বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩

মহাসড়কের পাশে পৌরসভার ময়লার ভাগাড়, দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ মানুষ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ
মহাসড়কের পাশে পৌরসভার ময়লার ভাগাড়, দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ মানুষ

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা-যশোর মহাসড়কের লস্কর ফিলিং স্টেশনের পাশে সাতক্ষীরা পৌরসভা কর্তৃক অপরিকল্পিতভাবে ময়লা-আবর্জনার ভাগাড় (ডাম্পিং স্টেশন) গড়ে তোলায় চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা। ব্যস্ততম এই মহাসড়কের ঠিক পাশেই উন্মুক্ত স্থানে বর্জ্য ফেলায় বাতাসে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে, যা সাধারণ মানুষের চলাচলকে দুর্বিষহ করে তুলেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রতিদিন পৌরসভার বিভিন্ন এলাকার বর্জ্য এনে এখানে স্তূপ করে রাখা হচ্ছে। এই জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহন ও মানুষ যাতায়াত করেন। যাতায়াতের সময় বাতাসে ভেসে আসা তীব্র দুর্গন্ধে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, মহাসড়কের পাশে এভাবে উন্মুক্ত স্থানে ময়লা ফেলার কারণে মারাত্মক পরিবেশ দূষণ ঘটছে এবং রোগব্যাধি ছড়ানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই চরম ভোগান্তি থেকে মুক্তি পেতে এবং পরিবেশ রক্ষায় অনতিবিলম্বে ময়লার ভাগাড়টি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। একই সঙ্গে জনস্বার্থ বিবেচনা করে তাঁরা এ বিষয়ে সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসকের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Ads small one

কৃষ্ণনগরের ইয়ার আলী, বাহার আলী ও রেজাউলের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ৪:০৫ অপরাহ্ণ
কৃষ্ণনগরের ইয়ার আলী, বাহার আলী ও রেজাউলের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নে বিভিন্ন অভিযোগে দায়ের হওয়া বিচারাধীন মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তি, আসামিদের জামিন বাতিল এবং আদালতের রায়ের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন সর্বস্তরের জনগণ এর ব্যানারে একদল মানুষ।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ আদালত চত্বরে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয় । এতে কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের বেশ কয়েকজন নারী-পুরুষ অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের ইয়ার আলী, বাহার আলী ও রেজাউলের বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, জমি দখল ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক মামলা বিভিন্ন আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। তাদের দাবি, ইয়ার আলীর বিরুদ্ধে ৩৫টি, বাহার আলীর বিরুদ্ধে ৩১টি এবং রেজাউলের বিরুদ্ধে ৪১টি মামলা রয়েছে।

বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, রাজগুল, আনিসুর ও পলাশ ওই চক্রের সহযোগী। তাদের মধ্যে রাজগুল ও পলাশ এখনো গ্রেপ্তার হয়নি। এ ছাড়া বিভিন্ন গ্রামে ওই চক্রের আরও সদস্য সক্রিয় রয়েছে বলেও দাবি করেন তারা।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মামলাগুলোর বিচারকাজ চললেও এখনো নিষ্পত্তি না হওয়ায় ভুক্তভোগীরা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। দ্রুত বিচার সম্পন্ন করে প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।

মানববন্ধন থেকে বিচারাধীন মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তি, পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার এবং আদালতের রায়ের ভিত্তিতে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

গর্ত আর কাদা-পানিতে বেহাল শহরের তুফান মোড়-পিএন স্কুল সড়ক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ১:০২ পূর্বাহ্ণ
গর্ত আর কাদা-পানিতে বেহাল শহরের তুফান মোড়-পিএন স্কুল সড়ক

