শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩

বদলে ফেলো

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ণ
বদলে ফেলো

 

দুখু হুমায়ুন
স্বাধীন দেশে হায়না বেশে কেমন রীতি চলে,
বেবোধ কিছু নেতার দলে বেঁফাশ কথা বলে।

আঠারো কোটি মানুষ প্রায় মিলে সারা দেশে,
একটা দলের দাবী সবাই আছে তাদের পাশে।

ভোটার আছে হয় তো জোর তিনের মাঝে দুই,
সবটা নাকি! তাদের দলের খাস খামার ভূঁই।

মেকি স্বভাব ছিদ-কাদুনে ইনিয়ে বিনিয়ে বলে,
দেশ জনতার জন্যে নাকি অন্তর তাদের জ্বলে!

আবার দেখি দাঙ্গা বাঁধায় সন্ত্রাসী কাজ করে,
লাগলে তারা সুযোগ খুজে মানুষ কিছু মারে।

শ্রমিক জনে ঘুমের ঘোরে পুড়ায় তারা মারে,
মুখেতে মধু অন্তরে বিষ কপট নীতি ধরে।

পুড়ায় গাড়ি পুড়ায় বাড়ি আটকে রাখে রাস্তা,
মুক্তি যুদ্ধের চেতনা বুঝি তাদের কাছে সস্তা।

দেশের টাকা পাচার করে বিদেশে করে বাড়ি,
কৃষক কুলি মুটের ঘামে চালায় দামি গাড়ি।

গণতন্ত্রের দুহাই দিয়ে নিজেরা ভঙ্গ করে,
প্রতিবাদের নামে কেবল ত্রাসের সৃষ্টি করে।

গলা ফাটায় বেজায় তেঁজে কুমির কান্না কাঁদে,
ফায়দা লোটে কৌশল করে জনতা ফেলে ফাঁদে।

আমরা যত আম জনতা তাদের চালে বোকা,
বিশ্বাস করে ঠগ নেতারে খাইযে শুধু ধোঁকা।

ঠগ নেতারা এবার শোনো; দেশকে বাসলে ভালো,
ক্ষতি কারক পঁচা নিয়ম, বদল করে ফেলো।

প্রতিবাদের জন্যে এখন উপোস করা ধরো,
পারলে সকল নেতারা মিলে এই শপথ করো।

সার বাধিয়া রাস্তায় পাশে দাঁড়িয়ে যাও সোজা,
দাবি আদায়ে সকল নেতা করো উপোস রোজা।

আগের দিনে ছিলেন কিছু জন দরদী নেতা,
তাদের মনে থাকত সদা দেশ আর জনতা।

আপন প্রাণ বিলিয়ে দিছে দেশ ও দশের তরে,
সেই কারণে সকল যুগে তাঁদের স্মরণ করে।

Ads small one

ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি বাড়াল বিসিবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ
ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি বাড়াল বিসিবি

বিপিএল স্থগিত হওয়ায় দেশের ক্রিকেটারদের আয়ে বড় ধাক্কা লাগার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। সেই পরিস্থিতিতে ঘরোয়া ক্রিকেটারদের জন্য বড় সিদ্ধান্ত নিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। এক লাফে বড় অঙ্কে বাড়ানো হলো ম্যাচ ফি। তবে বিসিবির সভাপতি তামিম ইকবালের দাবি, এটি শুধু বিপিএল না হওয়ার ক্ষতি পুষিয়ে দেওয়ার সাময়িক উদ্যোগ নয়; বরং ঘরোয়া ক্রিকেটারদের আয় দীর্ঘমেয়াদে বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিসিবির কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল এ ঘোষণা দেন।

নতুন ম্যাচ ফি কাঠামো অনুযায়ী, পুরুষ ক্রিকেটাররা এখন প্রতিটি প্রথম-শ্রেণির ম্যাচের জন্য ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা পাবেন, যা আগে ছিল ৭০ হাজার টাকা। বিসিবির অ্যাডহক কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার সময় তামিম নিজেই এই ফি বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা করেছিলেন।

‘লিস্ট এ’ ম্যাচের ফি-ও দ্বিগুণ করা হয়েছে। এখন খেলোয়াড়রা প্রতি ম্যাচের জন্য ১ লাখ টাকা পাবেন, যা আগে ছিল ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি ম্যাচের ফি ৪০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮০ হাজার টাকা করা হয়েছে।

নারীদের চার দিনের ম্যাচের ফি ২০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪০ হাজার টাকা করা হয়েছে। একদিনের ম্যাচের ক্ষেত্রে তা ১৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ হাজার টাকা করা হয়েছে। এছাড়াও টি-টোয়েন্টি ম্যাচের ফি ১০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করা হয়েছে।

