মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩

বেত্রবতী হাইস্কুলে বিদায় সংবর্ধনা ও নবীন বরণ অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ণ
বেত্রবতী হাইস্কুলে বিদায় সংবর্ধনা ও নবীন বরণ অনুষ্ঠিত

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়া বেত্রবতী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯এপ্রিল) সকাল ১১টায় প্রধান শিক্ষক সাংবাদিক রাশেদুল হাসান কামরুল এঁর সভাপতিত্বে বিদ্যালয়ের হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিতব্য এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা এবং ষষ্ঠ শ্রেণির নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সহকারী শিক্ষক মশিউর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া প্রেসক্লাবের আহবায়ক তাওফিকুর রহমান সঞ্জু, ডাক্তার আব্দুল জব্বার, বেত্রবতী হাইস্কুল জামে মসজিদের সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম, ডাক্তার আব্দুস সামাদ, সহকারী শিক্ষক মাওলানা আব্দুদ দাইয়ান, আবুবকর ছিদ্দীক, আনারুল ইসলাম, তজিবুর রহমান, সাইফুল আলম, নাছরিন সুলতানা, জাকিয়া পারভীন, সমীর কুমার সরকার, দেবাশীষ সরদার, শেখ মহিরুল ইসলাম, পপি মন্ডল, অফিস সহায়ক ফারুক হোসেন, এরশাদ আলী, প্রেসক্লাবের সদস্য কাজী সিরাজুর রহমান, মনিরুল ইসলাম মনি, বিদায়ী শিক্ষার্থী তানভীর সোহেল, আব্দুল্লাহ আল মুহিন, রোহান পিয়াল, আবির হাসান, শেখ মাসুম বিল্লাহ, সুরাইয়া আক্তার তন্বী, শামিমুজ্জামান শেখ, শিক্ষার্থী রিফাজ হোসেন, জেরিন তাবাচ্ছুম মেধা, নাদিমুল ইসলাম, প্রান্ত কর্মকার, ফাহিম হাসান, রুদ্রনীল পাল প্রমুখ। বক্তব্য শেষে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের হাতে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে শিক্ষাপোকরণ এবং বিদায়ী শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠানে স্মৃতি হিসেবে উপহার সামগ্রী তুলে দেয়া হয়। অনুষ্ঠানের শেষে পরীক্ষার্থীসহ সকলের জন্য দোয়া পরিচালনা করেন বেত্রবতী হাইস্কুল জামে মসজিদের খতিব হাফেজ আজহারুল ইসলাম। এছাড়া, এ বছর স্কুল থেকে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ২জন শিক্ষার্থী সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পাওয়ায় তাদের পুরষ্কৃত করা হয়। বৃত্তি পাওয়া ২জন শিক্ষার্থী হলো নাদিমুল ইসলাম ও জুবায়ের হোসেন।

‘অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে সাতক্ষীরার সব আসনে বিএনপির পরাজয়’
নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলা বিএনপিতে সমন্বয়হীনতা ও অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে গত নির্বাচনে জেলার চারটি আসনেই দলীয় প্রার্থীদের পরাজয় হয়েছে বলে দাবি করেছেন অঙ্গ-সংগঠনের নেতারা। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে শহরের সঙ্গীতা মোড় এলাকার একটি কনফারেন্স রুমে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তাঁরা এ অভিযোগ করেন।
বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতাদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই সভায় ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও শ্রমিক দলের জেলা পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় বক্তারা দলীয় কার্যক্রমে সমন্বয়হীনতার অভিযোগ তুলে বলেন, জেলা বিএনপির বর্তমান কমিটি গঠনের পর থেকে তৃণমূল পর্যায়ে এক ধরনের দূরত্ব তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ৫ আগস্টের আগের আন্দোলনে রাজপথে থাকা ত্যাগী নেতাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হচ্ছে না।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুস সামাদ বলেন, “সমন্বয়হীনতা ও অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের কারণেই সাতক্ষীরার চারটি আসনেই বিএনপি প্রার্থীরা পরাজিত হয়েছেন। রাজপথের সক্রিয় ও ত্যাগী নেতাদের অবমূল্যায়ন করা হলে দল আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।”
বক্তারা আরও বলেন, দলকে শক্তিশালী করতে হলে মতপার্থক্য ভুলে তৃণমূল থেকে জেলা পর্যায় পর্যন্ত একীভূত হওয়া জরুরি। সঠিক নেতৃত্ব ও মূল্যায়নের মাধ্যমেই কেবল ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মসূচিগুলো সফল করা সম্ভব।
জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি অ্যাডভোকেট কামরুজ্জামান ভুট্টোর সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন জেলা যুবদলের সাবেক সমন্বয়ক আইনুল ইসলাম নান্টা, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক শেখ শরিফুল ইসলাম সজীব, মাহমুদুল ইসলাম এবং ছাত্রদল নেতা শাহিন ইসলামসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা। সভার শেষ পর্যায়ে উপস্থিত সকল নেতা-কর্মী অভ্যন্তরীণ কোন্দল মিটিয়ে সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত করার এবং কেন্দ্রীয় যেকোনো কর্মসূচি বাস্তবায়নে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

