মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

বিশ্ব ত্বক স্বাস্থ্য দিবস: জ্ঞানের আলোয় সুস্থ ত্বক ও সৌন্দর্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৭:৩৭ অপরাহ্ণ
বিশ্ব ত্বক স্বাস্থ্য দিবস: জ্ঞানের আলোয় সুস্থ ত্বক ও সৌন্দর্য

সাকিবুর রহমান বাবলা

মানবদেহের সবচেয়ে বড় অঙ্গ ত্বক। এটি শুধু বাহ্যিক সৌন্দর্যের প্রতীক নয়; বরং জীবাণু, দূষণ, অতিবেগুনি রশ্মি ও প্রতিকূল পরিবেশের বিরুদ্ধে শরীরের প্রথম প্রতিরক্ষাব্যূহ। অথচ দীর্ঘদিন ধরে অনেক সমাজে ত্বকের স্বাস্থ্যকে চিকিৎসাবিষয়ক গুরুত্বের পরিবর্তে কেবল রূপচর্চার অংশ হিসেবে দেখা হয়েছে। এই দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন এবং ত্বকের স্বাস্থ্য সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই ৮ জুলাই পালিত হয় বিশ্ব ত্বক স্বাস্থ্য দিবস।

চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের দুটি আন্তর্জাতিক সংগঠন-ইন্টারন্যাশনাল লিগ অব ডার্মাটোলজিক্যাল সোসাইটিজ, বিশ্বের সবচেয়ে বড় বৈশ্বিক সংস্থা, যারা ১১৪টিরও বেশি দেশের চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের সংগঠনগুলোকে একত্রিত করে এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাথে সরাসরি কাজ করে; অন্যদিকে ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অব ডার্মাটোলজি, বিশ্বব্যাপী ত্বকের চিকিৎসা, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রসারে কাজ করে। এই সংগঠন দুটির যৌথ উদ্যোগে ২০১৩ সালে দিবসটির সূচনা হয়। তবে ২০১৭ সালে তারা নতুন আঙ্গিকে যাত্রা শুরু করে, যা বিশ্বব্যাপী ত্বকের স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসা-সমতা নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলনে পরিণত হয়।

ত্বকের স্বাস্থ্যসেবায় সম্ভাবনাময় নতুন উদ্ভাবনের উদাহরণ হিসেবে ইথিওপিয়ায় জন্ম নেওয়া এবং বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী কিশোর বিজ্ঞানী হেমান বেকেলে মাত্র ১৫ বছর বয়সে এমন একটি বিশেষ সাবানের ধারণা উদ্ভাবন করেন, যা ভবিষ্যতে কিছু ধরনের ত্বকের ক্যানসারের চিকিৎসা ও প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে। এতে ইমিকুইমোড নামের অনুমোদিত ওষুধকে ন্যানোপার্টিকেলের মাধ্যমে ত্বকে কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। উদ্ভাবনটি বর্তমানে গবেষণা ও পরীক্ষার পর্যায়ে রয়েছে এবং এখনো সাধারণ চিকিৎসার জন্য অনুমোদিত নয়। এই প্রকল্পের জন্য তিনি ২০২৩ সালে 3M Young Scientist Challenge-এ বিজয়ী হন এবং ২০২৪ সালে TIME ম্যাগাজিনের Kid of the Year নির্বাচিত হন।

দিবসটির মূল উদ্দেশ্য হলো চর্মরোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, প্রত্যন্ত ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য চিকিৎসাসেবার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং শ্বেতী, সোরিয়াসিসসহ বিভিন্ন দীর্ঘস্থায়ী চর্মরোগ নিয়ে প্রচলিত কুসংস্কার ও সামাজিক বৈষম্য দূর করা। এ দিবস মানুষকে স্মরণ করিয়ে দেয় যে ত্বকের স্বাস্থ্য কোনো বিলাসিতা নয়; এটি মৌলিক স্বাস্থ্য অধিকারেরই একটি অংশ।

‘উন্নত ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য উন্নত জ্ঞান’-এই প্রতিপাদ্যের মূল বার্তা হলো সঠিক জ্ঞানই সুস্থ ত্বকের ভিত্তি। নির্ভরযোগ্য তথ্য মানুষকে রোগের লক্ষণ দ্রুত শনাক্ত করতে, নিরাপদ পরিচর্যা গ্রহণ করতে এবং বৈজ্ঞানিক চিকিৎসার প্রতি আস্থা তৈরি করতে সহায়তা করে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবাকর্মী ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে জ্ঞান চর্চা ও বিনিময় চিকিৎসাব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করে তোলে।