oplus_0

নিজস্ব প্রতিনিধি: বুধবার সকাল সাড়ে আটটা। শহরের দোকানপাট সবে খুলতে শুরু করেছে। কর্মজীবী মানুষ ছুটছেন নিজ নিজ গন্তব্যে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও রওনা হয়েছেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উদ্দেশে। এমন সময় শুরু হলো গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। কিছুক্ষণের মধ্যেই সাতক্ষীরা শহরের তুফান মোড় থেকে পিএন স্কুল মোড় পর্যন্ত সড়কে জমে গেল পানি।
ব্যস্ততম এই সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ একটি ইজিবাইকের চাকা পানিভরা গর্তে পড়ে যায়। এতে নোংরা পানি ছিটকে গিয়ে ভিজে যায় পাশ দিয়ে যাওয়া একটি ভ্যানের যাত্রীদের পোশাক। তুফান মোড় থেকে পিএন স্কুল মোড় পর্যন্ত মাত্র ১৫০ থেকে ২০০ মিটারের এই সড়কে এমন ভোগান্তি এখন নিত্যদিনের চিত্র।
শহরের অন্যতম জনগুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটির পিচ ও খোয়া উঠে গিয়ে পুরোপুরি বেহাল দশা তৈরি হয়েছে। পুরো সড়ক জুড়ে তৈরি হয়েছে অসংখ্য ছোট-বড় গর্ত। সামান্য বৃষ্টিতেই এসব গর্তে পানি জমে ডোবার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। এই কাদা-পানি মাড়িয়েই চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে রিকশা, ইজিবাইক, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন। সড়কের দুপাশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর সামনের অংশও কাদায় ঢেকে গেছে।
এ রাস্তায় যাতায়াতকারী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা জানান, প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। বিশেষ করে স্কুলের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দুর্ভোগ এখন চরমে পৌঁছেছে। গর্তে চাকা পড়ে প্রতিনিয়ত রিকশা বা ইজিবাইক উল্টে ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে। নোংরা পানিতে জামাকাপড় নষ্ট হওয়া এখানে নিয়মিত ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। বৃষ্টি হলে এই পথ দিয়ে হেঁটে যাওয়ারও কোনো উপায় থাকে না।
সড়কের পাশের ব্যবসায়ীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, রাস্তার এই জরাজীর্ণ অবস্থার কারণে ক্রেতারা দোকানে আসতে চান না। কাদা আর নোংরা পানির ছিটায় দোকানের মালামাল নষ্ট হয়। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটির এই অবস্থা থাকলেও সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না।
ব্যস্ততম এই সড়কটি দ্রুত সংস্কার করে কাদা-পানির এই নাকাল হওয়া থেকে মুক্তি পেতে সংশ্লিষ্ট পৌর কর্তৃপক্ষের কার্যকর ও জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ভুক্তভোগী পৌরবাসী।

আজ এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ১:০০ পূর্বাহ্ণ
আজ এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু

সাতক্ষীরায় মোট পরীক্ষার্থী ১৫,৯০৬, এইচএসসি ১১৪০২, আলিম ১৮৪২, ভোকেশনাল ২৬৬২
নিজস্ব প্রতিনিধি: আজ বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) থেকে শুরু হচ্ছে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। এবার সাতক্ষীরা জেলায় এইচএসসি, আলিম ও কারিগরি (ভোকেশনাল) মিলিয়ে মোট ১৫ হাজার ৯০৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। জেলার মোট ৪০টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
জেলা শিক্ষা অফিসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এবার সাধারণ ধারায় এইচএসসি পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। জেলার ২৩টি কেন্দ্রে মোট ১১ হাজার ৪০২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে ছাত্র ৫ হাজার ৯০৫ জন এবং ছাত্রী ৫ হাজার ৪৯৭ জন।
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষায় ৯টি কেন্দ্রে মোট অংশ নিচ্ছে ১ হাজার ৮৪২ জন পরীক্ষার্থী। যার মধ্যে ছাত্র ১ হাজার ১৩৫ জন এবং ছাত্রী ৭০৭ জন। এছাড়া কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ভোকেশনাল পরীক্ষায় জেলার ৮টি কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২ হাজার ৬৬২ জন। এর মধ্যে ১ হাজার ৬৮৩ জন ছাত্র এবং ৯৭৯ জন ছাত্রী।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের এই উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা ২ জুলাই থেকে শুরু হয়ে আগামী ৮ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তত্ত্বীয় (লিখিত) পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পরীক্ষার সার্বিক প্রস্তুতির বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা অফিসার মো. আলমগীর কবীর উক্ত তথ্য দিয়ে জানান, সবকটি কেন্দ্রে সুষ্ঠু, নকলমুক্ত ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা কেন্দ্রগুলো নিয়মিত তদারকির জন্য জেলা প্রশাসন ও শিক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকে বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে।