মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

বৈশাখী মেলা শেষে পরিষ্কার না হওয়ায় দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ দর্শনার্থীরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৩২ অপরাহ্ণ
বৈশাখী মেলা শেষে পরিষ্কার না হওয়ায় দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ দর্শনার্থীরা

সাতক্ষীরার শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে ময়লার স্তুপ

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা শহরের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে বৈশাখী মেলা শেষ হলেও এখনও পড়ে আছে ময়লার স্তুপ। দীর্ঘদিন ধরে আবর্জনা অপসারণ না হওয়ায় পার্কজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে দুর্গন্ধ, যা দর্শনার্থীদের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সরেজমিনে দেখা যায়, পার্কের বিভিন্ন স্থানে মেলার সময় জমে থাকা প্লাস্টিক, খাবারের উচ্ছিষ্ট, কাগজসহ নানা ধরনের বর্জ্য স্তূপাকারে পড়ে আছে।

 

আজ তোলা ছবিতেও সেই ময়লার স্তুপ স্পষ্টভাবে ধরা পড়েছে। দর্শনার্থীরা অভিযোগ করেন, মেলা শেষ হওয়ার পরও পার্ক পরিষ্কারে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি পৌর কর্তৃপক্ষ। তারা বলেন, “পৌরসভা যেন দেখেও না দেখার ভান করছে।” প্রতিদিন পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরতে আসা মানুষদের এ পরিস্থিতিতে চরম অস্বস্তিতে পড়তে হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, মেলার সময় আশপাশের দোকান ও অস্থায়ী স্টল থেকে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ বর্জ্য ফেলা হয়েছে পার্কের ভেতরেই। কিন্তু সেগুলো অপসারণে নিয়মিত ব্যবস্থা না থাকায় ধীরে ধীরে ময়লার স্তুপ বড় হয়েছে।
পার্কে ঘুরতে আসা দর্শনার্থী সালমা খাতুন জানান, শহরের অন্যতম বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এই পার্কে এমন পরিবেশ অগ্রহণযোগ্য। দুর্গন্ধের কারণে শিশু ও বয়স্কদের নিয়ে এখানে অবস্থান করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

একজন দর্শনার্থী বলেন, “বৈশাখী মেলা শেষে পার্ক দ্রুত পরিষ্কার হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এখনও ময়লা পড়ে আছে। এতে পরিবেশ যেমন নষ্ট হচ্ছে, তেমনি স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়ছে।”

পরিবেশবিদদের মতে, উন্মুক্ত স্থানে দীর্ঘদিন বর্জ্য পড়ে থাকলে তা থেকে রোগজীবাণু ছড়ানোর আশঙ্কা থাকে। বিশেষ করে জনসমাগমস্থলে এমন পরিস্থিতি জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ।

এ বিষয়ে পৌর কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, দ্রুত ময়লা অপসারণ করে পার্কটিকে আগের মতো পরিষ্কার ও দর্শনার্থীবান্ধব পরিবেশে ফিরিয়ে আনা হোক।

Ads small one

তামিম ইকবাল আইসিসিতে আরও এক দায়িত্ব নিলেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৪৮ পূর্বাহ্ণ
তামিম ইকবাল আইসিসিতে আরও এক দায়িত্ব নিলেন

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) নরমালাইজেশন কমিটির সদস্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।

ক্রিকেট প্রশাসনের বৈধতা, পরিচালনব্যবস্থা কিংবা কোনো দেশের ক্রিকেট বোর্ডের স্বীকৃতি নিয়ে প্রশ্ন উঠলে বিষয়টি পর্যালোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এই কমিটি।

 

কোনো দেশের ক্রিকেট বোর্ড বৈধ না অবৈধ, কিংবা বিদ্যমান বোর্ডকে স্বীকৃতি দেওয়া হবে কি না- এ ধরনের বিষয় নির্ধারণের সঙ্গে নরমালাইজেশন কমিটি যুক্ত।

এর আগে আইসিসির ফ্র্যাঞ্চাইজি কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পেয়েছিলেন তামিম ইকবাল। বিসিবি সভাপতি এবার আরও একটি কমিটিতে যুক্ত হলেন ।

সম্পাদকীয়/ বখাটে, মাদক, জুয়া ও চুরির রুখতে আশু পদক্ষেপ জরুরি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ বখাটে, মাদক, জুয়া ও চুরির রুখতে আশু পদক্ষেপ জরুরি