ত্বকের স্বাস্থ্য ও জলবায়ুর মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। অতিরিক্ত তাপ, আর্দ্রতা, শুষ্কতা, বায়ুদূষণ ও সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি ত্বকের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে, যা জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আরও তীব্র হচ্ছে। বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা ও অতিরিক্ত আর্দ্রতার কারণে বিভিন্ন চর্মরোগের ঝুঁকি বাড়ে। তাই স্থানীয় পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ত্বকের যতœ নেওয়া, পর্যাপ্ত পানি পান, সুষম খাদ্য গ্রহণ, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং সূর্যরশ্মি থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্বজুড়ে এই দিবস উপলক্ষে বিনামূল্যে ত্বক পরীক্ষা, স্ক্রিনিং ক্যাম্প, সেমিনার, র‌্যালি ও ভ্রাম্যমাণ চিকিৎসাসেবা পরিচালিত হয়। কারাগার, পিছিয়েপড়া জনগোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী এবং স্বাস্থ্যসেবাবঞ্চিত মানুষের কাছে চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়াও এর গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহ্যের অংশ। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে #WSHD প্রচারণা ত্বকের রোগ সম্পর্কে সচেতনতা ও সহমর্মিতার একটি বৈশ্বিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে সহায়তা করছে।

আন্তর্জাতিক ত্বক স্বাস্থ্য দিবস আমাদের শেখায় যে সুস্থ ত্বক মানে শুধু সৌন্দর্য নয়, বরং সুস্থ জীবন। তাই কুসংস্কার নয়, প্রয়োজন জ্ঞান; অবহেলা নয়, প্রয়োজন সচেতনতা। ত্বকের প্রতি যতœশীল হওয়া মানে নিজের সামগ্রিক স্বাস্থ্য ও জীবনমানের প্রতিই দায়িত্বশীল হওয়া। জ্ঞানের আলোয় গড়ে উঠুক ত্বক-সচেতন, সুস্থ ও মানবিক বিশ্ব।

Ads small one

আ বিউটিফুল লাই’-তে ফিরছেন মৌসুমী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:০৫ পূর্বাহ্ণ
আ বিউটিফুল লাই’-তে ফিরছেন মৌসুমী

প্রায় তিন বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মৌসুমী। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর পাশাপাশি অভিনয় থেকেও পুরোপুরি দূরে থাকেননি তিনি। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে বিভিন্ন সময় ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছেন এই অভিনেত্রী।

এবার নতুন একটি সিনেমায় যুক্ত হলেন মৌসুমী। ‘আ বিউটিফুল লাই’ নামের সিনেমাটি নির্মাণ করছেন নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল। ইতোমধ্যে সিনেমাটির চিত্রনাট্য তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। নির্মাতার পরিকল্পনা অনুযায়ী, শিগগিরই এর শুটিং শুরু হতে পারে।

সিনেমাটি প্রসঙ্গে মৌসুমী বলেন, ‘আ বিউটিফুল লাই’ মূলত একটি রোড ট্রিপের গল্প। এতে থ্রিলারের আবহ রয়েছে। গল্পের ঘটনাগুলো একটি মিথ্যাকে কেন্দ্র করে এগিয়ে যায়। সেই মিথ্যার মধ্যেই তৈরি হয় নানা উপভোগ্য মুহূর্ত।

মৌসুমীর ভাষ্য, শুরুতে টেলিফিল্ম হিসেবে নির্মাণের পরিকল্পনা থাকলেও পরবর্তী সময়ে এটি পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমায় রূপ দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত যে মাধ্যমেই নির্মিত হোক, দর্শক একটি উপভোগ্য গল্প পাবেন বলে আশা করছেন তিনি।

নির্মাতা নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুলও শুরুতে ‘আ বিউটিফুল লাই’ টেলিফিল্ম হিসেবে নির্মাণের পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে গল্পের পরিসর ও সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়ে পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। বর্তমানে পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা হিসেবে নির্মাণের জন্য চিত্রনাট্য চূড়ান্ত করার কাজ চলছে।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ সিনেমায় অভিনয় করেন মৌসুমী। সিনেমাটি মুক্তির আগে পরিচালক হাসান জাহাঙ্গীরের সঙ্গে মৌসুমী ও তার স্বামী অভিনেতা ওমর সানীর দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসে।

পরিচালকের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগও তোলেন মৌসুমী ও ওমর সানী। তাদের দাবি ছিল, নাটক নির্মাণের কথা বলে মৌসুমীকে ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ প্রকল্পে যুক্ত করা হয়। পরে সেই নাটককেই সিনেমায় রূপান্তর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

এদিকে সিনেমাটির শিল্পী জেবা জান্নাতের অভিযোগের পর ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’-এর সেন্সর সার্টিফিকেশন আটকে দেওয়া হয়েছিল। পরে আদালতের নির্দেশে সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়। তবে মুক্তির পর দর্শকদের মধ্যে প্রত্যাশিত সাড়া ফেলতে পারেনি সিনেমাটি।

সেই বিতর্ক ও আলোচনা-সমালোচনার পর এবার নতুন সিনেমায় মৌসুমীর যুক্ত হওয়ার খবর সামনে এলো। ‘আ বিউটিফুল লাই’ সিনেমাটির মাধ্যমে আবারও নতুন গল্পে দর্শকদের সামনে হাজির হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এই অভিনেত্রী।

হ্যারি ও মেগান রাজপরিবারের উপাধি ব্যবহার করতে পারবেন না

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:০২ পূর্বাহ্ণ
হ্যারি ও মেগান রাজপরিবারের উপাধি ব্যবহার করতে পারবেন না

