোন। টাকা খরচা করে বই কিনতে হয় না। চাইলেই যেকোনো সময় যা কিছু জানা প্রয়োজন জেনে নিতে পারছি। তাহলে আবার কষ্ট করে বই পড়া কেন? জি অবশ্যই এর উত্তর আছে। সেজন্য আপনাকে একটু কষ্ট করে সামনে পর্যন্ত পড়তে হবে। জানাতে হবে বই পড়লে কী কী উপকার হয়?

গবেষণায় দেখা গেছে, বই পড়ার বহুমুখী উপকারিতা রয়েছে। তার মধ্যে প্রথমটি হলো-
১. বই পড়লে বুদ্ধি বাড়ে। ২. শব্দভা-ার বৃদ্ধি পায়। গবেষণায় এটাও পাওয়া গেছে যার শব্দভা-ার যত বেশি সমৃদ্ধ তার আইকিউ তত বেশি। ৩. কোনো কিছুতে ফোকাস করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। যেকোনো কাজে অন্যদের তুলনায় বেশি মনোযোগী হতে পারে। ৪. বই আমাদের মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখে। নেতিবাচক চিন্তা থেকে মুক্ত থাকতে সাহায্য করে। মানসিক চাপ কমে। ৫. বই আমাদের ধৈর্যশক্তি বাড়ায়। আমাদের শৃঙ্খলিত করে। কারণ, একটি বই যখন আমরা পড়ি তখন আমরা সেটা ধারাবাহিকভাবে পড়ে শেষ করি। ৬. বই পড়লে সৃজনশীলতা বাড়ে। সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা বাড়ে। চিন্তা করার ক্ষমতা বাড়তে থাকে। মস্তিষ্ক সব সময় সক্রিয় থাকে।

 

৭. বই পড়লে অন্যের প্রতি দয়া বা সহানুভূতির বৃদ্ধি হয়। কারণ যারা বই পড়ে তারা অন্যের চোখ দিয়ে পৃথিবী দেখার চেষ্টা করে। অন্যের দৃষ্টিভঙ্গি বিবেচনা করে, যা কারো মধ্যে থাকা সহানুভূতিশীলতা বৃদ্ধি করে এবং এর ফলে সামাজিক আন্তসম্পর্ক বৃদ্ধি পায়। ৮. আবার যারা কাগজের বই পড়ে তাদের বোধগম্য শক্তি খুব বেশি হয়। তারা বই পড়ার পর তা সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে ই-বুকপড়ুয়াদের তুলনায়।

তা ছাড়া, বই পড়ার আধুনিক ধারণা বলে, আমাদের বই পড়া উচিত পৃথিবী কীভাবে চলে তা জানার জন্য। অর্থাৎ, পৃথিবীর আর্থসামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় ইত্যাদি বিষয় কীভাবে কাজ করে তা বোঝার জন্য। ইতিহাসে যারা আমাদের কাছে মহানায়ক হিসেবে পরিচিত তারাও ‘বই পড়া’কে অগ্রাহ্য করেননি বরং বই পড়ার ব্যাপারে তারা অগ্রগামী ছিল। নেপোলিয়ন বলতেন, ‘অন্তত ষাট হাজার বই সঙ্গে না থাকলে’ জীবন অচল। মাও সেতুং বলতেন, ‘পড়, পড় এবং পড়।’ প্রমথ চৌধুরী তার বই পড়া প্রবন্ধে লিখেছেন, ‘দেহের মৃত্যুর রেজিস্টারি রাখা হয়, আত্মার মৃত্যু হয় না।’

বই পড়ার মাধ্যমে আমাদের আত্মা তৃপ্ত হয়। এটা তার চাহিদা। যখন আত্মার এই চাহিদা না মেটে তখনই তার মৃত্যু হয়। এজন্যই হয়তো স্পিনোজা বলেছেন, ‘ভালো খাদ্যবস্তু পেট ভরে কিন্তু ভালো বই মানুষের আত্মাকে পরিতৃপ্ত করে।’ ফ্রাৎস কাফকা বলেছেন, ‘আমাদের আত্মার মাঝে যে জমাটবাঁধা সমুদ্র সেই সমুদ্রের বরফ ভাঙার কুঠার হলো বই।’ বিখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বলেছেন, ‘জীবনে তিনটি জিনিসের প্রয়োজন- বই, বই এবং বই।’