Ads small one

কয়রায় বাঘ বিধবা নারীদের মাঝে জেলা প্রশাসকের ফুড প্যাক বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৬:১৪ অপরাহ্ণ
কয়রায় বাঘ বিধবা নারীদের মাঝে জেলা প্রশাসকের ফুড প্যাক বিতরণ

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: কয়রা উপজেলার ৭ টি ইউনিয়নের ১৫০ জন বাঘ বিধবা নারীদের মাঝে ফুড প্যাক বিতরণ করেছেন খুলনা জেলা প্রশাসক মিজ হুরে জান্নাত।

মঙ্গলবার (২৫ আগষ্ট) বেলা ১১ টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এই ফুড প্যাক বিতরণ করা হয় ।

এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্য খুলনার জেলা প্রশাসক মিজ হুরে জান্নাত বলেন, বাঘ বিধবা নারীরা খুব অসহায়ের মধ্যে জীবন যাপন করে থাকে। তাদের কষ্ট লাঘবে খুলনা জেলা প্রশাসক কার্যালয় হতে বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আব্দুল্লাহ আল বাকির সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভুমি) শ্রাবনী বিশ্বাস, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমরান হাসান, মোঃ মেহেদী হাসান, উপজেলা কৃষি অফিসার তীলক কুমার ঘোষ, সিনিয়র মৎস্য অফিসার সমীর কুমার সরকার, সমাজসেবা অফিসার মোঃ আবুল কালাম আজাদ, প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার মোঃ আব্দুল্লাহ আল জাবির, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী ইস্তিয়াক আহমেদ, সমবায় অফিসার তানভীর মাসুদুল হাসান প্রমুখ।

 

এর আগে জেলা প্রশাসক মিজ হুরে জান্নাত কয়রা উপজেলার ৫০ পরিবারের মাঝে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের বাস্তবায়ধীন ৩ হাজার লিটার ধারন ক্ষমতা বৃষ্টি পানি সংরক্ষণের পানি ট্যাংকি বিতরণ করেন।

 

এ ছাড়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হতে বাস্তবায়নধীন বিশেষ এলাকার জন্য উন্নয়ন সহায়তা শীর্ষক কর্মসুচীর অংশ হিসাবে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মাঝে বাইসাইকেল, সেলাই মেশিন ও শিক্ষা বৃত্তির অনুদান বিতরণ করেন।

 

এর আগে জেলা প্রাশাসক, কয়রা থানা, ভুমি অফিস, মহিলা বিষয়ক অফিস, মহারাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ, মদিনাবাদ মডেল সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করার পাশাপাশি উপজেলা পরিষদ চত্বরে বৃক্ষ রোপন কর্মসুচীতে অংশ গ্রহণ করেন।

পাইকগাছায় দুদক-এর বিতর্ক প্রতিযোগিতায় কপিলমুনি বালিকা বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৬:০৭ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় দুদক-এর বিতর্ক প্রতিযোগিতায় কপিলমুনি বালিকা বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন

কপিলমুনি (পাইকগাছা) প্রতিনিধি: শিক্ষার্থীদের মধ্যে গণসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সততা ও নৈতিকতার চর্চায় উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর উদ্যোগে পাইকগাছায় বিতর্ক প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, খুলনা, পাইকগাছা উপজেলা প্রশাসন এবং উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির যৌথ বাস্তবায়নে কর্মসূচিগুলো সফলভাবে সম্পন্ন হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী। সভাপতিত্ব করেন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক রহিমা আখতার শম্পা।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক মোঃ রুবেল হোসেন এবং ভারপ্রাপ্ত উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার রোকশানা পারভীন। উপজেলার ১৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে।

 

প্রতিযোগিতার সেমিফাইনালে ‘ক’ গ্রুপ থেকে শহীদ কামরুল মাধ্যমিক বিদ্যালয় কপিলমুনি সহচরী বিদ্যা মন্দিরকে এবং ‘খ’ গ্রুপে কপিলমুনি মেহেরুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পাইকগাছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়কে পরাজিত করে ফাইনালে ওঠে। ফাইনালে শহীদ কামরুল মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় কপিলমুনি মেহেরুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। কপিলমুনি মেহেরুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পক্ষে পুরস্কার গ্রহন করেন নবম শ্রেণী ছাত্রী আনিকা কর্মকার প্রাপ্তি। শহীদ কামরুল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দলনেতা তনুশ্রী দে প্রতিযোগিতার ‘প্রধান বক্তা’ নির্বাচিত হন।

