শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩

বিভাগীয় পর্যায়ে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৭ অপরাহ্ণ
বিভাগীয় পর্যায়ে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

বিভাগীয় পর্যায়ে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন অনুষ্ঠান আজ (সোমবার) ফুলবাড়ি গেটস্থ বক্ষব্যাধি হাসপাতাল চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ নাজমুল হক সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, হঠাৎ করেই দেশজুড়ে হামের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার ফলে শিশুমৃত্যু বেড়ে যায়। আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। শিশুর স্বাস্থ্য-সুরক্ষা নিশ্চয়তার মধ্যমে একটি সুস্থ জাতি উপহার দেওয়া সম্ভব। তাই এই প্রার্দুভাবের হাত থেকে আমাদের শিশুদেরকে সুরক্ষার জন্য সরকার তাৎক্ষণিক মহতী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। দেশব্যাপী হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের মধ্য দিয়ে আজ খুলনাতেও এ টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

 

এসময় গণমাধ্যমকর্মীদেরকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনারাই পারেন সমাজের প্রতিটি স্তরের জনগণকে এই টিকা বিষয়ে সচেতন করে তুলতে। আমাদের নিজ নিজ জায়গা থেকে সকলকে সচেতন করতে হবে যেন একটি শিশুও এই টিকাদান কর্মসূচি থেকে বাদ না পড়ে। তাহলেই এই কর্মসূচির স্বার্থকতা আসবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ জয়নুদ্দীন, পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের উপপরিচালক মোঃ আকিব উদ্দিন, খুলনা ইউনিসেফ এর চীফ মোঃ কাওসার হোসেন, বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ডা. মোঃ আরিফুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। এতে স্বাগত বক্তৃতা করেন খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিচালক ডা. মোঃ মুজিবুর রহমান। বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তর এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় ১৫ লাখ ৯৭ হাজার ৮২১ শিশুকে এক ডোজ হাম-রুবেলা টিকা প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিভাগে ১৪ হাজার ৯৩৬টি টিকা কেন্দ্রে দুই হাজার ২৯৮৯ জন টিকাদানকারী এবং সাত হাজার ৭৫৪ জন ভলান্টিয়ার দায়িত্ব পালন করবে। ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত এই ক্যাম্পেইন চলবে।

২০ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষ্যে রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। যাদের ৬ মাস থেকে ৫ বছরের নিচের শিশু রয়েছে তারা াধীবঢ়র.মড়া.নফ এই ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইন জন্মনিবন্ধন দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। তবে যাদের জন্মনিবন্ধন নেই তারাও রেজিস্ট্রেশন ছাড়াই টিকা নিতে পারবে। তথ্যবিবরণী

Ads small one

ফকিরহাটে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার গাইডলাইন ও দোয়া অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৫:৪৩ অপরাহ্ণ
ফকিরহাটে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার গাইডলাইন ও দোয়া অনুষ্ঠিত

ফকিরহাট (বাগেরহাট) প্রতিনিধি: বাগেরহাটের ফকিরহাটে এইচএসসি, আলিম ও সমমান পরীক্ষার্থীদের নিয়ে ক্যারিয়ার গাইডলাইন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা ও মানসিক প্রস্তুতি জোরদার করতে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ফকিরহাট কাজি আজহার আলী কলেজ শাখা এ আয়োজন করে।

শনিবার (২৭ জুন) সকাল ১০টায় কাজি আজহার আলী কলেজ অডিটোরিয়ামে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে এই ক্যারিয়ার গাইডলাইন ও দোয়া মাহফিল শুরু হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের বাগেরহাট জেলা সভাপতি হাফেজ মোরশেদ আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ছাত্রশিবিরের গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সেক্রেটারি মোঃ সাইফুল্লাহ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের কার্যনির্বাহী সদস্য বেলাল হোসেন অপু।

