বদলে ফেলো
দুখু হুমায়ুন
স্বাধীন দেশে হায়না বেশে কেমন রীতি চলে,
বেবোধ কিছু নেতার দলে বেঁফাশ কথা বলে।
আঠারো কোটি মানুষ প্রায় মিলে সারা দেশে,
একটা দলের দাবী সবাই আছে তাদের পাশে।
ভোটার আছে হয় তো জোর তিনের মাঝে দুই,
সবটা নাকি! তাদের দলের খাস খামার ভূঁই।
মেকি স্বভাব ছিদ-কাদুনে ইনিয়ে বিনিয়ে বলে,
দেশ জনতার জন্যে নাকি অন্তর তাদের জ্বলে!
আবার দেখি দাঙ্গা বাঁধায় সন্ত্রাসী কাজ করে,
লাগলে তারা সুযোগ খুজে মানুষ কিছু মারে।
শ্রমিক জনে ঘুমের ঘোরে পুড়ায় তারা মারে,
মুখেতে মধু অন্তরে বিষ কপট নীতি ধরে।
পুড়ায় গাড়ি পুড়ায় বাড়ি আটকে রাখে রাস্তা,
মুক্তি যুদ্ধের চেতনা বুঝি তাদের কাছে সস্তা।
দেশের টাকা পাচার করে বিদেশে করে বাড়ি,
কৃষক কুলি মুটের ঘামে চালায় দামি গাড়ি।
গণতন্ত্রের দুহাই দিয়ে নিজেরা ভঙ্গ করে,
প্রতিবাদের নামে কেবল ত্রাসের সৃষ্টি করে।
গলা ফাটায় বেজায় তেঁজে কুমির কান্না কাঁদে,
ফায়দা লোটে কৌশল করে জনতা ফেলে ফাঁদে।
আমরা যত আম জনতা তাদের চালে বোকা,
বিশ্বাস করে ঠগ নেতারে খাইযে শুধু ধোঁকা।
ঠগ নেতারা এবার শোনো; দেশকে বাসলে ভালো,
ক্ষতি কারক পঁচা নিয়ম, বদল করে ফেলো।
প্রতিবাদের জন্যে এখন উপোস করা ধরো,
পারলে সকল নেতারা মিলে এই শপথ করো।
সার বাধিয়া রাস্তায় পাশে দাঁড়িয়ে যাও সোজা,
দাবি আদায়ে সকল নেতা করো উপোস রোজা।
আগের দিনে ছিলেন কিছু জন দরদী নেতা,
তাদের মনে থাকত সদা দেশ আর জনতা।
আপন প্রাণ বিলিয়ে দিছে দেশ ও দশের তরে,
সেই কারণে সকল যুগে তাঁদের স্মরণ করে।