বৈরামপুরে বেতনা নদীর ভয়াবহ ভাঙন, বিপর্যয়ের মুখে তিন ইউনিয়ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
বৈরামপুরে বেতনা নদীর ভয়াবহ ভাঙন, বিপর্যয়ের মুখে তিন ইউনিয়ন

সচ্চিদানন্দ দে সদয়, আশাশুনি: আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি ইউনিয়নের বৈরামপুর জামে মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় বেতনা নদীর বেড়িবাঁধে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। জোয়ার-ভাটার অব্যাহত স্রোতে গত কয়েক মাসে প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ ফুট চর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। কোথাও কোথাও ভাঙন সড়কের মাত্র ৫ থেকে ৬ ফুটের মধ্যে চলে এসেছে। ফলে যেকোনো সময় বেড়িবাঁধ ও পিচঢালা সড়ক নদীগর্ভে বিলীন হয়ে জোয়ারের পানি লোকালয়ে ঢুকে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে শুধু কাদাকাটি নয়, কুল্যা ও দরগাহপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা এবং পার্শ্ববর্তী তালা উপজেলার কয়েকটি গ্রামও প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। আতঙ্কে দিন কাটছে নদীতীরবর্তী মানুষের।

 

সরেজমিনে দেখা যায়, বেতনা নদীর তীরঘেঁষা বেড়িবাঁধটি বর্তমানে একটি কার্পেটিং সড়ক হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। সড়কটি উত্তর দিকে কুল্যা ইউনিয়নের গুনাকরকাটি সেতু এবং দক্ষিণ দিকে কাদাকাটি ইউনিয়নের তেঁতুলিয়া বাজার পর্যন্ত বিস্তৃত। দীর্ঘদিনের নদীভাঙনে সড়কসংলগ্ন চর ক্রমেই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। কোনো কোনো স্থানে সড়ক থেকে নদীর দূরত্ব মাত্র ৪০/৪৫ ফুট। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ভাঙনস্থলের কিছু অংশে নদীর চর প্রায় ২৫/৩০ ফুট গভীর হয়ে গেছে। ফলে সামান্য অংশ ভেঙে পড়লেই সড়কটি নদীতে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

 

বৈরামপুর জামে মসজিদের খতিব ও পেশ ইমাম মাওলানা মো. আব্দুল কুদ্দুস বলেন, নদীর পাড়ে গভীর ভাঙন সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিদিনই নতুন করে মাটি ধসে নদীতে পড়ছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারে। স্থানীয় বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম বলেন, “ভাঙন এখন সড়কের একেবারে কাছে চলে এসেছে। সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে শুধু তিন ইউনিয়ন নয়, তালা উপজেলারও বিভিন্ন এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।”

 

ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, সড়ক থেকে মাত্র ৬/৭ ফুট দূরে ভাঙন চলে এসেছে। ভাঙনের গভীরতাও অনেক বেশি। আর সামান্য অংশ ভেঙে গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। তাই দ্রুত ভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রায় দুই মাস আগে সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস রবিউল বাশার ভাঙনস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেন। এর কয়েকদিন পর একজন সার্ভেয়ার এসে ভাঙনস্থল পরিমাপ করেও যান। তবে এরপর দীর্ঘ সময় পার হলেও ভাঙন প্রতিরোধে দৃশ্যমান কোনো কাজ শুরু হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

 

এদিকে ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহমান তাজকিয়া বলেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। খুব দ্রুত কাজ শুরু হবে।আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু বলেন, “নদীভাঙনের বিষয়টি শুনেছি। স্থানটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

 

স্থানীয়দের আশঙ্কা, সড়কটি নদীগর্ভে বিলীন হলে একদিকে যেমন কাদাকাটি, কুল্যা ও দরগাহপুরের সঙ্গে যোগাযোগব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে, অন্যদিকে জোয়ারের পানি লোকালয়ে ঢুকে হাজার হাজার বিঘা মাছের ঘের, কৃষিজমি, বসতবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এতে এলাকার কৃষি, মৎস্য ও স্থানীয় অর্থনীতিতে বড় ধরনের ধাক্কা আসতে পারে। তাই বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটার আগেই ভাঙনস্থলে জরুরি ভিত্তিতে প্রতিরোধকাজ শুরু করার দাবি জানিয়েছেন নদীতীরবর্তী আতঙ্কিত মানুষ। তাদের ভাষায়, “বাঁধ ভাঙার পর ব্যবস্থা নয়, বাঁধ রক্ষায় এখনই ব্যবস্থা চাই।”