বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

বাড়তে পারে যেসব পণ্যের দাম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ৫:২২ অপরাহ্ণ
বাড়তে পারে যেসব পণ্যের দাম

তামাকপণ্য থেকে আমদানি করা গাড়ি, কাজুবাদাম, মধু ও নির্মাণসামগ্রীতে নতুন অর্থবছরের বাজেটে শুল্ক ও কর বৃদ্ধির প্রভাবে বাড়তে পারে। কারণ ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বেশ কয়েকটি পণ্য ও সেবার ওপর শুল্ক ও কর বৃদ্ধি করেছে সরকার। এর ফলে বাজারে কিছু পণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে সিগারেট, আমদানি করা জ্বালানিচালিত গাড়ি, বিদেশি কাজুবাদাম, মধু, সুপারি, রড এবং বিভিন্ন আমদানিনির্ভর ভোগ্যপণ্যের দাম বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এসব শুল্ক ও কর সংশোধনের প্রস্তাব দেন। বাজেট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই এসব পরিবর্তন কার্যকর হয়েছে।

সিগারেটে বাড়ছে করের চাপ

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার যুক্তিতে সিগারেটের সব স্তরের ন্যূনতম খুচরা মূল্য বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। নিম্নস্তরের ১০ শলাকার সিগারেটের মূল্য ৬২ টাকা, মধ্যম স্তরের ৯২ টাকা, উচ্চ স্তরের ১৬০ টাকা এবং অতি উচ্চ স্তরের ২১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

একই সঙ্গে নিকোটিন গ্র্যানুলস ও নিকোটিন পাউচের ওপর ৩৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে এসব পণ্যের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।

তেলচালিত গাড়ি কেনা হবে আরও ব্যয়বহুল

পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থাকে উৎসাহ দিতে অভ্যন্তরীণ দহন ইঞ্জিন (আইসিই) চালিত গাড়ির ওপর করভার বাড়িয়েছে সরকার। বিশেষ করে ১,২০০ থেকে ১,৬০০ সিসি ক্ষমতাসম্পন্ন আমদানি করা পেট্রল, অকটেন বা ডিজেলচালিত গাড়ির করভার ১৩২ শতাংশের বেশি থেকে প্রায় ১৫৬ শতাংশে উন্নীত করা হয়েছে।

এতে মধ্যম আয়ের ক্রেতাদের মধ্যে জনপ্রিয় গাড়িগুলোর দাম আরও বেড়ে যেতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

বিদেশি কাজুবাদাম, মধু ও সুপারিতে বাড়তি শুল্ক

দেশীয় উৎপাদনকে সুরক্ষা দিতে অপ্রক্রিয়াজাত ও প্রক্রিয়াজাত কাজুবাদামের আমদানি শুল্ক যথাক্রমে ১ ও ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হয়েছে। ফলে বিদেশি কাজুবাদামের দাম বাড়বে।

এছাড়া আমদানি করা প্রাকৃতিক মধুর ন্যূনতম শুল্কায়ন মূল্য প্রতি ইউনিটে ২ ডলার বাড়ানো হয়েছে। একইভাবে সুপারি আমদানির ক্ষেত্রেও শুল্কায়ন মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। ফলে এসব পণ্য আমদানিতে করের পরিমাণ বাড়বে এবং বাজার দরেও তার প্রভাব পড়তে পারে।

বিদেশি খাদ্যপণ্যের দামও বাড়ার আশঙ্কা

সুগার কনফেকশনারি, কফি, প্রস্তুতকৃত খাবারসহ বিভিন্ন আমদানিনির্ভর খাদ্যপণ্যের শুল্কায়ন মূল্য বাড়ানো হয়েছে। ফলে আমদানিকারকদের কর ব্যয় বৃদ্ধি পাবে, যার প্রভাব শেষ পর্যন্ত ভোক্তা পর্যায়ে পড়তে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিলাসী ও প্রক্রিয়াজাত বিদেশি খাদ্যপণ্যের বাজারে মূল্যবৃদ্ধির চাপ তৈরি হবে।