তামিম ইকবাল বলেন, খেলোয়াড়দের পক্ষ থেকে এক দুটি প্রস্তাব এসেছিল। শেষ পর্যন্ত আমরা আসলে আমি এটাকে দুটি পক্ষ হিসেবে দেখি না। পক্ষ একটাই, আমরা সবাই এক। ক্রিকেটার, ক্রিকেট বোর্ড, পরিচালক, সভাপতি সবাই আমরা এক।

তিনি আরও বলেন, আমরা সবাই মিলে যা সিদ্ধান্ত নিয়েছি বিপিএলে সব মিলিয়ে ৫০, ৬০, ৬৫ বা ৭০ জন স্থানীয় ক্রিকেটার খেলবেন। কিন্তু বাংলাদেশের ক্রিকেটের সামগ্রিক প্রেক্ষাপটে যদি তাকান ফার্স্ট-ক্লাস, লিস্ট ‘এ’ ও টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ জন ক্রিকেটারের সম্পৃক্ততা রয়েছে। এখন ঢাকা লিগ থেকে তারা দুই-তিন বছর আগে যে আয় করতেন, তা হয়তো কমে গেছে। তার ওপর, এ বছর বিপিএল অনুষ্ঠিত না হওয়ায় এর ফলে আর্থিক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বিসিবি সভাপতি বলেন, আমি কখনোই খেলোয়াড়দের জন্য কেবল এক বছরের কোনো সমাধান চাইনি। আমি এমন একটি সমাধান চেয়েছিলাম, যা ক্রিকেটাররা বছরের পর বছর উপকূত হয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই পদক্ষেপের ফলে ক্রিকেটাররা কেবল বিসিবি-র টুর্নামেন্ট খেলেই আর্থিকভাবে স্থিতিশীল থাকতে পারবেন, কারণ তারা মাসে প্রায় ৩ লাখ টাকা আয় করবেন।

সাবেক এই ক্রিকেটার মতে, সবকিছুর খরচই ১০০ শতাংশ বা তার বেশি বেড়েছে। আর এর সুফল কী? সেটাই আসল প্রশ্ন। এখন একজন ঘরোয়া ক্রিকেটার যদি পুরো মৌসুম খেলেন, তবে বেতনসহ আমার হিসাব যদি ভুল না হয় তারা বছরে ৩৫ থেকে ৪০ লাখ টাকা আয় করবেন। এটাকে ১২ দিয়ে ভাগ করলে দেখা যায়, একজন খেলোয়াড়ের মাসিক আয় ৩ লাখ টাকারও বেশি হবে। পরিবার চালানোর জন্য তাদের আর কোনো দুশ্চিন্তা করতে হবে না বলেই আমার মনে হয়। এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। সেই সঙ্গে তিনি যোগ করেন, এখন তিনি খেলোয়াড়দের কাছ থেকে পেশাদারিত্ব আশা করছেন।

প্রীতি জিনতা প্রতিদিন ১৮ ঘণ্টা শুটিং করেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১০ পূর্বাহ্ণ
প্রীতি জিনতা প্রতিদিন ১৮ ঘণ্টা শুটিং করেন

ভারতীয় চলচ্চিত্র বলিউডে দীর্ঘ শিফটে কাজ করা নিয়ে একের পর এক বিতর্ক চলছে বেশ কিছু দিন ধরেই। এ নিয়ে দীপিকা পাড়ুকোনসহ বেশ কয়েকজন তারকা প্রতিবাদমুখর হয়ে ওঠেন। এই বিতর্কের মধ্যেই বলিউডের ‘ডিম্পল গার্ল’ প্রীতি জিনতা টানা দীর্ঘ সময় শুটিং করে আলোচনায় এসেছেন।

সম্প্রতি ‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’ সিনেমা দিয়ে প্রায় এক দশকের বিরতি ভাঙেন বলিউডে এক সময়ের পর্দা কাঁপানো অভিনেত্রী প্রীতি জিনতা। এবার তাকে দেখা যাবে কুনাল খেমুর পরিচালনায় ‘ভাইব’ সিনেমায়। সিনেমাটির শুটিং করতে গিয়ে প্রতিদিন ১৮ ঘণ্টার মতো কাজ করেছেন বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী নিজেই। ২ সেপ্টেম্বর মুম্বাইয়ে ভাইব’র জমকালো ট্রেলার প্রকাশ অনুষ্ঠান হয়।

এ সময় বলিউডে দীর্ঘ কর্মঘণ্টা নিয়ে চলমান বিতর্ক প্রসঙ্গে কথা বলেন প্রীতি। সেখানে তিনি জানান, শুটিং দ্রুত শেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে সন্তানদের কাছে ফিরতেই প্রতিদিন লম্বা সময় কাজ করেছেন। প্রীতি জিনতার ভাষ্য অনুযায়ী, ভাইব’র শুটিংয়ের সময় প্রতিদিনই দীর্ঘ শিফটে কাজ করতে হয়েছে। তবে এ নিয়ে তার কোনো আক্ষেপ নেই। অভিনেত্রী জানান, তিনি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ভারতে এসেছিলেন।

তাই যত দ্রুত সম্ভব কাজ শেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে সন্তানদের কাছে ফিরতে চেয়েছিলেন। বলিউডে অভিনেতাদের কর্মঘণ্টা নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। গত বছর দীপিকা পাড়ুকোনের ‘স্পিরিট’ সিনেমা থেকে সরে যাওয়ার খবরের পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। এমনকি তিনি ‘কালকি’র মতো বড় সিনেমায় বাদ দেন। দৈনিক ৮ ঘণ্টার বেশি কাজ না করার শর্ত নিয়ে নির্মাতাদের সঙ্গে তার মতবিরোধের খবর প্রকাশ পেয়েছিল।

ভাইব সিনেমাটিতে প্রীতি জিনতার পাশাপাশি অভিনয় করেছেন ‘লাপাত্তা লেডিজ’ খ্যাত স্পর্শ শ্রীবাস্তব, বংশিকা ধীর, যশপাল শর্মা ও দিনেশ লাল যাদব। ড্রঙ্গো ফিল্মসের ব্যানারে কুনাল খেমু ও চিরাগ নিহালানি প্রযোজিত সিনেমাটি অ্যামাজন এমজিএম স্টুডিওসের।

বিশ্বকাপজয়ী লরেন্তে আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বললেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ণ
বিশ্বকাপজয়ী লরেন্তে আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বললেন

জুলাইয়ে স্পেনের বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য ছিলেন লরেন্তে। টুর্নামেন্টে রাইট-ব্যাক হিসেবে টটেনহ্যামের পেদ্রো পোরোর ব্যাকআপ হিসেবে খেলেছেন তিনি। গ্রুপ পর্বের দুটি ম্যাচে একাদশে ছিলেন লরেন্তে। এরপর অবশ্য নকআউট পর্বে তার খেলার সুযোগ খুবই সীমিত ছিল। ফ্রান্সের বিপক্ষে সেমিফাইনালে ম্যাচের শেষ দিকে মাঠে নেমে স্পেনের জয় নিশ্চিত করার সময় দলের সঙ্গে ছিলেন তিনি।

বিশ্বকাপ হাতে নিজের একটি ছবি দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে লরেন্তে লেখেন, ‘আমি জানি, আমি এখনো তরুণ এবং ভালো পারফর্ম করতে থাকলে এই জার্সিতে হয়তো আরও কয়েক বছর খেলার সুযোগ আমার থাকত। কিন্তু এটি এমন একটি সিদ্ধান্ত, যা আমি খুব ভেবেচিন্তে নিয়েছি।’

জাতীয় দল থেকে তার বিদায়ের সিদ্ধান্ত অনেকের কাছে বিস্ময়কর মনে হতে পারে সেটিও স্বীকার করেছেন লরেন্তে। তিনি বলেন, ‘আমি জানি, আপনাদের অনেকেই এই সিদ্ধান্ত বুঝতে পারবেন না। সত্যি বলতে, বাইরে থেকে দেখলে আমিও হয়তো বিষয়টি বুঝতে পারতাম না।’

ছয় বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে স্পেনের হয়ে ২৭টি ম্যাচ খেলেছেন লরেন্তে। তবে বিশ্বকাপে যাওয়া বা শিরোপা জয়ের সঙ্গে তার সিদ্ধান্তের কোনো সম্পর্ক নেই বলেও পরিষ্কার করেছেন তিনি।

লরেন্তের ভাষায়, ‘আমি বিশ্বকাপে যেতাম কি না, আমরা বিশ্বকাপ জিততাম কি না সেটি যা-ই হোক, আমি এরই মধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলাম।’

জাতীয় দলের হয়ে পাওয়া অভিজ্ঞতাগুলো আজীবন মনে রাখবেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি যা কিছু পেয়েছি, সবকিছুই সযত্নে মনে রাখব। তবে সবচেয়ে বেশি মনে থাকবে এই শেষ ৫২ দিন। এমন একটি অসাধারণ দলের সঙ্গে ছিলাম, যারা শেষ পর্যন্ত লড়াই করেছে স্পেনকে সবার ওপরে তুলে ধরতে। আর তারা সেটিই করেছে।’

রিয়াল মাদ্রিদে ক্যারিয়ার শুরু করা লরেন্তে ২০১৯ সালে শহরের আরেক ক্লাব অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদে যোগ দেন। ক্লাব ক্যারিয়ারে তার রয়েছে দুটি চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা ও একটি লা লিগা ট্রফি।