দুঃখজনক হলেও সত্য, আমাদের দেশে ‘বই পড়া’ নিয়ে একটা সুপরিচিত ধারণা বিদ্যমান যে, বই পড়তে হয় চাকরির জন্য। আর বাস্তবতাও তাই, শিশু ছোটবেলা থেকে এটা শুনে বড় হয় যে, তাকে বড় হয়ে ডাক্তার, পাইলট, ইঞ্জিনিয়ার হতে হবে তাই তাকে বই পড়তে হবে। পরীক্ষার খাতায় ভালো নম্বর পেতে হবে। এতে করে সেই শিশুটির মধ্যে এ ধারণা গেথে যায় যে, তাকে ভালো নম্বরের জন্য বই পড়তে হবে। একটা সময় গিয়ে সে মেশিনের মতো একের পর এক বই গলাধঃকরণ করলেও তা তার মেধা ও মননকে পরিশুদ্ধ করে না। বইয়ের শিক্ষা তার আচরণে ফুটে ওঠে না। আর তার মধ্যে অ্যাকাডেমিক কারিকুলামের বাইরে গিয়ে সাহিত্যচর্চা করার আগ্রহ জাগে না।

যার কারণেই হয়তো আজ আমাদের তরুণসমাজ বই পড়ার ব্যাপারে উদাসীন। তাদের মনোযোগের সক্ষমতা দিন দিন কমে যাচ্ছে। তারা সৃজনশীল চিন্তায় পিছিয়ে পড়ছে। তাদের মধ্যে সহানুভূতিশীলতা হ্রাস পাচ্ছে। যাদের নিয়ে আগামীর সোনার বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখা হচ্ছে, তারাই হয়তো হতে চলেছে জ্ঞানহীন, অজ্ঞ এক প্রজন্ম। এর পেছনে অনেকগুলো বাহ্যিক কারণকে দায়ী করা যায়। যার মধ্যে একটি বিকৃত সামাজিক মাধ্যমগুলোর প্রতি আসক্তি। আজ তরুণ, যুবসমাজ জাতির প্রতি তাদের দায়িত্ব-কর্তব্য ভুলে এক অন্ধ প্রতিযোগিতায় নেমেছে।

তরুণ-যুবসমাজের এই প্রতিকূল পরিস্থিতির মোকাবিলায় তাদের বই পড়ানোর ব্যাপারে উৎসাহিত করার কোনো বিকল্প নেই। সেজন্য বহুমুখী কর্মপরিকল্পনা নেওয়া যেতে পারে। প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের অ্যাকাডেমিক বই পড়ার চাপ কমিয়ে এর পাশাপাশি অন্যান্য বই (ফিকশন অথবা নন-ফিকশন হতে পারে) পড়ানোর জন্য সাপ্তাহিক, মাসিক পরিকল্পনা নেওয়া যেতে পারে। সেই সঙ্গে প্রতিটি গ্রামে-মহল্লায় একটি করে লাইব্রেরি তৈরি করে তাদের মধ্যে বই পড়ার আগ্রহ তৈরি করা যেতে পারে। এলাকাভিত্তিক সংগঠন তৈরি করা যেতে পারে, যা তরুণ ও যুবকদের বুদ্ধিবৃত্তিক চিন্তার বিকাশ ঘটাবে। দক্ষতা অর্জনে সাহায্য করবে।

পরিশেষে বলা যায়, আগামীর বাংলাদেশ গড়ার যে স্বপ্ন আমরা দেখি, সে স্বপ্নপূরণে অবশ্যই প্রয়োজন একদল জ্ঞান ও দক্ষতাসম্পন্ন তরুণ, যারা মেধা ও মননে হবে নৈতিকতাসম্পন্ন, দৃঢ়-প্রতিজ্ঞ ও অঙ্গীকারবদ্ধ। তাই, বই পড়ার মাধ্যমেই হতে পারে তাদের নৈতিক চিন্তার বিকাশ। যার রেশ ধরেই হয়তো তারা আগামী দিনে জাতির জন্য সুফল বয়ে আনবে। লেখক: সাবেক শিক্ষার্থী, ইতিহাস বিভাগ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা

 

Ads small one

বালিয়াডাঙ্গায় শিশুদের ঘটনা নিয়ে মারধর, থানায় অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ
বালিয়াডাঙ্গায় শিশুদের ঘটনা নিয়ে মারধর, থানায় অভিযোগ

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামে শিশুদের নিয়ে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। গত ১২ আগস্ট বিকেলে উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা মাঠপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা শরিফুল ইসলাম (৩৮)।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, শিশুদের একটি তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে বিরোধের জের ধরে গত ১২ আগস্ট দুপুর আড়াইটার দিকে প্রতিপক্ষের আসাদুল ইসলাম, নুরজাহান খাতুন ও নাছিমা খাতুনসহ কয়েকজন লাঠিসোটা নিয়ে শরিফুল ইসলামের বাড়িতে গিয়ে গালিগালাজ শুরু করেন। একপর্যায়ে তাঁরা সুমাইয়া পারভীন সুমাকে মারধর করেন। হামলাকারীরা স্থান ত্যাগ করার সময় প্রাণনাশের নির্দেশ ও যাতায়াতের পথ বন্ধসহ মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির হুমকি দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
পরবর্তীতে প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় গুরুতর আহত সুমাইয়া পারভীনকে উদ্ধার করে প্রথমে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবণতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। সুমাইয়া পারভীন বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে বক্তব্যের জন্য সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাঃ মাসুদুর রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

 

কলারোয়ায় নিরাপদ মৎস্য চাষ প্রশিক্ষণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১৪ পূর্বাহ্ণ
কলারোয়ায় নিরাপদ মৎস্য চাষ প্রশিক্ষণ

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলারোয়ায় নিরাপদ ও আধুনিক পদ্ধতিতে মৎস্য চাষ বিষয়ক এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে উপজেলার সিংহলাল বাজারে স্থানীয় মেঘনা ট্রেডার্সের আয়োজনে এই কর্মশালা হয়।
প্রভাষক আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন খুলনা রিজিয়নের ফিশারিজ এক্সিকিউটিভ অফিসার কৃষিবিদ ইমরুল কায়েস। তিনি মৎস্য চাষিদের আধুনিক পদ্ধতি, মাছের রোগবালাই প্রতিরোধ ও উৎপাদন বাড়ানোর বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন।
বিশেষ অতিথি ছিলেন মৎস্য মেডিকেল প্রমোশন অফিসার রনি আহম্মেদ। কর্মশালায় জালালাবাদ ইউনিয়নসহ আশপাশের এলাকার প্রায় অর্ধশতাধিক মৎস্য চাষি অংশ নেন।

আশাশুনিতে জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় ৩২৫টি বৃক্ষ বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনিতে জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় ৩২৫টি বৃক্ষ বিতরণ

আশাশুনি প্রতিনিধি: উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সাতক্ষীরার আশাশুনিতে ৩২৫টি উন্নতমানের ফলজ বৃক্ষ বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার বিকেল চারটায় শ্রীউলা ইউনিয়নের ৬৫টি পরিবারের মধ্যে পাঁচটি করে চারা বিতরণ করে ‘উদারতা যুব ফাউন্ডেশন’।
সংস্থার নির্বাহী পরিচালক জুবায়ের আহম্মেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তালা উপজেলা সমবায় পরিদর্শক সন্ন্যাসী কুমার ম-ল। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুর রাজ্জাক।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সন্ন্যাসী কুমার ম-ল বলেন, উপকূলীয় এলাকায় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি ফলজ গাছ কেবল পরিবেশের ভারসাম্যই রক্ষা করে না, বরং পরিবারের পুষ্টি ও আয়েরও উৎস হয়ে ওঠে। আয়োজকদের পক্ষে আল-আমিন ও আবু তাহের কার্যক্রম পরিচালনা করেন।