কাজি আজহার আলী কলেজ শাখার সভাপতি নাজমুস সাকিবের সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মদিনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী নাইমুর রহমান, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি শেখ আবুল আলা মাসুম, ছাত্রশিবির ফকিরহাট পূর্ব থানা শাখার সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, পরীক্ষার ফলাফল জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলেও এটিই শেষ নয়; বরং এটি ভবিষ্যৎ পথচলার একটি সূচনা মাত্র। ভালো ফলাফলের পাশাপাশি নিজের লক্ষ্য নির্ধারণ, সময়ের সঠিক ব্যবহার এবং ধারাবাহিক পরিশ্রমই সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। শুধু বইয়ের জ্ঞান নয়, নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধ অর্জনের দিকেও গুরুত্ব দিতে হবে।

তারা আরও বলেন, প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে নিজেকে এগিয়ে রাখতে দক্ষতা অর্জনের বিকল্প নেই। প্রযুক্তিগত জ্ঞান, ভাষাগত দক্ষতা ও সৃজনশীল চিন্তাভাবনা ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ব্যর্থতায় হতাশ না হয়ে তা থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে।

বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও আদর্শিক বিকাশে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে যোগ্য ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলেও তারা উল্লেখ করেন।

শেষে উপস্থিত শতাধিক পরীক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়। পরে তাদের সফলতা কামনা করে দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

শিক্ষার্থীদের জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি প্রজ্ঞা অর্জন করতে হবে: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৫:৩৫ অপরাহ্ণ
শিক্ষার্থীদের জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি প্রজ্ঞা অর্জন করতে হবে: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, শিক্ষার্থীদের জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি প্রজ্ঞাও অর্জন করতে হবে। মেধাবী প্রজন্মই দেশকে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে। আজকের শিক্ষার্থীরাই ভবিষ্যতে বাগেরহাটসহ সমগ্র বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবে।

তিনি আজ (শনিবার) বাগেরহাট জেলা পরিষদের অডিটোরিয়ামে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের সাফল্যের পেছনে শিক্ষক ও অভিভাবকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। বৃত্তি অর্জন কেবল একটি স্বীকৃতি নয়, বরং এটি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বড় দায়িত্ব। জেলা পরিষদ মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করতে যে বৃত্তি প্রদান কর্মসূচির আয়োজন করেছে, তা অত্যন্ত সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ। তিনি আরও বলেন, উপকূলীয় এ অঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও নানা পারিবারিক প্রতিকূলতার কারণে অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী ঝরে পড়ে। তাই তাদের পাশে দাঁড়িয়ে শিক্ষা অব্যাহত রাখা সমাজ ও রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, জনগণের করের অর্থে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ পাচ্ছে। ফলে জনগণের প্রতি তাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে। ব্যক্তিগত সাফল্যের গন্ডি পেরিয়ে সমাজ, দেশ ও মানবকল্যাণে নিজেদের মেধা ও যোগ্যতাকে কাজে লাগাতে হবে। তিনি সকল কৃতি শিক্ষার্থীকে সমাজ ও সভ্যতার কল্যাণে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান।

বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সাবেক সচিব ড. মো: ফরিদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অনুপ দাশ,  সরকারি প্রফুল্ল চন্দ্র কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর মো: জাহাঙ্গীর আলী ও খানজাহান আলী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ খোন্দকার আছিফ উদ্দিন রাখী বক্তব্য রাখেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো: আবু রিয়াদ অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। এসময় শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন। মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সামানিয়া জান্নাত অহনা ও মো: আরহাম গাজী। বাগেরহাট জেলা পরিষদ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে বাগেরহাট সদরসহ জেলার নয়টি উপজেলার স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা-বিশ^বিদ্যালয় ও সরকারি মেডিকেল কলেজের চারশত ১৮জন মেধাবী শিক্ষার্থীর মাঝে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের আওতায় ২৭ লাখ ৭৮ হাজার টাকার শিক্ষাবৃত্তি ও সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। তথ্যবিবরণী

একুশে পদকপ্রাপ্ত নির্ভীক সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালুর হত্যাবার্ষিকী পালন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৩:৪৪ অপরাহ্ণ
একুশে পদকপ্রাপ্ত নির্ভীক সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালুর হত্যাবার্ষিকী পালন

