মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

মানহীন রেস্টুরেন্টের ছড়াছড়ি : আশাশুনিতে প্রতারিত হচ্ছেন ভোক্তারা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬, ৫:৪৬ অপরাহ্ণ
মানহীন রেস্টুরেন্টের ছড়াছড়ি : আশাশুনিতে প্রতারিত হচ্ছেন ভোক্তারা

আশাশুনি সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলায় দিন দিন বাড়ছে বিভিন্ন হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও ফাস্টফুড দোকানের সংখ্যা। তবে প্রশাসনের নিয়মিত তদারকির অভাবে এসব প্রতিষ্ঠানের একটি অংশে নিম্নমানের খাবার পরিবেশন, অতিরিক্ত দাম আদায়, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রান্না এবং মেয়াদোত্তীর্ণ বা নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের অভিযোগ উঠছে। ফলে প্রতিদিনই প্রতারিত হচ্ছেন সাধারণ ভোক্তারা এবং স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ।

 

উপজেলার বুধহাটা, আশাশুনি সদর, প্রতাপনগর, গুনাকরকাটি, কুল্যার মোড, দরগাপুর, কাদাকাটি, কালীবাড়ি, আনুলিয়া ও খাজরা বাজারের কয়েকটি রেস্টুরেন্ট ও ফাস্টফুড দোকানে গিয়ে দেখা যায়, অনেক জায়গায় খাবার প্রস্তুত ও সংরক্ষণের পরিবেশ স্বাস্থ্যসম্মত নয়। রান্নাঘর অপরিষ্কার, পুরোনো তেল বারবার ব্যবহার করা হচ্ছে এবং ফ্রিজে দীর্ঘদিন সংরক্ষিত মাংস ও মাছ দিয়ে বিভিন্ন খাবার প্রস্তুত করা হচ্ছে বলে স্থানীয় কয়েকজন ভোক্তা অভিযোগ করেন।

 

আশাশুনি সদর বাজারের এক ভোক্তা, পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক, বলেন, “মেন্যুতে যেভাবে খাবারের বর্ণনা দেওয়া থাকে, বাস্তবে খাবারে সেই উপকরণ পাওয়া যায় না। চিকেনের পরিবর্তে হাড় বেশি, সবজির পরিবর্তে অতিরিক্ত সস ব্যবহার করা হয়। দামও তুলনামূলক বেশি নেওয়া হয়।” আরেকজন কলেজ শিক্ষার্থী জানান, অনেক ফাস্টফুড দোকানে বারবার একই তেল ব্যবহার করে চিকেন ফ্রাই, বার্গার ও অন্যান্য ভাজাপোড়া তৈরি করা হয়। এতে খাবারের স্বাদ যেমন নষ্ট হয়, তেমনি স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়ে।স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ফ্রিজে রাখা মাংস, মাছ কিংবা বারবার ব্যবহৃত তেলে রান্না করা খাবার শরীরে নানা ধরনের রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। এসব খাবার থেকে খাদ্যে বিষক্রিয়া, গ্যাস্ট্রিক, লিভারের সমস্যা এবং দীর্ঘমেয়াদে ক্যানসারের ঝুঁকিও সৃষ্টি হতে পারে।

 

স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের অভিযোগ, উপজেলার অনেক রেস্টুরেন্ট ও খাবারের দোকানে ট্রেড লাইসেন্স, স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য পরিবেশনের সনদ, অগ্নিনিরাপত্তা ছাড়পত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়মিত নবায়ন করা হয় না। তবুও এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তেমন কোনো অভিযান বা নিয়মিত মনিটরিং চোখে পড়ে না। এ বিষয়ে আশাশুনি উপজেলার কয়েকজন ব্যবসায়ী বলেন, অধিকাংশ ব্যবসায়ী স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে খাবার পরিবেশনের চেষ্টা করেন। তবে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর কারণে পুরো খাতের সুনাম ক্ষুণœ হচ্ছে।

 