প্রিন্স হ্যারি ও তার স্ত্রী মেগান মার্কেল ব্রিটিশ রাজপরিবারের দায়িত্ব ছেড়ে ২০২০ সালে স্বাধীন জীবনযাপনের উদ্দেশ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমিয়েছিলেন। ছয় বছর পর গত আগস্টে তারা তাদের দুই সন্তান আর্চি ও লিলিবেটকে নিয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরে বসবাস শুরু করেন।

রাজপরিবারে তাদের অবস্থান কী হবে, তা নিয়ে চলছিল গুঞ্জন। রাজা তৃতীয় চার্লস সেই গুঞ্জনের সমাপ্তি টেনেছেন। সোমবার জারি করা এক চিঠিতে জানানো হয়, রাজপরিবারের কর্মরত সদস্য হিসেবে হ্যারি ও মেগানকে বিবেচনা করা হবে না। রাজপরিবারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা লর্ড চেম্বারলেনের জারি করা চিঠিতে বলা হয়েছে, হ্যারি-মেগানের যুক্তরাজ্যে ফিরে আসার পর তাদের অবস্থান নিয়ে বেশ কিছু নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে যেন কোনো ‘সন্দেহ বা বিভ্রান্তি’ না থাকে, সে কারণেই এই চিঠি দেওয়া হয়েছে।

রাজপরিবার থেকে জারি করা ওই চিঠিতে আরও বলা হয়, ‘২০২০ সালের জানুয়ারিতে হ্যারি ও মেগান রাজকীয় দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান। ফলে তারা এখন আর রাজপরিবারের অফিসিয়ালি ‘এইচআরএইচ’ উপাধি ব্যবহার করতে পারবেন না।

জানা যায়, রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ বা প্রিন্স চার্লসের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই হ্যারি ও মেগান আকস্মিকভাবে ২০২০ সালে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘোষণা করেন যে, তারা রাজপরিবারের ‘সিনিয়র’ সদস্যের পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে রানি এলিজাবেথ তখন একটি পারিবারিক বৈঠক ডাকেন। সেখানে সিদ্ধান্ত হয় যে, হ্যারি-মেগান আর রাজপরিবারের প্রতিনিধিত্ব করতে পারবেন না এবং সরকারি কোনো অনুদান পাবেন না।

বিমান নিয়ে মন্তব্য, নোরার বিরুদ্ধে বড় অঙ্কের মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:০০ পূর্বাহ্ণ
বিমান নিয়ে মন্তব্য, নোরার বিরুদ্ধে বড় অঙ্কের মামলা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উড়োজাহাজ নিয়ে মন্তব্য করে আইনি জটিলতায় পড়েছেন বলিউড অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী নোরা ফাতেহি। ডুন এভিয়েশন নামের একটি চার্টার্ড বিমান সংস্থাকে নিয়ে অসম্মানজনক ও ভিত্তিহীন মন্তব্য করার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে ৩০ মিলিয়ন দিরহাম ক্ষতিপূরণ দাবি করে মানহানির মামলা করা হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে গত বছরের ডিসেম্বরে। মুম্বাই থেকে জয়পুর যাওয়ার পথে সেসনা সাইটেশন সিজে-২ মডেলের একটি উড়োজাহাজে ওঠার সময় ভিডিও ধারণ করেন নোরা। পরে সেই ভিডিও নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করেন তিনি। ওই অ্যাকাউন্টে তার প্রায় ৪ কোটি ৭০ লাখ অনুসারী রয়েছে।

ভিডিওতে উড়োজাহাজটির আকার ও চেহারা নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে নোরা সেটিকে খেলনা কিংবা ‘লেগো বিমান’-এর সঙ্গে তুলনা করেন বলে অভিযোগ করেছে বিমান সংস্থাটি।

ডুন এভিয়েশনের দাবি, নোরার ওই মন্তব্য দায়িত্বজ্ঞানহীন ও ভিত্তিহীন। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটির বাণিজ্যিক সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি ব্যবসায়িক ক্ষতি হয়েছে। সংস্থাটি আরও দাবি করেছে, সংশ্লিষ্ট উড়োজাহাজটি তার শ্রেণির একটি মানসম্মত বিমান।

এ ঘটনায় গত এপ্রিল মাসে গান্ধীনগরের একটি আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটিতে ৩০ মিলিয়ন দিরহাম ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়েছে। আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর মামলাটির শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এদিকে ‘দিলবার’ ও ‘ও সাকি সাকি’র মতো জনপ্রিয় গানের মাধ্যমে পরিচিতি পাওয়া নোরা ফাতেহি সম্প্রতি ‘সারকে চুনার তেরি সারকে’ নামের একটি কন্নড় গানের কথার কারণেও সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন।

ওই বিতর্কের পর নোরা জানিয়েছিলেন, গানটির ভাষা তিনি বুঝতে পারেননি। ভাষাগত বিষয়টি না বোঝার কারণেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি তখন বিতর্কের অবসান ঘটানোর চেষ্টা করেন।