মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

মুন্সীগঞ্জ বাজারে অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ, পুড়িয়ে বিনষ্ট

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ
মুন্সীগঞ্জ বাজারে অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ, পুড়িয়ে বিনষ্ট

মুন্সীগঞ্জ (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলার মুন্সীগঞ্জ বাজারে অভিযান চালিয়ে আনুমানিক তিন লাখ টাকা মূল্যের নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ করে তা আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার বিকেলে বাজারের একটি দোকানে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রাশেদ হোসেন ও সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. তৌহিদ হাসানের নেতৃত্বে এই যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জানান, প্রজনন মৌসুমে মৎস্য সম্পদ রক্ষা এবং জলজ প্রাণীর বংশবৃদ্ধি নিশ্চিত করতেই এই নিষিদ্ধ জালের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। ক্ষতিকর জালের ব্যবহার ও বিক্রির বিরুদ্ধে এই ধরনের তদারকি ও অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।

Ads small one

কলারোয়ায় হাজী কল্যাণ সংস্থার মতবিনিময় সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ণ
কলারোয়ায় হাজী কল্যাণ সংস্থার মতবিনিময় সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় আগামী ২২ আগস্ট অনুষ্ঠিতব্য হাজী সম্মেলন উপলক্ষে কলারোয়ায় এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে কলারোয়ার মরহুম ডাক্তার আনিসুর রহমান ভবনের দ্বিতীয় তলায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। কলারোয়া উপজেলা হাজী কল্যাণ সংস্থার সভাপতি ও কলারোয়া সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবু নসরের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা হাজী কল্যাণ সংস্থার সভাপতি আলহাজ মো. দ্বীন আলী। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ গোলাম মোস্তফা। উপজেলা হাজী কল্যাণ সংস্থার সাধারণ সম্পাদক কাজী শামসুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ইউনুস আলী, শাহীনুর রহমান ও আব্দুর রউফ উপস্থিত ছিলেন।

সম্পাদকীয়/গ্রামীণ শিক্ষা ও আলো ছড়ানোর অনন্য বাতিঘর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/গ্রামীণ শিক্ষা ও আলো ছড়ানোর অনন্য বাতিঘর

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ইসলামকাটি গ্রামে কপোতাক্ষ নদের তীরে ১৯৮৮ সালে গড়ে ওঠা ‘খান নাজমুল পাবলিক লাইব্রেরি’ কেবল একটি বইয়ের ঘর নয়; এটি এক অবিনাশী আলোর বাতিঘর। তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে যখন মানুষ ক্রমশ পর্দানির্বাহক ডিজিটাল নির্ভরতায় অভ্যস্ত হয়ে উঠছে, তখন দীর্ঘ ৩৮ বছর ধরে কাঠের আলমারিতে বন্দি বইয়ের গন্ধ আর পাতার শব্দে এই লাইব্রেরিটি ধরে রেখেছে ঐতিহ্যবাহী পাঠাভ্যাস। এটি আজ আর কেবলই একটি নীরব পাঠকেন্দ্র নয়, বরং এলাকার শিক্ষা ও সংস্কৃতি চর্চার প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
একটি স্থানীয় উদ্যোগ কীভাবে সমাজের আমূল পরিবর্তন ঘটাতে পারে, এই লাইব্রেরি তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ। বই পড়ার সুযোগ করে দেওয়ার পাশাপাশি পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি, যাতায়াতের জন্য বাইসাইকেল প্রদান এবং শিক্ষার সরঞ্জাম বিতরণ করে প্রতিষ্ঠানটি যে মানবিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতা দেখাচ্ছে, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। একটি গ্রামীণ সমাজে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মূলধারায় ধরে রাখতে এমন বাস্তবমুখী পদক্ষেপ অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। উপজেলা প্রশাসন থেকে শুরু করে সমাজের সর্বস্তরের গুণীজনদের ভূয়সী প্রশংসা প্রমাণ করে এর সমাজ বিনির্মাণের প্রভাব কতটা সুদূরপ্রসারী।
আজকের এই ডিজিটাল বিপ্লবের যুগে যখন তরুণেরা মোবাইল স্ক্রিনে নিমগ্ন এবং পাঠাগারভিত্তিক জ্ঞানচর্চা সংকটের মুখে, তখন এমন একটি গ্রামীণ লাইব্রেরির টিকে থাকা ও সক্রিয় ভূমিকা রাখা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তবে কোনো মহান উদ্যোগকে স্থায়ী ও আরো বেগবান করতে কেবল ব্যক্তি বা স্থানীয় প্রচেষ্টা যথেষ্ট নয়। এই জ্ঞানচর্চাকেন্দ্রটিকে যুগোপযোগী অবকাঠামো, পর্যাপ্ত নতুন বইয়ের সংস্থান এবং ডিজিটাল ক্যাটালগ ব্যবস্থার আওতায় আনতে সরকারি ও বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতা অতি জরুরি।
কপোতাক্ষের তীরের এই লাইব্রেরিটি প্রমাণ করেছে, আলোর ঠিকানা তৈরি করতে বিশাল অট্টালিকার প্রয়োজন হয় না; সদিচ্ছা ও ভালোবাসাই যথেষ্ট। স্থানীয় এই উদ্যোগটি টিকে থাকুক, এর শিক্ষার আলো ছড়িয়ে পড়ুক নদীঘেরা বাংলার প্রতিটি প্রান্তে।