নিয়মিত প্রশাসনিক নজরদারি হলে অনিয়ম অনেকটাই কমে আসবে। সচেতন মহলের দাবি, উপজেলা প্রশাসন, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সমন্বয়ে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, খাদ্যের মান পরীক্ষা এবং লাইসেন্স যাচাই করা প্রয়োজন। পাশাপাশি ভোক্তাদের অভিযোগ গ্রহণ ও দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্য ভোক্তার মৌলিক অধিকার। তাই জনস্বাস্থ্য রক্ষায় অনিয়মকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি সচেতনতামূলক কার্যক্রমও জোরদার করা জরুরি।

 

Ads small one

কলারোয়ায় সাংবাদিকের কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় সাংবাদিকের কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ

পত্রদূত ডেস্ক: কলারোয়ায় এক সাংবাদিকের কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি ও তাঁকে লাঞ্ছিত করার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রদীপ দে ওরফে গপা ডাক্তার নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে দৈনিক পত্রদূত ও সংবাদ পত্রিকার কলারোয়া প্রতিনিধি আব্দুর রহমান জয়নগর ইউনিয়নের সরসকাটি বাজারের ‘দিশা ফার্মেসী’তে যান। সেখানে তিনি ফার্মেসির মালিক ও জয়নগর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদের সঙ্গে ব্যক্তিগত বিষয়ে কথা বলছিলেন। এ সময় ক্ষেত্রপাড়া গ্রামের প্রদীপ দে ফার্মেসিতে প্রবেশ করে সাংবাদিক আব্দুর রহমানকে উদ্দেশ্য করে কটু মন্তব্য করতে থাকেন।
একপর্যায়ে প্রদীপ দে দাবি করেন, পুলিশে তাঁর আটকের ঘটনায় বিপুল টাকা খরচ হয়েছে এবং বাজারে আসতে হলে সাংবাদিক আব্দুর রহমানকে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে। এ সময় তিনি ওই সাংবাদিককে লাঞ্ছিত করার চেষ্টা করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জয়নগর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ বলেন, প্রদীপ দে ওরফে গপা ডাক্তারের এমন আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তবে অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে প্রদীপ দের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

আশাশুনিতে ৩০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩৩ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে ৩০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে ৩০ পিস ইয়াবাসহ হাফিজুল গাজী (৪১) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। গত মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের ফকরাবাদ গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আশাশুনি থানা পুলিশ জানায়, ফকরাবাদ গ্রামের আব্দুল লতিফ গাজীর ছেলে হাফিজুল গাজীর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে একটি কৌটার ভেতর থেকে ৩০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আরিফ জানান, এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে আশাশুনি, তালা ও সাতক্ষীরা সদর থানায় আগে থেকেই পাঁচটি মামলা রয়েছে। বুধবার সকালে তাঁকে বিচারকের মাধ্যমে আদালতে পাঠানো হবে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় থাকবে বলে জানান তিনি।

দেবহাটায় সামাজিক অপরাধ রোধে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ওসির মতবিনিময়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩১ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় সামাজিক অপরাধ রোধে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ওসির মতবিনিময়

Oplus_131072

দেবহাটা প্রতিনিধি: বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং, সাইবার অপরাধ ও আত্মহত্যা প্রতিরোধে দেবহাটার শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশেষ সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বহেরা এ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ কুলিয়া ইউনিয়নের দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচ এম শাহীন।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে ওসি এইচ এম শাহীন বলেন, কোনো প্রকার অনিয়ম, হয়রানি বা ইভটিজিংয়ের শিকার হলে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে জানাতে হবে। পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধ অর্জন করতে হবে। সেই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানান তিনি।
মানসিক স্বাস্থ্য ও আত্মহত্যা প্রতিরোধে ওসি বলেন, যেকোনো সমস্যায় হতাশ না হয়ে পরিবার ও শিক্ষকদের পরামর্শ নেওয়া উচিত। শিক্ষার্থীরা যেন কোনো সামাজিক অপরাধের ফাঁদে না পড়ে, সে জন্য শিক্ষকদেরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়।