বিশ্বকাপে ব্রাজিলের প্রাথমিক স্কোয়াডে নেইমার
অবশেষে সকল শঙ্কা পেছনে ফেলে জাতীয় দলে ফেরার পথে বড় এক ধাপ এগোলেন ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার নেইমার। সোমবার কার্লো আনচেলত্তির ঘোষিত ব্রাজিলের প্রাথমিক ৫৫ সদস্যের দলে জায়গা পেয়েছেন তিনি।
দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই আনচেলত্তি স্পষ্ট করে আসছিলেন, খ্যাতির জোরে দলে জায়গা মিলবে না, বরং পুরোপুরি ফিট ও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থায় থাকা খেলোয়াড়দেরই বিবেচনায় নেওয়া হবে। সে কারণেই ব্রাজিলের সর্বশেষ দলে জায়গা হয়নি নেইমারের। তখনও এসিএল ইনজুরি থেকে পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় ছিলেন। তবে তাকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফুটবল অঙ্গনে বেশ আলোচনা-সমালোচনাও হয়েছে।
তবে গত কয়েক মাসে পরিস্থিতি অনেকটাই বদলে গেছে। শৈশবের ক্লাব সান্তোসে ফিরে নিজের পুরোনো ছন্দ ও প্রভাব ফিরে পেয়েছেন নেইমার। ১২ ম্যাচে পাঁচ গোল ও তিন অ্যাসিস্ট করেছেন এই ফরোয়ার্ড। তবে তার প্রভাব শুধু পরিসংখ্যানেই সীমাবদ্ধ নয়। তার নেতৃত্বে ব্রাজিলিয়ান লিগে ঘুরে দাঁড়িয়েছে সান্তোস, পাশাপাশি কোপা সুদামেরিকানাতেও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ অবস্থান ধরে রেখেছে দলটি।
ফিফার নিয়ম অনুযায়ী বিশ্বকাপের জন্য ৫৫ সদস্যের দল ঘোষণা করতে হবে ১১ মের মধ্যে। আর বড় এই তালিকা জনসম্মুখে প্রকাশ করা হয় না। এখান থেকেই মূলত ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াড বেছে নিতে হয়।
আনচেলত্তির চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা হবে আগামী ১৮ মে। তখনই নিশ্চিত হওয়া যাবে বিশ্বকাপে নেইমারের প্রত্যাবর্তন। দলে জায়গা পেলে এটি হবে ব্রাজিলের হয়ে তার চতুর্থ বিশ্বকাপ।
এবার দেখে নেওয়া যাক ব্রাজিল স্কোয়াড:
ফরোয়ার্ড: ভিনি (রিয়াল মাদ্রিদ), রাফিনিহা (বার্সেলোনা), ম্যাথেউস কুনিহা (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), লুইজ হেনরিকে (জেনিত), গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লি (আর্সেনাল), জোয়াও পেদ্রো (চেলসি), এস্তেভাও (চেলসি), নেইমার (সান্তোস), এন্দ্রিক (লিওঁ), রায়ান (বোর্নমাউথ), অ্যান্টনি (রিয়াল বেতিস),
ইগর থিয়াগো (ব্রেন্টফোর্ড), পেদ্রো (ফ্ল্যামেঙ্গো), রিশার্লিসন (টটেনহাম), ইগর জেসুস (নটিংহ্যাম ফরেস্ট), কাইও জর্জে (ক্রুজেইরো)
মিডফিল্ডার: কাসেমিরো (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), ব্রুনো গিমারায়েস (নিউক্যাসল), ফাবিনিয়ো (আল-ইত্তিহাদ), আন্দ্রে সান্তোস (চেলসি),দানিলো (বোটাফোগো), লুকাস পাকেতা (ফ্ল্যামেঙ্গো), গ্যাব্রিয়েল সারা (গালাতাসারাই), জোয়াও গোমেস (উলভস), আন্দ্রেয়াস পেরেইরা (পালমেইরাস), জোয়েলিন্তন (নিউক্যাসল), জেরসন (ক্রুজেইরো), ম্যাথেউস পেরেইরা (ক্রুজেইরো)
ডিফেন্ডার: মারকিনিওস (পিএসজি), থিয়াগো সিলভা (পোর্তো), গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস (আর্সেনাল), ব্রেমার (ইউভেন্টাস), লিও পেরেইরা (ফ্ল্যামেঙ্গো), ইবানেজ (আল-আহলি), আলেক্সসান্দ্রো (লিল), ফ্যাব্রিসিও ব্রুনো (ক্রুজেইরো), বেরালদো (পিএসজি), ভিতর রেইস (জিরোনা), মুরিল্লো (নটিংহ্যাম ফরেস্ট), ওয়েসলি (রোমা), দানিলো (ফ্ল্যামেঙ্গো), পাওলো হেনরিকে (ভাস্কো), ভিতিনহা (বোটাফোগো), অ্যালেক্স সান্দ্রো (ফ্ল্যামেঙ্গো), ডগলাস সান্তোস (জেনিত)
লুসিয়ানো জুবা (বাহিয়া), কাইও হেনরিকে (মোনাকো), কাইকি (ক্রুজেইরো), কার্লোস অগুস্তো (ইন্টার মিলান)
গোলরক্ষক: আলিসন (লিভারপুল), এদেরসন (ফেনারবাচে), বেন্তো (আল-নাসর), হুগো সৌজা (করিন্থিয়ান্স), জন (ফরেস্ট), কার্লোস মিগেল (পালমেইরাস)