এলপিজি সিলিন্ডার ও প্রসাধনীতে বাড়তি খরচ

কম্পোজিট এলপিজি সিলিন্ডার আমদানির ওপর ভ্যাট আরোপ করায় এসব সিলিন্ডারের দাম বাড়তে পারে। একই সঙ্গে লিপলাইনার, লিপজেলসহ কিছু প্রসাধনী পণ্যের শুল্কায়ন মূল্যও বাড়ানো হয়েছে।

ফলে বিদেশি ব্র্যান্ডের প্রসাধনী ব্যবহারকারীদের অতিরিক্ত খরচ গুনতে হতে পারে।

দেশি মাছ ও কৃষিপণ্যেও প্রভাব

দেশীয় মৎস্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পকে সুরক্ষা দিতে আমদানি করা পাঙাশ মাছের ফিলের ওপর ২০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। এতে বিদেশি পাঙাশের ফিলের বাজার আরও ব্যয়বহুল হতে পারে।

নির্মাণ খাতে বাড়তে পারে ব্যয়

বাজেটে রড উৎপাদনের বিভিন্ন কাঁচামালের ওপর ভ্যাট বৃদ্ধি করা হয়েছে। ফলে নির্মাণ খাতের অন্যতম প্রধান উপকরণ রডের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

রডের মূল্যবৃদ্ধি হলে আবাসন ও অবকাঠামো খাতের নির্মাণ ব্যয়ও বাড়তে পারে। এতে ফ্ল্যাট, বাড়ি ও বিভিন্ন নির্মাণ প্রকল্পের খরচে নতুন চাপ সৃষ্টি হতে পারে।

টাইলস, স্যানিটারিওয়্যার ও গৃহস্থালি পণ্যেও মূল্যবৃদ্ধির সম্ভাবনা

শুল্ক ও শুল্কায়ন মূল্য বৃদ্ধির কারণে বিদেশি টাইলস, স্যানিটারিওয়্যার, বেসিন, ফোম, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, সাইকেল, খেলনা এবং বিভিন্ন গৃহস্থালি পণ্যের দামও বাড়তে পারে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানিনির্ভর এসব পণ্যের ক্ষেত্রে কর বৃদ্ধির পুরো চাপ শেষ পর্যন্ত ভোক্তাদের ওপরই পড়ার সম্ভাবনা বেশি।

কী বলছেন বিশ্লেষকরা

অর্থনীতিবিদদের মতে, নতুন বাজেটে একদিকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর কর কমিয়ে সাধারণ মানুষের স্বস্তি বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে, অন্যদিকে বিলাসী ও আমদানিনির্ভর পণ্যের ওপর কর বাড়িয়ে রাজস্ব আহরণ এবং দেশীয় শিল্পকে সুরক্ষার কৌশল নেওয়া হয়েছে।

তবে কর বৃদ্ধির কারণে কিছু পণ্যের বাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে নির্মাণসামগ্রী, ব্যক্তিগত পরিবহন এবং বিদেশি ভোগ্যপণ্যের ক্ষেত্রে এর প্রভাব দ্রুত দৃশ্যমান হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে

সিগারেট ও নিকোটিন পাউচ
১২০০-১৬০০ সিসি তেলচালিত গাড়ি
বিদেশি কাজুবাদাম
বিদেশি মধু
বিদেশি সুপারি
আমদানি করা কফি ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য
বিদেশি পাঙাশ মাছের ফিলে
এলপিজি সিলিন্ডার
লিপলাইনার ও লিপজেল
রড
বিদেশি টাইলস ও স্যানিটারিওয়্যার
মাইক্রোওয়েভ ওভেন
সাইকেল ও খেলনা।

Ads small one

বিশ্ব ফুটবলের রঙে মাতালেন বাংলাদেশের মডেলরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ৫:৪০ অপরাহ্ণ
বিশ্ব ফুটবলের রঙে মাতালেন বাংলাদেশের মডেলরা