একুশে পদকপ্রাপ্ত নির্ভীক সাংবাদিক, খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক জন্মভূমির সম্পাদক হুমায়ুন কবীর বালুর ২২তম হত্যাবার্ষিকী উপলক্ষে আজ শনিবার ক্লাবের পক্ষ থেকে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। খুলনা প্রেসক্লাবের আয়োজনে স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন ক্লাবের সভাপতি মোস্তফা সরোয়ার। সভা পরিচালনা করেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ তরিকুল ইসলাম।

স্মরণসভায় বক্তারা বলেন, ‘হুমায়ুন কবীর বালু ছিলেন একজন নির্ভীক সাংবাদিক। তাঁকে যারা হত্যা করেছে, তাদেরও সঠিক বিচার হয়নি। এই মামলার পুনরায় তদন্ত এবং প্রকৃত আসামি ও এর মদদদাতাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানানো হয়। এছাড়া এই হত্যা মামলার আসামিদের সাজা না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন বক্তারা।

স্মরণ সভায় বক্তৃতা করেন, খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও আজীবন সদস্য মকবুল হোসেন মিন্টু, ক্লাবের সহ-সভাপতি সোহরাব হোসেন ও কাজী শামীম আহমেদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাহেব আলী ও মল্লিক সুধাংশু, ক্লাবের যুগ্ম-সম্পাদক বেল্লাল হোসেন সজল, সিনিয়র সদস্য মুহাম্মদ আবু তৈয়ব, কার্যনির্বাহী সদস্য মোঃ মাকসুদুর রহমান (মাকসুদ) ও কে এম জিয়াউস সাদাত, ক্লাব সদস্য আতিয়ার পারভেজ, রকিব উদ্দিন পান্নু, আনোয়ারুল ইসলাম কাজল, এ এইচ এম শামিমুজ্জামান, এস এম নূর হাসান জনি ও সাংবাদিক আবু তাহের।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কার্যনির্বাহী সদস্য কাজী মোতাহার রহমান, সহ-সভাপতি মোঃ জাহিদুল ইসলাম, কার্যনির্বাহী সদস্য সোহেল মাহমুদ, ক্লাব সদস্য এস এম কামাল হোসেন,বাপ্পী খান, রিংটন মন্ডল, আল মাহমুদ প্রিন্স, মুহাম্মদ নূরুজ্জামান, আলমগীর হান্নান, মোঃ হুমায়ুন কবীর, মো. আজিজুল ইসলাম, মোঃ রবিউল গাজী (উজ্জ্বল), এস এম বাহাউদ্দিন, তিতাস চক্রবর্তী, মোঃ হেলাল মোল্লা, আলী আবরার, মোঃ সোহেল রানা, মোঃ রফিক আলী, তুফান গাইন, ইমাম হোসেন সুমন, মোঃ আনিছুর রহমান কবির, মো. রাজু হাওলাদার, নূরুল আমিন নূর, মো. মাসুম বিল্লাহ ইমরান, মোঃ হাবিবুর রহমানসহ অন্যান্য সাংবাদিকবৃন্দ।

এর আগে ক্লাবের নেতৃবৃন্দ ক্লাব চত্বরে অবস্থিত শহিদ সাংবাদিক স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন। এছাড়া স্মরণসভার শুরুতে সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালুসহ নিহত সাংবাদিকদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

 

এছাড়া হুমায়ুন কবীর বালুসহ নিহত ও মৃত্যুবরণকারী অন্যান্য সাংবাদিকদেরও আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন ক্লাবের ইমাম হাফেজ মাওলানা মো. ইউসুফ হাবিব।

উল্লেখ্য, গত ২০০৪ সালের ২৭ জুন নগরীর ইসলামপুর রোডে অবস্থিত নিজ কার্যালয় জন্মভূমি ভবনের সামনে সন্ত্রাসীদের বোমা হামলায় তিনি শাহাদাৎ বরণ করেন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি