বাবুই পাখি ডেকে কইছে শুনো মহাজন
সুদয় কুমার মন্ডল
প্রকৃতির নিমগ্নতা
শীত গ্রীষ্ম রৌদ্র বৃষ্টি ঝড়
গগন চুম্বি তাল গাছের মাথায় বাবুই পাখিরা বেঁধেছে সুখের ঘর।
কত সুন্দর কারিগর
বারো মাস স্বাচ্ছন্দ্যে থাকে
অট্টালিকার সুখ
বাবুই পাখিরা পরিশ্রমী স্বনির্ভর।
জীবিকা নির্বাহেখাদ্য অন্বেষণ করে
বাসায় ফিরে
সারাদিন ধরে।
ছানা গুলিকে খাওয়ায় আদর যতœ সহকারে
প্রকৃতির রাজ্যে বাবুই পাখিরা কত সুখী
অট্টালিকা বাসির নেই সেই সুখ
একদা বাবুই পাখি ডেকে কইছে শুনো মহাজন
তোমাদের মাঠে ছড়ানো খাদ্য কুড়িয়ে
আমরা করি জীবন ধারণ।
তোমাদের অট্টালিকা পাশে খড়কুটো এনে বাসা করলে ভেঙে দাও অকারণ।
তোমরা কিসের মহৎ? ক্ষুদ্র প্রাণীর আশ্রয়টুকু
ভেঙে দাও কেড়ে নাও এই কি তোমাদের স্বভাব? পাতালতা চিবিয়ে মসৃণ করি
নিরাপদ আশ্রয় গড়ি। আমরা পরিশ্রমী
আমরা নিরীহ প্রাণ সুযোগ পেলে কেন ঘাড় মটকাও! তোমাদের নিষ্ঠুর বিড়ম্বনায় তাল তরু পাতায় গড়েছি আশ্রয় কেন হীন জীবের
রক্ত চুষে খাও? জবাব দিতে পারো কংক্রিটের গড়া অট্টালিকা বাসি। জানি,পারবেনা
মনুষ্য রক্তে স্বার্থপরতা বইছে ধমনীতে
ঐশ্বর্যের ভুবনে তোমরা গড়েছ তাসের ঘর সারাক্ষণপাশা খেলায় মত্ত
গর্হিত রীতিনীতিতে।
সাবধান মহাজন
ক্ষুদ্র হলেও
কারো অধিকার করোনা হনন।