বিশ্বকাপ ফুটবলের আবহে রঙিন এক সন্ধ্যার সাক্ষী হলো রাজধানী। দেশের শীর্ষস্থানীয় মডেলদের অংশগ্রহণে বর্ণিল জার্সির সমারোহে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ‘ঢাকা ফুটবল ফিয়েস্তা’র বিশেষ ফ্যাশন শো। ফুটবলপ্রেম আর ফ্যাশনের মেলবন্ধনে আয়োজিত এই পর্ব যেন বিশ্বকাপ উন্মাদনায় নতুন মাত্রা যোগ করল।

ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, স্পেন, ফ্রান্স, জার্মানিসহ বিভিন্ন দেশের জার্সি পরে র‌্যাম্পে হাঁটেন জনপ্রিয় মডেলরা। সাইয়েদ রুমার কোরিওগ্রাফিতে প্রাণবন্ত উপস্থাপনায় ফুটে ওঠে বিশ্ব ফুটবলের রঙিন সংস্কৃতি। আলোকসজ্জা, সংগীত আর দর্শকদের উচ্ছ্বাসে পুরো আয়োজন পরিণত হয় এক ফুটবল উৎসবে।

মডেলিংয়ে ছিলেন, সাদিয়া শাবনাজ ইমি, রাখি, আলিশা, দিলরুবা দোয়েল, অ্যাঞ্জেল ডি কস্টা, আসিফ আহমেদ প্রমুখ।

ফুটবল বিশ্বকাপকে ঘিরে আয়োজিত ‘ঢাকা ফুটবল ফিয়েস্তা’য় উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভুঁইয়া, গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকো, ফুটবলার মোরসালিনসহ দেশের ফুটবলের বিভিন্ন প্রজন্মের প্রতিনিধিরা।

অনুষ্ঠানে তারা বাংলাদেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন এবং একদিন বিশ্বকাপের মঞ্চে লাল-সবুজের প্রতিনিধিত্ব দেখার স্বপ্নের কথা জানান।

 

হাউজ ও অ্যাথলিট স্পোর্টস গিয়ারের যৌথ উদ্যোগে এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে দেশব্যাপী ১৩টি ‘ফ্যান জোন’ তৈরির ঘোষণাও দেওয়া হয়। বিশ্বকাপ চলাকালে এসব ফ্যান জোনে বড় পর্দায় খেলা দেখার পাশাপাশি থাকবে ফুড স্টল, গেমিং জোন, জার্সি ফেস্ট ও নানা আয়োজন।

 

সব মিলিয়ে ‘ঢাকা ফুটবল ফিয়েস্তা’ শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, বরং বিশ্বকাপকে ঘিরে বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়, যার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ফুটবলের রঙে রাঙানো এই বর্ণিল ফ্যাশন শো।

পুশইন প্রতিরোধে সীমান্তে সতর্ক অবস্থানে নীলডুমুর ১৭ বিজিবি ব্যাটালিয়ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ৫:৩৫ অপরাহ্ণ
পুশইন প্রতিরোধে সীমান্তে সতর্ক অবস্থানে নীলডুমুর ১৭ বিজিবি ব্যাটালিয়ন

এম এ হালিম, উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর): সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ (পুশইন) প্রতিরোধ এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে নীলডুমুর ১৭ বিজিবি ব্যাটালিয়ন। বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, ১০ জুন ২০২৬ তারিখে নীলডুমুর ব্যাটালিয়নের প্রতিপক্ষ ৭৪ ও ৭৭ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায়, ভারতের অভ্যন্তরে প্রায় ১.৫ থেকে ২ কিলোমিটার ভেতরে বিভিন্ন স্থানে ১২ থেকে ১৫ জন বিভিন্ন বয়সী নারী, পুরুষ ও শিশুকে পুশ-ইনের উদ্দেশ্যে জড়ো করা হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে, এসব ব্যক্তিকে নীলডুমুর ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হতে পারে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১৭ বিজিবি সীমান্ত এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে এবং একাধিক প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্তের সংশ্লিষ্ট বিওপিগুলোতে অতিরিক্ত জনবল মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি মোটরসাইকেল ও এটিভির মাধ্যমে নিয়মিত টহলের পাশাপাশি অতিরিক্ত রাত্রিকালীন টহল কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

সীমান্তবর্তী জনসাধারণকে পুশইন বিষয়ে সচেতন করতে মাইকিং করা হচ্ছে। টহলরত সদস্যরা বাঁশি, শক্তিশালী লাইট ও মেগাফোন ব্যবহার করে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি জোরদার করেছেন। এছাড়া নদী সীমান্তের শূন্যরেখা দিয়ে যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে হাই স্পিড বোটের মাধ্যমে নিয়মিত টহল পরিচালনা করা হচ্ছে।
স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে জনসচেতনতামূলক সভার আয়োজন করা হচ্ছে, যাতে যেকোনো উদ্ভূত পরিস্থিতি দ্রুত মোকাবিলা করা যায়।

এদিকে, জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে সার্বক্ষণিক দুই সেকশনের একটি কুইক রিঅ্যাকশন ফোর্স (ছজঋ) প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তাদের সদস্যরা সর্বদা সতর্ক ও প্রস্তুত রয়েছে।

এবিষয়ে ১৭ বিজিবি অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ শাহারিয়ার রাজিব বলেন, দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ১৭ বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্কতা, পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে অবৈধভাবে বাংলাদেশের ভূখন্ডে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। আন্তর্জাতিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নীতিমালা, প্রচলিত আইন এবং বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার পরিপন্থী যেকোনো পুশইন অপচেষ্টা ১৭ বিজিবি কর্তৃক কঠোরভাবে প্রতিহত করা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, পুশইন প্রতিরোধে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি, টহল ও অপারেশনাল কার্যক্রম বহুগুনে জোরদার করা হয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তায় এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় ১৭ বিজিবি সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।

 

 

 

জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবকে রেড ক্রিসেন্ট এর ফুলের শুভেচ্ছা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ণ
জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবকে রেড ক্রিসেন্ট এর ফুলের শুভেচ্ছা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে সাতক্ষীরা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের পক্ষ থেকে ফুলের শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় সাতক্ষীরা জেলা পরিষদে প্রশাসকের অফিস কক্ষে গিয়ে নবনিযুক্ত জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

 

এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সাতক্ষীরা ইউনিটের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ আজিজুর রহমান, সেক্রেটারি মোঃ ওমর ফারুক, সাতক্ষীরা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের নির্বাহী কমিটির সদস্য বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব ডাঃ আবুল কালাম বাবলা, ফরিদা আক্তার বিউটি, মোঃ শফিকুল আলম বাবু, মোঃ জাহিদুল ইসলাম, মোঃ হাবিবুর রহমান, মোঃ শফিকুল ইসলাম, মোঃ মনিরুজ্জামান, সাতক্ষীরা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের ইউনিট লেভেল অফিসার হাসিবুল ইসলাম সোহান, যুব প্রধান মোঃ ইকবাল কাদির ও সাবেক যুব প্রধান ইলিয়াস হোসেন প্রমূখ।

শুভেচ্ছা বিনিময়কালে নেতৃবৃন্দ বলেন, গণমানুষের নেতা সাতক্ষীরা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের পদাধিকারবলে চেয়ারম্যান হওয়ায় সাতক্ষীরাবাসীর দীর্ঘদিনের আশা-আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটেছে এবং সাতক্ষীরা জেলার উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকান্ড আরও গতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করেন। এসময় বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সাতক্ষীরা ইউনিটের সদস্য ও কর্মকর্তা এবং যুব সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।