পাটকেলঘাটা ও সাতক্ষীরা শহরের সাম্প্রতিক অপরাধচিত্র জেলাটির সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। একের পর এক বখাটেপনা, চাঁদাবাজি, নারীদের উত্ত্যক্তকরণ, চুরি ও মাদকের বিস্তারে সাধারণ মানুষের জনজীবন আজ চরম অতিষ্ঠ ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। দেশের পূর্বাঞ্চলীয় বা দক্ষিণাঞ্চলের যেকোনো অঞ্চলে যখন অপরাধীরা এতটা বেপরোয়া হয়ে ওঠে, তখন তা সমাজব্যবস্থার সামগ্রিক শিথিলতাকেই নির্দেশ করে।
পাটকেলঘাটার কালীবাড়ী রোড, হাইস্কুল রোড কিংবা কুমিরা মহিলা কলেজের আশপাশের এলাকাগুলোতে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা আজ প্রশ্নের মুখে। স্কুল-কলেজগামী ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করা ও ছবি তোলার মতো অপরাধ শুধু ব্যক্তি নিরাপত্তা বিঘিœত করছে না, বরং নারীশিক্ষার পরিবেশকেও ব্যাহত করছে। তার ওপর পুকুরে গোসলরত নারীদের লাঞ্ছিত করার ঘটনা সামাজিক নৈতিকতার চরম অবক্ষয় প্রকাশ করে। অন্যদিকে, কৃষি ও মৎস্যজীবীদের ওপর নেমে এসেছে আর্থিক বিপর্যয়। খলিশখালী ইউনিয়নে গত ছয় মাসে ৬৫টি সেচ পাম্প চুরি এবং মাছের ঘের থেকে চুরি শুধু অপরাধই নয়, এর মাধ্যমে স্থানীয় গ্রামীণ অর্থনীতি ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। চুরি করা মালামাল ও মাছ কম দামে বিক্রি করে সেই অর্থ মাদকের পেছনে ব্যয় করার যে তথ্য উঠে এসেছে, তা ইঙ্গিত করে যে এই অপরাধচক্রের মূলে রয়েছে মাদকের নীল ছোবল।

একইভাবে সাতক্ষীরা শহরের প্রাণকেন্দ্র সিটি কলেজ মোড় এলাকায় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বাসাবাড়িতে ধারাবাহিক চুরির ঘটনা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারির দুর্বলতা স্পষ্ট করে তোলে। পুলিশের হাতেনাতে আটক বা অভিযানের পরও যখন চুরি থামে না, তখন সাধারণ ব্যবসায়ী ও বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রার জন্য নিরাপত্তা সবচেয়ে মৌলিক শর্ত।
পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে আইনি ব্যবস্থার আশ্বাস দেওয়া হলেও কেবল আশ্বাসেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা সম্ভব নয়। এখন প্রয়োজন দৃশ্যমান ও কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ। পাটকেলঘাটার চিহ্নিত অপরাধপ্রবণ এলাকা এবং শহরের সিটি কলেজ মোড়ে নিয়মিত বিট পুলিশিং ও নৈশ টহল দ্বিগুণ করতে হবে। বখাটে চক্র যে মাদক স্পটগুলোতে আড্ডা দেয়, সেগুলোতে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে মাদকের সরবরাহ বন্ধ করা জরুরি। চুরি যাওয়া সেচ পাম্প বা মাছের মতো চোরাই পণ্যের ক্রেতা ও চোর চক্রের মূল হোতাদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী ও তরুণদের সমন্বয়ে মহল্লাভিত্তিক নিরাপত্তা কমিটি গঠন করে পুলিশের সাথে যোগাযোগের পথ সুগম করতে হবে, যাতে ভুক্তভোগীরা নির্ভয়ে অভিযোগ জানাতে পারেন।
জনগণের জীবনের নিরাপত্তা ও সম্পদে হাত দেওয়া অপরাধীদের প্রতি কোনো অনুকম্পা দেখানোর সুযোগ নেই। প্রশাসন অবিলম্বে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিয়ে নাগরিকদের আস্থা ফিরিয়ে আনবেÑএটাই আমাদের প্রত্যাশা।

পাটকেলঘাটায় ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ণ
পাটকেলঘাটায় ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: পাটকেলঘাটায় ১০ পিস ইয়াবাসহ রহমত আলী মিঠু (৪০) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাত আটটার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাটকেলঘাটা পাঁচরাস্তা মোড় থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার রহমত আলী মিঠু যুগিপুকুরিয়া গ্রামের সুজাউদ্দিনের ছেলে এবং পেশায় ইলেকট্রনিক্স মিস্ত্রি।
পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১০ পিস ইয়াবাসহ তাঁকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।