ডিবি গার্লস স্কুলে নতুন এডহক কমিটির পরিচিতি সভায় শিক্ষার মানোন্নয়নে আলোচনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২৮ পূর্বাহ্ণ
ডিবি গার্লস স্কুলে নতুন এডহক কমিটির পরিচিতি সভায় শিক্ষার মানোন্নয়নে আলোচনা

 

 

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর-ব্রহ্মরাজপুর (ডিবি) গার্লস স্কুলে নতুন এডহক কমিটির পরিচিতি সভায় শিক্ষার মানোন্নয়নে আলোচনায় বেশ কয়েকটি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। ১১ আগস্ট, স্কুলের প্রধান শিক্ষকের অফিসকক্ষে শিক্ষার মানোন্নয়নে করণীয়” শীর্ষক ওই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় স্থানীয় শিক্ষাবিদ, শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। সুশীল সমাজ ও অংশীদারদের যৌথ প্রচেষ্টায় শিক্ষার সামগ্রিক পরিবেশ ও মান বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় বক্তারা বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার নানা চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন এবং শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধির জন্য নি¤œলিখিত যুগোপযোগী পদক্ষেপগুলো গ্রহণের ওপর জোর দেন। মানসম্মত শিক্ষার পূর্বশর্ত হলো দক্ষ শিক্ষক। শিক্ষকদের আধুনিক শিক্ষাদান পদ্ধতি, ডিজিটাল প্রযুক্তি এবং ইতিবাচক মনস্তাত্ত্বিক কৌশলের ওপর নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। মুখস্থবিদ্যা এবং পরীক্ষানির্ভর মূল্যায়নের পরিবর্তে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, সংকট সমাধান ও ব্যবহারিক দক্ষতার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। শ্রেণি কক্ষে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, কম্পিউটার ল্যাব এবং ইন্টারনেটের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা বৈশ্বিক তথ্যের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। শিক্ষার্থীর মানসিক ও শিক্ষাগত বিকাশে বিদ্যালয় ও পরিবারের যৌথ ভূমিকা অপরিহার্য। সেজন্য নিয়মিত ‘অভিভাবক সমাবেশ’ আয়োজন ও মতবিনিময় জোরদার করা প্রয়োজন। কেবল পাঠ্যপুস্তক নয়, ক্রীড়া, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও মানবিক মূল্যবোধ চর্চার পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে, যা শিক্ষার্থীদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলবে। স্কুলের নতুন এডহক কমিটির সভাপতি সাতক্ষীরা সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. আবুল হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন প্রধান শিক্ষক মো. এমাদুল ইসলাম, শিক্ষক প্রতিনিধি মো. হাফিজুল ইসলাম, অভিভাবক সদস্য রবীন্দ্র কর্মকার, সাবেক বিদ্যেৎসাহী সদস্য আব্দুল হামিদ বাবু, সদ্য অবসরপ্রাপ্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক অনুজিৎ কুমার মন্ডল, সিনিয়র শিক্ষক মো. নজিবুল ইসলাম, গীতা রাণী সাহা, শামীমা আক্তার, অরুন কুমার মন্ডল, দেবব্রত ঘোষ, কনক কুমার ঘোষ, মৃনাল কুমার বিশ্বাস, ভানুবতী সরকার প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করে সিনিয়র শিক্ষক এসএম শহীদুল ইসলাম।